বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোমার জন্য পৃথিবী

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X এক .. আসিফ.. এই আসিফ উঠ অনেক তো সকাল হলো। আর কতো ঘুমাবি। এখন একটু উঠ। উঠে হাতমুখ ধুয়ে একটু পড়তে বস। রোজা শুরু হইছে থেকেই তো তোকে বই নিয়ে বসতে দেখিনা। এমনি ফাষ্ট সেমিস্টার পরীক্ষা খারাপ করছিছ। এই ভাবে পড়া পড়লে পাস করতে পারবি। সারা জীবন কামলা দিতেই জীবন যাইবো। উন্নতি আর করতে পারবি না। কিরে আমার কথা গুলো কি তোর কানে যায়। ... না আর পাড়ছি না তোমাদের নিয়ে। সারাদিন আমার পিছেই লেগে থাকো। একটু শান্তিতেও ঘুমাতে দিবে না। কেবল বাজে সাতটা। এখনো কেউ উঠেই নাই আর আমারেই আগে ডাকতে হলো। প্লিজ তুমি যাওতো যাও আমায় আর একটু ঘুমাতে দাও। .. কথা গুলো আম্মুকে বলেই আবার ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। কিছুক্ষণ চোখ বুজে থাকার পর দেখি না আর ঘুম ধরছে না। মনে মনে একটু রাগ হয়ে ধাত কি দরকার ছিলো সকাল সকাল ডাকার আমায়। দিলে তো আমার ঘুমটার বারোটা বাজিয়ে। কথা গুলো আবার বলেই ফোনটা বালিশের নিচ থেকে বের করে ফেসবুকে ঢুকলাম। . দেখলাম পাচটা ম্যাসেজ আসলো। খুব আগ্রহ নিয়ে ম্যাসেজ গুলো চেক করলাম। না প্রিয়তমার একটা ম্যাসেজ ও আসেনি। মনটা খারাপ হয়ে গেল। আজ তিনদিন ধরে প্রিয়তমার আইডি থেকে কোন ম্যাসেজ আসেনা। মন খারাপ করে ফোনটা রেখে বিছানা থেকে উঠলাম। ফ্রেশ হয়ে বাইরে একটু হাটতে গেলাম। আজ সকালটা দেখেই বুঝা যাচ্ছে প্রচন্ড রোদ হবে। হাতটে হাতটে প্রায় অনেক খানি পথ চলে এলাম। এই যে ভাই আজকে কতো তারিখ একটু বলবেন ..? রাস্তায় এক লোক জিগ্যাস করলো আমায় হুমমম ভাই আজকে হচ্ছে 6 তারিখ। ওকে ভাই ধন্যবাদ। . কি যেনো একটা মনে মনে ঘটকা লাগতে লাগলো তারিখটা বলার পর। মনে হচ্ছে তারিখটা খুব চেনা চেনা লাগছে। মনে হচ্ছে খুব চেনা। কিছুতেই আর মনে করতে পারছি না। বাসার দিকে ইউ টার্ন দিলাম।অনেক ঘেমে গেছি। গা দিয়ে ঘাম পরতেই আছে। . >কিরে একটু আগেই তো ঘুম থেকে উঠছিলি না। তো আবার উইঠা কোন মহাভারতে ঘুরতে গেছিস ..? . 0-কই আবার জামু। সকাল সকাল তো তোমার আমার ঘুমটাই ভাঙ্গাইতে হইলো। কথাটা বলেই রুমে ঢুকে ফ্যান টা ফুল স্পিড এ দিলাম। চেয়ারে বসে ভাবতেছি তারিখটা নিয়ে। কই শুনছি কই শুনছি...? ফোনটা হাতে নিয়ে আবার ফেসবুকে ঢুকলাম। প্রিয়তমার আইডি তে ঢুকলাম। কি মনে করে যেন চিরচেনা এবাউটা আবার দেখতেছি। যা দেখলাম দেখে সত্যি চমকে উঠলাম। চোখটা বার বার ঘচলাতে লাগলাম। দেখলাম প্রিয়তমার জন্ম তারিখ 6 জুন।