বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মায়াবী সেই মেয়েটি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X . সকাল সকাল বন্ধুদের ফোনে ঘুম ভাঙ্গলো।এত সকালে কোন দিন ঘুম থেকে উঠিনাই।আজ নীরব, জাহেদ এদের জন্য আর ঘুমাতে পারলাম না...আরে বাবা কলেজে যাবি তোরা যা আমারে নিয়া টানাটানি কেন করিস...কিন্তু ঐ বান্দর ২ টারে কে বুঝাবে এটা। যাই হোক ওদের থেকে বাঁচতে হলে কলেজে যেতে হবে আমাকে....ফ্রেশ হয়ে বের হলাম কলেজের উদ্দেশে..... ওহহ,আপনাদের তো পরিচয় দেওয়া হয়নি আমার, কলেজে যেতে যেতে দিয়ে দিই কি বলেন? আমি, আব্দুল্লাহ আল আদর মামুন (নিলয়)। কি ভাবছেন আমার নামটা এত বড় কেন আরে ভাই এত বড় না নামটা, মূল নাম হলো, আব্দুল্লাহ আল মামুন.....আম্মুর বান্দর ছেলে বলে আম্মু ডাকে আদর....আর নিলয় এটা খেলার মাঠে সবাই ডাকে....যখন মাঠে নামি তখন সবাই নিলয় ডাকে......যাই হোক অনেক তো বক বক করলাম ছাগলের মতো.....এবার একটু ঐ বান্দর ২ টারে খুজে দেখি....আপনারাও আসেন আমার সাথে একটু, আপনাদের কেন ডাকছি সেটা ভাবছেন তো, হুম ভাবার কথা....কারন বান্দর ২ টা শুধু মেয়েদের পিছনে লেগে থাকে, এখন যদি কোন মেয়ের পিছনে লাগে তাহলে তো শেষ,আমাদের কলেজের মেয়ে গুলো যে পরিমানের গুন্ডি ওদের মাইরা পালাইবো তাই আপনাদের নিয়ে যাচ্ছি...... . ভাই দৌড় দেন ঐ তো দেখা যাচ্ছে বান্দর ২ টারে মারের....একটু তাড়াতাড়ি আসেন আমি একজনে কি এত গুলাে মেয়ের সাথে পারি বলেন..... অনেক কষ্টে বান্দর ২ টারে বাঁচিয়ে নিলাম, ইশ কি মাইরটা দিলো হতভাগা ২ টারে..... . --দোস্ত ভাবি আইছে?(জাহেদ) --কোথায়.।(আমি) --দোস্ত ভাবি রে দেখাইবি না (নীরব) --হিহিহিহিহিহি, কলেজে আজকে প্রথম আসলি ৫ মাস পর মেধা পরিক্ষা তো দিস নাই কিভাবে দেখবি তুই কলাগাছ.(জাহেদ) --ঐ আবাল আজ প্রথম আসছি বলে কি ভাবি দেখবো না এটা কেমন করে হয় দোস্ত(নীরব) --আচ্ছা চল দেখাবো.....(আমি) --তা দোস্ত পরিচয় কিভাবে?(নীরবের) --হিহিহিহিহিহি, (নীরবের কথা শুনে ২ জনে এক সাথে হেসে উঠলাম) --কিরে?এত হাসিস কেন?(নীরব) --জাহেদ ওরে বুঝাতো।(আমি) --শুন কলাগাছ,,,, আমাদের মেধা যাচাই পরিক্ষার ২ টা যাওয়ার পর স্যারেরা একটা মেয়ে একটা ছেলে বসাইছে.... সিরিয়াল করে আদরের সাথে বসেছে ওই মেয়েটি...ওদের সামনের টেবিলে বসেছি আমি আর মেয়ে ২ টা.....আদর প্রতিদিন তাকিয়ে থাকতে থাকতে ওর প্রতি একটা মায়া বসে গেছে এখন সে মায়া ভালোলাগা থেকে ভালোবাসায় পরিনত হয়েছে।এবার বুঝলি।।।(জাহেদ) --সব তো বুঝলাম তো মেয়েটার নাম কি?(নীরব) --জানি না...(জাহেদ) --দোস্ত বলে কি আবালে?(নীরব) --দোস্ত নাম জানি না, আবালারে বলছিলাম মেয়েটার নাম জানতে আবাল কিছু পারে নাই।(আমি) --চল দোস্ত ক্লাসে চল....দেখি কি করা যায়.(নীরব) . ক্লাসে এসে সবার প্রথমে তাকালাম আমার জানটার দিকে..... ওফফফ কি মায়াবী লাগছে.... কেন মেয়েটি এত মায়াবী... কেন মেয়েটির দিকে না তাকিয়ে থাকতে পারিনা আমি..