বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
পার্কে বসে আপন মনে সিগারেট
টানতেছি
আর ফেসবুক চাল্লাছি।হঠাৎ করেই
একটা মেয়ে
এসে বলল....
-- আরেহ্..তুমি সাখাওয়াত না??
-- (কিছুটা অবাক হয়ে বললাম) হ্যাঁ,,,
তুমি কে?
-- তুমি আমাকে চিনবা না।তোমার
হাতে
ওইটা কী?
-- কেনো?সিগারেট,,,আমাকে
কেমনে চিনো?
-- আমি তানজিনা,,,চিনছো এইবার?
-- ওহহ,হ্যাঁ,, তুমি!!
..
তানজিনা হচ্ছে আমার ফেসবুক
বেস্টফ্রেন্ড।মে
য়েটা অনেক ভালো।কিন্তু দোষ
একটাই,কোন
দিনই আমাকে তার ছবি দেই নি।
কত্তোবার
যে,ওর কাছে ছবি চাইছি,তার হিসাব
নাই।আর,
তাইতো আমি ওকে চিনতে পারি নি।
কিন্তু ও
আমাকে ঠিকিই চিনছে,কারণ
প্রোফাইলে
আমার নিজের ছবি দেওয়া আছে।।
মেয়েটার সাথে এইভাবে দেখা
হবে,
ভাবতেও পারি নি।
-- তুমি সিগারেট খাও আগে বলো নি
তো??
-- নামানে, তোমাকে বলবো বলবো
করে আর
বলা হয় নি।
-- হুম,,এখন ওইটা ফেলে দাও।
-- কেনো??
-- আমি বলছি, তাই!
-- আরে,১২ টাকা দিয়ে সিগারেট
কিনছি,এখনো ৫ টাকার মতোও খাই
নি,একটু পর
ফেলে দিচ্ছি।
-- আচ্ছা আমি গেলাম।
-- আচ্ছা ঠিক আছে,,এই দেখো ফেলে
দিলাম....
-- হুম,ভাল ছেলে। দেখতে হবে না
বন্ধুটা কার??
-- ( মনে মনে বলতেছি,আর পাম দিও না
ভাই,,এমনিতেই মেজাজ খারাপ আছে।
১২
টাকা দিয়ে সিগারেট কিনে,
ঠিকমত খাইতে
পারলাম না)
____
মেয়েটার সাথে আরও কিছুসময় কথা
বলে
বিদায় করে দিলাম।তারপর, আর একটা
সিগারেট কিনে,আবার টানতেছি
আর
ভাবতেছি মেয়েটা সত্ত্যি অনেক
ভাল।আর
দেখতেও মোটামুটি ভালই। আর কিছু
না ভেবে
বাসায় চলে আসলাম।
বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে ছাদে গিয়ে
ফেসবুকে
ঢুকেই দেখি, তানজিনাও অনলাইনে
আছে,,,আমাকে অনলাইনে দেখে
মেয়েটা
আমাকে sms করল....
-- তুমি এখন কই? এখনো সিগারেট
টানতেছো
নাকি বসে বসে???
-- হুম।তবে,পার্কে না।আমাদের
বাসার ছাদে।
-- কিহহহ্! তোমার আব্বুর ফোন নাম্বার
টা দাও
তো?
-- হা হা হা.... দিবো না।
-- আচ্ছা, এই সিগারেট খাওয়া টা
কবে
ছাড়বা??
-- জানি না।আল্লাহ্ জানে....
♪
মেয়েটা আগে থেকেই আমার অনেক
কেয়ার
করে।আর,তা ছাড়া, মেয়েটা আমার
প্রতি
কিছুটা দুর্বল।আমিও বুঝি যে,ও আমাকে
অনেক
পছন্দ করে। কিন্তু, কিছু বলতে পারে
না,,,,আমিও
কিছু বলি না। যদি মেয়েটা নিজের
থেকে
কিছু বলে, তাহলে সেটা পরে ভেবে
দেখা
যাবে।
একটু পর তানজিনা আবার sms করল.......
-- তোমাকে একটা কথা বলার ছিল?
-- হুম,বলো।
-- আচ্ছা,তুমি আমাকে ভালবাসতে
পারবা??
-- কিহহহহহ্! (মনে হয় ৪২০ ভোল্টের শক্
খেলাম)
-- কিহহহ্ মানে?? তুমি কী কচি খোকা
যে কিছুই
বুঝো না??
-- নাহ্....আমি তো শুধু সিগারেট
খাইতে
জানি।হি হি হি
-- কচু জানো।
-- হুম।ভালবাসবো যদি তুমি আমাকে
প্রতিদিন
সিগারেট কিনে দাও[ ফাজলামি
করেই
বলল্লাম..... ]
-- পারবো না।উমমম্...শখ কত!!
