বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা >>>পর্ব:-০২

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X . . পরদিন সকালে আবার আযান শুনে তার ঘুম বাঙ্গল, সে ওঠে নামায পড়তে যাই, আজ আর প্রকৃতি তার রং ছড়াচ্ছে না, নামায পড়ে সে আবার সেই বাগানে যাই, আজ তার প্রকৃতির রং ভালো লাগছে না, সে শুধু ভাবে সেই মায়াবী মেয়েটির কথা, ভাবতে ভাবতে সময় চলে যাই, কিছুক্ষন সে বাগানে বসেতেকে আবার হাঁটা দেয় কলেজের দিখে, সে আজ কলেজে যাবে মেয়েটিকে দেখতে, সে ভাবছে মেয়েটির সামনে গিয়ে কি বলবে সে তো কোন মেয়ের সাথে এই ভাবে কথা বলে নি, মনে একটু ভয় পাচ্ছে, তবুও সে আনন্দ পাচ্ছে এই ভেবে আনন্দ পাচ্ছে যে সে মেয়েটিকে আবার দেখতে পাবে, দেখতে পাবে সেই মায়াবী মুখ খানি, দেখতে পাবে সেই মায়াবী ছোট তিল টা, শুনতে পাবে তার সেই মধুর কন্ঠ, কি যে আনন্দ হচ্ছে তার। তবে এই আনন্দ বেশি সময় তাকল না। সে এই সব ভাবতে ভাবতে কখন যে কলেজের সামনে চলে এসেছে সে নিজেই জানে না। হঠাৎ তার সামনে পরল সেই মায়াবী মুখ খানি, তার সামনে আস্তেই শাহাদতের হার্ট বির্ট বেড়ে গেল। সে স্বাভাবিক হতে চেস্টা করছে, কিন্তু সে পারছে না। মেয়েটার সামনে আসলে তার এমন লাগে কেন, মেয়েটা তো কোন বাঘ ও না ভাল্লুক ও না তাইলা তার এমন লাগে কেন? সে উত্তর খোঁজে পাই না। -- এই যে মিস্টার, গতকাল এই ভাবে দৌড় দিলেন কেনো?(মেয়েটি) -- না মানে মানে....... শাহাদত কথা বলতে পারছে না, কেন জানি মেয়েটির সামনে আসলে তার সমস্ত কথা গোলিয়ে যায়। -- কি মানে মানে করছেন,(মেয়েটি) -- না আসলে আমি কোন দিন কোন মেয়ের সাথে কথা বলি নি তো তাই, (শাহাদত) -- তাই হাহাহা(মেয়েটি) মেয়েটি হাসছে আর শাহাদত মুগ্ধ হয়ে তার হাসি দেখছে, কত সুন্দর হাসি। -- এই যে এই ভাবে তাকিয়ে আছেন কেন?(মেয়েটি) -- না মানে......... শাহাদত আর বলতে পারে নি, বলার আগে সে চলে যাই তার বান্ধবীদের সাথে। আর এই দিখে শাহাদত জানতে পারে নি তার নাম, জানতে পারে নি তার ঠিকানা, জানতে পারে নি সে কিসে পড়ে, কত কথা জানার ছিল তার, এই বোকামির জন্য সে কিছু জানতে পারে নি। শাহাদত ঠিক করল সামনে থেকে মেয়েটির সাথে কথা বলার সময় স্বাভাবিক হয়ে কথা বলবে। শাহাদত ভাবল তার পরিচয় অন্য কারো কাছ থেকে নিবে। . অনেক কষ্টে সে মেয়েটির সম্পর্কে জানতে পারে, মেয়েটির নাম আসমাউল হুসনা খানম, তার বাড়ি শাহাদত এর বাড়ির পাসেই, তার বাবা একজন অনেক বড় ব্যবাসায়ী, বড় ব্যবাসায়ী হলে কি হবে তাঁর বাবাও শাহাদতকে খুব ভালোবাসে, শাহাদতকে কে না ভালোবাসে সবাই থাকে ভালোবাসে, তবে তার মনে হয় ওই মায়াবী মেয়েটা মানে আসমাউল হুসনা খানম ভালোবাসে না তাকে। মেয়েটি না কি ইন্টার ২য় বর্ষে পড়ে। মেয়েটি যেমন সুন্দর তার নামটাও খুব সুন্দর। শাহাদতের সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগে সেই মায়াবী চোখ, ঠোঁটের নিচে সেই ছোট তিল টা, এই দুটি জিনিস না থাকলে হয়তো তাকে এত মায়াবী লাগত না। এই সব ভাবতে যোহরের নামাযের সময় হয়ে যাই। সে নামায পড়ে খাওয়া দাওয়া করে একটু বিশ্রাম নেয়, শুয়ে শুয়ে আবার ভাবতে লাগে আসমাউল হুসনা খানমের কথা, শাহাদতের সমস্ত ভাবনায় জুড়িয়ে আছে খানম নামে সেই মেয়েটি। ভাবতে ভাবতে সে ঘুমিয়ে