বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অন্তরাল

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাহিদুল ইসলাম (০ পয়েন্ট)

X ​​​​স্বামীর শার্টের কলারের সাথে জড়িয়ে থাকা লম্বা চুলটা দেখে মোটেও অবাক হয় না শায়লা। বরং একহাতে চুলটা সড়িয়ে রেখে, শার্টটা গুঁড়ো সাবানের বালতিতে ভিজিয়ে রাখে ধোয়ার জন্য। শায়লা জানে চুলটা তার নিজের নয়, কিন্তু এ নিয়ে কোন রাগ বা ক্ষোভ নেই তার। নেই কোন জানার আগ্রহ ওটা কার চুল। এসব এখন আর ভাবায় না শায়লাকে। - চুলটা কোন নিষিদ্ধ পল্লীর মেয়েমানুষের কিংবা আসিফের কোন ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর হতে পারে। এতে শায়লার কি ই বা আসে যায়। এইসব ব্যাপারগুলো এখন আর তাকে একফোটাও কষ্ট দেয় না। তাছাড়া আসিফের পক্ষে অসম্ভব এমন কিছুই নেই এই পৃথিবীতে। বিশেষ করে নারী ঘঠিত ব্যাপারে। কম তো আর দেখিনি শায়লা এই সতেরো বছরের বিবাহিত জীবনে। আসিফ এর বয়স এখন পঁয়তাল্লিশ বা তার আশেপাশে। উচ্চশিক্ষিত, উচ্চ পদস্থ সরকারী কর্মকর্তা। এতো উপরের শ্রেণীর লোকদের এমন একটু আধটু নেশা পানি, মেয়েমানুষ এইসব না হলে কি চলে? - শায়লার মত সুন্দরী স্ত্রী আর অর্কের মতো মেধাবী ছেলে আসিফের ঘরে। বাইরের লোকের কত হিংসা, ঈর্ষা আর জ্বলন হয় শায়লার এই সুখী দাম্পত্য দেখে। ছেলে অর্কের এখন পনেরো বছর চলেছে। এবার এসএসসি দিবে।ক্লাসের ফার্স্ট বয়। খুব সুন্দর ছোট সংসার। তবে শুভাকাঙ্ক্ষীদের কেউ কেউ শায়লার কাছে এসে কেনো আরেকটা বাচ্চা নিলো না তা নিয়ে খুব হাপিত্যেশ করে, এখনো লোকে কত পরামর্শ দিতে আসে। অনেকে তো বলে কি এমন বয়েস হয়েছে ভাবী আর একটা বাচ্চা নিয়ে নেন। এখনো সময় ফুরিয়ে যায় নি। এত ধনসম্পত্তি রয়েছে, কত সুন্দর করে গুছিয়ে সংসার করছেন, ছেলেটা তো একা একা বড় হচ্ছে। কে খাবে এই সব? শায়লা মৃদু হাসে, কি জানি হয়ত হাসির আড়ালে কিছু লুকিয়ে রাখে। কেউ জানেনা শায়লার মনে কি আছে। শায়লা কখনোই তাদের কথায় কান দেয়নি। এই পৃথিবীতে এখন সবচেয়ে প্রিয় তার ছেলে, এসবের মধ্যে আরো একটা জীবন দুনিয়ায় এনে কষ্টের বোঝা বড় করতে চায় না শায়লা। বাইরে থেকে আসিফ কে ও দেখে কারো বোঝার উপায় নাই তার ভেতর টা কেমন। - অর্ককে শায়লা নিজের মত করে গড়ছে, বাবার জীবনের ছায়া থেকে বাঁচিয়ে, খুব যত্নে। তবে বাবাকে নিয়ে কখনো কোন খারাপ ধারণা ছেলের মনে দেয় নি। ওর কঁচি মন নষ্ট করেতে চায়নি শায়লা। এই বাড়িটাতে সবার মাঝে শায়লার একটা ছোট জগৎ আছে। আলাদা এই জগৎটা শায়লা ধীরে ধীরে তৈরি করে নিয়েছে, ওই জগতে সে আর তার পনের বছরের ছেলের বসবাস। ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে সব মেনে নিয়েছে শায়লা। এখন তার একটাই চাওয়া আর তা হল ছেলের সফল জীবন। - কিন্তূ অনেক আগের কিছু কথা ভুলতে পারেনা শায়লা, প্রায়ই সেই সময় গুলো নতুন করে কল্পনায় উঠে আসে। মনে করতে না চাইলেও বার বার ফিরে আসে,কখনো আসিফের শার্টের বুক পকেটে লেগে থাকা লিপস্টিক এর দাগ,অথবা মাঝরাতে মদ্যপ অবস্থায় অসংলগ্ন প্রলাপ। গভীর রাতে অজানা ফোন কিংবা মোবাইলের মেসেজগুলো। আর আজ, এই যেমন সকালে শার্টের গায়ে লেগে থাকা চুলটা, মনে করিয়ে দিল অনেক পুরনো কিছু কথা। আসিফের তখন নতুন চাকরি, বেশ সুন্দর ছিমছাম সচ্ছল সংসার। বাবার বাড়ির অভাবের পরিবারে বড় হওয়া শায়লার অনেক না পাওয়া এই ঘরে এসে পূরণ হচ্ছে। নিজেকে খুব সুখী ভাবে সে। তাছাড়া আসিফের অফিসের এক কলিগের সাথে শায়লার ছোট বোন সামিয়ার বিয়ের কথা চলছে। তাই সব দিক দিয়েই আসিফ বাবা মায়ের খুব পছন্দের জামাই। আসিফ ও প্রায়ই বিভিন্নভাবে শায়লার পরিবার কে সাহায্য করে। সব মিলিয়ে খুব সুন্দর চলছিল তাদের জীবন। কিন্তু শায়লা জীবনের প্রথম ধাক্কাটা খায় তার বিয়ের পরের বছর যখন সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। - একটা ছুটির দিনের দুপুর বেলা। খাওয়া দাওয়া শেষ করে ডাক্তারের পরামর্শমত শায়লা ঘন্টাখানেক ঘুমিয়ে কাটায়। আর ছুটির দিন হওয়াতে আসিফও আজ বাসায়। শায়লার পাশেই গাঁ এলিয়ে দিয়ে শুয়ে টিভি দেখছে। গরমের দিনের অলস দুপুর, আর এই সময়টাতে মেয়েদের এমনিতেও খুব গরম বেড়ে যায়, হাঁসফাঁস লাগে। বার বার পানি খেয়েও যেন তৃষ্ণা মেটেনা। শরীর ভারী হতে শুরু করেছে, বিছানায় যাওয়ার সাথে সাথেই যেন রাজ্যের ঘুম চলে আসে। ঘুমিয়ে ও পড়েছিল শায়লা। হয়তবা অনেকটা সময় ধরে ঘুমিয়েছে সে। ঘুমের মধ্যে গলাটা শুকিয়ে মরুভূমির মতো লাগছে। খুব পিপাসা পাচ্ছে। চোখ খুলে আসিফকে দেখা যাচ্ছেনা। হয়তো বেরিয়ে গেছে। ও ঘুমাচ্ছিল তাই হয়তো ডাকেনি। বিছানার পাশে রাখা বেড সাইড টেবিলের উপরের পানির বোতলটা খালি পরে আছে। আড়মোড়া ভেঙে ওঠে দাঁড়ালো শায়লা। ডাইনিং রুমে পানি নিয়ে ফেরত আসার সময়, রান্নাঘর থেকে ফিস ফিস কথার শব্দ শুনতে পেল। কি জানি একটা অজানা ভয় মনের মধ্যে তোলপাড় করছে। পা দুটো ভারি হয়ে ফ্লোরের সাথে আটকে যাচ্ছে। একটু এগিয়ে রান্নাঘরের দিকে পা বাড়ালো, কথাগুলো এখন আর একটু স্পষ্ট, মনে হচ্ছে আসিফেরই গলা। পা দুটো তুলে সামনে এগিয়ে গেল, রান্নাঘরটা কিছুটা অন্ধকার কারন বাইরের দিকের জানলাটা বন্ধ, ঠিক যেখান দিয়ে আলো আসে সেই জানলাটা। আর রান্নাঘরের ভিতরে যাওয়ার দরজাটা শুধু ভেজানো, দরজার কিছুটা অংশ ফাঁকা হয়ে আছে, দরজার ফাঁকে কাজের মেয়ের সঙ্গে বিবস্ত্র আসিফকে দেখে চমকে গেল শায়লা। আকাশ ভেঙ্গে মাথায় পড়ল। এ কোন আসিফ? কাকে দেখলো এই মাত্র? হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলছে শায়লা। চোখ দুটো কে বিশ্বাস করাতে পারছেনা। নিজেকে কোন রকম সামলে নিয়ে সরে আসল। হাত পা কাঁপছে। এমন একটা দৃশ্য দেখার পর ঠিক কি করতে হয় জানেনা শায়লা। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে। একটা ভয় আর ঘৃণা নিয়ে বিছানায় এসে মরার মত পরে রইল। যেন আসিফের সামনে দাঁড়াবার শক্তিটাই হারিয়ে ফেলেছে। স্বামীর চোখে চোখ রাখার ক্ষমতাটুকু নেই। অন্যায় করেছে আসিফ কিন্তু শায়লা যেন অপরাধী। তার অনেকক্ষণ পর আসিফ রুমে আসল। খুব ফুরফুড়ে মেজাজে সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে বাইরে চলে গেল। শায়লা বিছানাই পরে রইল। কিছুই বলতে পারিনি। আসিফ যাওয়ার পর যিনি কাজের এই মেয়েটিকে এনে দিয়েছিলেন তাকে ফোন করে বাসায় ডাকে শায়লা। মেয়েটিকে বিদায় করে দেয়।রাতে আসিফ কাজের মেয়ের কথা জানতে চাইলে খুব শান্ত গলায় শায়লা বলল: মেয়েটাকে বিদায় করে দিয়েছি। কিন্তু কেন? ভাল ই তো ছিল, তোমার দেখাশুনা করছিল, এখন কিভাবে সামলাবে সব। আমার দেখাশুনার চেয়ে তোমার খেয়ালটাই মনে হয় বেশি রাখছিল,তাইনা? আসিফ কেন যেন কোন কথা বাড়ায়নি।শায়লা ব্যাপারটা জেনে গেছে দেখে তাকে তেমন চিন্তিত ও মনে হয়নি। - সে রাতে দুজনের অনেক ঝগড়া হল। শায়লা খুব কাঁদলো, রাতে পাশের রুমে ঘুমালো। যা নিজের চোখে দেখেছে মন তা কোনভাবেই মানতে নারাজ। প্রচন্ড ঘৃণা আর অভিমান নিয়ে পরের দিন শায়লা মায়ের বাড়ি চলে আসে, মনে মনে ঠিক করে রাখে আসিফের ঘরে আর ফিরে যাবেনা। মা অনেকদিন থেকেই শেষের এই সময় গুলোতে মেয়েকে পাশে রাখতে চাইছিলেন। তাই শায়লা আসাতে খুশি হয়েছেন। কিন্তু সারাদিন শায়লাকে এভাবে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে মা একদিন নিজে থেকেই জানতে চায় কি হয়েছে। এতদিনের চাপা ক্ষোভ, ঘৃনা, লজ্জার অবসান ঘটিয়ে মাকে সব খুলে বলে শায়লা। কথাগুলো বলার পর মাকেও যেন অচেনা মনে হয় শায়লার। মা বলেন 'পুরুষ মানুষ'! বউয়ের এই অবস্থায় মাথার ঠিক থাকেনা। দেখবি বাচ্চাটা হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। এই জগৎ সংসারে মেয়েদের অনেক কিছুই মানিয়ে নিতে হয়। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়েদের। এত ভাল ছেলে ভুল করে একটা ভুল না হয় করে ফেলেছে, সব ভুলে যা মা। শায়লার বাবার সংসারে আরো দুটি বোন এখনো বিয়ের বাকি, মেজ বোনের বিয়ের কথা চলছে, এই অবস্থায় একটা মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে স্বামী সংসার ছেড়ে এসেছে জানলে ছোট বোনদের বিয়েতে অনেক ঝামেলা হতে পারে। তাই স্বামীর দোষগুন মাফ করে তার ঘরে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিলেন মা। শায়লার ছেলে এলো পৃথিবীতে, ঘর আলো করে এলো, ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে শায়লা সব ভুলে যেতে চায়। অর্ক হওয়ার দুসপ্তাহ পর আসিফ আসলো শায়লাকে সঙ্গে নিয়ে যাবে। আসিফ হাত জোড় করে শায়লার কাছে ক্ষমা চাইল। শায়লা সেদিন মনে মনে আসিফকে ক্ষমা করেছিল কিনা জানা নাই। তবে আসিফের কোলে ছেলে অর্ককে দেখে কিছু একটা হয়েছিল মনের ভিতরে। শায়লা চায় না তার ছেলে বাবার আদর থেকে বঞ্চিত হোক।