বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোমান্টিক গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD Shohidul Islam Sahid (০ পয়েন্ট)

X রাত প্রায় এগারোটা বেজে গেছে!ব্যস্ততম শহরে রাত এগারোটা খুব একটা গভীর রাত নয়!রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছি আনমনে!কোথায় যাচ্ছি তাও যানিনা!সোডিয়াম লাইটের আলোতে রাস্তাটা পরিষ্কারভাবে দেখা যাচ্ছে!রাস্তার ধারের কিছু চায়ের দোকান এখনোও খোলা আছে।মাঝে মাঝে কিছু গাড়ি সোঁ সোঁ করে চলে যাচ্ছে!আজ মায়ের কথা মনে পড়ছে।আজ মা থাকলে হয়তো এখন আমি রাস্তায় রাস্তায় না ঘুরে মায়ের কোলে ঘুমাতাম!আজ বুঝতে পারছি মা ছাড়া এই পৃথিবীতে বেঁচে থাকা কতটা কঠিন!আজ মনে হচ্ছে জীবনটা যদি সিনেমার মতো হতো তাহলে আজ মা না থাকা সত্বেও বাবা আমার পাশে এসে দাঁড়াত!কিন্তু বাবা আমাকে ভালোইবাসেনা আর পাশে থাকবে কী করে!সেতো তার বউ বাচ্চা নিয়ে অনেক সুখে আছে!শুধু আমি আর আমার বোনটাই কষ্টে আছি! . আজ বিকেলবেলা ঘুমিয়ে আছি!সেই সময় মায়ের উচ্চ আওয়াজে ঘুম ভেংয়ে গেলো!মা মানে সৎমা জোরে জোরে চিৎকার করে বাবাকে বলছে,, --এই যে তোর দুজন শয়তান আছে তারাতো কোনো কাজ কাম করেনা!আমাদের উপর বসে বসে খায়!তাদের দুজনকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারিসনা! সৎমায়ের এসব কথা শুনে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো!সৎমা আমাদের একদম সহ্য করতে পারেনানিজের বাবার বাড়িতেই থাকতে এতো কথা শুনতে হচ্ছে!কিন্তু কিছুক্ষনপর যখন বাবার কথাটা শুনতে পেলাম তখন চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি!বাবা বলছিলো, --কী ভাবে তাদের বের করব!তাদেরকেতো আমি সরাসরি বলতে পারিনা বাড়ি থেকে বের হয়ে যাও!কোনো একটা কারন তো লাগবে! বাবার এই কথা শুনে আমার বুকটা কেঁপে উঠলো!এসব কী বলছে বাবা!এই বাবা কী সেই বাবা যে আমি না খেলে কখনো খাবার খেতোনা!আমাকে প্রতিদিন তার পুরোনো স্কুটারটা দিয়ে আমাকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে আসতো এবং ছুটির পর আবার বাড়ি নিয়ে আসত!কিছুক্ষন পর বাবা ও মা চুপ হয়ে গেলো!আমি এখনো বিছানায় শুয়ে আছি!কিছু সময় পর দেখলাম আমার ছোটবোন রাফিয়া আমার ঘরে এসছে!রাফিয়া আমার ছোট বোন!ক্লাস সিক্সে পড়ে!এসে বলল, --ভাইয়া তুমি কাঁদছ কেন? --কই আমি কাঁদছিনাতো! রাফিয়া আমার চোখের জল মুছে দিতে দিতে বলল, --আমি জানি তুমি কাঁদছ!ভাইয়া বাবা মা আমাদের একটুকুও ভালোবাসেনা!