বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেমময়,,,,,, পর্ব(৪)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md mainul islam (sagor) (০ পয়েন্ট)

X লেখিকা - Polok Hossain রুনা রান্নাঘরে কাজ করছেন।এই মুহূর্তে তার সাথে রান্নার কাজে অংশ নেয়া অরনিতার দায়িত্বের মধ্যে পরে।অরনিতা রান্নাঘরে গিয়ে দেখলো রুনা একা কাজ করছেন।হালিমা মেয়েটাও সাথে নেই। অরনিতা রুনাকে বললো- -আন্টি,হালিমা কোথায়? মেয়েটা আবারও আন্টি ডাকছে।রুনার কাছে 'আন্টি' ডাকটা শুনতে ভালো লাগছে না। রুনা বললেন- -হালিমার জ্বর এসেছে। -ওহ.. -তুমি রান্না করতে জানো? -কিছু কিছু রেসিপি বানাতে পারি।নরমাল আইটেমও পারি বানাতে।যেমন.. রুনা গম্ভীরভাবে বললেন- -থাক,বুঝেছি।তুমি আমাকে তরকারি কেটে দেও।বাকিসব রান্না আস্তে আস্তেই শিখে যাবে।আমি হালিমাকে দেখে আসছি।কিছু দরকার হলে আমাকে জানাবে। -আচ্ছা আন্টি। পরিস্থিতি দেখে অরনিতার মনে হচ্ছে না যে এই মুহূর্তে বাহিরে যাওয়ার কথাটা তোলা যাবে।আজকে বাহিরে যাওয়া হবে না।হালিমা মেয়েটাও অসুস্থ।নতুন বউ ঘরে থাকতেও শাশুড়ির রান্নাঘরে একা একা কাজ করাটা ভালো দেখায় না। রুনার কথা মতো অরনিতা কাজ করতে লাগলো।নিহিলা কি করছে কে জানে!বোধ হয় বসে বসে কাঁদছে।নিহিলাটাও একটা গাধী।বোকাটাকে কতো বোঝানো হয়েছে যে একতরফা ভালোবাসার কোনো দাম নেই।এরপরও নামহীন ভালোবাসা নিয়ে বুক ভাসিয়ে নিজের চোখটাকে কাঁদিয়ে দুর্যোগ সৃষ্টি করবে। . . নিহিলা বাবা হারানো মেয়ে।মা,নিহিলার ভাই,মামা,মামী,ম ামাতো দুই বোন এরাই ওর পরিবার।গত বছর থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত অনেক সম্বন্ধ এসেছে নিহিলার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে।কিন্তু কোনো না কোনো কারনে বিয়েটা আটকে গেছে।পাত্র পছন্দ হলে পরিবার পছন্দ হয় না।আর পরিবার পছন্দ হলে পাত্র পছন্দ হয় না।কিন্তু এইবার যেই ছেলেটার সাথে ওর বিয়ের কথাবার্তা চলছে ওই ছেলেটাকে তাদের সব দিক দিয়েই পছন্দ হয়েছে। নিহিলার ভালো লাগছে না।সে রুমে একা বসে বসে কাঁদছে।এই বিয়েতে নিহিলা রাজি না।রাজি না হওয়ার একটাই কারন আর সেটা হলো ওর বড় ভাইয়ের বন্ধুকে তার খুব পছন্দ।নিহিলার বড় ভাই প্রান্তর বন্ধু ইহরাবকে সে খুব পছন্দ করে। নিহিলার ফোন হঠাৎ বেজে উঠলো।অরনিতা ফোন দিয়েছে। -হ্যালো,নিহিলা.. -বল অরু,আজ দেখা করতে পারবি? -না রে.আজ পারবো না। -আচ্ছা,আমাকে একটা আইডিয়া দে কিভাবে এই বিয়ে আটকানো যায়? -পাগলামো করিস না।তোর এই বিয়েটা যেন হয়েই যায় আমি এইটাই চাই।শোন,তুই প্রান্ত ভাইয়ার বন্ধু ইহরাব ভাইয়াকে পছন্দ করিস তা আমরা সবাই জানি।কিন্তু সে কি তোকে পছন্দ করে! নিহিলা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বললো- -করতো তো। -এইটা তোর মনের ভুল। -তোর কি মনে আছে যে আমি তাকে একটা চিঠি দিয়েছিলাম এবং সে ওই চিঠির উত্তরও আমাকে দিয়েছিলো। -হ্যা।