বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
.
.
এক শান্ত শিষ্ট গ্রামের ছেলে
শাহাদত মির্জা, মির্জাপুরের মির্জা
পরিবারের একমত্র সন্তান আকবর
মির্জার এক মাত্র ছেলে শাহাদত, খুব
আদরের সন্তান শাহাদত, গ্রামের
সবার কাছে সে খুব সম্মানী একজন
ব্যাক্তি, না তার বংশ পরিচয়ে সে
সম্মানী নয়, তার কাজ কর্মে সে
সম্মানী। শাহাদত পেশায় একজন
আর্মি, মানে সেনাবাহিনী। সে এই
মির্জাপুর গ্রামের জন্য অনেক কিছু
করছে। তার কারণে আজ গ্রামটা খুবই
উন্নত। শাহাদত সুখে দুঃখে সবময়
মানুষের পাশে থাকত। গ্রামে তার
অনেক সুনাম। এই দেখে আকবর
মির্জাও খুব খুশি, করণ তিনি
চেয়েছেন এমন একজন সন্তান যে
বংশের নামে সম্মানী হবে না নিজ
কাজ কর্ম দিয়ে সম্মানী হবে, তিনি
তেমন সন্তান পেয়েছেন, তাই তিনি
তার সন্তানকে নিয়ে খুব গর্বিত।
শাহাদত প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামায
পরে, আল্লাহ ভিত একজন ব্যাক্তি সে।
.
তেমনি একদিন ফজরের অযান শুনে
তার ঘুম বাঙ্গে, প্রতিদিনের মত
সেদিন ও সে নামায পড়ার জন্য বের
হয়, বাইরে আস্তেই খুব অবাক হল, কারণ
আজ সকাল টা এত সুন্দর যে এমন সকাল
সে কোন দিন দেখে নি, বাইরে
অসংখ্য পাখিরডাক, তারা তাদের
ইচ্ছা মত গান করে যাচ্ছে, আর হালকা
বাতাস বয়ছে, এই রকম একটা মিষ্টি
সকাল শাহাদত আর দেখেনি, সে
মসজিদে চলে গেল নাময পড়তে,
নামায পড়ার পর সে ভাবল এই রকম
মিষ্টি একটা সকাল আর আসবে কি না
জানি না, তাই একটু হেটে আসতে মন
চাই তার।সে তার মনের চাওয়াকে পূর্ণ
করতে একটু হাটতে বের হল। রাস্তায়
কোন মানুষ নেই, নিস্তব্দ রাস্তা কত
ভালো লাগছে তার, প্রতিদিন অনেক
মানুষ হাটে অনেক ঘাড়ি চলাচল করে
আজ কিছুই নেয় কত ভালো লাগছে
তার, নিস্তব্দ রাস্তা তার খুব ভালো
লাগে। তাদের গ্রামে অসম্ভব সুন্দর
একটা ফুলের বাগান আছে, শাহাদত
ভাবল ওই বাগানটাতে গিয়ে পাখিদের
গান শুনবে। তাই সে গেল বাগানে,
সেখানে অসংখ্য ফুল ফুটছে যা দেখে
আবার ও তার মন বরে গেল, সে একটা
গাছের নিছে বসল, বসে বসে শাহাদত
প্রাকৃতির রং দেখছে, আর ভাবছে
সত্যি আজ জীবনের শ্রেষ্ঠ সকাল, খুব
ভাল লাগছে তার পাখিদের সেই মধুর
কন্ঠে গান, সেই ফুটন্ত ফুলের সুভাষ,
সত্যি খুব ভাল লাগছে তার, সে ভাবছে
যদি এমনটা সকাল প্রতিদিন আসত,
তাইলে খুব ভাল লাগত, কিছুক্ষন বসে
তাকার পর দেখল ওই দূর নীল আকাশ টা
তে সূর্যি মামা জেগে ওঠছে, সূর্যি
মামার সকালের সেই মিষ্টি রোদ
শাহাদতের অনেক ভাল লাগে,
প্রতিদিন সে সেই রোদ গ্রহন করে,
কিন্তু তার আজ অন্য রকম লাগছে সেই
রোদকে, মনে হচ্ছে সেই মিষ্টি রোদ
আজ আরো মিষ্টিতে রুপান্তরীত
হয়েছে, আর কিছুক্ষন বসে থেকে সে
এবার বাড়ির পথে হাটা দরল, এতক্ষনে
রাস্তায় অনেক মানুষ চলে এসছে,
তারতাদের কাজ নিয়ে ব্যাস্ত। সে
হাটছে আর ভাবছে যদি এমন মিষ্টি
সকাল প্রতিদিন আসত তাইলে মন ভরে
যেত প্রাকৃতির এই রঙে।
.