চলোনা আমরা এখান থেকে চলে যাই!আমি আর তুমি একসাথে থাকবো!আমাকে আর এখানে থাকতে ভালোলাগেনা!মা সবসময় শুধু বিভিন্ন ধরনের কথা শুনায়!গালি দেয়!মাঝে মাঝে আমার গায়ে হাত তোলে! --যাবো আমরা খুব শীঘ্রই এখান থেকে চলে যাবো!আর কয়েকটাদিন অপেক্ষা কর! রাফিয়া চলে গেলো!আমি ফ্রেশ হয়ে টিউশনির জন্য যাওয়ার জন্য যখন বাইরে গেলাম তখন বাবা বলল,, --জয় কোথায় যাচ্ছিস? --বাবা প্রাইভেট পড়াতে যাচ্ছি! --আজকে যেতে হবেনা!এই লিস্টটা নে!এখানে যা কিছু লিখা আছে তা সব বাজার থেকে কিনে নিয়ে আয়! --বাবা আমাকে তো প্রাইভেট পড়াতে যেতে হবে!হাতে বেশি সময় নেই! --বললাম না আজকে যেতে হবেনা! --বাবা আমাকে যেতে হবেই!কয়েকদিন পর আমার ছাত্রের পরীক্ষা!আর এখন যদি আমি না যাই তাহলে হয়তো আমাকে টিউশনিটা হারাতে হবে! --আমি তোকে যেটা বললাম সেটা কর আগে! --আমি পারবোনা! এই কথা শোনার পর বাবা আমার গালে একটা চড় দিয়ে বলল, --তোর মতো কুলংগার ছেলে যে আমি কেনো জন্ম দিয়েছিলাম তা খোদাই যানে! আমি আর দাঁড়িয়ে থাকলামনা!বাড়ি থেকে চলে আসলাম!টিউশনি মিস দেওয়া যাবেনা!আমি সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত কয়েকটা টিউশনি করাই!টিউশনির টাকা দিয়ে আমি আমার পড়ালেখার খরচ চালাই!বাবা আমাকে আমার পড়ালেখার খরচ দেয়না!মাঝে মাঝে আমার ছোট বোনটার পড়ার খরচ বাবা দেয়না!তখন আমাকেই রাফিয়ার খরচ চালাতে হয়! . টিউশনি শেষ করে রাস্তা দিয়ে হাটছি আর আজ বিকেলের এসব ঘটনাগুলোর কথা ভাবছি!বাড়ি যেতে কেনো যানি ইচ্ছা করছেনা!আনমনে হাটতে হাটতে কখন যে প্রায় বারোটা বেজে গেছে মনে নেই!এখন তো বাড়ি যেতে হবে!কিন্তু বাড়ি যেতে মন চাচ্ছেনা!তাই বন্ধু সবুজকে ফোন দিলাম! --সবুজ আজ আমি তোর মেসে আমি থাকবো! --চলে আয়!কিন্তু তুই এখন কোথায়? --নিয়টাউন তিন নং! --হুম্ম আমি সব বুঝতে পেরে গেছি!তুই আয় তাড়াতাড়ি! --আচ্ছা! সবুজ আমার বেষ্ট ফ্রেন্ড!কলেজ লাইফ থেকে আমরা ভালো বন্ধু!মাঝে মাঝেই আমি তার কাছে গিয়ে থাকি! . পরেরদিন সকাল দশটায় আমি সবুজের মেস থেকে বাড়িতে গেলাম!বাড়িতে ঢোকা মাত্রই রাফিয়া আমার কাছে ছুটে এলো! --ভাইয়া তুমি কালকে রাতে কোথায় ছিলে? --সবুজের মেসে ছিলাম!আর তুই স্কুল যাসনি কেন? --মা যেতে দেয়নি! --কেনো? --বলল বাড়িতে কাজ আছে!আর আমাকে সেই কাজ করতে হবে! আমি মার ঘরে গেলাম!গিয়ে দেখি মা শুয়ে আছে! --মা তুমি রাফিয়া কে স্কুলে যেতে দাওনি কেন? --জমিদার আপনি এসছেন!আর রাফিয়া কে স্কুও যেতে দেয়নি কারন সে আজকে বাড়ির কাজ করবে! --কেনো তুমি করতে পারোনা!