বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

চন্দ্রকান্ত (৩য় পর্ব)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ।।। চন্দ্রকান্ত (৩য় পর্ব) ।।। লিখেছেনঃ আরিয়ান শুভ। . ভাইকিং স্টোন আসলে কী, এর সঠিক উত্তর এখনো জানা নেই। তবে ধারণা করা হয়, এটি হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে তৈরি এক ধরনের খনিজ পদার্থ, যেটি মূলত আইসল্যান্ড অঞ্চলেই পাওয়া যায়। চুনাপাথরের গঠনে তৈরি হলেও এটি স্বচ্ছ এবং কাচের মতো। এতে সূর্যের কিরণ প্রতিফলিত হতে পারে। এলিজাবেথীয় জাহাজটি থেকে খুঁজে পাওয়া আইসল্যান্ড স্পারের গঠনও কিন্তু প্রায় একই রকম। এ বিষয়ে আরো গবেষণা চলছে।’ ‘সূর্যপাথর কি জিনিস বুঝলাম,’ নিজের সপ্তাহখানেক না কামানো খোঁচা খোঁচা দাড়িতে হাত বুলিয়ে বললাম আমি, ‘কিন্তু চন্দ্রকান্ত জিনিসটা কি? আর একটা কথা, এখানে, এই ছেড়াদিয়ার সাথে এর সম্পর্ক কি?’ ‘সম্পর্ক আছে,’ মুচকি হেসে বললো ও, ‘গভীর সম্পর্ক আছে। তবে সেটা সূর্যপাথরের সাথে নয়, চন্দ্রকান্তের সাথে। আর চন্দ্রকান্ত ঠিক কি জিনিস, তা বলার আগে সূর্যপাথর সম্পর্কে বলাটা জরুরী মনে করলাম।’ ‘বলে যাও,’ মাথা নেড়ে বললাম আমি, ‘আমি শুনছি।’ ‘হুম,’ আবার শুরু করলো ও, ‘চন্দ্রকান্ত হচ্ছে সূর্যপাথর বা আইসল্যান্ড স্পার বা ভাইকিং স্টোনের বিপরীতধর্মী একটা পাথর। এটাও দেখতে অনেকটা উজ্জ্বল স্ফটিকের মতো। তবে সূর্যপাথরের আকারের অর্ধেক হতো সেগুলো। এখনো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, পৃথিবীতে চন্দ্রকান্ত বা মুনস্টোনের সংখ্যা মোট সাতটি। তার মধ্যে একটা লুকিয়ে আছে এই ছেড়াদিয়ার আশেপাশে কোথাও।’ ‘ছেড়াদিয়ার আশেপাশে,’ আগ্রহবোধ করছি আমি, ‘কিন্তু তুমি জানলে কি করে?’ ‘জানি আর কি,’ মৃদু হাসলো ও, ‘ছোটবেলা থেকেই জলদস্যুদের সম্পর্কে আগ্রহ ছিল আমার। প্রচুর বই পড়েছি আমি এদের সম্পর্কে। একই উদ্দেশ্যে ভর্তি হয়েছি আর্কিওলজি এন্ড এনসিয়েন্ট হিস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে। এখানে ভর্তি হবার পর প্রাচীন জলদস্যুদের সম্পর্কে আরো বেশী করে জানার সুযোগ হয় আমার। গত আড়াই বছর ধরে বলতে গেলে বিশেষ এক জলদস্যুর উপর গবেষনা করছি আমি। আর সেই সূত্রেই জানতে পেরেছি এসব।’ ‘কে?’ প্রশ্ন করলাম আমি, ‘নাম কি সেই জলদস্যুর?’ ‘হেনরি লরেন্ট,’ শান্তকন্ঠে বললো ও, ‘কুখ্যাত জলদস্যু হেনরি লরেন্ট। অবশ্য তার সম্পর্কে কোথাও তেমন একটা নথি পাওয়া যায় না। এমনকি চার্লস জনসনের ‘এ জেনারেল হিস্টোরি অফ দ্য পাইরেটস’ বইতেও তার নাম নেই। অথচ এই বইটিতে দাবী করা হয় এখানে নাকি সব কুখ্যাত জলদস্যুদের নাম ও তাদের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া আছে। হেনরি লরেন্টের নাম আমি প্রথম পাই রবার্ট ভন ওয়েলসের ‘দ্যা পাইরেটস ওয়িথ ভেরিয়াস জলি রজারস’ বইতে।’ ‘জলি রজারস?’ আবারো প্রশ্ন করি আমি, ‘কি এটা? কারো নাম?’ ‘জলি রজার,’ মাথা নেড়ে উত্তর দিলো ও, ‘জলি রজার হল মড়া মানুষের মাথার খুলি এবং আড়াআড়ি ভাবে রাখা দুটি হাড় সম্বলিত একধরনের পতাকা যা জলদস্যুরা তাদের জাহাজের মাস্তুলে আক্রমনের পূর্ব মুহূর্তে ব্যবহার করত। বর্তমানে জলি রজার হিসেবে যেসব পতাকা চিহ্নিত করা হয় তা মূলত, একটি কালো ক্ষেত্রের উপর মানুষের মাথার খুলি এবং খুলির নিচে দুটি দীর্ঘ হাড় আড়াআড়িভাবে এক্স মার্ক দেওয়া থাকে। এধরনের নকশার পতাকা কয়েকজন জলদস্যু ব্যবহার করত। তাদের মধ্যে, এডওয়ার্ড ইংল্যান্ড, ক্যাপ্টেন ব্ল্যাক স্যাম বেল্লামি ও জন টেইলর অন্যতম। এছাড়া অন্যান্য জলদস্যুরা তাদের নিজস্ব জলি রজার ব্যবহার করত। কিছু কিছু জলি রজার পতাকায় বালিঘর (Hourglass) ব্যবহার করা হত যা ১৭ থেকে ১৮ শতকের দিকে ইউরোপে মৃতদের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত ছিল। জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে ব্যবহার বাদে, ১৭ ও ১৮ শতাব্দীর অধিকাংশ জলদস্যু জলি রজার হিসেবে শুধুমাত্র একটি কালো কাপড় বা লাল কাপড় ব্যবহার করত। ঐতিহাসিকভাবে, এই পতাকাটি উড়ানো হতো শিকার জাহাজকে ভয় দেখানোর জন্য যাতে তারা কোন প্রকার যুদ্ধ ব্যতিরেকে আত্মসমর্পণ করে। এছাড়াও জলি রজার উড়ানোর আরো একটি উদ্দেশ্য হল, শিকার জাহাজের ক্রুদের (কর্মী) কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া যে, জলি রজার টানানো জাহাজের আরোহীরা আউটল। মানে তারা আইনের দ্বারা দোষী সাবস্থ এবং প্রচলিত আইনকানুনের প্রতি তাদের বিন্দু মাত্র শ্রদ্ধা নেই। যদিও সচরাচর জলদস্যু গ্রেফতার হলে তাদের ফাঁসিতে ঝুলানো হত। শিকার জাহাজটি পতাকা দেখে আত্মসমর্পণ করলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জলদস্যুরা মালামাল লুট করে জাহাজের কর্মীদের ছেড়ে দিত। কিছু কিছু ঐতিহাসিকদের মতে, জাহাজকে ভয় দেখানোর জন্য প্রথমে কালো পতাকা ব্যবহার করা হত, যার অর্থ, আত্মসমর্পণ করলে শিকার জাহাজের কর্মীদের ক্ষমা করে দেওয়া হবে। কোন জাহাজ আত্মসমর্পণ না করলে তখন লাল পতাকা উড়ানো হত যার অর্থ, যুদ্ধ করে জলদস্যুরা জয়ী হলে অপর জাহাজের সব কর্মীকে হত্যা করা হবে।’ ‘ওওও,’ মাথা নেড়ে বললাম আমি, ‘বুঝলাম। এখন হেনরি লরেন্টের কাহিনী বলো।’ ‘হেনরি লরেন্ট,’ শান্তকন্ঠে বললো ও, ‘আমার মতে এ হচ্ছে ইতিহাসের আরেকজন এডওয়ার্ড টীচ বা ব্ল্যাকবিয়ার্ড। সাধারনত আটলান্টিক মহাসাগরেই ঘুরে বেড়াতেন তিনি। সাথে থাকতো তার মেয়ে ইভা লরেন্ট এবং আরো অনেক সাঙ্গপাঙ্গ। এর সাথে যোগ দিয়েছিল ইথান করবেট নামের এক আমেরিকান যুবক। ইথান যোগ দেয়ার পর ছ’টা মাস আটলান্টিকের কোনায় কোনায় চলতে থাকে তাদের লুটতরাজ অভিযান। ইথান