বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রেমময়,,,,,,, পর্ব (৩)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md mainul islam (sagor) (০ পয়েন্ট)

X লেখিকা - Polok Hossain গেস্ট আসলো সাত আটজনের মতো।শাড়ি পরে লম্বা চার ছয় ঘন্টা আপ্যায়ন করা অরনিতার পক্ষে যদিও একটা কঠিন কাজ তবুও অরনিতাকে এই কঠিন কাজটাই বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে। . রাত হলে এই একটাই সমস্যা।ঘুম আসে না।এই নতুন জায়গায় এসে ঘুম শব্দ চোখ থেকে পুরোপুরিভাবে উঠেই গেছে অরনিতার।রাত জাগাটা বাজে অভ্যাসগুলোর মধ্যে একটি।অরনি বসে বসে ফেসবুকিং করছে।এই একটা কাজ সে খুব আগ্রহ নিয়ে করতে পারে।পাশে উদয় শুয়ে আছে।কোনো কথা বলাও যাচ্ছে না কারন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে, তারা এক রুমে এক সাথে থাকলেও দুজনে বোবা হয়ে থাকবে।যদিও অরনিতা নিজেই বোবা হয়ে থাকার কথাটা আগে তুলেছে কিন্তু চুপ হয়ে বসে থাকাটা অরনিতার কাছে খুব কঠিন কিছু।আর যাই হোক না কেন চুপচাপ বসে থাকা ব্যাপারটা অরনিতার দ্বারা কখনওই হয় না।উদয় ঘুমোচ্ছে কি ঘুমোচ্ছে না তা নির্ণয় করতে অরনিতা ইচ্ছে করে হাল্কা কণ্ঠস্বর ভারী করে আওয়াজ করলো।এমনভাবে আওয়াজ করলো যা শুনলে মনে হবে অরনিতা ব্যাথা পেয়ে চেঁচিয়ে উঠেছে।কিন্তু কোনো লাভ হলো না।উদয় ওপাশ ফিরে শুয়ে আছে।চেঁচিয়ে উঠার আওয়াজ শুনে উদয়ের এপাশ ফিরে তাকানো উচিত ছিল কিন্তু এমন কিছুই হলো না। অরনিতা বললো- -এই যে..শুনছেন.. কোনো জবাব এলো না।উদয় নিশ্চয়ই ঘুমিয়ে পরেছে।সজাগ থাকলে অন্তত ঝগড়া করে সময় কাটানো যেতো।অরনিতা আবারও ডাকলো- -সজাগ থাকলে একটু উঠুন প্লিজ।এইবার শুধু কথা বলবো।ঝগড়া করবো না।প্রমিজ। উদয় এইবার উঠে পরলো।উদয় সত্যি-ই ঘুমায় নি।উদয় হুট করে উঠে যাবে এমনটা অরনিতা চিন্তা করে নি।অরনিতা বললো- -আপনি ঘুমান নি?সজাগ ছিলেন এতোক্ষণ? -হ্যা ছিলাম। -আমি ব্যাথা পেয়ে চিৎকার করলাম অথচ আপনি একটুও সাড়াশব্দ করলেন না! -আমি জানি,তুমি ব্যাথা পাও নি।অভিনয় করেছো। অভিনয়টা উদয়ের কাছে সহজে ধরা পরে যাওয়াতে অরনিতা চুপ হয়ে গেলো।কথাটা কাটিয়ে তুলার জন্য অরনিতা বললো- -আমি কতোক্ষণ ধরে আপনাকে ডেকে গেলাম অথচ আপনি একটু সাড়া শব্দ করারও প্রয়োজন মনে করলেন না? উদয় অরনিতাকে থামিয়ে বললো- -তুমি-ই তো বলেছিলে বোবা হয়ে থাকতে।তাই চুপ রয়ে ছিলাম।তোমার তো আরও শান্তিতে থাকার কথা।ডাকছিলে কেন আমাকে? অরনিতা নিচের দিকে তাকিয়ে চোখের পাতা ঝাপটাতে ঝাপটাতে বললো- -আসলে..আমি কথা ছাড়া থাকতে পারি না।আর দুই দিন যাবত আমার ঘুম হচ্ছে না রাতে।