রাফিয়া স্কুল যাবে! এই বলে আমি ঘর থেকে বের হয়ে গেলাম!মা কিছু বলতে চেয়েও আমি চলে আসায় সেই সুযোগ পেলোনা ! রাফিয়ার ঘরে গিয়ে দেখলাম সে মন খারাপ করে তার পড়ার টেবিলে চুপ করে বসে আছে!আমি ডাক দিতে গিয়েও কেনো জানিনা ডাক দিলাম না!আমি বাড়িতে যখন থাকিনা মা নামক ডাইনিটা মনে হয় রাফিয়াকে অনেক কথা শোনায়!আমাকে এখান থেকে রাফিয়াকে নিয়ে যেতে হবে!তার জীবনটাকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে হবে!বড় ভাই হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব! . ভার্সিটির সবচেয়ে পুরোনো গাছটির নিচে বসে আছি!তখন পনেরো বছরের আগের কিছু সৃতি মনে পড়ছে!তখন আমার বয়স নয় বছর!তখন আমার মা বেঁচে ছিলো!মা আমাকে খুব আদর করত!আর বাবাও!আমি তখন ক্লাস থ্রীতে!বাবা আমাকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যেত আর নিয়ে আসতো!বাবা আমাকে সবসময় চোখে চোখে রাখতো!খুব ভালোবাসত আমায়!আমার যখন শরীর খারাপ হতো তখন বাবা মা দুজনেই রাতে ঘুমাতেননা!আমার সব আবদার পুরন করত!আমি যখন ক্লাস ফোরে উঠি তখন রাফিয়ার জন্ম হয়!রাফিয়ার জন্মের পর আমাদের পরিবার আরোও সুখী পরিবারে পরিনত হয়!মায়ের আদর,বাবার ভালোবাসা ও আমার ছোট বোনকে নিয়ে আমারা খুব সুখে ছিলাম!কিন্তু সেই সুখ আমাদের কপালে সইলোনা!আমি যখন ক্লাস সেভেনে তখন মার ক্যান্সার রোগ ধরা পড়ে এবং আরোও তিন মাস পর মা হটাৎ একদিন মারা যায়!সেদিন আমি খুব কেঁদেছিলাম!সেদিন যেই কষ্টটা পেয়েছিলাম তা আগে কখনো পায়নি!মা হারালে যে কত কষ্ট হয় আমি সেদিন বুঝেছিলাম!বাবাও সেদিন খুব কেঁদেছিল!আর রাফিয়ার বয়ষ তখন মাত্র তিন বছর!কোনো কিছু ভালো করে বুঝতে শিখেনি!শুধু মা মা বলে কাঁদতেছিল!কিন্তু আমার মা রাফিয়ার ডাকের কোনো জবাবা দেয়নি! ! মার মৃত্যুর একবছরের মাথায় বাবা আবার একটা বিয়ে করে!সেদিন খুব খুশি হয়েছিলাম!আমি মনে করেছিলাম আমরা আবার একটা মা পাবো!আমারা আবার মায়ের আদর পাবো!কিন্তু আমার ধারনা সম্পুর্ন ভুল ছিলো!বাবার বিয়ের দুই মাস পর সৎ মা আমাদের উপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার করতে লাগলো!কোথায় কোথায় গালি গালাজ করতে লাগলো!কখনো কখনো গায়ে হাত তুলতো!বাবাকে এই ব্যাপারে বললে বাবাও ব্যাপারটা এড়িয়ে চলত!বাবাও বিয়ে করে কেমন একটা হয়ে গেছে!আমার বাবা আর আগের মতো নেই!আমাকে আর আমার বোনকে আর আগের মতো ভালোবাসেনা!কোনো যত্ন করেনা!আমার সাৎমায়ের কথামত চলে!বাবার বিয়ের প্রায় দেড় বছর পর আমার আরোও একটা ভাই আসে!