বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
.
প্রতিদিন সকালে তার প্রথম কাজ হল
ঘুম থেকে ওঠে মসজিদে যাওয়া। আজ
ও সে মসজিদে যাচ্ছে। সে হাঁটছে আর
ভাবছে সেই মায়াবী মেয়ে খানমের
কথা। প্রতিটা সময় তাকে নিয়ে
ভাবে। তার ভাবনা থেকে মেয়েটি
মুক্তি পাই তখন যখন সে নামায পড়ে।
নামাযরত অবস্থায় সে কাউকে নিয়ে
ভাবে না। শুধু ভাবে সৃষ্টি কর্তার কথা,
ভাবে ওপরওয়ালার কথা, ভাবে ওই
কামরিওয়ালা নবীর কথা। তাদের কথা
ছাড়া আর কারো কথা ভাবনায়
আসেনা তার নামাযরত অবস্থায়। তার
অবুঝ মনটা বার বার চাই যে নামাযরত
অবস্থায় অন্য কিছু নিয়ে ভাবুক কিন্তু
শাহাদত তার হতে দেয় না। অনেক
অনেক সময় অবুঝ মনটাকে পরিচালনা
করে শয়তান, আবার অনেক সময়
পরিচালনা করে নুরের তৈরি
ফেরেস্তারা। শাহাদত কখনও
শয়তানের হয়ে কাজ করে না। যখন তার
অবুঝ মনটাকে শয়তান পরিচালনা করে
তখন শাহাদত তার মনটার সাথে যুদ্ধ
করে এবং এক সময় সেই জয়ী হয়।
.
শাহাদত নামায পড়ে হাঁটা দেয়
কলেজের দিকে। সে কলেজে যাচ্ছে
খামমকে ফলো করতে। আজ থেকে সে
যতদিন থাকবে খানমকে সে ফলো
করবে।কলেজের কিছু সামনে একটা
ব্রিজ আছে। সেই ব্রিজ দিয়ে খানম
আসবে তাই সে হাঁটতে হাঁটতে
সেখানে যাই। শাহাদত অপেক্ষা
করছে খানমের জন্য। অপেক্ষা শব্দটা
শাহাদত একদম পছন্দ করে না। সে
অপেক্ষা করতে পারে না। অপেক্ষা
করলে তার কেন যেন অস্থিরতা বাড়ে
তাই সে অপেক্ষা করতে পারে না।
তবে আজ খানমের জন্য অপেক্ষা তার
খুব ভাল লাগছে। আজ সে অস্থির হচ্ছে
না খুব স্বাভাবিক ভাবে খানমের জন্য
অপেক্ষা করছে সে। হয়তো খানম তার
ভালোবাসার মানুষ তাই অপেক্ষা
করতে ভালো লাগছে তার।
.
শাহাদত বার বার থাকচ্ছে পথের
দিকে। কখন আসবে তার মায়াবী
পরীটা, কখন আসবে তার হৃদস্পন্দন।
আচ্ছা আমি যে মেয়েটিকে এত দূর
প্রযন্ত ভেবে রাখছি সে মেয়েটি কি
আমাকে পছন্দ করে বা ভাবে? উত্তর
খুঁজে পাই না শাহাদত। মাত্র ২ দিন
কথা হয়ছে খানমের সাথে। এই ২
দিনের পরিচয়ে শাহাদত তাকে তার
হৃদস্পন্দন বানিয়ে ফেলল। শাহাদত
ভাবে না এটা ঠিক হয়নি তার।
মেয়েটি তো তাকে ভালো নাও
বাসতে পারে, যদি ভালো না বাসে
তখন কি হবে তার। সে আবার ভাবে
ভাগ্য যা লেখা থাকে তাই হবে।
ভাবতে কোন বাধা নাই। শাহাদত
তাকে নিয়ে ভাববে যতদূর ভাবা যাই।
.
কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর শাহাদত
দেখে খানম আসছে। তাকে দেখে তার
অনেক অনেক আনন্দ লাগে। তার মনে
হচ্ছে যেন তাকে এতক্ষন বন্দী করে
রাখা হয়ছিল এখন তাকে বন্দী থেকে
মুক্তি দিছে। খানম যখন ব্রিজের
ধারে আসল তখন সে শাহাদতকে
দেখতে পাই। সে জানে না শাহাদত
এখানে কি জন্য এসেছে।
সে যখন শাহাদতের কিছুট সামনে
আসে তখন শাহাদত এক দৃষ্টিতে
থাকিয়ে থাকে খানমের দিকে। আজ
তাকে অপূর্ব লাগছে। কত মায়া তার
মুখে। শাহাদত তাকে যতবার দেখে
ততবার তার প্রেমে পড়ে। শাহাদত তো
এটাই চাই যে বার বার সে খানমের
প্রেমে পড়বে। প্রেমে পড়বে তার
মায়াবী চোখের, প্রেমে পড়বে তার
ঠোঁটের নিচে ছোট্র তিলটার, প্রেমে
পড়বে তার মুক্তা জড়ানো হাসিটার।
শাহাদত ভাবে সৃষ্টি কর্তা তাকে
পৃথিবীর সব সৌন্দর্য দিয়ে সৃষ্টি
করেছে। খানমের মায়ার প্রেমে
শাহাদত বার বার পড়তে চাই। খানমের
চোখের সাথে শাহাদতের চোখ পড়ার
সাথে সাথে শাহাদত তার চোখ
নামিয়ে পেলে। মাথা নিচু করে
কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকে শাহাদত।
যখন শাহাদত স্বাভাবিক হয় তখন
শাহাদত খানমের সাথে কথা বলার
জন্য এক পাঁ সামনে বাড়াই। হঠাৎ তার
চোখ চার পাশে পড়াই সে থেমে যাই।
কেন না আশেপাশে অনেক মানুষ।
গ্রামে কোন যুবক ছেলে কোন যুবক
মেয়ের সাথে কথা বা এক সাথে
দেখলে তা তারা ভালো চোখে নেয়
না। সে যেই হোক না কেন। তাই সে
যাই না খানমের কাছে। তবে তাকে দূর
থেকে দেখতে থাকে।
.
খানম কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে হাঁটা
দেয় কলেজের দিকে। শাহাদত ও আর
দাঁড়িয়ে না থেকে হাঁটা দেয় খানমের
পিছু পিছু। কিছুক্ষন খানম পিছনে
থাকাই। খানম তাকালে শাহাদত অন্য
দিকে ঘুরে যাই। খানম কলেজের
গেটের সামনে আস্তেই এক দৌড়ে চলে
যাই কলেজের ভিতর। আর এই দিকে
শাহাদত বাকরুদ্র হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।
সে ভেবে পাই না খানম কেন এই ভাবে
দৌড় দিল। কিছুক্ষন কলেজের সামনে
দাঁড়িয়ে থেকে হাঁটা দেয় বাড়ির
দিকে।
.
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now