বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

গল্প : কিউট আপুর পিচ্চি বফ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Pantha Shahria (০ পয়েন্ট)

X Writer : Pantha Shahria !! - এই ছেলে এই দিকে শোন। - হুমমমমম বলেন। - ওই এত্ত চকলেট আর আইসক্রিম খাও কেন। - আমি খাই আপনার তাতে কীইইই শুনি। - ওই তুমি বাচ্চা নাকি যে এত্ত চকলেট খাবা, এইবার এত্ত চকলেট খাইতে দেখলে মাইর খাবা। - আমি চকলেট খাবই খাব হুমমমমম। - আবার মুখে মুখে কথা, নাম কীইইই তোমার শুনি, কোন ক্লাসে পড়ো। - আমার নাম সাহরিয়া, এইবার এগারো তে পড়ি, আপনি। - ওহহহহ তার মানে তুমি আমার এক ক্লাস এর জুনিয়র সো নিধি আপু বলবা। - ওহ আপনার নাম নিধি। - হুমমমমম কাল থেকে আমাকে সালাম দিবা কেমন। - নেহি দিব না, আর আপনার নামটা ও কেমন পচা, হি হি হি বলেই দৌড়। - কেমন বজ্জাত ছেলে এই বার কাছে পাই একবার, দেখাব মজা।(নিধি) - আমার পরিচয়টা দিয়ে ফেলি কেমন, আমার নাম সাহরিয়া এগারো তে পড়ি, বাসা বলতে আমি একা, মা বাবা অগেক আগেই চলে গেছে। অনেক টাকা পয়সা রেখে গেছে তাই কোন অভাব নেই, সব সময় চকলেট আর আইসক্রিম খাই, কোন প্রকার তেলের জিরিস আমার পেঁটে তেমন সাপোর্ট করে না। তাই চকলেট আইসক্রিম জুস রুটি ফল খেয়েই দিন পার করি। আর সব সময় চকলেট খাই, আর হাতে আলটাইম....... কী ভাবছে ফোন তাই না। নারে বাই আমি অন্য সবার মতো না সব সময় রুবিক্স কিউব নিয়া উল্টাপাল্টা করি আবার ঠিক করাই আমার কাজ। যার সাথে কথা বলছিলাম, না মানে আমার সাথে যে মেয়েটা কথা বলছিল নাম তো জেনেই গেছেন নিধি। আগে কেনদিন দেখি নাই,আমাকে হয়তো সব সময় চকলেট খাওয়া দেখছে ,দেখতে অনেক কিউট আমি ও কম না, স্মার্ট না হলে ও অনেক কিউট হি হি হি। নিধি আপুর কাছ থেকে দৌড় দিয়ে ক্লাসে চলে আসলাম। - দোস্ত তুই এমন কেন সরাদিন এত্ত আইসক্রিম খাস কেন (শুভ)। - আচ্ছা তুই বল মানুষ কত ধরনের খাবার খায়, কত্ত তেলের জিনিস খায়, আমি কীইইই কোনদিন কাউরে মানা করছি যে ভাই ওই গুলা খাইয়েন না চকলেট খান। - তো তুই ও ওই সব খাবি। - আরে ভাই আমার পেটে সাপোর্ট করে না কোন তেলের খাবার আমি কীইইই করমু। - হুমমমমম তোর বিয়াতে ও ওই আইসক্রিম চকলেট খাস। - এইটা আবার নতুন কীইইই জীবনে যত বিয়ে খাইছি সব গুলাতেই আইসক্রিম চকলেট খাইছি, হি হি হি। তারপরে ক্লাস করে বাসার উদ্দেশ্যে আসতেছি। হঠাৎ নিধি আপু আর তার বন্ধবী গুলা আমার সামনে হাজির। - কই যাও কিউট পিচ্চি, চকলেট নিতে। (নিধি) - না মানে আইসক্রিম নিয়ে বাসাই যাব। - আজকে তো বাসাই যাওয়া হবে না। - কেন। - আজকে তো তোমাকে আমরা অনেক কিছু খাওয়াব। - না না ওই সব খেলে সত্যি আমার সমস্য হয়। - তাই বুঝি, আমার নাম পচা তাই না আজকে তো তোমাকে খেতেই হবে। - বলেই হাত ধরে টেনে একটা রেষ্টুরেন্ট এ নিয়ে গেল। আর সিঙ্গারা, পুড়ি, সমচা, নিয়ে এল - নাও বাবু এই গুলো সব তেলের এবার খাও। - বিশ্বাস করেন আপু আমার সত্যি সমস্যা হয়, আমি খাইতে পারি না। কোন তেলের জিনিস খেলে আমার অনেক প্রবলেম হয়। - ওই চুপ কইরা খাও বলছি। - অনেক কষ্টে একটা সিঙ্গারা খাইছি, মনে হচ্ছে এবার সব বেড়িয়ে আসবে ভেতর থেকে। যেই বলা সেই কাজ শুরু দৌড়ে বাইরে এসে আমার অবস্থা শেষ। আপু দৌড়ে এসে সত্যি তোমার সমস্যা হচ্ছে। - না না আমি তো ফাজলেমি করছি, - সরি সত্যি আমি বুঝতে পারি নাই। - হুমমমমম, বলে চলে আসলাম। দূর ভাল