বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পাশের বাসার মেয়েটি । পর্বঃ৩ ও শেষ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X ((শুনে খুব হাসি পেল) পরের দিন,,)) তানহার জন্য এখনই কেমন যেন খুব মায়া হচ্ছে, খারাপ ও লাগতেছে অনেক। এখন হয়তো ওর মনটা খুব খারাপ হয়ে আছে, হুম, আমাকেই ভালো করার চেষ্টা করতে হবে। কারণ আমিই ওকে এতদিন অবহেলা আর হিংসা করে আসছি। . সকাল ১১টা বেজে গেল, ড্রয়িংরুমে বসে বসে তানহার অপেক্ষা করছি, কখন ও আসবে আমাদের বাসায়। কিন্তু আরও কিছু সময় অপেক্ষা করার পর যখন দেখলাম ও আর আসছে না। তাই আমি নিজেই চললাম ওর বাসায়। . ওর বাসার সামনে গিয়ে দেখি মেইন দরজা খোলা তাই ভেতরে গেলাম, ভেতর গিয়ে ওর রুমের জানালা দিয়ে উকি মেরে দেখি বিছানায় মাথা নিচু করে বসে আছে তাই ওর রুমের দরজার কাছে গেলাম। - আসতে পারি তানহা?(আমি) - ওহ্ আপনি। আসুন আসুন।(তানহা) - আজ যাওনি কেন আমাদের বাসায়? প্রতিদিন গিয়ে তো বসে থাকো আম্মুর সাথে সময় কাটাও, তাহলে আজ যাওনি কেন?( তুমি করে বললাম) - আর মাত্র কয়েক দিনই তো আছি এ কয়দিন আর আপনাদের বোঝা হয়ে আপনাদের জ্বালাতন করতে চাই না।(তানহা) - ধুরর, এইসব কি বলো? আসো আমার সাথে। - কই?(তানহা) - আম্মু যেতে বলছে। ( মিথ্যা কথা) - আচ্ছা চলুন।(তানহা) - ওয়েট,, শাড়ি পরে আসো। - কেন?(তানহা) - শাড়িতে মনে হয় সুন্দর লাগবে বেশী। ( বলেই আমার মুখ চেপে ধরলাম) - আচ্ছা ( মুখটা কালো করে)(তানহা) . তারপর কিছুক্ষণ ওখানে এক রুমে অপেক্ষা করলাম ওর জন্য, কিছুক্ষণ পর দেখি একটা নীল শাড়ি পরে বেরিয়ে আসলো অন্য রুম থেকে। আমি মেয়ে না হলেও নীল শাড়ি আমার অনেক বেশী পছন্দ আর চোখের সামনে এখন একটা নীল শাড়ি পড়া মেয়েকে দেখতেছি, অনেক কিউট লাগছে, একদম যেন এক অপ্সরী। . ও শাড়ি পরে আসার পর আমার সামনে এসে দাড়ালো আর আমার চোখটা যেন ওর উপর থেকে সরতেই চাইছে না তাই আমি ড্যাবড্যাব করে ওর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম,, - এই হ্যালো, সাগর ভাইয়া কি হয়েছে?(তানহা) - কিছু না। ( কেন জানি ভাইয়া বলায় কলিজায় আঘাত লাগলো) - চলুন,(তানহা) - আচ্ছা।(আমি) . তারপর ওকে নিয়ে আমাদের বাসায় গেলাম আম্মুকে কোনো ভাবে ম্যানেজ করলাম যে আম্মুই ওকে ডেকেছে। তাই আম্মুকে আর একটু বুঝিয়ে শুনিয়ে ওকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার প্লান করলাম। তানহাও রাজি হলো আমার সাথে যেতে। . তারপর ওকে নিয়ে অনেক সময় এদিক ওদিক ঘুরলাম, ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আমারও ভালো লাগলো কারণ ও তখন মিটিমিটি হাসছিলো। আর কখন থেকে যে ওকে ভালো লাগতে শুরু করছে নিজেই জানি না। . কিন্তু এখন এটা ভেবে খারাপ লাগছে যে ও আর কয়েক দিন পর এখান থেকে চলে যাবে। আচ্ছা, ওকে আটকানোর কি কোনো রাস্তা নেই,,, আমি কি ওকে কোনো ভাবে