বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
=>অরিন্দম তোর এই এত বড় লম্বা চুলের রহস্য কি বলতো..??আমি তো ফিদা..!!
=>দোস্ত তুই কি পাগল হইলি...??
=>আরে চুপ কর।তোর ওই শ্যামলা হাতে পায়ের নোখ গুলা তে হলুদ নেইলপলিসশ পরছিস তুই জানিস কত আকর্ষণীয় দেখাচ্ছে।মনে হচ্ছে একটু ছুঁয়ে দেখি।
=>দোস্ত ইয়ে মানে চু-উ-উ-প-প কর।
=>অরিন্দম তোর ইয়া বড় বড় চোখে এত বড় বড় পাপড়ি চোখ দুইটাকে ভাসা ভাসা রুপ দিয়েছে।মনে হয় চেয়ে থাকি।
.
আর থাকতে পারলাম না এত গুলা কথা শুনে মেজাজ গরম হচ্ছিল।আমার মনে হয় কোন মেয়েকে লক্ষ্য করে এত গুলা কথা বললে চুপ করে থাকতো না।আর বিশেষ করে সেটা যদি মেয়েটা বুঝতে পারে।তার উপর এত মানুষ এইসব খুব ই অপমান জনক লাগছিল।আমিও পারলাম না চুপ থাকতে। অনেক ক্ষন হল দেখতে পারছি দুইটা ছেলে বাইক নিয়ে বসে আছে।আমরা যখন এসেছি তখন ই এসেছে।আর এসেই সামনেই বসে আছে বাইকের উপর। আমি অদ্রিতা।দাঁড়িয়ে আছি শপ্তপদীর মার্কেটের মধ্য। আমি আর আমার মেসের এক বড় আপু গিয়েছি।
.
কিছু কেনা কাটা করবো আর চাকরির জন্য আবেদন করবো।জীবনের এই প্রথম চাকরীর জন্য আবেদন করবো।পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে।মনে মনে একশবার আল্লাহ কে ডাকছি আল্লাহ প্রথম বার আবেদন কিছু কইরো।কেমন হিজিবিজি ফিল করছি।আপু আমাকে মার্কেটের শেষ মাথায় রাস্তার সাথে দাঁড় করে দিয়ে একটা কাজে গেছে।পাঁচ মিনিটে আসবে বলে গেছে তাই দাঁড়িয়ে আছি।কিন্তু দাঁড়িয়ে কাজ নেই চাকরির পাতা নিয়ে দেখছি চাকরির সার্কুলার গুলি।কিন্তু পাশে ওই দুইটা ছেলের কথায় পত্রিকা ছেড়ে ওদের দিকে এগিয়ে গেলাম।
কারণ ওইসব আমাকেই বলছে।আমার লম্বা চুল গুলি ছেড়ে গিয়েছি।হলুদ নেইল পলিশ পড়েছি ।সত্যি বলতে হলুদ নেইলপলিশের সাথে সোনালি কালার একটা জুতো পড়ায় দারুণ লাগছে আমার কাছে।আমার পা টা।শুধু পা ই সুন্দর লাগছে।আর কিছুনা। আর হলুদ ড্রেস ও পড়েছি।
=>অরিন্দম শোন তোমার ফ্রেন্ড না কি হয় ওকে ভদ্রতা শিখাইয়ো আচ্ছা।
=>আইচ্ছা ভাবি।
=>কি..??
=>কিছুনা।
=>গুইন্ডা কোথাকার।
বলে যেখানে ছিলাম ওখানে দাঁড়িয়েই আপুর জন্য অপেক্ষা করতেছিলাম।কারণ অনেক ভিড় ।এখানেই দাঁড়িয়ে থাকলে আর খুঁজতে হবে না আমাকে।তাই ওখানেই দাঁড়িয়ে গেলাম।
.
প্রায় ৫ মিনিটের মাথায় সেই বখাটে টা আবার চেঁচানো শুরু করেছে..
=>অরিন্দম এটা আমার নতুন নাম্বার 017xxxxxxxxx...
প্রায় একই নাম্বার চেঁচিয়ে ৫ বার বলা হয়ে গেছে।
আসলে নাম্বার তো চাইতে পারছে না হয়ত নিজের টাই চেঁচিয়ে বলে দিচ্ছে।নাম্বার টা ফোনে তুলে নিলাম।আর ভাবতেছি কি সব ছেলে পেলে।দেখতে খুব ই হ্যান্ডসাম।লম্ব
া চওড়া ।গোলগাল মুখে চাপ দাঁড়ি গুলি সুন্দর স্টাইলে কাটানো।চোখে নীল চশমা।গায়ে লাল একটা টি-শার্ট পায়ে লাল একটা জুতো পড়া।লাল জুতো পড়ায় পা টা খুব সুন্দর দেখাচ্ছে।আমি মাঝে মাঝে বখাটের মুখের দিকে না তাকিয়ে ওর পায়ের দিকে তাকাচ্ছি আর ভাবছি ছেলেটা সুন্দর কিন্তু বখাটে।যত্তসব আজাইড়া পোলাপান। ...