মনে আছে।আর চিঠিটা তুই তোর মামাতো পিচ্চি বোনটাকে দিয়ে তার কাছে পাঠিয়েছিলি।তোর সাথে সে একটু মজা নিয়েছিলো।আর কিছুই না।সে কিন্তু তোকে লাভ ইউ লিখে জবাব দেয় নি।তুই ওই চিঠিতে যতোবার লাভ ইউ লিখে গিয়েছিলি। নিহিলা কেঁদে উঠলো।অরনিতা বললো- -কাঁদিস না প্লিজ।তাছাড়া তার গার্লফ্রেন্ড আছে।এইটা তুইও জানিস।তাহলে বোকার মতো তার কথা চিন্তা করে কাঁদছিস কেন? -জানি না,কিন্তু আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। -তাহলে আর কি করার।তুই কান্না কর বসে বসে।তোর একতরফা ভালোবাসা নিয়ে বসে থাক। -সেও তো জানে যে আমি তাকে খুব পছন্দ করি। -জানলে কি হবে!সে কি তোর জন্য তার গার্লফ্রেন্ডের সাথে ব্রেকাপ করবে!তাই বলছি ভুলে যা সব।মনে কর,ইহরাব নামে তুই কাউকে কখনোই চিনতি না। -তোর কি মনে হয় অরু!আমার এই বিয়েটা করা উচিত? -অফকোর্স করা উচিত।তোর মামা তোর জন্য ভালো ছেলেই পছন্দ করবে।এইটা নিয়ে ভাবিস না।কিন্তু এরপরও তোর নিজের পছন্দ অপছন্দের ব্যাপার আছে।তুই একদিন দেখা করতে পারিস ওই ছেলের সাথে। -ওই ছেলের নাম্বার আছে আমার কাছে।মামী আমাকে ছেলের নাম্বার দিয়েছে।ছেলের নাম হেমন্ত। -তাহলে দেরী করছিস কেন!ফোন দে।কথা বল।এরপর যদি ছেলে মন্দ হয় অথবা তার মাথায় কোনো সমস্যা আছে বলে তোর মনে হয় তখন আমি নিজেই এসে তোর বিয়ে ভেঙে দিয়ে যাবো।বুঝলি? -হু... -আর কোনো কান্নাকাটি না।জানিস তো,এইসব ভালোবাসার জোড়া-শালিক আমার চোখের বিষ।বিয়ের আগে আবার কিসের প্রেম ভালোবাসা!ধ্রুব আর দিয়ার প্রেম দেখ।সারাদিন লুতুপুতু। নিহিলা কান্না থামিয়ে হেসে উঠলো।নিজের কথা বলতে বলতে অরনিতাকে ওর নিউ মেরিড লাইফের কথা এখনো জিজ্ঞেস করা হলো না।নিহিলা বললো- -রোমিও দুলাভাই কেমন আছে? -কে রোমিও দুলাভাই? -তোর হাজবেন্ড আবার কে! -রোমিও দুলাভাই বলছিস কেন? -তার সাথে আমার কথা হয়েছিলো ফোনে।সে তোকে বলে নি!!আমাকে বললো তুই নাকি তার লাইফের সাতানব্বই তম মেয়ে। -আর তুই বোকার মতো ওই চাপাবাজের কথা বিশ্বাস করেছিস!আস্ত একটা চাপাবাজ।ভেবেছিলাম বিয়ের পর জামাইয়ের সাথে প্রেম করবো।কিন্তু কিছুই হলো না।সারাক্ষণ ঝগড়া আর ঝগড়া।প্রেম তো সেই প্রথম দিনই ঘরের জানালা দিয়ে পালিয়েছে। নিহিলা হাসতে হাসতে বললো- -আচ্ছা।আমি রাখি এখন।পরে কথা বলবো তোর সাথে।মামী ডাকছে। -বাই নিহু। . নিহিলার মামী এসে বসলো নিহিলার পাশে।তিনি বললেল- -কিসের যেন বাহিরে যাওয়ার কথা বলছিলি তোর মায়ের সাথে? -ফ্রেন্ডদের সাথে ঘুরতে যেতে চেয়েছিলাম। -এখন থেকে বাহিরে কম বের হবি। -কেন? -প্রশ্ন করিস না।যেইটা বলেছি সেইটা করবি।আমরা মেয়েপক্ষ।ছেলেপক্ষ এখন অনেক খোজ খবর নেবে।ঘন ঘন বাহিরে আসা-যাওয়া করলে কখন কি খুত ধরে বসে কে জানে! -এর জন্য বাহিরে যেতে পারবো না!