বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি কোনো দিন গল্প লিখি নাই। এইটা আমার জীবনের প্রথম গল্প লেখা।যদি কারো কাছে ভালো না লাগে তাহলে দয়া করে খারাপ কমেন্টস করবেন না।তাহলে চলুন মূল গল্প যাওয়া যাক........।
একটা ছেলে একটা মেয়েকে ভীষণ ভালোবাসত।কিন্তু মেয়েটা এইসব ভালোবাসা টাসা একদমই পছন্দ করত না।ছেলেটা মেয়েটার পরিচয় না জেনেই তাকে পছন্দ করে।তারা দুইজন একই স্কুলে পড়ে। সেইখানেই তাদের দেখা।একদিন ক্লাসে টিচার রোল কল করছিল। হঠাৎ টিচার সেই মেয়েটার রোল কল করে। মেয়েটার নাম তানভীন ইকরা।এইখান থেকেই ছেলেটা মেয়েটার পরিচয় জানতে পারে। আর ছেলেটার নাম হল রাতুল আহমেদ। ইকরা অনেক মেধাবী ছাত্রী। লেখাপড়া ছাড়া অন্য কোনো কিছুতেই তার মন নেই।ক্লাসের ফাস্ট গার্ল।যেমন দেখতে সুন্দরী তেমনি তার টানা টানা চোখ অসম্ভব সুন্দর হাসি।সব মিলিয়ে অসাধারণ একটি মেয়ে।আর তার বিপরীত হচ্ছে রাতুল।দেখতে মোটামুটি ভালো।কিন্তু পড়ালেখায় অনেক অমনোযোগী।ক্লাসে সারাক্ষণ ইকরার দিকে তাকিয়ে থাকে।ইকরার এইসব কিছু ইকরার মোটেও ভালো লাগে না।রাতুল সবসময়ই স্কুলের গেটের,রাস্তায় এবং ইকরার বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে।একদিন ইকরা রাতুলকে ডেকে বলল....
ইকরা:-অই আপনি আমার দিকে সবসময়ই তাকিয়ে থাকেন কেন? আর আমার পিছু পিছু ঘোরেন কেন হুম।মতলব কী আপনার?
রাতুল:- মতলব কিছুই না।
ইকরা:- তাহলে আমাকে ডিসটার্ব করেন কেন?
রাতুল:- কখন ডিসটার্ব করলাম
ইকরা:-এই যে আপনি আমার পিছু নেন আর ক্লাসে তাকিয়ে থাকেন,এতে আমি ডিসটার্ব ফিল করি।
রাতুল:-ওও আচ্ছা।আপনাকে না একটা জিনিস দেওয়ার ছিল।
ইকরা:-কী জিনিস?
রাতুল:-এই নেন কাগজটা।আর হে এইখানে খুলবেন না।বাসায় গিয়ে দেখবেন।
এই কথাটা বলেই দৌড়।আর পিছনে ফিরে তাকায় নাই রাতুল। ইকরা বোকার মত কাগজটা হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।ইকরা বাসায় ফিরে কাগজটা খুলল।তাতে লেখা আছে, "প্রথম দেখাই তোমার অই কাজল কালো চোখের প্রেমে পড়ে গিয়েছি।তোমার অই মিষ্টি হাসির মায়ায় পড়ে গিয়েছি।তুমি কি হবে আমার মনের রাণী।সারাজীবন আগলে রাখব তোমায় সোহাগিনী"।চিঠিটা পড়ে প্রচন্ড রাগ হয় ইকরার।পরের দিন সকালে চিঠিটা নিয়ে টিচারকে নিয়ে দেখায়। তারপর টিচার রাতুলকে ডেকে পাঠায়।তারপর টিচার রাতুলকে জিজ্ঞেস করে...
টিচার:-কিরে স্কুলে আসিস এইসব করার জন্য।
রাতুল:-কিন্তু করছি আমি
টিচার:-আবার জিজ্ঞেস করস কী করছস এইটা কী (চিঠি টা দেখিয়ে বলল)।
রাতুল:-........
টিচার:-কিরে কথা বলস না কেন।তোর আর এই স্কুলে পড়া লাগবে না।তোদের মত ছেলেরার জন্য আমাদের সমাজ নষ্ট হচ্ছে।
তারপর রাতুল টিচারের পায়ে টায়ে ধরে রিকোয়েস্ট করে।যাতে তাকে এই স্কুল থেকে বের না করে।
তার কয়েক দিন পরেই আবার শুরু হয় ইকরার পিছনে ঘোরা।
(পরের পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন।যদি গল্পটি পড়ে ভালো লাগে তাহলে কমেন্টস করে উৎসাহিত করুন।যাতে ভালো করে পরের পর্বটিকে সাবমিট করতে পারি আপনাদের কমেন্টসের অপেক্ষায় রইলাম।ধন্যবাদ)।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now