শাহাদত যখন কলেজের সামনে আসল,
তখন দেখল একটা মেয়ে হলুদ জামা
পরে আসতেছে তার দিখে, হয়তো
কোচিং এই যাচ্ছে, তার হাঁতে
কয়েকটা বই। থাকে দেখে শাহাদত
থমখে যাই, মেয়েটা তার সামনে
আসতেই শাহাদতের পুরা পৃথিবী থমখে
যাই, তার চোখ দুটি এক দৃষ্টিতে চেয়ে
আছে ওই মেয়েটির দিখে, মেয়েটির
চোখ দুটি এমন মায়াবী যে শাহাদত
তার চোখ সরাতে পারছে না, তার
চেয়ে বেশি সুন্দর ঠুঁটের নিছে ছোট্র
তিল টা। এমন সুন্দর ও মায়াবী মেয়ে ও
আজ মনে হয় প্রথম দেখল। প্রথম
দেখাতেই ভালো লেগে যাই
মেয়েটিকে।
-- এই যে কি দেখেন এমন করে? জীবনে
মেয়ে মানুষ দেখেন নি?
মেয়েটির কথায় সে বাস্তবে পিরল।
মেয়েটির কন্ঠ শুনে সে তো পাগল
প্রায় এত সন্দর কন্ঠ দুনিয়াতে আছে
কি না তার জানা নেয়। এই প্রথম কোন
মেয়েকে দেখে তার ভালো লাগে।
আজ অনেক দিন ধরে তার মা বাবা
মেয়ে খুঁজছে তার জন্য, কিন্তু একটাও
মন মতো হচ্ছে না, তার আজ এই প্রথম
একটা মেয়েকে দেখে তার মনে
ভালোবাসার ফুল ফুটে, তার মন
ভালোবাসতে চাই। প্রতিটা মানুষের
জীবনে ভালোবাসা থাকে তার
কেনো থাকবে না। আবার সেই মধুর
কন্ঠ শুনে তার ভাবনা জগতের ইতি ঘটল,
-- আপনি বোবা না কি? কথা কানে
যাই না?(মেয়েটি)
-- বববববলেন?(ভয়ে ভয়ে উত্তর দিল
শাহাদত)
ভয়ে তার গলা দিয়ে আওয়াজ বের
হচ্ছে না, ভয় পাওয়ারি কথা এই ভাবে
সে কোন মেয়ের সাথে কথা বলে নি
তাই ভয় পাচ্ছে।
-- বলবো মানে? এতক্ষন কি বললাম,
কানে কম শুনেন না কি?(মেয়েটি)
-- না মানে, আমি শুনতে পাই নি,
আবার বলেন?(শাহাদত)
-- আপনি আমার দিখে তখন ওই ভাবে
তাকিয়ে চিলেন কেন?(মেয়েটি)
-- এমনি(শাহাদত)
-- এমনি মানে কি?(মেয়েটি)
-- এমনি মানে এমনি(শাহাদত)
এই বলে শাহাদত দিল এক দৌড়, আর
কিছুক্ষন কথা বললে সে হয়তো হার্ট
ফিল হয়ে যতো।
.
সে এক দৌড়ে বাসাই চলে আসল।
তাকে দৌড়াতে দেখে তার মা বলল,
-- কি রে বাবা এই ভাবে দৌড়াচ্ছিস
কেন?
-- না আম্মু এমনি,
এই বলে সে তার রুমে চলে গেল, সে
আবার ভাবনার জগতে ডোবে গেল,
মেয়েটা এত সুন্দর কেন? কেন
মেয়েটিকে তার ভালো লাগে? আচ্ছা
সে তো মেয়েটিকে প্রথম দেখায়
ভালোবেসে পেলছে, মেয়েটি কি
তাকে ভালোবাসবে বা বাসে,
মেয়েটিকে দেখব বলে হয় তো আজ
সকালটা এত মিষ্টি ছিল, সত্যি আজ
মিষ্টি সকালে একটা মিষ্টি মেয়েকে
দেখলাম, আরো কত কি ভাবছে সে,
আবারও ভাবনার ইতি ঘটল তার মায়ের
ঢাকে,
-- কি রে নাস্তা করবি না, তারা তারি
আয়।
-- আচ্ছা আম্মু আসছি,
এই বলে সে প্রেস হয়ে নাস্তা করতে
গেল।
নাস্তা করে এসে সে আবার ভাবতে
লাগল সে মেয়েটির কথা, কত মায়াবী
তার চোখ, কত সুন্দর তার কন্ঠ, আচ্ছা
মেয়েটার সব কিছুযে এত সুন্দর তার
হাসিটা কত সুন্দর হবে। এই সব ভাবতে
তার দিনটা চলে যাই, রাতেও সে
ঘুমাতে পারে না, চোখ বন্ধ করলেই
তার সামনে মেয়েটির সেই মায়াবী
চেহেরা বেসে ওঠে, ঠিক মতো সে
ঘুমাতে পারে নি রাতে, সে ভাবছে
পরদিন মেয়েটি সম্পর্কে সব জানবে
এবং থাকে ফলো করবে। আর ২ মাস পর
তার ট্রেনিং শুরু হবে। শাহাদত ভাবছে
এই ২ মাসে মেয়েটির মনে তার
ভালোবাসার জাইগা করে নিবে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now