বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
.
শাহাদত হাঁটতে হাঁটতে ভাবে খানমের
কথা। খানম এই ভানে দৌড় দিল কেন?
সে কি বুঝে গেছে যে আমি তাকে
ফলো করছি। বুঝলে তো ভালো আমার
কাজটা আরো সহজ হয়ে যাবে, এই সব
ভাবে শাহাদত। শাহাদত খুসি মনে
বাড়ি পিরে যাই। বাড়িতে এসে
আবারও তাকে প্রশ্নের সম্মুখীন হতে
হয়।
-- কিরে তোই থাকিস কোথায়? নামায
পড়তে গেলে আসিস ৩-৪ ঘন্টা পর।
কোথায় যাস বলতো?(শাহাদতের আম্মু)
-- কোথাও যাই না আম্মু, নামায পড়ে
একটু বাগানে যাই সেখানে কিছুক্ষন
বসে তারপর একটু হাঁটি ব্যাস এই টুকু।
(শাহাদত)
-- আচ্ছা ঠিক আছে এবার আই নাস্তা
করে যা, সারাদিন তো খাওয়ার কোন
নাম নাই।
শাহাদত নাস্তা করতে চলে যাই।
.
এরপরদিন থেকে শাহাদত খানমকে
ফলো করতে থাকে। প্রায় একমাস
তাকে ফলো করে। এই একমাসে
একবারও বলতে পারে নি তার মনের
কথাটা। এই একমাস তার সম্পর্কে
অনেক কিছু জেনেছে শাহাদত। তার
পছন্দ, অপছন্দ, ভালো লাগা, মন্দ
লাগা সব কিছু জেনেছে সে। খুব
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে শাহাদত যে
গুলা পছন্দ করে খানমও সে গুলা পছন্দ
করে, শাহাদত যে গুলা অপছন্দ করে
খানমও সে গুলা অপছন্দ করে, শাহাদত
যে গুলা করতে ভালোবাসে খানমও সে
গুলা করতে ভালোবাসে। শাহাদত এই
সব জেনে খুব অবাক হয়। হয়তো আল্লাহ
তাআলা ও তাদের মাঝে মিল চাই। না
হলে ২ জনের এত মিল থাকত না। যাদের
সবকিছু মিল থাকে হয়তো তাদের মধ্যে
কিছু সম্পর্ক বিদ্ধমান থাকে। আবার
কোন কোন সময় সব কিছু মিল থাকলে
ভালোবাসা হয় না মনেরও মিল
থাকতে হয়। পৃথিবীতে এমন
ভালোবাসার মানুষও আছে যাদের
কোন কিছুরি মিল নেই, মিল আছে শুধু
মনের। মনের মিলটাই সবচাইতে জটিল।
এই মিলটা থাকলে একটা সম্পর্ক গড়ে
ওঠে। শাহাদত ভাবে তার ও খানমের
মাঝে মনের মিলটা আছে। এইদিকে
খানমও বুঝতে পারে যে শাহাদত
তাকে ফলো করছে। সে কিছু বলে না
কারণ সেও শাহাদতকে ভালোবাসে।
সে চাই শাহাদত সবসময় যেন তার
পাশে থাকে। শাহাদত তার পাশে
থাকলে তার মনের মাঝে অন্য রকম
অনুভূতি কাজ করে, হয়তো এই
অনুভূতিটা ভালোবাসার অনুভূতি।
.
শাহাদত তাকে ফলো করতে করতে
আরো বেশি ভালোবেসে পেলছে।
এখন শাহাদত তাকে না দেখে থাকতে
পারে না। তাকে একবার না দেখলে
শাহাদতের পৃথিবীটা শূন্য হয়ে যাই।
তাকে না দেখলে শাহাদত কি একটা
অস্থিরতায় ভোগে। তাই সে প্রতিদিন
তাকে দেখতে যাই। কখনও কলেজে
আবার কখনও বা নদীর ধারে। শাহাদত
এই কয়েকদিনে থাকে বুঝে পেলছে।
খানম কেথায় যাই কি কাজ করে সব
জানে শাহাদত। সে এটাও জানে যে
খানম নদীর ধারে যাই বিকাল বেলা।
তার নাকি বিকাল বেলা নদীর ধারে
খুব ভালো লাগে। যেদিন কলেজ বন্ধ
থাকে শাহাদত সেদিন তাকে দেখতে
নদীর ধারে যাই। শাহাদত তার সাথে
কথা বলছে মাত্র ২ দিন। তারপর আর
তার সাথে কথা বলার সাহস পাই নি
সে। কয়েকবার তার সামনা সামনি
পরছিল কিন্তু শাহাদত কথা বলতে
পারে নি। তার সামনে গেলে শাহাদত
কি বলবে ভুলে যাই।
.