একা একা জেগে থাকতে ভালো লাগছিলো না -তাহলে কি ঝগড়া করার জন্য ডেকেছো? -না,এইবার আর ঝগড়া করবো না আপনার সাথে।গল্প করে সময় কাটানোর জন্য ডেকেছি। -তাই নাকি!আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।ব্রেকিং নিউজ হিটলার বউ আজ ঝগড়া করবে না। -আপনি আমাকে রাগিয়ে দিচ্ছেন।রাগিয়ে দিলে কিন্তু ঝগড়া করবো। -তুমি ঝগড়া করতে চাইলে আমিও ঘুমিয়ে পরবো। অরনিতা চেঁচিয়ে বললো- -না..প্লিজ,ঘুমিয়ে পরবেন না।ঠিকাছে।আমি ঝগড়া করবো না।আমি কথা ছাড়া থাকতে পারি না।আমার দম বন্ধ হয়ে আসে।জানেন,আমার ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশী চুপচাপ আমি তার সাথেই থাকি বেশী।কারন আমি কথা বললে সে চুপ থাকে।এবং আমি ইচ্ছে মতো কথা বলতে পারি তার সাথে।এক্ষেত্রে সে শ্রোতার ভূমিকা পালন করে এবং আমি বক্তার।আমার কাছে সারাক্ষণ শ্রোতা থাকলেই আমি খুশী কেননা তার সাথে যখন যা ইচ্ছা বলা যেতে পারে। বন্ধুবান্ধবের প্রসঙ্গ আসতেই উদয়ের মনে পরলো নিহিলার কথা।যেই মেয়েটা সকালে অরনিতাকে ফোন করেছিলো।উদয় বললো- -নিহিলা কে?সে তোমাকে সকালে ফোন করেছিলো। -আপনি আমাকে আগে জানালেন না কেন? -ভুলে গিয়েছিলাম।এখন মনে পরলো।তখন তোমার ফোন আমি রিসিভ করে ওর সাথে কথা বলেছিলাম। অরনিতা অন্যদিকে তাকিয়ে বললো- -কেউ আমার ফোন ধরলে তা আমি পছন্দ করি না। -তোমার অপছন্দ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই।আমি তোমাকে আগেই বলেছি তোমার সব অপছন্দের লিস্ট আমাকে দিবে। এই বলে উদয় হাসলো।উদয়ের হাসিটা এতোদিন খুব বিরক্ত লাগছিলো।আজ তেমন লাগছে না।অরনিতা বললো- -নিহিলা হচ্ছে আমার ফ্রেন্ড।আজ ওর বার্থডে ছিলো।আপনি আমাকে আগে বললে আমি ওকে কল দিতাম।এখন অনেক রাত হয়ে গেছে।রাত করে কল দিবো না। -আচ্ছা,তুমি আমাকে আপনি আপনি করে বলছো কেন?আমি তোমার ডবল বয়সী না যে সম্মান দেখিয়ে আমাকে আপনি আপনি করে বলতে হবে। -আমি অনেকবার 'তুমি' করে বলতে ট্রাই করেছি।কিন্তু পারি নি।মুখে বাধে। -ভাবো,আমি তোমার ফ্রেন্ড। -না,তা ভাবতে পারবো না। -কেন পারবে না? -কারন আমি ফ্রেন্ডদের তুই তুকারি করে ডাকি।আপনাকে ফ্রেন্ড ভাবতে গেলে দেখা যাবে একসময় আপনাকেও 'তুই' ডেকে ফেলেছি। -ঠিকাছে।তাহলে আমাকে প্রেমিক ভেবো। অরনিতা ভাব নিয়ে বললো- -উহু।তাও ভাবতে পারবো না।প্রেমিক ভাবলে আপনার সাথে প্রেম করতে হবে।একজন আদর্শ প্রেমিকার মতো আপনাকে নজরে নজরে রাখতে হবে।কখন কোন মেয়ের সাথে কথা বললেন,কয়টা মেয়ে ফ্রেন্ড আছে আপনার,ফোনে কয়টা মেয়ের নাম্বার আছে,কোন মেয়ের পিকে লাভ রিয়েক্ট দিলেন এই ফাউল বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে আমার যা আমি কখনোই পারবো না।