মনে পড়ে গেল প্রিয়তমা তো আমায় অনেক আগেই তার জন্মতারিখটা বলছে। আর সেটা হচ্ছে 6 জুন। নিজেকে নিজেই বদ্ধ গাধা বলে গালি দিতে লাগলাম। সালার এটা কোন কাজ করলাম। যারে এতো ভালবাসি তার জন্মতারিখটাই আমি ভুলে গেলাম। কি করে পারলাম আমি এটা। . সাথে সাথে প্রিয়তমার ইনবক্সে গেলাম। অনেক বড় করে একটা জন্মদিনের উইস লিখলাম। বাট সেটা যেই ছেন্ড করতে যাবো কি মনে করে যেন আর করলাম না। কারন প্রিয়তমার সাথে কিছু দিন ধরে বেষ বাজে কাটছে মুহুর্ত গুলি। তারপর আবার আজকে জন্মদিন।আমার আগে অনেকেই হয়তো তাকে উইস করেছে। হয়তো প্রিয়তমা ফাস্ট আমার কাছ থেকেই উইসটা আসা করছিলো। সেটাও করিনাই। জানি খুব আরো খেপে আছে। আরও অনেক কিছু ভেবে প্রিয়তমারে আর কোন টেক্সট করলাম না। এভাবেই কেটে গেলো কিছুটা সময়। . ফ্রেন্ড কে ফোন দিলাম হ্যালো দোস্ত তুই কথায়। একটু বাসার এইদিকে আয়তো কিছু পারছোনাল কথা আছে তোর লগে। কিছুক্ষন পর দোস্ত আসলো। 0-কিরে এইটুকু জায়গা আসতে তোর এতো সময় লাগে ..? >আরে দোস্ত দেখতেছিস তো কি রকম রোদ পরছে আজকে। তাই হাইটা না এসে রিকশার জন্য অপেক্ষা করতেছিলাম। 0-হ হ বুঝছি বুঝছি থাম এহন। লেখচার কম দে। রুমে আয় আমার কথা আছে। ওকে চল। >হুম এহন বল কি বলবি বল। 0-দোস্ত আজকে তো প্রিয়তমার বার্ডে। >হ তা কি হইছে। উইস কর। শুভেচ্ছা জানা। 0-বাট দোস্ত ওর সাথে কিছু দিন থেকে সময় গুলো খুব বাজে যাচ্ছে। তাও আবার ওর আজকে বার্ডে আর সেটা আমি ভুলে গেছি। ও হয়তো ফাস্ট আমার কাছ থেকেই উইসডেন টা আসা আরছিলো। বাট আমি তো করিনাই। হয়তো এখন আরও অভিমান করে বসে আছে। কি করে কি করবো বুঝতেছি না। .. >আরে সালা এটা কোন সমস্যা হইলো। তুই এখন ফোন হাতে নে। আর উইস কর। .. ভয় ভয় করে প্রিয়তমারে একটা ম্যাসেজ দিলাম। লিখলাম :জানি আজ তোমার জন্মদিন। কিন্তু তোমায় উইস করিনাই আর করবো না। কারন তুমি এটা লাইক করো না। তাই শুধু এটুকুই বলবো। জীবনের প্রতিটা মুহুর্ত তোমার ভালো কাটুক। শুখি হও তোমার আগামি দিনের পথ চলায়। ... ম্যাসেজটা ছেন্ড করেই ভয় ভয় করে ফেসবুক থেকে চলে আসলাম। বেশ কিছুক্ষণ পর অনেক কৌতুহল নিয়ে ফেসবুকে ঢুকলাম। দেখলাম প্রিয়তমা রিপ্লে করছে .. .. ধন্যবাদ। কে বলেছে আজকে আমার জন্ম দিন ..? . কেউ বলেনি। (আমি) কেউ না বললে জানলেন কেমন করে।..? . তুমি তো আমায় একদিন বলেছিলে। 