বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পুলিশের কন্যা

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাহিদুল ইসলাম (০ পয়েন্ট)

X রাতে ঘুমানোর আগে আম্মু অনেক বুঝালো যে, দেখ বাবা আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। এখন আর আমার দ্বারা কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।অন্তত এই বৃদ্ধ মা টার জন্য একটা মেয়েকে এইবার বউ করে আন। , বিয়ের প্রতি আমাদের প্রচন্ড এলার্জি আছে। বিয়ে নামটা শুনলে আমার সারা শরীলে কেমন যেন অনুভূতি হয়। আসলে ভাবতেই অবাক লাগে আমার সাথে রাতে একটা মেয়ে ঘুমাবে।আমাকে জরিয়ে ধরবে,লজ্জা বোলতেওতো একটা কিছু আছে। তাছাড়া বন্ধুদের কাছ থেকে শুনছি বিয়ে মানে হচ্ছে নিজের গলায় দড়ি লাগানো। তখন বউ যে দিকে টানবে সেই দিকে যেতে হবে। তাই বিয়ে নামক কোন কিছুর চিন্তা একেবারে মাথা অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছি। , কিন্তু সব সময় আম্মুর পিড়াপিড়ি আর ইমোশনাল ব্ল্যকমেইল আমাকে বিয়ের প্যরায় সম্মতি জ্ঞাপন করতে বাধ্য করে। সেইদিন দেখেছিলাম আম্মু অনেক বড় একটা হাসি দিয়েছিল।বোধহয় আলেকজান্ডার বিশ্ব জয় করেও এমন একটা হাসি দেয়নাই। মাথায় হাত বুলিয়ে বলতে লাগলো যে - যাক এত দিনে আমার ছেলের মাথায় সু বুদ্ধির উদয় হলো,আমি তখন আসহায়ের মতন আম্মুর মুখের দিকে তাকিয়েছিলাম।আর ভাবতেছিলাম নিজের সন্তান কে অন্য মেয়ের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য আম্মু কতটা উন্মুখ হয়ে আছে। , পরদিন সকালেই আম্মু আর দুলাভাইয়ের সাথে মেয়েদের তথা আমার হবু বউয়ের বাড়িতে গেলাম,বাড়িতে পা রাখতেই বুঝলাম একটি সম্ভান্ত পরিবারের বাড়ি, সকালে আম্মুর মুখে শুনছিলাম এই বাড়ির কর্তা হলেন সাবেক পুলিশ অফিসার, আস্তে আস্তে বাড়িতে প্রবেশ করলাম তখন বিসাল দেহি একজন আমাদের স্বগত জানালো। , আমি বরাবরই ছিলাম লাজুক টাইপের ছেলে তাই উনাদের বাড়িতে গিয়ে দুলাভাইয়ের পিচনে মুখটা লুকিয়ে রাখলাম।দুলাভাই সেইটা বুঝতে পারে আমার সামনে থেকে সরে গিয়ে অন্য জায়গায় বোসল।,হায় হায় আমি এবার মুখ কথায় লুকাবো,আমি মাথা নিচু করে বসে রইলাম। ,, """"এই ছেলে মাথা উপরে তুলো,,,,,, , কথা টা শুনেই ভয় পেয়ে গেলাম কন্ঠটা কেমন যেন জল্লাদ টাইপের।মাথাটা উপরে তুলে দেখি হাতে একটা বন্ধুক নিয়ে একজন পেটওয়ালা ব্যক্তি আমার সামনে বসে আছে। তুমি কার মেয়ে বিয়ে করতে এসেছো জানো??তুমি পুলিশ অফিসার আক্কেল খানের মেয়ে বিয়ে করতে এসেছ তোমাকে এই ভাবে লাজুক ভাবে মানায় না তুমি ভুক ফুলিয়ে থাকবে,এইযে এই ভাবে............ বিয়ের পর উনার মেয়ে আমার নামে যদি কিছু বলে তাহলেতো বন্ধুক দিয়ে আমার জিবন তামা তামা করে দিবে মনে হয়। , যাই হোক প্রায় ৩০মিনিট আমার উপর দিয়ে অনেক ধকল গেল নানান রকম প্রশ্ন করা হচ্ছিল, পরে দুলাভাইয়ের কথায় প্রশ্ন করা থামলো, হটাৎ আম্মু বলে উঠলো বেয়াইনসাব এইবার আমার বউ মাকে নিয়ে আসুন, ওরে আল্লাহ এখনো মেয়ে দেখলাম না আর আম্মু বেয়াইন ডেকে ফেলছে,আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না যে আম্মু সব আগে দিয়ে করে রাখছে।আমি তখন অসহায়ের মতন বসেই রইলাম। একটু পর একটা রুমের দরজা খুলে গেল,তারপর দেখলাম একটা রুপের বস্তা না মানে আমার হবু বউ আসছে, লাল শাড়ি,কপালে টিপ,সব মিলিয়ে রুপের বস্তার মতই লাগছিল।।আমি মেয়ের রুপে লজ্জা ভূলে যাই,ঘাড় ফিরিয়ে মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকি, পরে দুলাভাইয়ের কথায় এদিকে ফিরে আসি কি শালা বাবু বিয়ে না কি ভয় পাও এখন আবার তাকিয়ে আছো কেন???? তারপর মেয়েকে আমার সামনে এনে বসানো হলো।আমি লজ্জায় মেয়ের দিকে তাকাতে পারছি না।পরে আম্মু বলে উঠলো কি বাবা মেয়ে প্রচন্দ হয়েছে???আমি কিছুই বোল্লাম না,তখন দুলাভাই বলে উঠলো আমার মনে হয় ওদেরকে একটু আলেদা কথা বলতে দেওয়া দরকার।পরে সাবার সম্মতিতে মেয়ের সাথে আমাকে একটা রুমে পাঠানো হলো। রুম যেতো এগুচ্ছে ততো ভয় হচ্ছে, রুমে এসেই ধাপ করে মেয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো তারপর ধাক্কা দিয়ে আমাকে বিচানায় ফেলে দিলো। এর পর ড্রয়ার থেকে কি যেন বের করে বললো -ওই তখন আমার দিকে আপনি ওই ভাবে তাকিয়েছিলেন ক্যন?? -ইয়ে মা মনে.... -এখন বুঝেন না?? -................ -কি হলো কথা বলেন না ক্যান?? আমি ভাবতে লাগ্লাম আম্মু নিজের ছেলেকে কি ভাবে ১টা ডাইনির হাতে তুলে দিলো। -বিয়ের পর সব আমার কথা মতন হবে... -জ্বি আপু -কি বললি????? -ইয়ে মানে জ্বি.. -তানজিলা আমার নাম -জ্বি -বুঝলা যা বোল্লাম -জ্বি তানজিলা বউ। -হায়রে কোপাল। হু এখন গিয়ে বলবেন আপনাকে আমার খুব প্রচন্দ হয়েছে এবং আপনি বিয়ে করতে রাজি। ঠিকাছে? আমি মাথা নাড়িয়ে সাড়া দিলাম। আসুন এইবার....... -রুম থেকে বেরিয়ে মেয়ের কথা অনুযায়ী বল্লাম যে ওকে আমার খুব প্রচন্দ হয়েছে।এবং মেয়েও একই উত্তর দিল। অতঃপর সামনে আসলো আমার জিবনের কাল দিন।কিছু দিন পর পড়তে হল বিয়ে নামক প্যারা আমার নামের সাথে মিশে গেছে।। আমার আর কিছুই করার নাই আসহায় এর মতন সব মেনে নিতে হবে......./////// (বিদ্রোহ :ভুল হলে ক্ষমার চোখে দেখবেন)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now