বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজ আমি এমন একটি গল্প বলব যা একেবারেই অবিশ্বাস্য। যা কল্পনার বাহিরে। তো আমরা একটা বাসা খুজছিলাম। তো বাসা নিয়ে আমাদের পরিবারে এই এক ঝামেলা আব্বুর পচন্দ হয় কিন্তু আম্মুর পছন্দ হয় না, আম্মুর পপচন্দ হয় কিন্তু আব্বুর পচন্দ হয় না, আবার দু'জনের পছন্দ হলেও কিন্তু ভাড়া একটু বেশি হওয়ায় তা আর ভাড়া নেওয়াও হয় না। এসব করতে করতে সাগরপাড়ায় একটা বাড়ি খুব কম ভাড়ায় পেয়ে গেলাম আমরা। কিন্তু আশ্চর্যেরর বিষয় হলো এত্ত বড় বাড়ি বলতে গেলে ছোটকাটো জমিদার বাড়ি বললেও চলে। যখন আমরা এই বাড়ির সম্পর্কে মানুষদের কাছে জানতে পারলাম যে,এই বাড়িতে ভূতের উপদ্রব আছে অর্থাৎ বলতেে গেলে অভিশপ্ত ভূতুড়ে বাড়ি। কয়েক বছর আগে এই বাড়িতে যে ফ্যামিলি ছিল, একরাতে তারা সহ-পরিবারে খুন হয়েছিল যা শুদ্ধ বাংলা বলতে গেলে অপঘাতে মৃত্যু। এই সাগারপাড়ার কেউ জানে না যে তাদের সাথে সেদিন রাতে কি ঘটেছিল। তারপর পরের দিন থেকে এই বাড়িতে ভূতের উপদ্রব শুরু হয়। কেউ কেউ তো ঐ বাড়িতে সন্ধা পর ঐ মৃত্য ফ্যামিলির আত্মাদের দেখতে পেয়েছেন। তো একদিন রাতে মাস্টারমশাই এই বাড়ির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তাকে পিছন থেকে কেউ মাস্টারমশাই বলে ডাকল তিনি পিছনে তাকালেন, কিন্ত কাউকে দেখতে পেলেন না। তিনি মনের ভুল মনে করে হাঁটতে লাগলেন আবার পিছন থেকে ডাকটি আবার আসল তিনি পিছনের দিকে তাকাতেই যা দেখলেন তা দেখে তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে গেলেন। যখন তার জ্ঞান ফিরল তখন তিনি সবাইকে বললেন যে ঐ বাড়িয়ে যে ফ্যামিলি মারা গিয়েছিল সেই বাড়ির ভাড়াটিয়া(বাড়ির কর্তা)তার সামনে কি বিভৎস চেহারা দাড়িয়ে আছে। তিনি দেখলেন ঐ ভাড়াটিয়ার সারা শরীরে রক্তের দাগ,কেউ যেন তাকে নির্মমভাবে কুপিয়েছে আর ঐ বাড়াটিয়া তার শরীর থেকে মাথা আলাদা করে হাতে নিয়ে তার দিকে এগিয়ে আসছিল তারপর নাকি তার কিছু মনে নেই। কেউ তার কথা বিশ্বাস করল না। যখন পরপর কয়েক দিন ঐ এলাকার লোকেদের সাথে একই ঘটনা ঘটল তারপর আর কেউ সন্ধার পর ভুলেও এদিকে যাতায়াত করে না। আশেপাশের ভাড়াটেরাও বাসা ছেড়ে চলে যেতে লাগল। তখন ঐ বাড়ির মালিকেরা নিরুপায় হয়ে বাড়িগুলো ভেঙ্গে দোকানঘর তৈরী করে দোকানিদের কম মূল্যে ভাড়ায় দিয়ে দিলেন, যা সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫.৩০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এভাবেই চলতে লাগল।একদিন (চলবে)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now