পড়ে, আছরের আযান শুনে তার ঘুম বাঙ্গে, শাহাদত নামায পড়তে যাই, নামাযের পর একটু এলাকাই হাঁটা তার প্রতিদিনের একটা অভ্যাস, তেমনি সে হাঁটতে যাই নদীর ধারে, এই বিকাল বেলা নদীর ধার খুব সুন্দর লাগে। প্রতিদিন শাহাদত নদীর ধারে বসে প্রকৃতির সৌন্দরর্য উপভোগ করে। সবচেয়ে বেশি সুন্দর লাগে তখন যখন পশ্চিমা আকাশে সূর্যি মামাটা হেলে পড়ে তখন। সত্যি প্রকৃতির রং বড়ই মধুর, এই রং সবার হৃদয় ছোঁয় না। এই রং তাদের হৃদয় ছোঁয়ে যাই যারা এই প্রকৃতিকে ভালোবাসে। শাহাদত নদীর ধারে বসে এই সব ভাবছে। হটাৎ ওই দূর মসজিদে মুয়াজ্জেন তার মধূর কন্ঠে আযান দেয়। . শাহাদত নামায পড়তে চলে যাই মাসজিদে। নামায পড়া শেষে সে বাড়ির দিখে হাঁটা ধরে। আর ভাবে সেই মায়াবী মেয়ে খানমের কথা। আচ্ছা তার ভাবনায় কেন মেয়েটি বার বার আসে। না তাকে নিয়ে শাহাদতের ভাবতে বড়ই ভালো লাগে, তার কথা মনে পরলে হৃদয়ে এক অনুভূতি সৃষ্টি হয়। এই অনুভূতি ভালোবাসার অনুভূতি। এই অনুভূতি তখন যাবে যখন তার দেহ থেকে প্রানটা ওড়ে যাবে। শাহাদত চাই সব সময় যেন সে মেয়েটির ভাবনায় ডোবে থাকে। আচ্ছা সে যে মেয়েটিকে নিয়ে এত স্বপ্ন দেখছে মেয়েটি কি থাকে ভালোবাসে বা ভালোবাসবে, না কি সে অন্য কাউকে ভালোবাসে। বর্তমানে তো কেউ এখন আর সিংগেল নেয়। সবাই এখন প্রেম করে। খানমও কি সবার মতো প্রেম করে। পরক্ষনে এই সব কথা তার ভাবনায় এলে তার হৃদয়টা শুন্য হয়ে যাই, মনে হয় কেউ যেন তার হৃদয় থেকে কিছু একটা নিয়ে যাচ্ছে। খুব ভয় হয় তার খানম কে হারানোর ভয়। আচ্ছা যে মেয়েকে সে এখন ও ভালোবাসি কথাটা বলতে পারি না তাকে আবার হারানোর ভয়, হাহাহা বড়ই বোকা, এই সব ভেবে সে নিজে নিজেই হাঁসে। বাসাই আসার সাথে শাহাদত কয়েকটা প্রশ্নের সম্মুখীন হয়। -- কি রে বাবা কয়েকদিন ধরে দেখছি তোই কোন কিছু নিয়ে চিন্তাই আছিস কি হয়ছে একটু বলতো(শাহাদতের মা) -- না আম্মু তেমন কিছু না(শাহাদত) -- বললেই হল আমি কয়েকদিন ধরে তোকে দেখছি, কি হয়ছে আমাকে বলতে পারিস(শাহাদতের আম্মু) -- ওহ আম্মু তুমিও না, বললাম না কিছুই হয় নি আমি ঠিক আছি(শাহাদত) -- ঠিক থাকলেই ভালো, তবে মনে রাখিস এমন উল্টা পাল্টা কিছু করিস না যাতে তোর কোন ক্ষতি হয়। (শাহাদতের আম্মু) -- আম্মু আমি এখন আর ছোট নয়, আমি তেমন কিছু করবো না তোমরা নিশ্চিন্তে থাক।(শাহাদত) -- আচ্ছা ঠিক আছে, এবার আই নাস্তা করে যা।(শাহাদতের আম্মু) -- ঠিক আছে তুমি রেড়ি কর আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি(শাহাদত) . শাহাদত ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে বসল। নাস্তার টেবিলে বসেও সে খানমের কথা ভাবে। তা দেখে তার আম্মু আবার বলল, -- কি রে আবার কি ভাবছিস? -- না আম্মু কিছু না। সে চুপচাপ নাস্তা খাওয়া শেষ করল। শাহাদত রুমে গিয়ে ভাবছে খানমকে যে প্রতিটা সময় সে ভাবে খানমকি সে ভাবে তাকে ভাবে হয়তো ভাবতে পারে আবার হয়তো পারে না। না খানমের মনে ভালোবাসার জাইগা করে নিতে হবে। তবে এত তাড়াতাড়ি না, ওকে কয়েকদিন ফলো করব তার মনে কিছুটা হলেও জাইগা করে নিবে তার পর আমার মনের কথা বলে দিব। এই সব ভাবে শাহাদত, তবে এটা নতুন ভাবনা নয় প্রতিটা সময় সে এই সব ভাবে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now