.
সাধারণত আমি যখন বাসায় যাই তখন বোরখা হিজাব পড়েই যাই তাছাড়া প্রায় সময় ই সিভিল ড্রেস পড়েই বের হই।সেদিন ও সিভিল ড্রেস পড়েই বের হয়েছি।মেস থেকে বেশি দূরে না।আর আমি দেখতেও আহামরি সুন্দর নই।বা ফর্সাও নই।
.
ছেলেরা এত দুষ্ট হয় কেন..??মেয়েদের দেখলেই কি বাজে বুদ্ধি মাথায় ঘুরপাক খায়।হুহ ঘরে মনে হয় মা-বোন নেই।গুইন্ডা কোথাকার বলে মনে মনে একশ গালি দিচ্ছি।
ওখান থেকে সড়ে গিয়ে দাঁড়াবো এর মধ্যিই আপু চলে এলো।
.
আমাদের কেনা কাটা চাকরির আবেদন করতে যে সময় লেগেছে ততক্ষণ ছেলে দুইটা ওখানেই বসে ছিল।
কেনা কাটা শেষে বের হয়ে দেখি ওখানেই ঠায় দাঁড়িয়ে আর একজন বসে ।পাক্কা শয়তান টা ফুসকা খাচ্ছে আরেকজন ওই অরিন্দম সে সিগারেট টানছে।মনে মনে ভাবছি আজ কি কপালে খারাপি আছে নাকি।এই গুইন্ডা গুলি এইভাবে কেন ফলো করছে..??
পাশ দিয়ে আসার সময় একটু মুখ নয়শো নব্বই ডিগ্রি এঙ্গেলে বাঁকাইয়া বলে দিলাম গুইন্ডা। হুহ।
.
ভাবলাম পিছু পিছু আসবে কিন্তু না।গুইন্ডা বলাতে এক গাল হেসে ও বলে দিলো মিস দিয়ো কিন্তু...
এদিকে আপু..
=>কি রে কে ও ..??মিস দিতে বললো যে..!!
=>আরে কেউ না।
=>সত্যি করে বল..!!
আপুকে সব বলে দিলাম।....
.
বলার পর মিচকা শয়তান
আপু ...
=>মিস দিতে বলছে দে।
=>কি বললেন আপনি..??আমি কেন ওই বখাটে কে রিং দিবো বলেন তো।প্রশ্নই আসে না।
=>তাহলে তুই আমাকে দে আমি দিচ্ছি।ফোন টা হাতে নিয়ে নাম্বার টা দেখালাম।আপু তুলে নিলো।নিয়ে রিং দিলো একে একে তিনবার দিলো কিন্তু রিসিভ হচ্ছে না।
=>দেখ ওর তোকে প্রয়োজন তুই ফোন দিলে ঠিক ধরবে।
আমি দিবো না বলে দিলাম।
প্রায় সন্ধ্যা।নাম্বার টার কথা মনে হল।ভাবলাম মিস তো দিয়ে দেখি কি হয়।
একটা মিসকল দেওয়া মাত্র কল চলে এলো।
রিসিভ করলাম...
=>হ্যালো অদ্রিতা..!!
পুরাই টাস্কি।
=>আপনি আমার নাম জানেন কি করে..??
=>জানবোই তো।যাকে দশ মাস হল জানতেছি তার না জানবো না।
=>দশ মাস হল চিনেন মানে..?
=>তুমি বগুড়াতে এসেছো দশ মাস হল।আর কলেজেও।তুমি যে কলেজে যে ইংলিশ ডিপার্টমেন্টে পড় আমি সেই ডিপার্টমেন্টেই সে কলেজের ই ছাত্র।
=>আপনি আমার সেইম ইয়ার।কোন দিন দেখি নি তো।
=>আরে পাগলি সেইম না।আমি মাস্টারস করছি।
=>তো আমাকে কিভাবে চিনলেন..??
