বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রথম অনুভুতি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD Shohidul Islam Sahid (০ পয়েন্ট)

X ---_------ বিদায়ের সময় অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি গাড়ি তে বসে আছি।পাশে আমার বরটা দাত কেলিয়ে হাসছে।আমি বিরক্ত হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিলাম। কাজী মৈত্রীকে নিজের স্বামী হিসেবে মেনে নিতে একটু কষ্ট ই হয়েছে।লোক টা আমার চেয়ে বয়সে ১৩/১৪ বছরের বড়। তারচেয়ে ও বড় কথা হচ্ছে সবসময় ওনাকে গুরুজন দের মত শ্রদ্ধা করে এসেছি।এখন হঠাৎ ই বিয়েটা মেনে নিতে একটু খারাপ ই লাগলো। কিন্তু কিছু বলতে পারিনি।বাবা মায়ের ইচ্ছের বাইরে গিয়ে কিছু করার অভ্যাস আমার কোনোকালেই ছিল না। গাড়ি শ্বশুরবাড়ি এসে থামলো।খুব হুলস্থুল কান্ড হয়ে গেলো আমাকে বরণ করে নিতে।এত লোকজন দেখে আমার মেজাজ বিগড়ে গেলো।মনে হয় শ্বশুর মশাই নির্বাচনে দাঁড়াবেন। এলাকার সব লোকজন ঘুম থেকে উঠে এসেছে, অসহ্য। . এত এত গয়নার ভিড়ে নিজেকে জুয়েলার্সের মডেল মনে হচ্ছিল।ওনারা যে খুব বড় লোক সেটা বুঝাতেই হয়ত আমাকে গয়নার বাক্স বানিয়ে এনেছে। সবকিছুই বিরক্ত লাগছে।তবুও সহ্য করে যাচ্ছি।অনেক শাস্ত্র পালন করার পর আমাকে বসিয়ে রেখেছে।আরো নাকি কি কি করতে হবে!! আমি মনে হয় ব্যাটারি সিস্টেম পুতুল,সেই সন্ধ্যা থেকে আমাকে নিয়ে খেলছে! উহহ বোরিং!! আমার বোরিং বর টা সম্ভবত ওয়াশরুমে গেছে।আমি বসে আছি তাসকিনের বউয়ের মত ভাব নিয়ে,সবাই আমাকে দেখছে।আমার পিত্তি জ্বলে যাচ্ছে,বিয়েতে এত ঝামেলা ক্যান? উনি ওয়াশরুমে গেছেন সেই কখন, এখনো আসার নাম গন্ধ নাই।ওনার বাথরুমে ঘুমানোর অভ্যাস আছে কিনা কে জানে! শ্বাশুরি মা এক গ্লাস দুধ হাতে এসে দাঁড়ালেন। আমি ধৈর্যের বাধ ভেঙে বললাম,মা এই দুধ টা কি আমাকে খাওয়াবেন? - হ্যা,অর্ধেক তুমি খাবা আর অর্ধেক মৈত্রী খাবে। - দিন তো গ্লাস টা। শ্বাশুরি মা কিছু বুঝতে না পেরে গ্লাস এগিয়ে দিলেন। আমি সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঢকঢক করে অর্ধেক গ্লাস খেয়ে নিলাম। তারপর গ্লাস টা সামনে রেখে বললাম,এটা আপনার ছেলেকে খাইয়ে দিবেন। আমি আর এভাবে পুতুল সেজে থাকতে পারছি না।প্রচুর ঘুম পাচ্ছে,আমি ঘুমাবো। কথাটা বলেই উঠে দাঁড়ালাম। আমার দেবর মর্ম বলে উঠল, ভাবি তুমি ঘুমাবা নাকি আবার মেকাপ করবা? বাসর রাতে কেউ ঘুমায়? আমি তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলাম। মহিলারা সবাই মুখ টিপে হাসছে।আর এখানে থাকা যাবেনা।লজ্জায় আমার লাল গাল গাঢ় লাল হয়ে যাচ্ছে। . রুমে এসেই শুয়ে পরলাম। খুব ক্লান্ত লাগছে।সারাদিনে অনেক ধকল গেছে।বিয়ে মানেই ঝামেলা,আর জীবনে বিয়ে করবো না। সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেছি। . হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলো।পাশের ঘর গুলো থেকে হাসাহাসির শব্দ কানে আসছে।তারমানে অনেকেই এখনো জেগে আছে।রাত কত হলো কে জানে! মুখের উপর মৃদু বাতাস লাগছে,নিশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছি।ব্যাপার টা কি! চোখ মেলে তাকালাম।মৈত্রীর মুখটা আমার মুখের খুব কাছে,ওর নিশ্বাস টাই আমার মুখে পড়ছে।কেমন যেন অনুভূতি হতে লাগলো আমার! মৈত্রী একহাতে আমাকে জড়িয়ে রেখেছে।এ কেমন! খুব উশখুশ লাগছে।কিন্তু কিছু বলার ও উপায় নাই।আমি এখন এই লোকটার বিয়ে করা বউ। মৈত্রী যদিও আমার অনেক পরিচিত, কিন্তু আজ এত কাছে থেকে দেখতে বড় অচেনা লাগছে। বাতি নেভানো, হালকা হলুদ আলোয় ওর মুখটাও হলুদাভ দেখাচ্ছে।গোলাপ আর রজনীগন্ধার ঘ্রান নাকে এসে লাগছে,হলুদ আলোয় ফুলের মাঝে জড়াজড়ি হয়ে শুয়ে আছে দুজন সদ্য বিবাহিত তরুন তরুণী! আহা! বড় ই চমৎকার! . কিন্তু আমি চমৎকৃত হচ্ছিনা।কেন যেন খুব মেজাজ খারাপ লাগছে।কারন টা কি বুঝতে পারছি না। এভাবে শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করছে না।বিরক্ত লাগছে।আরো কত রাত বাকি আছে কে জানে! মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি আসলো। আমার বড় বড় নখ দিয়ে মৈত্রীর পেটে দিলাম এক চিমটি। ও চেঁচিয়ে উঠে অপ্রস্তুত হয়ে বলল,কি হলো এটা? - কাঠাল পেকেছে কিনা দেখলাম। - মানে! আমি হেসে বললাম,ছোটবেলায় আমরা কাঠাল কাঠাল খেলতাম। তখন কাঠালদের পেটে টোকা মেরে দেখতাম পেকেছে কি না? মৈত্রী হেসে বলল,পেকেছে? - হুম,এবার চুরি করা যেতে পারে।এত মেদ কেন তোমার? ভুরি কমাবা। - আচ্ছা,হঠাৎ জেগে গেলা যে? - ওই যে কথায় আছে না,বাসর রাতে কেউ ঘুমায়? সেই কথার বাস্তবায়ন করতেছি। মৈত্রী হাসলো। আমি অবাক হয়ে চুপ করে গেলাম।খুব সহজ ভাবেই কথা বলছি ওর সাথে।কোনো জড়তা নেই কেন! আজ আমার বিয়ের প্রথম রাত,জড়তা থাকা উচিৎ ছিল।নতুন হবে নতুন বউয়ের মতন। এটা ভেবে চুপ করে রইলাম।মৈত্রীও চুপ করে আছে।আমার লেহেঙ্গা,ঘোমটা আর গয়নার জন্য কেমন যেন উশখুশ লাগছে।এগুলা খুলতে হবে।কিন্তু মৈত্রী যেভাবে ধরে আছে,কি বলবো বুঝতে পারছি না। আমার নড়াচড়া দেখে ও ছেড়ে দিয়ে বলল,এগুলা খুলে রাখো। মনে মনে খুশি হলাম।একদিক দিয়ে ওর সাথে বিয়েটা হয়ে ভালো ই হয়েছে,আমাকে আর কেউ না বুঝুক, মৈত্রী খুব ভালো বুঝে।সংসারের জন্য এই জিনিস টা খুব জরুরি।খুশি মনে উঠে পড়লাম। . লেহেঙ্গা খুলে রেখে শার্ট আর কোয়ার্টার প্যান্ট পড়ে এসে শুয়ে পড়লাম। মৈত্রী এর মধ্যেই ঘুমিয়ে গেছে।কি অদ্ভুত! এত ঘুমকাতুরে কেউ হয় নাকি? অবশ্য ভালো ই হয়েছে,যন্ত্রনা একটা। . অনেক্ষন চুপচাপ শুয়ে রইলাম। কিছুতেই ঘুম আসছে না।মৈত্রী বেচারা ও ঘুমাচ্ছে।ওর ঘুম দেখে আমার হিংসা হচ্ছে।