বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

বনভোজন পর্ব-1

"মজার অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মেঘবালিকা {ইসরাত} (০ পয়েন্ট)

X আমি ইভা সরকার।দশম শ্রেণীর ছাত্রী।আমাদের স্কুল থেকে প্রতি বছরই বনভোজনে যাওয়া হয়।কিন্তু কোনো বছরই আমাকে বনভোজনে যেতে দেয় না আমার বাবা-মা।কারণ তাদের একটাই ভয় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।এইজন্য আমাকে বনভোজনে যেতে দেয় না।আমাদের স্কুল থেকে এইবারও বনভোজনের আয়োজন করা হয়েছে।প্রত্যেক বারের মতো এইবারও আমাকে যেতে দিতে চাইছিল না।কিন্তু আমার চাপাবাজ বান্ধবী গুলো এমন এমন কথা বলে মা ও বাবাকে রাজি করাল।ওরা আমার মা-বাবাকে বলল," আন্টি আঙকেল আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না।আমাদের জীবন থাকতে আমরা ইভার কিছু হতেই দিব না।আর নিজ আমরা রিস্ক নিয়ে ইভার দায়িত্ব নিচ্ছি।প্লিজ ইভাকে যেতে দিন আমাদের সাথে।প্লিজ প্লিজ।" তারপর টিচার্সদের সাথে কথা বলে আর আমার চাপাবাজ বান্ধবী গুলোর উপর দায়িত্ব দিয়ে আমাকে বনভোজনে যেতে দেয়"।আল্লাহ্ রে তখন যে আনন্দ হয়েছিল নাইচা মনে হয় মাটি ফাটাই ফেলছি।আমাদের বনভোজনের স্থান হল সিলেট মাধবকুনড।তারপর আমাদের বনভোজনে তারিখ নির্ধারণ করা হয়।বনভোজনের তারিখ দেয় 06-02-2017th তারিখে সকাল 6 টায়। অনেক দিন অপেক্ষা করার পর সেই দিন এল।তারপর আমরা সবাই নির্দিষ্ট সময়ে পৌছালাম স্কুলে।আমাদের জন্য চারটি তিশা বাস বুক করা হয়। আমাদের মেয়েদের জন্য তিনটি আর ছেলেদের জন্য একটি বাস ঠিক করা হয়।তো আমরা সবাই বাসে উঠলাম।আমরা সব বান্ধবীরা একসাথে বসি।আমি আবার জানলার পাশে ছাড়া বসতে পারি না।তো সেইখানেই জায়গা পেলাম।তারপর বাস ছাড়ল।তখন হালকা হালকা শীত ছিল।তার জন্য সবাই শীতের পোশাক পড়ে যায়।সবার মধ্যে একটা উত্তেজনা কাজ করছে।তারপর দোয়া পরানো হল।আমাকে দিয়ে হামদ্-নাত গাওয়ানো হয়। তারপর আমাদের শিক্ষকেরা অনেক বক্তৃতা দিলেন।সেগুলো আমরা হজম করলাম।এরপর আমরা গান,কবিতা,কৌতুক ইত্যাদি উপস্থাপন করলাম।অনেকটা দূরে যাওয়ার পর একটা রেস্টুরেন্টে এসে বাস থামানো হয়।তারপর আমরা সবাই বাস থেকে নেমে ফ্রেস হয়ে সকালের নাসতা খাই।তারপর আবার বাসে উঠে পড়ি।আমার আবার প্রচন্ড মাথা ব্যথা হলে অজ্ঞান হয়ে যায়। তার জন্য আমার বান্ধবীরা আমাকে নিয়ে চিন্তায় ছিল।মাথা ব্যথা যেন না করে তার জন্য ঔষধ খেয়েছিলাম।মা কে অনেক রিকোয়েস্ট করে মার ফোনটা নিয়ে আসি।কারন আমাকে ফোন ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না।কলেজে পড়ার সময় নাকি ফোন দিবে।এর আগে না।তো কানে হেডফোন লাগিয়ে শুরু করে দেই ডান্স।আমার সাথে সাথে আমার বান্ধবীরাও শুরু করে ডান্স।ভাগ্য ভাল বাসটা ভাঙে নাই। আমাদের নাচ দেখলে যে কেউ বেহুঁশ হয়ে যাইত।পুরা বাস ফাটাই ফেলার মত অবস্থা। যাওয়ার সময় একবারও বাসের সিটে বসি নাই।কারণ সারা রাস্তা নাচতে গেছি।আর রাস্তার মধ্যে যত মানুষ ছিল তাদের হাই হেলো দিতে দিতে গেছি।ওই যে "বলোনা তুমি আমার" ছবিটার মত।ওওও কত সুন্দর চা বাগান,সিলেটের আঁকা বাঁকা পথ,সেখানকার মানুষের জীবনযাপন,তাদের বাড়িঘর একেবারে সেই লাগছে।যাইহোক এত কিছুর পর আমরা আমাদের গন্তব্য স্থানে পৌছালাম।তখন দুপুর 1:30 বাজে। To Be Continued


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজের ভাইয়াদের বনভোজন"part-3
→ জিজের ভাইয়াদের বনভোজন"part-2
→ জিজের ভাইয়াদের বনভোজন"part-1
→ অভিশপ্ত বনভোজন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now