দেখতে দেখতে ২ মাস কেটে গেল।
শাহাদত এখনও বলতে পারে নি চার
অক্ষরের ভালোবাসি কথাটা। অনেক
বলার চেস্টা করেছে কিন্তু বলতে
পারে নি। আগামীকাল শেষ দিন।
কারণ আগামী পর্শু থেকে তার
ট্রেনিং। তাই সে এলাকা ছেড়ে চলে
যাবে ২ মাসের জন্য। তাই শাহাদত
আগামীকাল বলতে চাই তার মনের
কথাটা। বলতে চাই তাকে নিয়ে কত দূর
স্বপ্ন দেখছে সেই কথাটা। শাহাদত
খানমকে নিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত স্বপ্ন
দেখেছে, বলা যাই আকাশ ছোঁয়া
স্বপ্ন।
.
শাহাদত আজও অপেক্ষা করছে তার
কল্পনার রাজ কন্যার জন্য। অপেক্ষা
করছে তার ভালোবাসার মানুষের
জন্য। শাহাদতের মথাই অনেক ভাবনা
গুরপাক করছে। সব ভাবনা তার
কল্পনার রাজ কন্যাকে নিয়ে।
শাহাদত খুবই বোকা যাকে এখনও
ভালোবাসি কথাটা বলতে পারে নি,
তাকে নিয়ে আবার আকাশ ছোঁয়া
স্বপ্ন দেখে বসে আছে। আচ্ছা এই
স্বপ্ন কি কোন দিন পূরণ হবে, হয়তো
হতে পারে আবার নাও পারে।
.
শাহাদত বার বার পথের দিখে
থাকচ্ছে আর ভাবছে কখন আসবে তার
কল্পনার রাজকন্য, কখন দেখা হবে
তার সাথে। শাহাদতের আর ভালো
লাগছে না অপেক্ষা করতে। আচ্ছা এত
দিন তো তার জন্য অপেক্ষা করতে
অস্থির লাগে নি আজ কেন লাগছে?
হয়তো মনের কথাটা আজ বলব তাই।
কিছুক্ষন করারপর আসল তার কল্পনার
রাজকন্য। তাকে দেখে শাহাদতের
মনে রাজ্য জয়ের হাসি। খানম ছোট
ছোট পা পেলে আস্তে লাগল সামনের
দিখে। খানম যতবার তার পা পেলে
সামনে এগুচ্ছে ততবার শাহাদতের
হার্ট বির্ট বাড়তে থাকে। শাহাদত
তার হার্ট বির্ট টাকে ঠিক রাখার
চেস্টা করছে কেন না তার সামনে
গেলে হয়তো হার্ট বির্ট আরো বেড়ে
যাবে। খানম আসতে আসতে শাহাদতের
সামনে চলে আসল। খানম শাহাদতকে
পাশ কাটিয়ে চলে যেতে লাগল।
-- এই দাঁড়াও তোমার সাথে কিছু কথা
আছে, আমাকে কিছুক্ষন সময় দেওয়া
যাবে?(শাহাদত)
-- কি কথা বলেন, কয়েকমিনিট পর
ক্লাস শুরু হবে। কি বলবেন তারা তারি
বলেন।(খানম)
শাহাদত স্বাভাবিক হতে চেস্টা করছে
যাতে সে তার মনের কথাটা বলতে
পারে নির্ভয়ে।
-- আসলে কি ভাবে যে বলি.....(শাহাদত
)
-- কি বলবেন তারা তারি বলেন না হয়
আমি যাচ্ছি(খানম একটু রাগ করে
কথাটা বলল)
-- আরে দাঁড়াও বলছি বলছি....(শাহাদত
)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now