বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#Writer : Pantha Shahria !!!
- দোস্ত এখন কই আছস কালকেই নীলার
বিয়ে হয়ে যাবে আমি কী করমু এখন (আবির)
- দূর সালা টেনশন নিস না আমি আছি কী
করতে।
- হুমমমমম কই তুই।
- আমি এই তো এখন ঘুমাইতেছি।
- হারামী নীলার কাল বিয়ে কিছু কর দোস্ত,
ঐ সালা মাইয়া গো মতো কাঁদিস না
তো আমি ঘুমই ঘুমই ভাবতেছি, হি হি।
- এখন দুষ্টুমি করার সময় নারে ভাই
তুই ছাড়া কেউ কিছু করতে পারব না।
- হুমমমমম, নীলা তো রাজি।
- হ্যা ও রাজি।
- তাহলে আর কোন টেনশন নিস
না নীলারে পেয়ে যাবি, আমি তো
আছি গাধা।
আমি সাহরিয়া নিজের কষ্ট আড়ালে লুকাইয়া
সবার মুখে ফোটানোটাই আমার কাজ।
কিন্তুু আজ অনেক কষ্ট হচ্ছে,
আবির আমার ছোট বেলার বন্ধু, আর
নীলাকে আমি অনেক আগে থেকে
ভালবাসতাম,
কিন্তুু ওই তো কোনদিন বলতে পারি
নাই তাই আজ ও অন্য কারো।
কিন্তুু ওরা দুই জনই আমারে অনেক
ভালবাসে,
আমাকে ছারা নীলার চলে না, আবার
আবির এর ও চলে না।
মডেম আর কম্পিউটার এর মতো,
যতই লাগানো হোক কানেক্ট এ না ক্লিক
করলে যেমন কোন কাজ করে না তেমন
ওদের দুই জনের মধ্যে আমি।
মাঝে মাঝে রাগ লাগে কিন্তুু নীলা
দিকে তাকাইয়া কিছু করতে পারি না।
ক্যান যে ভালবাসতে গেলাম নীলারে,
আর বলতেই পারলাম না কেন।
না পারি কইতে না পারি সইতে।
না এখন এসব ভেঁবে লাভ নাই
ওদের এক করে দিয়ে অনেক দূরে
চলে যাব।
চললাম নীলাদের বাসার উদ্দেশ্যে,
ও মা গো কত্ত সুন্দর কইরা বাড়িটা সাজানো
হয়েছে,
এখন আমি এই বাড়ির মাইয়ারে পালাই নিয়া
যামু হি হি হি।
নীলাদের বাসাই আস্তে করে ঢুকলাম
ডাব চুরির অভিজ্ঞাতা আজকে কাজে
লাগছে।
এখন বাজে রাত ১১:৩৫ সবাই কাজে বাস্তু
কেউ ঘুমাইছে।
নীলার রুমে ঢুকলাম, ওলে বাবা
মাইয়া আগে থেকেই রেডি।
এর পরে ওদের বাসার পিছন
দিয়ে আস্তে করে বেড়িয়ে পড়লাম।
আবিররে ফোন দিলাম,
-ওই সালা কই তুই।
- দোস্ত স্টেশন এ আছি।
- হুমমমমম ওই খানেই থাক আমরা
আইতেছি।
- তো ম্যাডাম চলেন।
- আমি আর হাঁটতে পারব না।
- ঐ হাঁটবানা তাইলে যাবা কেমনে।
- একটা বাইক নিয়ে আসতে পারনাই।
- ওলে বাবা পালাইতেছে আর আবদার কত।
- আমি না থাকলে না, কালকেই তোমার
বিয়ে হত, নেহাত আমি ছিলাম।
ওই গান্ডুরে কী দেখে ভালবাসছে আল্লাহ জানে।
- সাহরিয়া আমি আর হাঁটতে পারব না।
- হে আল্লাহ কী ঝামেলাই ফেলাইলা মোরে।
- ওই শোন আমি তোমার 'বফ' না যে কোলে
কইরা নিয়ে যামু সো হাঁটতে থাক।
- সাহরিয়া পিলিজ আমারে কোলে করে নিয়ে
যাও না।
- হায় হায় মাইয়া বলে কী আজ অন্তর কাল