বিয়ে মানে কি নিজের ব্যক্তিস্বাধীনতা বিক্রি করে দেওয়া! -ওতো কথা বলিস না।মাথা ধরে।আর শোন,তোর চোখ ফুলে লাল হয়ে আছে কেন?কেঁদেছিস? নিহিলা লুকাতো চেষ্টা করলো।মামী কান্নার ব্যাপারটা আন্দাজ করতে পারলে মা আর মামাকে বলে ইতিহাস বানিয়ে দিবে।নিহিলা বললো- -ঘুম হয় নি রাতে।মশারীতে মশা ঢুকেছিলো।মশার কামড়ে ঘুমোতে পারি নি।তাই চোখ ফুলে আছে। -ফোনে কার সাথে কথা বলছিলি তখন? -কি আজব,এইরকম কথা তো আগে কখনো জিজ্ঞেস করতে না।এখন কার সাথে কথা বলি এইটাও তোমাকে বলতে হবে! -হ্যা।বলতে হবে।এখন ফোনে কথা বলাও কমিয়ে দিতে হবে।তোকে ছেলের নাম্বার দিয়েছিলাম।ছেলেট াকে কি কল দিয়েছিলি একবারও? -না -এখনো দিলি না কেন?বিয়ের আগে টুকটাক কথা বলা জরুরি। -ঠিকাছে বলবো। . . অরনিতা হালিমার রুমে গেলো।রুমটা ছোট।কিন্তু খুব সাজানো গোছানো।অরনিতা হালিমাকে বললো- -ওষুধ খেয়েছো? -জ্বে। -কোনো অসুবিধে হলে আমাকে ডেকো। হালিমা হ্যা সূচক মাথা নাড়ালো।অরনিতা বললো- -ভেবেছিলাম,আজ তোমাকে নিয়ে ছাদে একটু ঘুরবো।একটু গল্প করবো।বাড়ির সবার সম্পর্কে তোমার কাছ থেকে কিছু জানবো,চিনবো কিন্তু তুমি অসুস্থ হয়ে পরলে। হালিমা ধীরে ধীরে বললো- -ভাবী,আপনার নাম কি? -আমার নাম অরনিতা।সুন্দর না নামটা? -হু.. -তোমার নামটাও সুন্দর।হালিমা।এ কটা কথা মনে পরে গেলো।হালিমা নামে আমাদের স্কুলে একটা হেডমিস্ট্রেস ছিলো।উনি আমাদের ইংরেজি ক্লাস নিতেন।খুব ফ্যাশনিস্ট ম্যাম।আমরা তাকে পাংকু ম্যাম বলে ডাকতাম।এখন অবশ্য তিনি বেঁচে নেই। হালিমা কাথা মুড়িয়ে শুয়ে আছে।তাকিয়ে তাকিয়ে অরনিতার কথা শুনে গেলো। অরনিতা বললো- -হালিমা,শোনো...তুমি কি বই পড়তে পারো? -জ্বে। -স্কুলে গিয়েছিলে? -না।উদয় ভাইজান শিখাইছে। -উদয় তোমাকে শিখিয়েছে? -হু।পড়তে পারি,লিখতেও পারি। -আমি তোমার কাছ থেকে কিছু শিখতে চাই।তুমি আমাকে শেখাবে? -কি? -আমাকে রান্না শেখাবে তুমি।কি!পারবে না শেখাতে? -হু.. -তুমি চুপচাপ শুয়ে থাকো।এখন আর বিরক্ত করবো না তোমাকে। এই বলে অরনিতা উঠে গেলো। . . মানুষ আকাশ ছুতে পারে না।আকাশটাও মাটিতে নামে না।জগত খুবই অদ্ভুত।আকাশটাকে যেমন ছোঁয়ার প্রত্যাশা কখনো করতে নেই ঠিক তেমনি কিছু মানুষকে পাওয়ার প্রত্যাশাও করতে নেই।হঠাৎ মা আসলেন রুমে।হাতে করে কিছু জামাকাপড় নিয়ে এসেছেন।নিহিলাকে দিয়ে বললেন- -এইগুলো আনা হয়েছে তোর জন্য। -আমার জন্য? -হ্যা।ছেলের মা আরেকবার এসে তোকে দেখে যাবে।কিছু টুকটাক গহনা এসে দিয়ে যাবে বলেছিলো। -আমি তো ছেলেকে এখনো সামনাসামনি দেখি নি।শুধু ছবি দেখেছি।বাস্তবে দেখলে আমার যদি তাকে পছন্দ না হয়! -পছন্দ না হলেও বিয়ে করতে হবে।তোর বাবা নেই।মামা বাড়ি থেকে বড় হয়েছিস।তোর মামার কথা আমরা শুনতে বাধ্য। -ছবির চেহারা আর বাস্তব চেহারা এক হয় না।যদি বাস্তবে সে অন্যরকম হলো।যেমন ধরো পাগল টাইপের! -বাজে কথা বলিস না।