বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বিয়ের বর বউ

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Mithun sarker (০ পয়েন্ট)

X **★ বিয়ের দিন গাড়িতে উঠিয়ে দিবার পর বর আর বউ এর কিছু কথোপকোথন.......*★ বরঃ এই মেয়ে তুমি কাঁদছ কেন? বউঃ চুপ চাপ কোন কথা বলল না। বরঃ তোমার কাছে কিছু জানতে চেয়েছি। বউঃ এমন উদ্ভট প্রশ্নের কি জবাব দিবো আমি। বরঃ মানে? বউঃ মানে আবার কি? বিয়ে হলে মেয়েরা কেন কাঁদে, সেই প্রশ্নের উওর টা আগে আপনে দেন। বরঃ বারে এটা আবার না বলার কি আছে, কারন ওদের সব কিছুই মানে কাছের মানুষকে ফেলে আসে তাই কান্না করে। বউঃ তবে এবার আপনেই বলেন এটা কি উদ্ভট প্রশ্ন ছিল কি না। বরঃ হুম, আসলেই তোমার সাথে কথা বলার কোন বিষয় পাচ্ছিলাম না তাই। বউঃ ও তাই বুঝি এমন প্রশ্ন দিয়ে শুরু করলেন। বরঃ হুম,তবে এবার তুমি সত্যিই কান্নাটা থামাও বউঃ কেন? বরঃ বারে এই যে তুমি এখন কাঁদতেছ এটা তো তোমার ভাই,বোন, মা,বাবা কেউ দেখতে পারছে না তবে কেন কান্না করে তোমার চোখের কাজলটা নষ্ট করছ। বউঃ আপনে তো বড় অদ্ভুত মানুষ, আপনাকে কে বলল যে আমি ওদের দেখানোর জন্য কান্না করছি। এখন তো আমার মনে হচ্ছে আপনেও কাউকে দেখিয়ে দেখিয়ে কান্না করেন। বরঃ হে করিই তো। বউঃ মানে। বরঃ মানে কিছু না, প্লিজ কান্না করো না। বউঃ কান্নাই তো করতেছি এটা করলে কি এমন ক্ষতি হবে শুনি। বরঃ কারন তোমার চোখের কাজল নষ্ট হয়ে যাবে। বউঃ আচ্ছা আপনে বার বার কাজল কাজল করছেন কেন? আমার কষ্টের থেকে কাজলটা কি বড় হয়ে গেলো নাকি। বরঃ না,মানে আমি ভেবেছিলাম তোমার চোখের কাজলটা আমি উঠিয়ে দিবো, অনেক ভালোবেসে, কিন্তু দেখনা আমার থেকে বেচারা টিস্যু টার ভাগ্যটাই ভাল আমার আগে ওয়েই তোমার ভালবাসাটা পেল।। বউঃ এবার হেঁসেই ফেল্ল, আপনে না পারেন ও বটে। বরঃ যাই হক একটু হলেও তো হাঁসলে, একটা কথা বলব, রাগ করবে না তো। বউঃ না,রাগ করবো না, বলেন কি কথা। বরঃ তোমার হাঁসিটা না.... বলল বউঃ হে, বলেন... বরঃ একটুকুও..... বউঃ একটুকুও কি? বরঃ সুন্দর না। বউঃ তাই না। বরঃহুম তাই, কথাটা শুনে অভিমান হল বুঝি। বউঃ কই,না তো। বরঃ মুখ দেখে তো মনে হচ্ছে আজ ঐ যে, আকাশে মেঘ করেছে, বৃষ্টিটা মনে হয় আমার সামনেই হবে। বউঃ কই, কোথায় মেঘ করেছে, আমি তো দেখতে পারছি না। বরঃ এই তো আমার সামনে, সেটা তুমি দেখতে পাবে না আমি দেখতে পাচ্ছি। বউঃ ও, আচ্ছা, তার মানে আপনে এক জায়গায় আছেন আর আমি অন্য যায়গায় আছি বুঝি। বরঃ ঠিক তা না, দু জনেই একেই জায়গায় আছি বাট মেঘটা যে শুধু আমার চোখেই ধরা দিয়েছে। বউঃ ও..... বরঃ একটা কথা বলব। বউঃ না থাক, না জানি এখন বলে বসবেন তুমি না কথাই বলতে পার না। বরঃ না, তেমন না, প্লিজ বলি.... বউঃ ওকে বলেন। বরঃ তোমার রাগটা না। বউঃ থাক আর শুনতে চাই না আমিই বলে দিচ্ছি খুব বাজে তাই তো। বরঃ না। বউঃতবে.... বরঃ অনেক কিউট বউঃ এবার মোচকি হাঁসলো। বরঃ আসলেই কি জানো তোমার হাঁসিটা আরো সুন্দর। বউঃ একটু অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো, তবে কি তখনের হাঁসিটা অন্য কারোও ছিল। বরঃ না, ছিল তো তোমারেই। বউঃ তবে এখন এটা সুন্দর কি করে হল। বরঃ আসলে তোমার অভিমানটা দেখার জন্যই ওভাবে বলেছিলাম। বউঃ এবার প্রান খুলা হাঁসি হাঁসলো। বরঃ আমি সারা জীবন তোমার মুখে এই হাঁসিটাই দেখতে চাই.........! (প্রতিটি স্বামী, স্ত্রীর জীবনে এমন হাঁসিই ফোঁটে থাকুক) mithun roy


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বিয়ের পর ভালোবাসা 2
→ বিয়ের পর ভালোবাসা 1
→ বিয়ের আগেই বিধবা
→ বিয়ের আগে প্রেম হারাম
→ বিয়ের পর অলিমা করতে হয় কেন
→ বিয়ের বাড়ি
→ বিয়ের রাত
→ বিয়ের রাত
→ বিয়ের আগে বাচ্চার নাম
→ বিয়ের প্রথম দিকে
→ বিয়ের মোহরানা
→ বিয়ের পাত্রী দেখা
→ বিয়ের সাক্ষী সাপ্লাই কোম্পানী
→ একটি বিয়ের প্রস্তাব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now