কি আছে ওর মাঝে কেন আমি ওর প্রতি এত দুর্বল.... কিছুই মাথায় ডুকে না... . --এই ছেলে এই (স্যার) --জ্বি, স্যার বলেন।(আমি) --ওই দিকে কি দেখ? --প্রিয় মানুষটি কে দেখি। --বাইরে আস একটু। --জ্বি, স্যার চলেন... --মেয়েটির দিকে তাকিয়ে ছিলে কেন....তুমি এটা পরিক্ষার সময় থেকে তাকিয়ে থাকতে ওর দিকে.... পরিক্ষা তে তাই তো বাঁশ পেয়েছো.... আর এতদিন কোথায় ছিলে..... --স্যার কি করবো, ওকে যে ভালোবেসে ফেলেছি......ওর মায়াবী চেহারা,কাজল কালো দুটি মায়াবী আঁখি....লম্বা চুল.... গোলাপি ঠোঁট দুটির নিচে একটা তিল আর কি চাই বলেন স্যার একটি মেয়েকে ভালোবাসতে। --প্রোপজ করছো? --নাম পযর্ন্ত জানি না প্রোপজ করবো কি করে। --ওকে যাও.....আমি নাম জেনে বলবো কালকে প্রোপজ করতে হবে.... --ওকে স্যার.... . ওফফ,সব কলেজে যদি এমন একটা করে স্যার থাকতো তাহলে কতই না ভালো হতো... --দোস্ত স্যার কি বলছে(জাহেদ) --স্যার বলছে মেয়েটারে কালকে প্রপোজ করতে হবে?এখন নাম বলে দিবে?(আমি) --আদর ঠিককরে বস(স্যার) --হুম। . --এই যে ৩ নাম্বার টেবিল ২ নাম্বার, তোমার নাম কি? --স্যার,নাবিলা নুসরাত। --ওকে, বস.... .. স্যার হাত ইশারা করে বুঝিয়ে দিলো কালকে প্রোপজ করতে হবে...... .. ২ ঘন্টা যাওয়ার পর নীরব চলে যাওয়া জন্য উওলা হয়ে গেছে....... --দোস্ত আর ১ ঘন্টা করবো.... তারপর চলে যাবো মেধা যাচাই পরিক্ষার পর আজকে প্রথম আসলাম তোর ভাবিটারে মন ভরে দেখি একটু.....(আমি) --দোস্ত তুই এ টেবিলে আয় কলা গাছে তোরে শান্তি দিবে না....(জাহেদ) --ওকে, . জাহেদের সাথে গল্প করছি নীরবকে নিয়ে ও কলেজে ভর্তি হওয়ার পর আজ প্রথম আসছে তবুও কোন স্যার কিছু বলে নাই...... --দোস্ত এটা নোট করে নেয়?(জাহেদ) --হুম.... নোট করার পর.... --দোস্ত তুই এই টেবিলে আসার পর থেকে ভাবি তোর দিকে তাকিয়ে আছে.....(জাহেদ) --তাকিয়ে থাকতে দেয় এতদিন পর আমাকে দেখতেছে মন ভরে দেখুক না...(আমি) হঠাৎ করে পিছনের দিকে ঘুরে যাওয়ার সময় একটু খেয়াল করলাম একটা মায়াবী মুখ আমার দিকে তাকিয়ে আছে....আবার সাথে সাথে ঘুরে বসলাম মায়াবী মুখটার দিকে....ওমা আমি এটা কি দেখছি মেয়েতো এক্ষুনি কেঁদে দিবে চোঁখ দুটি টলমল করছে......এখন তো ওকে আরো মায়াবী লাগছে......ওফফ, কি করবো আমি....এই মেয়েটি কে ছাড়া তো আমি বাঁচবো না....যে করে হোক ওকে আমার চাই....চাই...চাই . পরের দিন কলেজে গিয়ে ক্লাসের সবার সামনে.... --নাবিলা তুমি কি আমার হবে, তোমার চোখেঁর মায়ায় যে আমি বন্ধি হয়ে গেছি....তোমার চোঁখ দুটি যে আমায় পাগল করে দেয়..... বলনা তুমি কি আমার হবে..চাঁদনি রাতে দুজনে বসে চাঁদ দেখবো,মাঝ রাতে বৃষ্টিতে ভিজবো....গভীর রাতে দুজনে খালি পায়ে হাটবো......ভোরের রক্তিম সূর্যটা দেখবো....নদীর পাড়ে দাড়িয়ে গৌধুলি সন্ধ্যা উপভোগ করবো....হবে কি আমার..... --হুম,হবো.....আমি তো প্রথম দিন থেকে তোমার আদর.......(কেঁদে কেঁদে) সাথে সাথে পুরো ক্লাস রুম থেকে হাত তালির শুরু হয়ে গেলো.....মায়াবী মেয়েটি আমার বুকে মুখ লুকালো.......... .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now