6 জুন তোমার বার্ডে। (আমি) .. এখনো মনে আছে ...? . ক্যান থাকবে না। হয়তো ফাস্ট উইস টা আমি করিনাই। ম্যাসেজ দেখেই বুঝতে পারছি খুব অভিমান করে আছে প্রিয়তমা। আচ্ছা একটা কথা বলি ..? (আমি) .. হুম বলো। .. থাক না বলি। একটু মজা করে (আমি) .. ওই বলো তা না হলে খুব রাগ করবো। . I love you . রাগ করছো পাগলি। ..? (আমি) .. হুমম খুব রাগ করছি। অনেক। ....................... 2 . অনেক রাত হয়েছে আর বাইরে প্রচুর বৃষ্টিও হচ্ছে। আর বৃষ্টি মানেই তো রোমান্টিক হয়ে যাওয়া। আর রোমান্টিক হয়ে যাওয়া মানেই প্রিয় মানুষটাকে নিয়ে এক কল্পনার রাজ্যে ডুবে যাওয়া। তাই আমিও আমার প্রিয়তমাকে নিয়ে এখন কল্পনার রাজ্যে ডুবে আছি। হাহাহা,,,হাউ রোমান্টিক। ... মেয়েটিকে নিয়ে কখনো দু লাইন লেখা হয়নি। আমাকে অনেক আবদার করেছিল যে,এই আমাকে নিয়ে একটি সুন্দর গল্প লেখনা প্লিজ। মেয়েটির আবদার গুলো কেমন জানি একটু ভিন্ন টাইপের। আবদার গুলো ঠিক এরকম,,,,ফেসবুকে কোনো এক শাড়ি পছন্দ হলে পিক পাঠায় দিতো। আর বলতো এই আমায় এই শাড়িটা কিনে দিবা। আমার অনেক পছন্দ হয়েছে। আবার কখনো কোনো ফুলের পিক দেখলো,তো সঙ্গে সঙ্গে আমায় পিক দিয়ে বলবে,,,,এই শুনোনা এই ফুল গুলো আমার অনেক ভালো লাগছে আমায় এনে দেওয়া প্লিজ। আর আজকে কি আবদার করছে জানেন,,,তার নাকি একজোড়া নুপুর পছন্দ হয়েছে,, আজকেও বলতেছে ওই আমার না এই নুপুর জোরা খুব ভালো লেগেছে এনে দিবে ...? দাও দাও দাও প্লিজ। হাহাহা,,,,আবদার গুলো অনেক মজার। .. মেয়েটি আর কেউ নয়। সে হচ্ছে আমার বউ। ওফফ সরি ইয়ার। আমিতো এখনো বিয়েই করিনি। তো বউ আসলো কোথা থেকে...! বুঝলেন না তো ...? আসলে আমরা দুজোন ঠিক করেছি বিয়ে করলে দুজন দুজনাকেই করবো। আর এই সুত্রে আমি আমার প্রিয়তমারে এখন থেকেই বউ বলে ডাকি। প্রিয় মানুষটা কে বউ বলে ডাকার মাঝে আমি এক অন্যরকম আনন্দ খুজে পাই। তবে পাগলি টা মাঝে মাঝে একটু রাগ করে। 0-ওই তুমি কি আমারে বিয়া করছো যে সারাক্ষণ বউ বউ বলে চিল্লাও। যখন বিয়া করবা তখন বইলো। এখন না। ওকে মিষ্টার। --আর আমি তখন বলি,বাহ্ রে বিয়া করিনাই তো কি হয়েছে। একদিন তো করবোই। আমি তোমারে বউ বলেই ডেকবো। হাহাহা। ... মেয়েটা অনেক পাগলি টাইপের। ভিষণ দুষ্টু। আবার রাগ ও অনেক। কিন্তু অনেক রোমান্টিক ও বটে। সব ভালোবাসায় যেমন রাগ অভিমান থাকে তেমনি আমাদের রিলেশনেও আছে। তবে আমাদের রিলেশন টায় একটু ঝগরাই বেশি হয়। তবে সেটা বেশিক্ষন স্হায়ী নয়। দিন শেষে আমরা দুজন আবার এক হয়ে যেতাম। .. ওর সাথে পরিচয়টা ঠিক আজ থেকে পাচ মাস আগে।