তাদের সাথে যোগ দেয়ার ছয় মাস পর তারা একটা জাহাজ লুট করে প্রচুর সোনাদানা লাভ করে। আর সেই সাথে পায় একটা অদ্ভুত ম্যাপ। যেটা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরের তীরে কোথাও একটা পাহাড়ে আছে একটা পাথর, যার নাম দেয় তারা মুনস্টোন বা চন্দ্রকান্ত। যেটাকে লুকিয়ে রেখেছিল ক্যাপ্টেন উইলিয়াম কিড। সেটাকেই উদ্ধার করার জন্য দুঃসাহসিক একটা অভিযান পরিচালনা করে তারা। অনেক কষ্টে যখন তারা বঙ্গোপসাগরে পৌছে, তখন জাহাজে জলদস্যুদের সংখ্যা তিনভাগের একভাগে পৌছে গেছে। ম্যাপ অনুসরন করে তারা চন্দ্রকান্ত উদ্ধার করে ঠিকই, কিন্তু সেটা নিয়ে ফিরে যেতে পারে নি। সেন্ট মারটিনের এইখানে, এই ছেড়াদিয়ায় একটা সামুদ্রিক ঝড়ের কবলে পড়ে তাদের জাহাজ। কোনমতে একটা নৌকায় চড়ে সেন্ট মারটিনে পৌছে ইথান করবেট আর ইভা লরেন্ট। বাকি সবাই মারা পড়ে সেই ঝড়ে। প্রায় একবছর ছিল তারা এই দ্বীপে। তারপর এক চীনা জলদস্যু পথ ভুল করে ঢুকে পড়ে বঙ্গোপসাগরে। তার নাম ছিল চেং পু সাই। তার সাহায্যে তারা দুজন এখান থেকে মুক্তি লাভ করেন। তার আগে চন্দ্রকান্তকে রেখে যান এই সাগরে, ঠিক যেখানে হেনরি লরেন্টের জাহাজটা ডুবেছিল।’ . ০৫ . ‘অসম্ভব কল্পনা,’ অনেকক্ষন পর মুখ খুললাম আমি। ‘মানে?’ ভ্রু কুঁচকে প্রশ্ন করলো শ্রেষা, ‘কি অসম্ভব কল্পনা?’ ‘তোমার প্ল্যান,’ শান্তকন্ঠে বললাম আমি, ‘এটা একটা অসম্ভব কল্পনা। আমি চেং পু সাই সম্পর্কে কিছুটা জানি। ১৭৮৩-১৮২২ পর্যন্ত ছিল তার সময়কাল। চেং পু সাই কুইং রাজবংশের সময় গুয়াংডংর উপকূলবর্তী এলাকাতে সক্রিয় ছিলেন। এটি বলা হয়ে থাকে যে, তার অনুসারীর সংখ্যা ছিল ৫০,০০০ এরও বেশী এবং তার বহরে ৬০০টি দ্রুতগামী জাহাজ ছিল। জলদস্যুতায় তার অন্যতম সহযোগী ছিলেন চাই কিয়ান। এরপর চাই কিয়ানকে কুইং সরকার হত্যা করে ও চেং পু সাইকে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়। শর্ত সাপেক্ষে চেং পু সাই চীন সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেন ও কুইং ইমপেরিয়াল নেভির ক্যাপ্টেন মনোনীত হন। তিনি তার জীবনের বাকী সময় অন্য জলদস্যুদের সাথে যুদ্ধ করে ও সরকারকে সহায়তা করে কাটিয়েছেন।’ ‘গুড,’ কিছুটা খুশী হয়ে উঠলো ও, ‘ভালই জানো দেখি এর সম্পর্কে। কিন্তু এখানে অসম্ভব কল্পনা কোনটা?’ ‘তোমার প্ল্যান,’ আবারো বললাম আমি, ‘তোমার ইথান করবেট আর ইভা লরেন্টের কাহিনী যদি সত্যি হয়, তাহলে আজ থেকে অন্তত দুশো বছর আগে চন্দ্রকান্ত বা মুনস্টোনটাকে সাগরে রেখে গেছিলেন তারা। সময় পরিক্রমায় অনেক কিছুর পরিবর্তন ঘটেছে। দুশো বছর কিন্তু কম সময় নয়। হয়তো এরই মধ্যে জাহাজটা ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। হয়তো স্রোতের ফলে পাথরটা অন্য কোথাও ভেসে গেছে। কিংবা হয়তো দেখো অন্য কেউ সেটাকে ইতোমধ্যেই উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। এখন সেটা হয়তো কোন মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে।’ ‘না,’ দৃঢ়কন্ঠে উচ্চারন করলো ও, ‘পাথরটা এখনো এখানেই আছে। এই সাগরেই। এবং আমার যতদূর ধারণা, আমাদের কাছ থেকে সিকি মাইল সামনে।’ ‘এতোটা নিশ্চিত হচ্ছো কি করে?’ ওর কনফিডেন্ট দেখে অবাক না হয়ে পারলাম না আমি। ‘আমি নিশ্চিত,’ দাতে দাঁত চেপে বললো ও, ‘পাথরটা এখনো এখানেই আছে। আর সেটা আজ রাতেই আমাকে উদ্ধার করতে হবে। নাহলে আমি হেরে যাবো নিজের কাছেই।’ ‘মানে কি?’ ভ্রু কুঁচকে বললাম আমি, ‘হেরে যাবে কিভাবে?’ ‘সেটা তুমি বুঝবে না,’ অন্যদিকে তাকিয়ে বললো ও, ‘যাইহোক। আমি তোমাকে বলছি যে পাথরটা এখানেই আছে। আর আজ রাত বারোটা এক মিনিটের আগেই তা উদ্ধার করতে হবে আমাকে। যেভাবেই হোক। আজকে সুপার মুন। জোয়ারে ভাসবে পৃথিবী। জ্যোৎস্নায় উদ্ভাসিত হবে চারদিক। আর সেই সাথে আমিও খুঁজে বের করবো চন্দ্রকান্ত।’ ‘তোমার কথার আগামাথা আমি কিছুই বুঝতে পারছি না,’ অসহায় ভঙ্গিতে বললাম আমি, ‘যা ইচ্ছে হয় করো।’ উঠে দাঁড়ালো ও। দ্রুত ওর তাবুর ভেতরে ঢুকে পড়লো। সন্ধ্যা নেমে এসেছে চারদিকে। সূর্য অস্ত গেছে বেশীক্ষন হয়নি। হু হু হাওয়া বইছে। ভাল লাগার কথা আমার। কিন্তু একটা অদ্ভুত অস্বস্তি চেপে ধরেছে আমাকে। কিছু একটা হবে, স্পষ্ট বুঝতে পারছি আমি। কিন্তু কি হবে, তা জানি না। মনে বলছে, যা হবে, তা আমার জন্য শুভ নয়। ‘এ কি!’ শ্রেষার কথায় ওর দিকে তাকালাম আমি, ‘তুমি বসে আছো কেন?’ শ্রেষার পরনে একটা সুইমিং কস্টিউম, ডানহাতে একটা ওয়াটারপ্রুফ টর্চ, বা হাতে একটা স্নোরকল। স্নোরকল হচ্ছে চোখে দেয়ার একটি মাস্ক ও নিশ্বাসের জন্য একটা ছোট্ট পাইপ দিয়ে তৈরী বস্তু যা পড়ে অনেকক্ষন পানিতে সাঁতার কাটা যায় নিশ্বাসের জন্য পানি থেকে মাথা না তুলেই। সাগরে নামার খায়েস জাগতে পারে, তাই ছেড়াদিয়ায় আসার সময় সেন্ট মার্টিন জেটির ডান পাশে জলপরীর রেসকিউ স্কুবা শপ থেকে এগুলো ভাড়া করে এনেছি আমরা। ‘সন্ধ্যে হয়ে গেছে শ্রেষা,’ শেষবারের মতো চেষ্টা করলাম আমি, ‘বাদ দাও। তুমি যে কাজ করতে চাচ্ছো, তা অসম্ভব একটা কাজ।’ ‘অসম্ভব তার জন্য,’ জেদের সাথে বললো ও, ‘যে সঠিক জায়গাটা চেনে না। আমি চিনি, তাই আমার জন্য অসম্ভব নয়। এই সাগরের ঠিক কোথায় আছে জিনিসটা, আমি তোমাকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারি। আসলে এই কাজটা করার জন্যই আমি এসেছি এখানে।’ ওর জেদের কাছে হার মানলাম আমি। কাঁধ ঝাকিয়ে আমার তাবুতে ঢুকে পড়লাম দ্রুত। তৈরী হতে হবে। রাতের বেলা ওকে আমি একা এই সাগরে নামতে দিতে পারি না। ঘড়ির দিকে তাকালাম আমি। ঘড়িতে এখন সময় সাতটা তেরো মিনিট। . চলবে..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now