বাবা তার নাম রাখে সিয়াম!সিয়াম দেখতে অনেক কিউট!সিয়ামের জন্মের পর বাবা মা আমাদের আরোও অবহেলা করত!রাফিয়া মাঝে মাঝে অনেক কাঁদত!আর আমি বিভিন্ন ভাবে তার কান্না থামাতাম! ! --কী রে জয় এখানে কী করছিস?? --না কিছুনা এমনিই বসে আছি! --বাড়ি যাবিনা? --বাড়ি যেতে ইচ্ছে করছেনা!বাড়িতে গেলেই কোনো না কোনো বাহানা দিয়ে আমার সৎ মা বিভিন্ন কথা শুনাবে! --কিন্তু তোকে তো বাড়ি যেতে হবে!রাফিয়া আছে তোকে তো রাফিয়ার খেয়াল রাখতে হবে! --আচ্ছা সবুজ আমি কী কোনো চাকরি পেতে পারিনা! --কেনো চাকরি নিয়ে কী করবি? --আমি যদি কোনো একটা চাকরি পাই তাহলে রাফিয়া আর আমি ওই জাহান্নাম থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো!আমরা আর সেখানে থাকতে চাইনা!রাফিয়া রোজ আমায় বলে ভাইয়া চলো আমরা এখান থেকে চলে যাই!তুই তো সব জানিস! --ঠিক আছে!তাহলে চল আমরা একটা চাকরির খোজ করি! --হুম্ম চল! সবুজের কথা শুনে আমি কিছুটা ভরসা পেলাম!কারন আমি যখন সবুজকে আমার কোনো সমস্যার কথা বলি সে তখন কোনো না কোনো ভাবে সমাধান করে দেয়! . প্রায় দুই মাস পর আমি একটি বেসরকারি কোম্পানিতে একটা চাকরি পাই!চাকরি পাওয়ার কিছুদিন পর আমি আর রাফিয়া বাড়ি থেকে লুকিয়ে পালিয়ে আসি!আসার সময় একটা চিঠি লিখে এসেছি!!চিঠিতে লিখা ছিল,,"আমরা আমাদের জীবনে স্বাধীনভাবে চলতে চাই!তাই তোমাদের ছেড়ে চলে এলাম!আমারা আর তোমাদের সাথে থাকতে পারছিনা!আর আমাদের না খুজলে আমরা খুশি হবো!"রাফিয়াকে তার স্কুলের হোস্টেলে রেখে আসলাম আর আমি সবুজের মেসেই থেকে গেলাম!প্রতিদিন বিকেলে আমি রাফিয়ার সাথে দেখা করতে যাই!আমি ভেবেছিলাম বাবা আমাদের খুজতে আসবে!কিন্তু আজ একমাস হলো বাবা একবারোও আমাদের খোজ করতে আসেনি!এখন আমরা খুব আরামেই আছি!স্বাধীনভাবে চলতে পারি!কিন্তু তবুও বাবাকে খুব মিস করছি! . কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি রিতু ঘন ঘন আমাদের মেসে আসতেছে.আর আমার দিকে কেমন যেন ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে!মনে হয় কিছু বলতে চায়!কিন্তু কোণো একটা কারনে বলতে পারেনা!রিতু দেখতে বেশ সুন্দর!খুব সাধারন একটা মেয়ে!কিন্তু খুব চঞ্চল প্রকৃতির একটা মেয়ে!সবসময় কথা বলতেই থাকে!আর সবুজের সাথে তো সারক্ষন কথা বলতেই থাকে!আর আমি সামনে গেলেই কেনো জানি চুপ হয়ে যায়!এর কারনটা ঠিক এখনো বুঝতে পারিনি! . কিছুদিন আগে আমি দুপুরে ভার্সিটি থেকে এসে দেখি একটা মেয়ে রান্না করছে!আমি ভাবলাম রান্না করার বুয়া হবে!