এখানে ধরে রাখতে পারবো না? . আরও দুদিন পর,,,, এখন প্রায় দুজনে খুব ফ্রী হয়ে গেছি,, আগের সব রাগ, ফাজলামো বাদ দিয়ে ফ্রেন্ডশীপ করে নিয়েছি আর আমি এখন সবসময় ওর পেছনে ঘুরঘুর করি কিভাবে ওকে এখানে থেকে যাওয়ার কথা বলবো? আর এখনও সেই আগের মতো আমাদের বাসায় এসে বসে থাকে, আর এখন শুধু আম্মুর সাথে কথা বলে না, আমার সাথেও আড্ডা দেয় বেশীর ভাগ সময়। আমারও খুব ভালো লাগে ওর সাথে কথা বলতে। . আগে কখনো ওর ওই মিষ্টি মুখের দিকে ভালভাবে লক্ষ্য করিনি তাহলে হয়তো ওর মুখের মায়ায় আরো আগেই জড়িয়ে যেতাম, এখনো জড়িয়ে গেছি তবে একটু দেরীতে। . রাতে কিছুক্ষণ টিভি দেখে আম্মুর কাছে গেলাম,, আম্মু বাসায় আছে আর আব্বু কাজের জন্য একটু বাইরে গেছে তাই এখন আম্মুর সাথেই সব শেয়ার করি, আম্মুর কাছে গিয়ে আম্মুর গলা জড়িয়ে ধরে বসে পরলাম। . - সাগর, কি হইছে?(মা) - উমমমম,, বলতে পারছি না, লজ্জা করে।(আমি) - কার প্রেমে পরলি?(মা) - বুঝেই গেছো,,,, ও মা, - বল,(মা) - তানহাকে চাই,(আমি) - জানি,(মা) - কেমনে জানো?(আমি) - আমি আগেই বুঝতে পারছি তুই ওর প্রেমে পরবি, তাহলে কি এখন ওর বাবাকে বলবো? - বিয়ের কথা?(আমি) - তা নয়তো কি?(মা) - ওকে ওকে, উম্মা, লক্ষী আম্মু। - যা এবার নিজের ভালবাসার কথা জানা ওকে। - আচ্ছা। . পরের দিন,, বিকেল বেলা, এখনই এই মনোরম পরিবেশে প্রপোজ করার সঠিক সময়, তাই ভাবলাম ওর কাছে যাই,, ওকে ওর বাসায় অনেক খুজলাম কিন্তু পেলাম না। গেল কই আবার? অবশেষে গিয়ে দেখি পাগলীটা আমাদের বাসার ছাদে গিয়েই দাড়িয়ে আছে। . - তানহা,(আমি) - বলুন,(তানহা) - ইয়ে মানে, কি করে যে বলি?(আমি) - আরে বলে ফেলুন,, বেশী না বলতে পারলে সংক্ষিপ্ত করে বলেন। - আচ্ছা সংক্ষিপ্ত করে বলি,, আই লেবু - মানে!!(তানহা) - আই লাভ ইউ কে সংক্ষিপ্ত করে আই লেবু বললাম। - হিহিহি, তাই।(তানহা) - হুম, ( নিজেকে বোকা বোকা লাগছে) - ঘুঘু ফাঁদে পা দিয়েছে।(তানহা) - মানে!!(আমি) - সেদিনের কথায় এতো ইমোশনাল হয়ে আমার প্রেমে পরেছেন এটা আমি বুঝতেই পারিনি। - আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। - আরে বোকা,,,আই লেবু ২।(তানহা) - সত্যিই?(আমি) - আরে হ্যাঁ,, কিন্তু এটা বলতে একটু সময় বেশী নিলে মনে হয়। তার জন্য, আই হেট ইউ(তানহা) - আই হেট ইউ ২,,(আমি) - ছাগল্লা কি বললি?(তানহা) - আই লেবু।(আমি) - হুম, এটাই বলবে সবসময়।(তানহা) - আচ্ছা,, এবার জড়িয়ে ধরি? - হুম ধরো।(তানহা) . আহা, কি শান্তি,, কাছের মানুষটাকে আরও কাছে খুব আপন করে পেলে এতো সুখ লাগে এটা কখনো ভাবিনি কিন্তু এখন ঠিক বুঝতে পারছি ভালবাসা আপন করে পেলে কেমন সুখ অনুভূতি হয়। . - খুব ভালবাসি তোকে পাগলী, এত্তো গুলো। - আমিও তোকে এত্তো গুলো ভালবাসি রে পাগল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২০৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now