ছেলের ভবিষ্যত এখন শায়লার হাতে। নিজেও বাবার সংসারে বোঝা হতে চায়নি। তাছাড়া শায়লার পড়াশুনাও তেমন নেই যে নিজের জীবন নিজের হাতে গড়বে। শায়লা ফিরে আসে স্বামীর ঘরে। - সবকিছু ঠিক চলছিল। বছর খানিক পর একদিন শায়লার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী রিনির ফোন আসে। কিছু জরুরী কথা বলতে চায়। শায়লার আশ্বাস পেয়ে রিনি জানায়, রিনীদের পাশের ফ্ল্যাটে দুইটা মেয়ে থাকে যারা কিনা কোন একটা ভার্সিটি তে পড়ে জানিয়ে বাসা ভাড়া নিয়েছে। কিন্তু বাড়িওয়ালা কিছুদিন যেতে না যেতে বুঝতে পারে এই মেয়েগুলো লেখাপড়া নয়, অন্য কিছু করে। রোজ রাত বিরাতে ফ্ল্যাটটিতে নতুন নতুন অগন্তুকের আসাযাওয়া।মেয়েদেরকে বাড়িওয়ালা বাসা ছাড়ার নোটিশ দিয়ে দিয়েছে। সেই ফ্ল্যাটে নাকি আসিফ এর অগাদ যাতায়াত। বেশ কয়েকবার রিনি আসিফকে ওই বাসায় আসতে যেতে দেখেছে। শায়লা অবাক হয়না, আসিফের পক্ষে এটা সম্ভব।বেশ কিছুদিন ধরে ই আসিফের অনেক রাত করে ঘরে ফেরা, শায়লার প্রতি অনাগ্রহ সব কিছুই এর সাথে মিলে যায়। আসিফের উপর শায়লার পরিবারের দায় এতটাই বেড়ে গেছে যে চাইলেই শায়লা আসিফ কে ছেড়ে আসতে পারেনা। তার ওপর একমাত্র সন্তান অর্কের উজ্জ্বল ভবিষ্যত, সমাজ, পরিবারের দায়ে শায়লাকে সব মানিয়ে নিতে হয়। আসিফের অফিসের পদোন্নতির সাথে সাথে তার চরিত্রের আরো অনেক অবনতি হয়েছে। এখন সে লাগামহীন ঘোড়ার মত বেপরোয়া হয়ে গেছে। হুটহাট সে দেশের বাইরে বিভিন্ন অফিসিয়াল ট্রিপের আড়ালে মেয়েমানুষ নিয়ে ফুর্তি করতে যায়। শুরুর দিকে শায়লা বাঁধা দিয়েছে। অনেক ভাবে স্বামীকে সুপথে আনার চেষ্টা করেছে। সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এসব কাজে বাঁধা দেয়ার ফলশ্রুতিতে স্বামী যখন তখন তার গাঁয়ে হাত তুলতেও দ্বিধাবোধ করেনি। কাছের লোকের কথায় ঝাড় ফুঁক ও করে দেখেছে। কিন্তু চরিত্রহীন স্বামী দিন দিন আরো নতুনভাবে নতুন নতুন অপকর্ম চালিয়ে গেছে এখনো যাচ্ছে। - এত বছর পর এই ব্যাপারগুলো শায়লাকে এখন আর ভাবায় না। জীবনের মোড় ঘুরিয়ে শায়লা হয়ত অন্য এক জীবন পেতে পারত। ঊনিশ বছরের সেই শায়লা হয়ত দুধের শিশুকে নিয়ে স্বামীর ঘর ত্যাগ করতে পারতো। কিন্তু জীবন তাকে এর প্রতিদানে বিশেষ কিছু কি দিত? সমাজ কি তার দায়িত্ব নিত? এখন শুধু হাহাকার একটা চরিত্রহীন লম্পট লোকের সঙ্গে জীবনের বাকি সময়টা পার করতে হবে....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অন্তরাল
→ #অন্তরালেও_তুমি_আমার
→ #অন্তরালেও_তুমি_আমার
→ অন্তরালে - ৪
→ অন্তরালে ভালোবাসা
→ অন্তরালে - ৩
→ ♥ অন্তরালে - ২♥
→ ♥ অন্তরালে - ১♥
→ অমানিশার অন্তরালে
→ গল্প : হৃদয়ের অন্তরালে
→ অনূভূতির অন্তরালে ....
→ গহীন অন্তরালে
→ বিশ্বাসের অন্তরালে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now