আমার চোখে ঘুম নেই আর তুমি ঘুমাবা? দাড়াও মজা দেখাচ্ছি। হাত পা দিয়ে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে এক ধাক্কায় ওকে বিছানা থেকে ফেলে দিলাম। পড়ে গিয়েই হুরমুর করে দাঁড়িয়ে পড়ল মৈত্রী।বলল,আমাকে ধাক্কা দিলা! আমি অবাক হওয়ার ভান করে বললাম,ধাক্কা দিবো কেন? আমিই তো অবাক হয়ে গেছি,তুমি পড়ে গেলা কেন? - না না,তুমি ফেলে দিয়েছ। আমি জোড় গলায় বললাম,একদম না।তুমি আপনা আপনি পড়ে গেছ।যা মোটা তুমি! মৈত্রী কিছু না বলে বিছানায় আসলো। আমি বললাম,তুমি এত বড় বিছানায় পড়ে যাও কিভাবে? বর বউরা বছরের পর এক বালিশেই ঘুমায়,আর তুমি! তাহলে ভাবো তুমি কত মোটা! মৈত্রী হেসে বলল,তাই না? আমরা ও এক বালিশে ঘুমাবো,আসো। হায় হায়! কেন যে এত বেশি বকবক করতে গেলাম! এখন নিজের ফাদে নিজেই পড়লাম। কিছু বলতেও পারলাম না।উনি সাহেব আমাকে শক্ত করে ধরে ফেলেছেন। আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলো। এ কেমন মুসিবত! কিভাবে ছাড়া পাই এর হাত থেকে? এখন থেকে হয়ত রোজ এভাবে এই লোকটার কোলবালিশ হয়ে ঘুমাতে হবে।ধেৎ অসহ্য! আবারো মেজাজ গরম হচ্ছে।এবার আর ওকে ফেলে দেয়ার ও উপায় নাই।ওর ঘুম ভাঙিয়ে মুশকিল করে ফেললাম।তবে কি করে সরে আসি? মাথায় আবারো শয়তানি বুদ্ধি চাপলো।বললাম,কাজী সাহেব - হুম, - কয়টা বাজে? - ২ টা। - এখনো অনেক রাত বাকি।তুমি কি একটু ওইদিকে মুখ করে ঘুমাবা? - কেন? - তোমার মুখে গন্ধ। মৈত্রী তিড়িং করে লাফিয়ে উঠে বলল,গন্ধ! আমার মুখে! - হু, - সুগন্ধ নাকি দূর্গন্ধ? - দূর্গন্ধ,একদম পায়খানার মত। মৈত্রী আমাকে ছেড়ে দিলো। আমি যেন হাফ ছেড়ে বাচলাম।যাক,কথায় কাজ হয়েছে। খুশি হয়ে একটু সরে এসে পাশ ফিরে শুলাম। মৈত্রী বলল,মিশু তুমি ঘুমাইও না। আমি অবাক হয়ে বললাম,তো? - তুমি ৫ টা মিনিট ওয়েট করো আমি এক্ষুনি আসছি। - কেন? - দাত ব্রাশ করে ভালো করে কুলি করে আসছি।৫ টা মিনিট দাড়াও। কথাটা বলেই কাজী সাহেব এক লাফে বিছানা ছেড়ে নেমে বাথরুমের দিকে গেলেন। হায় হায়! এ দেখি শকুনের চেয়েও জম! কোথায় ভাবলাম অপমানিত হয়ে সরে গিয়ে ঘুমাবে,তা নয়।উনি গেলেন ব্রাশ করতে।আ মোর জ্বালা! এই বাবুর হাত থেকে আজ রেহাই নাই।আবার এসে আমাকে কোলবালিশ বানিয়ে ঘুমাবে আমি জানি।ওর বিড়ালের মত শরীরের সাথে আমার পুচকে টিকটিকির মত শরীর টা মিশে এক হয়ে যাবে! নাহ! মেজাজের তেল ভয়ানক গরম হচ্ছে।এই বোরিং লোকটার সাথে এখন জড়াজড়ি করে ঘুমাতে হবে,অসহ্য! . মৈত্রী এসে বিছানায় উঠল। আমি ঘুমন্ত মানুষ এর মত ভান করে আছি।জোরে নিশ্বাস নিচ্ছি যাতে বুঝতে পারে আমি ঘুমাচ্ছি। ও আস্তে করে ডাকল,মিশু আমি জবাব দিলাম না। আবারো বলল,ঘুমিয়ে গেছো? আমি এবারো জবাব দিলাম না।মনে মনে বললাম,হারামজাদা তুমি দাত ব্রাশ করতে গেছো গা? যাও,আরো ব্রাশ করো।