অন্য পোলার লগে বিয়ে হইবে আর আমি নাকি
কোলে কইরা নিয়ে যামু।
ওই পারমু না আমি।
- তাহলে আমি যাব না এই বসলাম এখানে।
- দূর ভাল লাগে না, দিলাম আবিররে ফোন
হালার পুত, দেইখা দেইখা এই পাগলির
লগে পিরিত করছস,
- কেন।
- আরে হাঁটব না বলতেছে কোলে করে নিয়ে যেতে।
- দোস্ত কোন অটো নাই।
- হারামী পাইলে কী আর ফোন দিতাম।
- আচ্ছা শুধু কোলেই নিস আর কিছু করিস
না পিলিজ।
- কী ঝামেলাই পড়লাম যেমন দূর।
এই যে মহারাণী ওঠেন , পারমিশন পেয়েগেছি
- সত্যি কোলে নিবা।
- না নিয়া তো আর উপায় নাই, ও মা গো
কীইইই ভারি, ওই কীইইই খাও হুমমমমম।
-কেন।
- না কিছু না, এই প্রথম কোন মেয়েকে এভাবে টাচ করলাম, আবার খুব কষ্ট হচ্ছে, কালকেই
মেয়েটা অন্য কারো হয়ে যাবে।
এসব ভাবতে ভাবতে স্টেশনে চলে
আসলাম।
- হুমমমমম এখন নামেন।
- হি হি উম্মমমমমমমমমা।
- ওই কীইইই হইল এইটা।
- এত দূর কোলে করে নিয়ে আসলে সে জন্য।
ওই তো আবির আসছে,
- এই নে ধর তোর জিনিস, আর এই নে টাকা
আর হ্যা ভাল করে থাকিস আমি এই দিক
সামলে নিব।
আর হ্যা নীলারে অনেক ভালবাসবি।
বলে চলে আসছিলাম।
হঠাৎ নীলা বলল সাহরিয়া ও আমাদের
সাথে যাবে।
আবির যেন কেমন কেমন করে বলল
হুমমমমম তুই ও চল।
- আরে দূর আমি যেয়ে কীইইই করমু।
- আমি বলছি তাই যাবে (নীলা)
- আচ্ছা চলো।
- ট্রেনের টিকিট কাঁটলাম তিনটা, আবার ওদের
মাঝ খানের সিটটাই পড়লাম।
আমি সাইটে আসতে চাইলাম কিন্তুু নীলা
বলল না তুমি এই খানেই বসো।
- আমার কেমন যেন খটকা লাগতে লাগল,
ওরা দুইজন প্রেম করে কিন্তুু আমাকে
খালি নীলা গুরুত্ব দেই কেন, আবির এর থেকে
আমার সাথে বেশি কথা বলে।
আবির কেমন কেমন করে
কিন্তুু মুখে বলতে পারে না।
আমি নীলাকে আবির এর আগে থেকে
ভালবাসি কিন্তুু বলতে পারি নাই।
যেদিন থেকে ওদের প্রেম শুরু হয়েছে যেন
ওরা না আমি প্রেম করছি।
নীলা আমার সাথেই বেশি কথা বলত।
আমাদের উদ্দেশ্য সিলেট,
সেখানে আমার দাদুর একটা বাড়ি আছে
ওখানে।
সিলেট পৌঁছে গেছি।
চললাম বাড়ির উদ্দেশ্যে নীলা আমার
এক সাইট আর আবির এক সাইট এ।
বাড়িটা তে গিয়ে দেখি অনেক গাছ হয়ে
গেছে কোন মানুষ থাকে
না তো তাই হয়তো এত্ত গাছ পালা হইছে।
তিনটা রুম পরিষ্কার করলাম আমি বাজার
থেকে খাবার নিয়ে আসলাম, রাতে এক সাথে
তিনজন খেলাম।
তার পর বললাম তোরা ঘুমাতে যা।
বরে বাইরে এসে আগুন জ্বালিয়ে বসে আছি,
একটু পরে দেখলাম।
নীলা ও আসছে,
আমার পাশে বসে গল্প করতে লাগল।
পরে আমি ঘুমাতে চলে গেলাম
নীলা ও গেল।
পরেরদিন ওদের বিয়ের কথা বললাম
নীলা বলল এখন না আর কয়েক দিন পর।
এর পরে থেকে আবির যেন
কেন হয়ে গেছে।