লাগছে না, একটা আইসক্রিম খেয়ে এখন তবু ভাল লাগছে। কীইইই মেয়েরে বাবা ওই সিঙ্গারার কথা মনে হলে এখন ও গা কেমন করতেছে। বাসাই এসে শুয়ে শুয়ে ভাবছি না নিধি আপু আর যাই হোক অনেক কিউট। আবার আইসক্রিম খেতে চাপছে, হি হি আইক্রিম খেতে যাইতে হলে সামনে নিধি আপুদের বাসা। আপুদের বাসার সামনে উকি দিলাম না কেউ নেই। গান গাইতেছি আর যাইতেছি, পিছন থেকে কারো ডাক শুনলাম। - ওই হারামী দাঁড়া। পিছনে তাঁকিয়ে দেখি নিধি আপু। এইরে খাইছে আমারে। - ওই এতো রাতে কই যাস, আমার ঘরের দিকে উকি দিলি ক্যান। - কই নাতো। বলার লগে লগে ও মারে কিল দিছে, গুন্ডি মেয়ে একটা। - ওই কীইইই বললি আবার বল। - না কিছু না,তুমি এতো রাতে কই যাইতেছ। - তুই কই যাস সেটা আগে বল। - আইসক্রিম খেতে । - আচ্ছা ভাত খাস না কেন। - খাইতো। - তো কীইইই দিয়া খাস শুনি। - না মানে ইয়ে শুধু দুদু আর শাক দিয়ে এছাড়া আর কিছু হুমমমমম। - আচ্ছা ভাল, এখন থেকে রাতে আইসক্রিম খেতে বেড় হইলে আমারে ও ফোন দিবি। - হুমমমমম ওকে, আচ্ছা তুমি ও আইসক্রিম খাবা আপি। - হুমমমমম কী আর করব, তোর পেঁটে তো আবার অন্য কিছু সাপোর্ট নেই না। তারপরে আইসক্রিম নিয়ে খেতে খেতে চলে আসলাম নিধি আপুর বাড়ির কাছে। - ওই ভাল করে যাবি কেমন। - হুমমমম, একটা কথা ছিল আপি। - হুমমমমম বল। - একটু দূরে সরে আসলাম যাতে কিল না মারে। - ওই দূরে যাস কেন কাছে আয়। - না যদি মাইর দাও। - কাছে আয় বলতেছি। - কীইইই বিপদে পড়লাম বইলা, ঠিকআছে তাহলে তোমার হাত দাও। - কেন। - আরে দাও না। - হুমমমমম ধর। - নিধি আপুর হাত শক্ত করে ধরলাম, আহা কী নরম আর সুন্দর হাত, - ওই বল তারাতারি। - আপু তোমাকে না, জিন্স আর গেঞ্জি তে ফাটাফাটি লাগতেছে হুমমমমম, আমি তো প্রেমে পড়ে গেছি, বলেই দৌড়। - ওই সাহরিয়া দাঁড়া বলতেছি, কীইইই বললি ভাল করে বলে যা। - হি হি কে শোনে কার কথা। পরেরদিন কলেজে ভয়ে ভয়ে যাচ্ছি, না জানি নিধি আপু কীইইই করে। হঠাৎ কে যে শার্টের কলা ধরে টানতে টানতে একটা গাছের নিচে নিয়ে গেল। তাকাই দেখি নিধি আপু। খাইছেরে আজকে। - ওই কালকে কীইইই বলছিলি আবার বল আজকে। - না মানে তোমাকে দেখলে খালি আমার বুক ধক ধক করে তো তাই বলছিলাম হুমমমমম। - তাই না একটা থাপ্পড় খাবি। হঠাৎ গুন্ডা মতন একটা ছেলে এসে আপু কে বলল নিধি এই পিচ্চি ছেলে কে। - আমার বফ হইছে। - আপনি আর আমার সামনে আসবেন না। - আমি বিশ্বাস করি না। - সাহরিয়া আমার হাত ধর। - না মানে ভাইয়া নিধি................. সয়তান মেয়ে আমাকে কিস করছে। - এই বার বিশ্বাস হইছে। গুন্ডার মতো পলাটা চলে গেল লম্বাই আমার থেকে পুরা এক হাত, আমার দিকে কেমন করে তাকাই ছিল। - আপু এইটা কীইইই করলা। - ওই ভাইয়াতো আমাকে মেরে ফেলবে। - ওই চুপ ভিতুর ডিম। - আমি কবে তোমার বফ হলাম। - এই মাত্র হইলি হইছে। - মানে কীইইই। - মানে তুই আজকে থেকে আমাকে খুব ভালবাসবি। - নাা মানে হ্যা। - কীইইই বললি যদি ভাল না বাসিস তাইলে তোর খুন করে ফেলমু। আমি তো ভয়ে চুপসে গেছি, - হি হি আমার পিচ্চি সোনা বলেই আমারে জরাই ধরছে। তোরে প্রথম দেখেই আমার ভাল লাগছিল, অনেক কিউট করে চকলেট খাইতেছিলি। একদম বাচ্চাদের মতো। হি হি হি। - ওই ভালবাসিস বলবি না। - হুমমমমম ভালবাসিই তো,আর একটা পাপ্পি দিবা কী নরম ঠোঁট। কীইইই বলল দাঁড়া এবার, আবার দৌড় দিছি হি হি হি।।। >>সমাপ্তThe End


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now