বউ ঘুমাইছে। . মৈত্রী নিঃশব্দে চাদর টা আমার গায়ে টেনে দিলো। বাব্বাহ! বউয়ের কেয়ার ও করতে শিখে গেছে! আমি শান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছি,(ঘুমের ভান করছি) মৈত্রীর পায়ের সাথে পা লাগলো। হায় হায়! এইবার এক চাদরে ঘুমাতে হবে! আবারো ধরা খাইলাম গা,আজ যে কি হইছে।যেটা করছি,সেটাতেই ধরা খাচ্ছি,অসহ্য! মৈত্রী আমাকে কাছে টেনে নিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।আমার কেমন যেন ভয় ভয় লাগছে! অন্যরকম অনুভূতি হচ্ছে! হৃদস্পন্দন বাড়ছে! আমার মাথাটা ওর বুকে,এবার ওর হার্টবিট শুনতে পাচ্ছি।বাহ! ভারি মজা তো! মনে হচ্ছে ওর হৃদপিন্ড টা প্রতি স্পন্দনে বলছে,মিশু আমি তোমায় ভালোবাসি।ওহ,হাউ রোমান্টিক! শান্ত হয়ে ওর হার্টবিটের কথা শুনছিলাম।খুব ভালো লাগছে এখন! মনে হচ্ছে এর চেয়ে ভালো লাগার মুহুর্ত আর হতেই পারে না।এটাই কি সেই স্বর্গীয় মহব্বত? সবার কাছে শুনতাম,স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসায় আপনা আপনি মায়া হয়ে যায়। উহু,পেয়ার,মহব্বত, টান, ফিলিংস! আহা! প্রেমে পড়ে যাচ্ছি! আ মোর জ্বালা! মুই ফিলিংস নিতেছি আর মোর মজনু নাক ডাকা শুরু করছে। মেজাজের গরম তেলে আগুন ধরে গেলো।রেগে গিয়ে ওর নাকটা জোরে টিপে ধরলাম। ছ্যা ছ্যা,নাকে সর্দি ছিল! হাতে লেগে গেলো ওর সর্দি।ধেৎ, আজ শুধু ধরাই খাচ্ছি। ওর সর্দি ওর গেঞ্জিতেই মুছে দিলাম।তারপর চুপ করে আমার বালিশে এসে শুলাম। . অনেক্ষন হয়ে গেলো, মৈত্রীর নাক ডাকার শব্দও নেই,নিশ্বাসের শব্দ ও নেই।আমার কলিজা কেপে উঠল! হায় হায়! আমার বরটা মরে গেলো নাকি! কোনো সাড়া শব্দ,নড়াচড়া কিচ্ছু নাই।যদি সত্যিই মরে যায়,তাইলে তো আমাকেও বেহুলার মত ভাসাইয়া দিবে! হায় হায়! টেনশনে টেনশিত হতে হতে উপুর হয়ে ওর মুখের কাছে মুখ নিয়ে আসলাম। নাহ,তবুও নিশ্বাসের শব্দ নেই।নাক টিপেই মেরে ফেললাম নাকি! হায় খোদা! আরেকটু উপুর হয়ে মৈত্রীর মুখের একদম কাছে চলে আসলাম।আমার সামনের চুল গুলি ওর কপালের উপর পড়ছে। আহা! কি আছে আমি ওর! কিন্তু ও কি আদৌ জীবিত? অজান্তেই বুক ঢিপঢিপ করছে। হঠাৎ ই মৈত্রী চোখ খুললো।ওর মুখের উপর আমার মুখ! বেচারি নিশ্চয় ই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেছে।আমি আবারো ধরা খাইলাম! আবছা অন্ধকার,হলুদ আলোয় দুজন দুজনকে দেখছি।উনি সাহেব মিটিমিটি হাসছেন! আমি লজ্জায় গাঢ় লাল থেকে খয়েরি, খয়েরি থেকে কমলা হয়ে যাচ্ছি।কমলার স্বাদ গন্ধ দুটোই লোভনীয়,এবার আর রেহাই নাই।বেচারা হাসছে,আমি লজ্জায় আর কিছু হতে পারছি না।এবার আমার ইচ্ছে করছে,লজ্জাটা আজ তোলা থাক,জীবনের বাকি রাত গুলিতে লজ্জায় বেগুনি হয়ে যাবো, বেগুন পোড়া হবো,যা হবার হবো।আজ না হয় এটুকুই থাক,ওর বুকে মাথা না রাখলে আজকের গল্পটা যে অপূর্নই থেকে যাবে। শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম।আবারো শুনতে পাচ্ছি,ওর হৃদপিন্ড বলছে,মিশু,ভালোবাসি তোমায় ????????????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now