=>লিমন তোমার ফ্রেন্ড আর সেই লিমন আমাদের ই মেসে থাকে।ওর মুখে অনেক নাম শুনেছি বগুড়া তে লিমন আসার পর।যখন শুনলাম তুমি আমাদের কলেজে একই ডিপার্টমেন্ট তখন থেকেই তোমাকে চিনি তুমি আমায় না চিনলে।আমি প্রতিদিন না হলেও দুই দিন পর পর কল বা মেসেজ দেই।কিন্তু তুমি নাম্বার ব্লক করেছে।বিরক্ত করা এইভাবে ঠিক হবে না তাই ভাবি যে সামনা সামনিই কথা বলবো।
=>কে নাম্বার দিছে।ওরে আমি শেষ করবো ওর একদিন কি আমার একদিন।রাখেন বখাটে কোথাকার।
=>আরে পাগলি আমি বখাটে নই।ওইদিন ওইরকম তোমার পিছু না নিলে ওইসব কথা না বললে তোমার সাথে কথা বলতে পারতাম।না।তোমাকে অনেক দিন দেখা করতে ক্যাম্পাসে আসতে বলেছি আসো নি।তাই এইসব করছি।
=>পিছু নিলেন কিভাবে..??
=>আমি শুনেছি তুমি যাবা।কয়টার সময় যাবা সেটাও।তাই সময় মত তোমার মেসের ওখানেই ছিলাম।তোমার হলুদ জামা দেখে আর তোমার পিক দেখেছিলাম তোমাকে আমি কলেজে দেখতাম এইসব কিছু মিলেই পিছু নিয়েছি। তোমার মেস ও চিনতাম আমি।আর এটাও জানি
হলুদ তোমার খুব প্রিয় রং।
=>ঢং বাদ দিন। বাই।
=>আরে হলুদ পরি শোন কাল একটু বিকেলে ক্যাম্পাসে আসবা..?
=>নাহ বলে কেটে দিলাম।
খুব রাগ লাগছে।কেমন সব ফ্রেন্ড আমার বখাটেদের নাম্বার দিয়ে বেড়াই।আজাইড়া যত্তসব ফালতু পোলাপান।ফোন দিলাম লিমনের কাছে...
=>কি রে ক্ষ্যাত পোলা ওই গুইন্ডা রে নাম্বার দিছস কেন..?
=>মাফ কর।ওরে নাম্বার দেই নাই।ফোন থেকে নিছে।
তুই কাল ক্যাম্পাসে আয় সব বলবো।
=>ওকে।তোর মাথা শক্ত করে আসিস।হারামী কোথাকার।
.
পরের দিন বিকেল তিনটা..বখাটেটার ফোন চলে এলো..
=>অদ্রিতা আসবে ..!!
=>না।আর কোন দিন ফোন দিবেন না।ওকে।
আমি রেডি হয়ে ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্য বের হলাম।মেস থেকে মাত্র ৫-৬ মিনিট সময় লাগবে ক্যাম্পাসে যেতে।ভাবলাম বাঁচলাম গুইন্ডাকে না করে করেছি যাবো না।তাহলে আর আসবে না।আমি লিমনের সাথে কথা বলেই চলে আসবো।খুব ভাল লাগছে।
এ কি কান্ড শহীদ মিনারের দিকে তাকাতেই দেখি লিমনের পাশে বসে আছে।আমি বেশ একটু দূরে ।যাবো না আর বখাটেটা জানলো কি করে যে আমি আসবো।ফেরত যাওয়ার জন্য মেসের দিকে আসবো পা বাড়িয়েছি।এর মধ্য ফোন।
=>অদ্রিতা ভয় কেন পাচ্ছো তুমি।তুমি যেরকম খারাপ ভাবছো আমি ওইরকম নই।আসো আমার সাথে একটু কথা বলো।
ভয় কেন পাবো তাই ফিরে গিয়ে মাঝখানে তিনহাত ফাঁকা রেখে বসলাম।
=>অদ্রিতা শোন তোমার ওই চোখ দিয়ে আমার দিকে তাকাবা না।বলে দিলাম।
=>এহ কেন।আমার পঁচা চোখ তাই।আইচ্ছা।তাকামু না।
=>পঁচা হলে তো তাকাতেই বলতাম।
চুল গুলা বাধো।
=>কেন..?
=>বললাম বাধো।সবাই তাকিয়ে আছে।
=>এহ আমি কি বিশ্বসুন্দরি যে সবাই দেখবে..??
=>চুপ।বাধো।
=>ভ্যাবাচ্যাকা হয়ে বেধে নিলাম।
=>শোন..?