আমি সবুজের কাছে গিয়ে বললাম,, --কীরে নতুন বুয়া রাখলি নাকি! --কই বুয়া! --ওই যে রান্না করছে! --আরে ওইটা বুয়া না আমার চাচাতো বোন! --ওহ! আমি আর কিছু না বলে ফ্রেস হতে গেলাম!ফ্রেস হয়ে খাবার খেতে বসলাম!সবুজকে বললা,আজকের রান্নাটা খুব সুন্দর হয়েছে!সবুজ বলল রিতু খুব ভালো রান্না করতে পারে!সবুজের মুখেই তার নামটা শুনেছিলাম!খুব সুন্দর নাম তার! . সেদিন থেকে রিতু ঘন ঘন এখানে আসে!আজকেও এসেছে!সবুজ আর আমি খেতে বসেছি!আর রিতু পরিবেশন করছে!তখন সবুজ বলল,, --আচ্ছা রিতু তুই এখন এত ঘন ঘন আসতেছিস কেনো?আগে তো এত আসতিনা! --একজনকে দেখতে আসি!তাকে খুব মিস করি! একথা বলেই রিতু আমার দিকে তাকালো!আমি আবার মাথা নিচু করে খেতে বসলাম! --কে সে? --তোকে জানতে হবেনা! এই বলে রিতু আমাদের সামনে থেকে চলে গেলো!কিন্তু আমি ঠিক বুঝতে পেরেছি রিতু কার কথা বলেছে! . কিছুদিনপর আমি ঘরে বসে গেম খেলতেছি!এমন সময় আমি দেখলাম রিতু এসেছে!এসেই সে আমাকে বলল, --আপনার সাথে আমার কিছু কথা আছে? আমি ভাবছি রিতু আমার সাথে কী কথা বলতে চায়! --আমার সাথে তোমার কী কথা আছে? --আমি আপনাকে ভালোবাসি! --কী?এসব কী বলছ তুমি? --হ্যা আমি আপনাকে ভালোবাসি! আমি ঘর থেকে বেরিয়ে সবুজের কাছে গেলাম! --সবুজ রিতু কী বলছে এসব! --দেখ জয় রিতু খুব ভালো মেয়ে!তোর আর তোর বোনের জীবনে রিতু আসলে দেখবি তোর খুব হ্যাপি হবি! --তার মানে তুই সব জানিস? --হ্যা রিতু প্রথমে আমাকে বলেছে!আর জানিস রিতু প্রতিদিন আমায় ফোন করে তোর খোজ খবর নেয়! --সে কী আমার ব্যাপারে সবকিছু জানে? --হ্যা জানে!জানে বলেইতো সে আরোও তোর সাথে থাকতে চায়! এই পৃথিবী সত্যিই বড় অদ্ভুদ!আপন মানুষ পর হয়ে যায় আর পর আপন হয়ে যায়!পৃথিবীতে কিছু সম্পর্ক মনে হয় এভাবেই গড়ে উঠে!আমার নিজের বাবা আমার একবারোও খোজ নেয়না!কিন্তু রিতু যাকে আমি মাত্র একমাস ধরে চিনি সে আমার প্রতিদিন খোজ করে!এমন একজনকে ভালোবাসা যায়! আমি বুঝতে পেরে গেছি রিতুই আমার আর আমার ছোট বোনটার জীবন আবার সুন্দরকরে গড়ে তুলতে পারবে!সেই পারবে আমাদের দু:খটাকে ভুলিয়ে দিতে! ~~~~~~~~~~~~~~ (


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রোমান্টিক গল্প
→ অসাধারণ একটি রোমান্টিক প্রমের গল্প
→ গল্পটা একটু রোমান্টিক
→ সচেতন মূলক রোমান্টিক গল্প
→ গল্পটা একটু রোমান্টিক
→ রোমান্টিক গল্প
→ গল্পটা একটু রোমান্টিক
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক গল্প
→ একটি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now