অবশেষে ফেসবুক পাসওয়ার্ড বিনিময় করতে হবে যা করা আমাকে দ্বারা সম্ভব না। -তোমারা ধারনা প্রেম করতে হলে প্রেমিক-প্রেমিক াদের এইরকম করতে হয়? -এইটা শুধু আমার ধারনাই না।আমি বাস্তবেও দেখেছি।আমার ফ্রেন্ড সার্কেলের প্রায় সবারই গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড আছে।ওদেরকে সবসময় দেখেছি এইরকম করতে। -সন্দেহে রাখে,খারাপ কি!ভালোবাসা আছে বলেই সন্দেহ করে। -আমার এসব ভাল্লাগেনা।হাবি জাবি জিনিস লাগে। -যারা প্রেম করে তাদের কাছে এইগুলোই ইম্পরট্যান্ট মনে হয়। -একটা মজার কথা শুনুন।আপনি শুনলে খুব হাসবেন।দিয়া আর ধ্রুব দুইজনেই আমার ফ্রেন্ড।ওদের মধ্যে প্রেম ছিল।এমনকি এখনো আছে।আমার ফ্রেন্ডদের মধ্যে আমি-ই মেরিড।বাকি সবাই আনমেরিড।দিয়া ধ্রুবকে সবসময় সন্দেহে রাখে।মাঝেমাঝে ধ্রুবকে আননোন নাম্বার দিয়ে ফোন দিতো,মেসেজ দিয়ে।অন্য মেয়ের ছবি নিয়ে ফেইক আইডি খুলে ধ্রুবকে নক দিতো।এইরকম জাল ফেলে রাখতো চারিদিকে।ধ্রুব ওর জালে আটকে পরলে পরদিন দিয়া বেচেরাকে ধোলাই দিতো। অরনিতা হেসে ফেললো।অরনিতা খেয়াল করলো উদয় তাকিয়ে আছে অবাক হয়ে।কিন্তু হাসছে না।অরনিতা হাসি থামিয়ে বললো- -এতো মজার একটা কথা বললাম আর আপনার একটুও হাসি পেলো না!আপনি আসলেও একটা বোরিং এন্ড আনরোমান্টিক পার্সোন। উদয় ভাব দেখিয়ে বললো- -কাকে আনরোমান্টিক বলছো!তুমি আমার জীবনে সাতানব্বই তম মেয়ে।বাকি ছিয়ানব্বই জন এইভাবেই আমার প্রেমে পরে নি।কতোটা হাই লেভেলের রোমান্টিক পার্সোন আমি বুঝতেই পারছো! -তাই বুঝি!বউয়ের সামনে তো এমন ভাব ধরেন যেন রোমান্স এর 'র' ও বুঝেন না।আমার মনেই হয় না যে আমি কারো বউ। উদয় এইবার অরনিতার সামনে এসে বললো- -তাহলে আসো,আজকেই বুঝিয়ে দেই। -অরনিতা দূরে সরে গিয়ে বললো- -ইশশ..ছি: আপনিও না.. -ঠিকই তো বলেছো।তুমি তো আমার বউ।আমার রোমান্সের সাথে সবার আগে তোমার পরিচয় হওয়ার কথা। -রোমান্স বলতে অনেক কিছুই বোঝায়।যেমন ধরুন,আমার চোখে তাকিয়ে দুই এক লাইন কবিতা বলবেন,ছাদে জ্যোৎস্না দেখাতে নিয়ে যাবেন।আমি এগুলা বুঝিয়েছি। উদয় দুষ্ট হাসি দিয়ে বললো- -এইগুলা নরমাল রোমান্স।এই রোমান্সে মজা নেই। -ছি:..আপনি একটা.. অরনিতা রাগ দেখিয়ে উঠে গেলো।অরনিতাকে রাগাতে পেরে মজা লাগছে।উদয়ের খুব হাসি পাচ্ছে। অরনিতা ব্যালকুনিতে গিয়ে দাঁড়ালো।আর মনে মনে বললো 'কি অসভ্য একটা ছেলে! ছি:..' ব্যালকুনি দিয়ে বাতাস আসছে।সেই বাতাস এসে গায়ে শিহরণ ধরিয়ে দিচ্ছে।কিন্তু কিছুই করার নেই।রুমে যেতে ইচ্ছে হচ্ছে না অরনিতার।উদয় ছেলেটার সাথে এখন আর কথাও বলতে ইচ্ছে হচ্ছে না।কিছুক্ষণ ব্যালকুনিতে দাঁড়িয়ে থাকলো সে।এখন মনে হচ্ছে ঘুমের নেশা চোখে লেগে গেছে।অরনিতা হাই তুলতে তুলতে রুমে চলে গেলো।