আর দশটা রিলেশন যেভাবে গড়ে ওঠে যেমন,,,, রাস্তায় ফলো করা। ফুল হাতে প্রপোজ করা, চুপি চুপি দেখা করা। কলেজর সামনে গিয়ে দারায় থাকা। আমাদের রিলেসনে এসব কিছুই ছিলোনা। নিস্চই এখন ভাবছেন তাহলে হলো কি ভাবে, ,,,,,,,? .. আমাদের রিলেশনটা গড়ে উঠেছে এই ভারচুয়াল যগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে। .. সেই পাচ মাস আগের কাহেনি। সময় গুলো কেমন জানি ফ্যাকাসে কাটছিলো আমার। মনে কোন শান্তি ছিলো না। সারাদিন মন মরা হয়ে ঘরের এক কোনায় পরে থাকতাম। বন্ধু বান্ধবী কাউকেই ভালো লাগতো না। সবকিছু আমার কাছে বোর মনে হতো। আমার এক্স গফ চলে যাওয়ার পর ঠিকমতো নিজেকে সামলিয়ে উঠতে পারতেছিলাম না। নিজেকে খুব একা একা লাগতো তখন। সঙ্গি বলতে তখন এই ফোন টাই ছিলো। এর সাথেই বেশি সময় পার করতাম। .. আমি একটা রোমান্টিক পেজে রাইটার ছিলাম। নিজেকে রাইটার বলবো না। এই একটু একটু লিখতাম আর কি। অনেকেই আমার পোস্টে কমেন্ট করতো। এই কমেন্ট থেকেই আমার ওর সাথে পরিচয়। . মেয়েটি আমার কাছে হুট করে আমার আইডি লিংক চেয়ে বসে। আর আমিও দিয়ে দিই। সাথে সাথেই ম্যাসেজ,,,,, 0-হাই আমি জারা। আমি আপনার অনেক ভক্ত। পেজে শুধু আমি আপনার লেখা গল্প গুলোই পড়ি। আর কমেন্ট ও করি। আর অন্য কারো গল্পে নয়। --- আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমার পাশে থাকার জন্য 0-আমি আপনার সাথে বন্ধুত্ব করতে চাই। আমার অনেক দিনের ইচ্ছা একটা রাইটারের সাথে বন্ধুত্ব করবো। . ---আমরা তো বন্ধুই। আপনারা সবাই আমার কাছে বন্ধুরই মতো। . 0-আপনার একটা পিক দিবেন...? আপনাকে খুব দেখার ইচ্ছা আমার। . ---গ্যালারির সবচেয়ে বাজে পিক যেটা আমার সেটাই দিলাম। . 0-হুমম,,অনেক নাইস। . ---ধন্যবাদ। . 0-আমকে দেখবেন না ....? . ---হুম পিক দিলেতো অবশ্যই দেখবো। আর আমি যদি যেচে পিক চাই তো পরে ভাববেন যে নাই পরিচয় হতেই পিক ..! . 0-হাহাহা, ,,, এই নিন আমার পিক। .. একটা মোটা মটুরামের পিক দিলো আমায়। পরোনে ছিলো লাল একটা বিয়ার শাড়ি। হাতে চুরি। আর মুখ খানাতো ময়দার গোডাউন বললে কম হবে না। (মনে মনে ) পরে সবাই যেটা বলে আরকি সেটাই বললাম ---হুমম অনেক সুন্দর। . 0-বউ বউ দেখতে তাই না ...? . --হ্যাঁ,একদম বউ বউ দেখতে। . 