তোর মামা তোর খারাপটা চাইবে না কখনো।ছেলে ভালোই।তার সম্পর্কে খোজ খবর নেওয়া হয়েছে।তাছাড়া যেই মেয়ে মামার বাড়িতে থেকে মামার বাড়ির ভাত খেয়ে বড় হয়েছে।বাবা নেই।পিতৃ মর্যাদা নেই।কেউ কি সহজে চাইবে এমন কোনো পরিবারের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করতে!ছেলে ভালো,ঘর ভালো।এতোকিছুর পরও ছেলে যখন ভালোটাই মিলেছে এইটা আমাদের সৌভাগ্য। নিহিলার কাঁদতে ইচ্ছে করছে।মা তো ঠিকই বলেছেন।নিহিলা কান্না দমিয়ে রাখার চেষ্টা করলো।চোখ থেকে দুই এক ফোটা পানি গড়িয়ে পরলো নিচে।তবুও স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছে। নিহিলা বললো- -মামা যেইভাবে যা করতে বলবে আমি সেইভাবেই করবো। নিহিলার মা মেয়ের দিকে তাকিয়ে কাঁদে ফেললেন।জীবনটা তার এইরকম না হলেও পারতো কিন্তু নিয়তি বলে একটা কথা আছে।হয়তো এইটাই নিয়তি তার। . . নয়টার দিকে উদয় বাড়ি ফিরলো।অরনিতা রুমে বসে বসে মোবাইলে ফেসবুকিং করছে।অরনিতা ফোন স্ক্রিনে তাকিয়ে উদয়কে বললো- -সবসময় কি এই টাইমেই বাড়ি আসেন? -হ্যা। -আমার তো অনেক আগেই খুদা লেগে যায়।আপনি আসার আগে খাওয়াও সম্ভব না। -কেন সম্ভব না?তোমার যখনি খুদা লাগবে তুমি তখনি খেয়ে নিতে পারো। - তা পারি কিন্তু আমি তা করবো না।কারন এইটা আমার শ্বশুর বাড়ি।একটা কিছু অনিয়ম করে বসলেই কেউ না কেউ খুত ধরে বসবে। -তুমি ওসব নিয়ে ভেবো না।আমার বাড়ির মানুষ এইরকম না। -আচ্ছা শুনুন,একটা কাজ করে দিবেন? -কি কাজ? -মানে জটিল কোনো কাজ না। -বলো কি কাজ? অরনিতা বলতে ইতস্তত বোধ করছে।উদয় বললো- -কি হলো!বলো.. -আপনি আগে প্রমিজ করুন।আপনি হাসবেন না। -কিসের জন্য হাসবো? -না মানে...কাজটা হচ্ছে ওয়াশোরুমে একটা টিকটিকি দেখেছি।তাই যেতে পারছি না।আপনি ওই টিকটিকিটাকে তাড়িয়ে দিবেন প্লিজ! অরনিতার কথা শুনে উদয় হাসতে লাগলো।হাসতে হাসতে বললো- -হিটলার বউ শেষ পর্যন্ত একটা টিকটিকিকে ভয় পায়! অরনিতা রাগান্বিত স্বরে বলল- -আমি জানতাম আপনি খ্যাক খ্যাক করে ভূতের মতো হাসতে থাকবেন।থাক,লাগবে না আপনার হেল্প। উদয় হাসতে হাসতে বললো- -আমি মানুষটা এতো খারাপ নই।হিটলারের হেল্প করা মানে নিজেকে ধন্য করা -মজা করবেন না তো! অরনিতা রাগ দেখিয়ে বসে রইলো।উদয় হাসতে লাগলো।অরনিতাকে রাগাতে পেরে তার খুব ভালো লাগছে।অরনিতা বললো- -আপনার সাথে আর কোনো কথা বলবো না।আবার আমরা বোবা হয়ে থাকবো দুজন।কেউ কারো সাথে কথা বলবো না।ওকে? -আমি এইটা করতে পারলেও তুমি কখনো বোবা হয়ে থাকতে পারবে না। -এইবার পারবো। -জীবনেও না। -বাজি ধরবেন? -বাজি ধরলে তুমি-ই হারবে। অরনিতা কিছু বলতে যেয়েও বলতে পারলো না।কারন অরনিতা নিজেও জানে যে সে কথা ছাড়া চুপচাপ বসে থাকতে পারবে না।অরনিতা রাগ দেখিয়ে আগের মতো কপাল কুঁচকে বসে রইলো। To Be Continued...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now