বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোমার সুখই আমার সুখ"

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মায়া (guest) (০ পয়েন্ট)

X ..একটি ছেলে একটি মেয়েকে খুব ভালবাসতো।একদিন মেয়েটি ছেলেটিকে ছেড়ে চলে যায়। কিছুদিন পর দেখাযায় সেই মেয়েটি অন্য একটি ছেলের সাথে রিক্সা চড়ে ঘুরতে।তৎপর পূর্বের ছেলেটি খিপ্ত হয়ে মেয়েটির বাসায় যায় এবং স্বজোড়ে একটি চড় মারে আর বলে- তুই এত খারাপ এটা আগে জানতাম না।জানলে তোর মতো নরতকির সাথে প্রেম করতাম না।তুই আসলেই একটা নষ্টা মেয়ে ইত্যাদি বলে মেয়েটাকে গালিগালাজ করে।কিন্তু মেয়েটি কোন রেসপন্স দেয় না।অপরাধীর মতো সব সহ্য করে। যখন ছেলেটি বাসা থেকে বের হয়ে যেতে লাগে তখন মেয়েটি বলে ওঠলো- আবির একটা কথা ছিল! ছেলে বললো- তুই আর কি বলবি,তোর আর কি বলার আছে। - কিছু না শুধু একটা অনুরোধ ছিল। -তারাতারি বল? - তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করে সুখী হও।আর পারলে আমাকে ভুলে যেও। তখন ছেলেটি বলে- আরে তোর মতো বাজারা মেয়েকে আমি তখনি ভুলে গেছি যখন দেখছি রিকসা করে অন্য একটি ছেলের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছিস।কথাগুলো বলে ছেলেটি চলে গেল। আর আরোহী বিছানায় শুয়ে চিৎকার করে কান্নাবকরছে আর বলছে- হে আল্লাহ কেন আমাকে এত কষ্ট দিচ্ছ।কিন্তু কিছুখন পর মেয়েটি ভাবছে না সব ঠিক আছে।। আমি না হয় একটু কষ্ট পেলাম কিন্তু আমার আবির তো ভাল থাকবে।এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া।তার এক সপ্তাহ পর মেয়েটির সামনে বিয়ের কার্ড নিয়ে ছেলেটি উপস্থিত। - আরোহী,আমি আগামী শুক্রবার বিয়ে করতে যাচ্ছি।প্রথম দাওয়াতটা তোমাকেই দিলাম।এসো কিন্তু। বলে ছেলেটি চলে গেল।তখন আরোহীরর চোখ থেকে দু ফোটা জল কার্ডের ওপর পড়ল।মেয়েটি ওপরের দিকে তাকিয়ে বলছে- হে আল্লাহ আমি আর পারছিনা।আমি নিজের চোখে আবিরের বিয়ে দেখতে পারবো না।তুমি একটু সহায় হও। আজ শুক্রবার, জুমার নামাজের পর আবিরের বিয়ের কার্য সম্পূর্ন হয়।কিন্তু আবির বার বার তাকিয়ে দেখছে আরোহী এসেছে কি না।আসলে আবার একটু অপমান করে মনের জ্বালাটা মেটানো যেত।কিন্তু না আরোহী আসেনি, এসেছে একটি দুঃসংবাদ। আরোহী আর নেই।একটু আগে সে মারা গেছে।একথা শুনে আরোহীর বাসায় আবির দৌড়ে গেল,গিয়ে দেখে তার আরোহী ঘুমিয়ে আছে।চিরজীবনের মতো ঘুমিয়ে আছে। আবিদ কাঁদতে পারছেনা।অবাক হয়ে শুধু আরোহীকে দেখছে।তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।এমন সময় আবিরের ঘোর ভেঙ্গেদিল একটি ছেলে।ছেলেটিকে চিনতে আবির ভুল করলো না।এটি সেই ছেলে যাকে রিকসাই দেখেছিল আরোহীর সাথে।ছেলেটি আবিরের কাধে হাত রেখে বলে ভাইয়া আপনাকে এই চিঠিটি দিতে বলেছিল আরোহী আপু।পারলে একটু পড়ে নিয়েন।তখন চিঠিটা উল্টে পড়তে লাগলো আবির- "জান তুমি অবাক হবে কারণ যে ছেলেটা তোমাকে চিঠিটা দিল সে আমার ছোট ভাই।রাফি।সে আমার মামাতো ভাই।কি করবো বলো,আমি তো জানতাম না যে আমার শরীরে মরন ব্যাধি ক্যান্সার আছে।জানলে তোমার সাথে প্রেম করতাম না।যখন জানলাম আমি ক্যান্সার রোগী তখন আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গিয়েছিলো।সিদ্ধান্ত নিলাম তোমার থেকে দূরে সরে যাব, না হলে তুমি সুখী হতে পারবেনা।এখন তুমি আমাকে ঘৃনা কর।আমার ভাল লাগে।কিন্তু একটা কষ্ট কি জানো,যখন তুমি আমাকে নষ্টা,নরতকী,বাজারে মেয়ে বলেছিলে।তখন সত্যিই খুব খারাপ লেগেছিলো।আমি কি আসলেই এমন ??? যাইহোক,আজকে তোমাকে আর প্রশ্নবিন্দু করতে চাই না।তোমাকে শুধু একটা অনুরোধ করবো,আমার ভালবাসার কসম যাকে বিয়ে করেছো তাকে নিয়ে সুখে থাকো।এটাই তোমার কাছে আমার শেষ চাওয়া।তুমি ভাল থাকলই আমি ভাল থাকবো।!!!!!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now