=>হুম বলুন।
=>কখনো নেইল পলিশ দিবানা রংবেরঙ এর।
=>ওকে।
=>আরেক টা কথা মাথায় কাপড় দাও।
=>হুহ সব কথা শুনে যাচ্ছি।মনে মনে বলছি কি গুইন্ডা। হুঁ গুইন্ডা তা এইগুলা কেন বলে।গুইন্ডারে তো খারাপ হয় আমি জানি।
=>বোরখা পড়বা বুঝলা।আর যেন সিভিল ড্রেসে দেখিনা।
=>ওকে।
=>অদ্রিতা শোন এইবার । আমি অংকন।আর আমার ধর্ম সনাতন।আর তুমি হয়ত ভাবছো আমি ভিষণ খারাপ।না অদ্রিতা আমি ওই টাইপের নই।আমরা এখান কার স্থানীয় অনেক জোর আছে কিন্তু আমি ওইসব জোর বখাটেপনা করিনা।
ওহ অদ্রিতা শোন...!!
=>বলেন।
=>কখনো লিপস্টিক দিবা না।
=>কেন..?
=>এই মেয়ে একটা দিবো কানের নিচে।শুধু কেন কেন করে।লিপস্টিক পড়াই তোমার ঠোঁট সুন্দর লাগে।আর বিশেষ করে তোমার কথা বলার সময় সাদা ধবধবে দাঁত গুলি চক চক করে বেশি সুন্দর দেখায় তাই।মনে আছে বোরখা পড়বা।
=>আচ্ছা।অনেক আস্তে বলে দিলাম।
=>ভয় পেয়েছো ধমকে..?
=>না।
=>এইগুলা শোনার জন্য তোকে আসতে বলছি...!!এমন করলি লিমন তুই..??আর এ কোথা থেকে এলো...??
লিমন ভয়ে কোন কথা বলছে না।জানে ও নির্ঘাত মার খেয়ে বসে আছে।
=>শোন অদ্রিতা লিমনকে আমি ই নিয়ে এসেছি।অদ্রিতা আমি হিন্দু তবুও তোমাকে আমার খুব ভালো লাগে।আমি অন্যসব ছেলের মত বলবো না ভালবাসি।ভালবাসা তো অনেক সাধনার পরে হয়।আমি তোমাকে ভালবাসার জন্য সাধনা করতে চাই।ধরবে অদ্রিতা আমার হাত..?
=>আপনি পাগল হয়ে গেছেন।আপনি হিন্দু আমি মুসলিম। এটা হয়না।
=>দেখ আমি চেষ্টা করবো মুসলিম হওয়ার তুমি আমার হাত ধরবা কিনা।কত মানুষ ই তো মুসলিম হয়।আমি আমার ফ্যামিলির এক মাত্র ছেলে আমি যা চাইবো বাবা -মা তাই করবে।আমি অন্য সব ছেলেদের মত বলবো না যে আমি তোমাকে ছেড়ে কখনোই যাবো না..!!আমি বলবো আমি উপর ওয়ালা যতদিন বেঁচে রাখে আমি থাকার চেষ্টা করবো তোমার সাথে।আমি শুনেছি তোমার বফ ছিল কিন্তু ছেলেটা তোমাকে ঠকিয়েছে আমি ওর মত করবোনা।অদ্রিতা ধরো না আমার হাত।
=>স্যরি।
=>আমি আমার ধর্ম কে সম্মান করি।
=>আমি যদি মুসলিম হই তবে..??তুমি শুধু হাত টা ধরো।(হাত টা বাড়িয়ে দিয়ে)
না। কখনো ডিস্টার্ব করবেন না বলে উঠে দাঁড়িয়েছি। পিছন থেকে..
=>অদ্রিতা প্রায় দশ মাস হল তোমাকে দেখছি তুমি অনেক ভাল।আর অনেক শুনেছি তোমার কথা যে তুমি পাগলির
মত। আহ্লাদী স্বভাব তোমার।অনেক চিনি তোমাকে আমি।পরিক্ষার হলে তোমার পিছনের সিটে যে মেয়ে বসেছে সেই মেয়ে আমার ফ্রেন্ডের গার্ল ফ্রেন্ড। ওই মেয়ের সাথে কথা হইছে...তুমি জানো যে ওই মেয়ে নকল করে।তুমি ওকে বলেছে যে দেখে লিখোনা মেধাই যাচাই করো।অনেক বুঝিয়েছো।ও আর নকল করবে না।বলেছে ভাইয়া অদ্রিতা অনেক ভাল আর রক্ষণ শীল একটা মেয়ে।আমি মুগ্ধ অদ্রিতা।প্লিজ হাত টা ধরো।
.
এতক্ষণ চলে যাবো বলে দাঁড়িয়ে ওর কথা শুনলাম কিন্তু ফিরে তাকালাম না।কারণ ও হিন্দু আর আমি মুসলিম।
আমি আমার ধর্ম কে সম্মান করি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now