0-আমায় বিয়ে করবেন ...? . --মেয়ে বলে কিরে..!ঠিকমতো কথাই হলো না আর বিয়ে। আজব তো (মনে মনে ) আল্লাহ যদি আমর আপনার সাথে জোরা লিখে থেকে অবশ্যই করবো। . 0-হুম তা ঠিক। .. এভাবেই আমাদের পরিচয়টা হয়। দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা আমি জারার সাথে চ্যাট করতে থাকি।আছতে আছতে আমরা খুব ভালো বন্ধু হয়ে যাই। এর পর আমি ওর ফোন নাম্বার নেই। এখন ফোনেও কথা হয় ওর সাথে। আর দশটা রিলেশনে যেটা হয় আরকি বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। আমাদেরও তাই। কথা বলতে বলতে কখন যে দুজন দুজনের প্রেমে পরে গেছিলাম দুজনের কেউ টের পাইনি। পরে কথা ক্রমে জানতে পারি পিক টা জারার নয়। ওর এক ফ্রেন্ড এর। আমার খুব রাগ উঠেছিল জারার প্রতি। কেনো ও মিথ্যা বললো। আমি ওকে সাথে বলে দিই যে আমায় যেটা বলবেন সত্যিই টাই বলবেন। এর পর জারা আমায় তার আসল পিক দেয়। দেখেতো আমি মুগ্ধ। অসম্ভব সুন্দর একটা মেয়ে। চোখ দুটো বড় বড়। গোলাপের পাপরির ন্যায় ঠোট। আর চুল গুলো সেই। চোখে কাজল দেয়াতে মনে হয় আরো ময়াবী লাগছিলো। .. এবার আর নিজেকে সামলে রাখতে পারিনি। বলেই ফেললাম ভালোবাসি তোমায়। ও মনে হয় আমার এই কথাটা শোনার জন্যই অপেক্ষা করেছিলো। 0-এই কথাটা বলতে বুঝি এতো সময় লাগলো আপনারা ..? . --অনেক বার বলতে চেয়েছি। কিন্তু বলার সাহস টা পাইনি। খুব ভয় লাগতো। আর তুমার যে রাগ। বাপরে বাপ . 0-কি আমার রাগ বেশি বলে কি আমি বাঘ না ভল্লুক। যে আপনারে খেয়ে ফেলবো। যাই হোক আমায় যেহেতু ভালোবাসেন তো নিন এখন ঠিকমতো প্রপোজ করুন। আর প্রপোজ ভালো না হলে কিন্তু রিজেক্টেড হুমম। .. ---দেখ আমার দুষ্টু মিষ্টি জারা থুক্কু আমার পাগলি টা তোমাকে খুব ভালোবাসি,, প্রথম যেদিন তোমাকে দেখেছি সেদিনই বুঝেছি তুমি আমার সেই মায়াবতী যার মায়ায় জরিয়ে আমি আমার সারাটাজীবন পার করে দিতে চাই। তোমার কাজল কালো চোখ, তোমার মেঘ ঘন চুল, অপূর্ব মুখ, নিজেকে ভুলিয়ে দেয়ার তোমার মুক্ত ঝড়ানো হাসি,, তোমার খুনসুটি, তোমার শাসন, আমি এর সব কিছুর প্রেমে পরেছি। আমি জানি না অপ্সরীরা দেখতে কেমন হয়,, কিন্তু আমার কাছে তুমিই আমার অপ্সরী,, তুমিই আমার মায়াবতী।। I Love You জারা ।। . 0--হয়েছে হয়েছে,, আর বলতে হবে না,, I Love You too আমার পাগলাটা।। আর শোন এভাবেই আমাকে সবসময় ভালোবাসাতে হবে। .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now