একদম আলাদা অন্য মতো হয়ে গেছে।
আমি নীলা আবির খুব ঘুরা ঘুরি করতেছি,
নীলা শুধু আমার সাথেই কথা বলছে
কেমন যেন সব উল্টা পাল্টা লাগছে,
আবির এর মতিগতি ও ভাল,
ঠেকছে না।
বাড়িতে আসলাম সন্ধাই
নীলা আর আমি।
আবির বলল তোরা যা আমি আসতেছি।
বাড়িতে এসে আমি নীলা বসে বসে গল্প করছি,
হঠাৎ আবির আসল।
আমি আবার নীলার দিকে তাঁকিয়ে গল্প
করতেছি।
একটু পড়ে মাথাই সজোরে কিছুর আঘাত
পেলাম।
আমি পড়ে গেলাম সব বুঝতে পারছি কিন্তুু
উঠতে পারছি না।
নীলা আমার কাছে এসে কাঁদতে লাগল,
আর বলতে লাগল আবির তুমি কেমন
করে সাহরিয়া কে মারলে,
ও তোমার জন্য কত কিছু করল।
আর তুমি ওকেই মারলে।
- কে কত কিছু করেছে ও, ওতো একটা বেইমান
সালা হারামী বাচ্চার সাথে তোর এত কথা কেন।
আমাকে ভালবাসিস না ওকে হ্যা।
বলেই নীলাকে একটা থাপ্পড় মারল।
আমি তো আগে থেকেই জানতাম
সাহরিয়া তোকে ভালবাসে, কিন্তুু তোর বাবার
অনেক টাকা তাই একটা প্লান করলাম।
সাহরিয়া দিয়ে আমি তোরে আমার প্রেমে ফেললাম, আর তোর বিয়ের কথা শুনে অরো
আগে টাকা পাওয়ার সুযোগ হলো।
তোর বাপ এর হাতে তোকে তুলে দিলে
৫০ লক্ষ টাকা পাব। এই এই হারামীরে
এখানেই পুতে ফেলব।
- ছি আবির ছি তুমি এমন আমি জানতাম না,
আমি কখন ওই তোমারে ভালবাসতাম না
আমি সাহরিয়ারে ভালবাসি, সাহরিয়ারে
বললে যদি না করে। তাই তোমার সাথে
প্রেমের নাটক করে ওর কাছে থাকতাম।
নীলার কথা শুনে যে গায়ে নায়ক দের
মতো শক্তি চলে আসল।
লাফ দিয়ে উঠলাম।
- ও তা হলে তুই মরিস নাই (আবির)
- তোর মতো ছেঁচরা আমারে মারবে ভাবলি কেমনে, তোর জন্য কী না কী করলাম আর তুই
আমারে পিছন থেকে মারলি।
সাহস থাকলে সামনে আয়।
আমি আবির দুই জনেই হেঁসে উঠলাম।
নীলা তো অবাক হয়ে তাকাই আছে।
আমি বললাম আসলে এই গুলো সব আমারই
প্লান বুঝলা পাগলি।
আমি আগে থেকেই জানতাম তুমি
আমারেই ভালবাস, না হলে ক্যান আমার
সাথে এত্ত কথা বলো।
আর আবির এর ও একটা প্রেমিকা আছে
রিয়ে।
আবির তখন রিয়ারেই নিতে গেছিল।
বলার সাথে সাথে নীলা আমার গালে
ঠাসসসসসসসসসসসস করে দুইটা
চর দিছে।
- কীইইই করব বলো আমি ও তো তোমারে
অনেক ভালবাসি সেই কবে থেকে।
- তো বলনাই কেন
- ভয় লাগত তাই।
- কীসের ভয় হুমমমমম।
- যদি ছেরে চলে যাও।
হঠাৎ নীলা এসে আমাকে জরাই ধরে বলল কোনদিন ছারব নারে পাগলটারে খুব ভালবাসি।
আমি ও নীলারে খুব শক্ত করে জরাই ধরলাম।
- কোনদিন ছেড়ে যাবে নাতো।
- যেমন ভাবে জরাই ধরে আছ চাইলে ও যাইতে
পারমু না।।
হি হি হি হি।।
>>সমাপ্তThe End
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now