....
অতঃপর আমাদের সম্পর্ক টা বন্ধু থেকে
আরও
উপরের দিকে গেল।
মেয়েটার সাথে আজ প্রায় চার বছর
ধরে
রিলেশন।এইতো কিছুদিন আগে একটা
ছোট খাট
চাকরীতেও ঢুকেছি;
~
অনেক ভয়ে ভয়ে আব্বুকে আমাদের
সম্পর্কেরর
কথাটা বললাম।
আমার কথাটা শুনে,আব্বু কেন জানি
আমার কাছ
থেকে ওদের বাসার ঠিকানা নিল।।
এখন ভাবতেছি,,,এই যাহ্! কেনো যে
আব্বুকে
কথাটা বলতে গেলাম!!এখন বুঝি আমার
কপালে,খারাপ কিছুই আছে!
____আরেহ্ না,, আব্বু তো তানজিনাকে
দেখতে
গিয়েছিল। অব্বুর তো মেয়েটাকে
পছন্দ হইছে।
মানে,কিছুদিন পরেই আমাদের
বিয়েটা হচ্ছে।
আমি তো খুশিতে কী করবো ভেবে
পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণ পর দেখি
তানজিনার
ফোন....
-- এই যে মিঃ তোমার আব্বুকে
আমাদের
বাড়িতে কেনো পাঠাইছিলে??
-- কী জানি,,,মনে হয় তোমাকে
দেখতে
গিয়েছিল।কিন্তু আব্বুর তো তোমাকে
পছন্দ হয়
নি।(ফাজলামী করে বল্লাম)
-- ওহহ...তাই???
-- হ্যাঁ তাই।।আব্বু আরও বলেছে,আমাকে
অন্য
একটা ভাল মেয়ে দেখে বিয়ে
করাবে!
-- এই এই শোন শোন,,,মিথ্যাবাদ
ী,,,শয়তান
কোথাকার। তোমার আব্বু কী বলেছে
জানো!...আমাকে ওনার পছন্দ হইছে।
আর,কিছু দিন
পরেই তোমাদের বাড়িতে আমাকে
নিয়ে
যাবে,হুম।
-- কিহহহহহ্....তোমার মতো একটা
ঝগড়াটে
মেয়েকে আমাদের বাড়িতে নিয়ে
আসবে???
-- ওই কী বলল্লা,,আমি ঝগড়াটে???
-- তা নয় তো কী, হুম!
-- হুম,ভাল হইছে।যাবো না তোমাদের
বাড়িতে।
-- সোনা রাগ করো কেনো!! আমি তো
মজা
করতেছিলাম।
-- আচ্ছা ঠিক আছে।খাওয়া দাওয়া
করছো?
-- হ্যাঁ খাইছি।
-- আচ্ছা, এখন রাখতেছি,বাই...
.
মেয়েটাও আমার মতো অনেক খুশি
হইছে।ওকে
রাগাইতে আমার অনেক ভাল
লাগে,,তাইতো
মাঝে মাঝে রাগাই।
__কিছু দিন পর ঝগড়াটে মেয়েটা
আমাদের
বাড়িতে বউ হয়ে আসল। একদিন
সকালে.......
-- এই ওঠো ওঠো? (তানজিনা)
-- ( কোন কথা নাই,, শুধুই ঘুম)
-- এই কথা কানে যাচ্ছে না??
-- এতো ডাকাডাকি কিসের,শুনি
তো?
-- তুমি অফিস যাবে না! সকাল ৮ টা
বাজে
তো?
-- ঠিক আছে,,,তুমি নাস্তা রেডি
করো।আমি
আসতেছি
-- হুম যদি দেরি হয়,তাইলে কিন্তু খবর
আছে!
♪
ঘুম থেকে উঠে রেডি হয়ে নাস্তা
করার জন্য
টেবিলে গেলাম।।কী ব্যাপার! আজ
মেয়েটাকে অন্য দিনের তুলনায়
অনেক সুন্দর
লাগতেছে। বউটাকে একা বাসায়
রেখে
অফিসে যাইতে ইচ্ছা করছিল না।।
খাওয়া দাওয়া শেষ করে অফিসে
যাওয়ার
আগে তানজিনাকে বললাম......
-- একটা জিনিস তো খাওয়া হলো
না??
-- আবার কী খাওয়া হলো না?
-- বুঝহ্ না??
-- না বুঝি না..কও?
-- ওই যে তোমার ঠোঁট আছে না!ওই
খানে
আমার ঠোঁট দুটো আলতো করে ৩০
সেকেন্ড
রাখবো, তারপর সোজা অফিস চলে
যাবো।
-- কিহহহহহ্,,,,,বদজ্জাদ ছেলে।দাঁড়াও
দেখাচ্ছি
মজা...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now