উদয় ওপাশ ফিরে শুয়ে আছে।মনে হয় উদয় এইবার সত্যি-ই সত্যি-ই ঘুমিয়ে পরেছে।অরনিতাও শুয়ে পরলো। . উদয় ওপাশ ফিরে ঘুমের ভান করে শুয়েছিল ঠিকই কিন্তু সে ঘুমায় নি।এপাশ ফিরে অরনিতার দিকে তাকালো।অরনিতা ততোক্ষণে ঘুমে বিভোর।অরনিতার ঘুমন্ত চেহারাটা খুব মায়াবী লাগছে।মানুষকে তখনি সবচেয়ে বেশী মায়াবী আর নিষ্পাপ লাগে যখন সে ঘুমিয়ে থাকে।অরনিতার মতো রাগী মেয়েটা কি শান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে।দৃশ্যটা খুব সুন্দর লাগছে।মনে হচ্ছে বিধাতা এই ছবি নিজ হাতে একে রেখেছেন।এখন এই ছবিটিকে যত্নে রাখার দায়িত্ব উদয়কে দেওয়া হয়েছে।পাগলী একটা বউ।পাগলী বউ পাওয়ার ভাগ্য খুব কম স্বামীদেরই থাকে।পাগলী বউগুলো ছোট ছোট পাগলামো,রাগ,অভিমান,খুনসুটি দেখিয়ে স্বামীদেরকে মাতাল করে রাখে।অরনিতার চুলে হাত বুলাতে গিয়েও হাত আবার সরিয়ে আনলো উদয়।হিটলার বউ তার চুলে কারো হাতের স্পর্শ টের পেলে কি যে করবে আল্লাহ মালুম। . . সকালে আবারও নিহিলার ফোন আসলো।এইবারও ফোন বাজছে অথচ অরনিতা পাশে নেই।অরনিতা ওয়াশরুমে।উদয় ফোন ধরতে গিয়েও ধরলো না।কিছুক্ষণ ফোন বেজে বন্ধ হয়ে গেলো। উদয় রেডি হচ্ছে।কাজের জন্য বেরুবে।বিয়ের জন্য এতোদিন ছুটিতে ছিলো। অরনিতাকে ওয়াশরুম থেকে আসতে দেখে উদয় বললো- -তোমার ফ্রেন্ড নিহিলা ফোন দিয়েছিলো? -ফোন ধরেছিলেন? -না।কারন তোমার ফোন ধরাটা তুমি পছন্দ করো না। -আপনার মনে আছে তাহলে? -মনে তো থাকবেই।হিটলার বউয়ের অপছন্দের কাজ আমি ভুলে যাই কি করে! অরনিতা লুকিয়ে মুচকি হাসলো।ছেলেটার সাথে একটু বেশী বেশী-ই অভাররিয়েক্ট করে ফেলেছে সে।এইবার ফোন হাতে নিয়ে নিহিলাকে কল দিলো।ফোন উঠাতেই অরনিতা বললো- -হ্যালো,নিহিলা বেপি! -হ্যালো নিহিলার কন্ঠ শুনে মনে হচ্ছে নিহিলা কাঁদছে।অরনিতা বললো- -কিরে..নিহু,তুই কাঁদছিস? নিহিলা কাপানো গলায় বললো- -আমার ভালো লাগছে না রে। -কেন?কি হলো আবার? -আমার বিয়ে ঠিক হচ্ছে। -এ তো ভালো খবর। -তুই এমন ভাব ধরিস না অরু যেন তুই কিছুই জানিস না। -দেখ,আমার কাছে মনে হয় বিয়েটাই একমাত্র সমাধান।বাকিসব ভুলে যা তুই। -আমি পারবো না ভুলতে। এই বলে নিহিলা আবারো কাঁদতে লাগলো।অরনিতা বললো- -কাঁদিস না প্লিজ নিহু। -বুঝছি না কি করবো!আমার সাথে দেখা করতে পারবি? -তা সিউর বলতে পারছি না।নতুন বউ তো তাই আমাকে সহজে বের হতে দিবে না হয়তো।তবুও আমি চেষ্টা করবো।তুই কাঁদিস না নিহু।তুই কাঁদলে খুব খারাপ লাগে রে আমার। নিহিলা কাঁদোকাঁদো হয়ে বললো- -আমি রাখছি।তুই বের হতে পারলে কল দিস।তখন কথা হবে তোর সাথে।আমি এখন রাখি। -ঠিকাছে।বাই। To Be Continued..


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now