বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

প্রত্যাবর্তন-১০

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X এরপর যাঈদের ঝিমিয়ে পড়া জীবন আর নিস্তরঙ্গ থাকলো না। আবার ওলট-পালট হয়ে গেলো। এখন প্রতিনিয়ত মনের সাগরে শুকিয়ে যাওয়া বেলাটায় আছড়ে আছড়ে পড়ছে নির্লজ্জ কিছু ইচ্ছের ছোট ছোট ঢেউ। হ্যাঁ, নির্লজ্জই বটে! এত কাহিনীর পর কীভাবে সব ভাবনাগুলো আবার সেই অধরা নারীতেই গিয়ে ঠেকছে, ঠিক বুঝে উঠে না! যাকে পাওয়া যায় না, তারই হাওয়া গায়ে লাগিয়ে উন্মাতাল হয়ে যাচ্ছে। এরই নাম বুঝি প্রেম যাকে সে অবজ্ঞা করে এসেছে বরাবর। অদৃষ্ট কীভাবে, কাকে যে এভাবে জব্দ করে ফেলে – বলা শক্ত! কিন্তু কথা সেটা নয়; মনে যে হাজারটা প্রশ্ন উত্তরের অপেক্ষায় গুমরে গুমরে মরছে। অন্তত একটিবার দেখা হওয়া দরকার। কিন্তু কীভাবে? নির্বোধের মত ঠিকানাটাও নিলো না...হঠাত আর্কিমেডিসের মত চেঁচিয়ে ওঠে, ইউরেকা!! চোখের সামনে জ্বলজ্বল করতে থাকে মেয়েদের ইশকুলের মনোগ্রামটা। আনমনে হাসতে থাকে, ‘হ্যাঁ, ওতেই হয়ে যাবে। ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয় কিনা?’ ওদিকে ঝড় কিন্তু পল্লবীর বুকেও উঠেছে। ভুলে থাকা সোজা কথা নয়; সেই কষ্টসাধ্য কাজটাকেই সে ধীরে ধীরে আয়ত্তে এনেছে। অবুঝ মন কে শাসিয়েছে অজস্র দিন-রাত্রি। একসময় লজ্জা, অপমান, অপরাধবোধ কিংবা অভিমান ভালোবাসায় জর্জরিত হয়ে ডুবতে থাকা ‘আমি’ টা নির্মায়িক নিয়তিটাকে মেনে নিতে শিখে যায়। বেঁচে থাকার জন্যই হয়তো বাঁচতে থাকে পল্লবী। কিন্তু নিয়তি হঠাত এ কোন নির্মম তামাশায় টেনে নিলো তাকে। যাঈদের সাথে কেন তার আবার দেখা হয়ে গেলো? কেন? এমনি সময় একদিন... ইশকুল ছুটি হয়ে গেলে একটা রিকশার জন্য নিত্যদিনের মত দাঁড়িয়ে ছিলো পল্লবী। ব্যস্ত ঘরে ফেরার তাড়া থাকার এই সময়টার ফায়দা রিকশাওয়ালারাও লুটতে ভোলে না। ন্যায্য ভাড়ায় কেউই যেতে চাইবে না। শেষে কিছুটা বেশি ভাড়ায় একটা রিকশা ঠিক করে উঠতে যাবে এমন সময় ভারী গলায় একটা চেনা আওয়াজ, - পল্লবী? - তুমি? তুমি এখানে কীভাবে? অবাক হয়ে যায় পল্লবী। - সে অনেক কথা। কেন আসতে পারি না? - না, পারো না। তুমি আর কক্ষণো আসবে না... এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলে পল্লবী রিকশায় চেপে বসে। এইসময় একটা অদ্ভুত কাজ করে বসে যাঈদ। কোনোরকম বাধা দেয়ার আগেই হুট করে সেও চেপে বসে পল্লবীর পাশে। রিকশাওয়ালা ঘাড় ঘুরিয়ে তামাশা উপভোগ করছিলো। ধ্মকে ওঠে, - হাঁ করে দেখছ কী? চালাও। - ভাইজান, কই যামু? রিকশাওয়ালা হকচকিয়ে যায়। ক্যাফের একটা অপেক্ষাকৃত নির্জন কোণে মুখোমুখি অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে থাকে দু’জন। কারো মুখেই কোনো কথা সরছে না। অস্বস্ত একটা সময়। তারপর যাঈদ একটু কেশে গলাটা পরিষ্কার করে, - আমার বোধহয় অন্যায় হয়ে গেছে। তোমাকে ঐভাবে পাকড়াও করে আনাটা ঠিক হয় নি... মুখটা কাঁচুমাচু করে ফেলে। পল্লবীর যেন কী হয়...থমথমে মুখে তাকিয়ে যাঈদ কে অবাক করে দিয়ে হেসে ফেলে, - তোমার অনেক উন্নতি হয়েছে দেখছি! এরকম দস্যুপনা তো আগে কখনোই দেখাও নি। ইস, ক’বছর আগেও যদি এরকম হতে পারতে! শেষের কথাগুলি আপনমনে বিড়বিড় করে বলতে থাকে। - কী বললে? যদিও যাঈদ ঠিকই শুনতে পেয়েছে... - না, কিছু না। এখন বলো, হঠাত কী মনে করে? আমার ইশকুলটাইবা চিনলে কী করে? - সে অনেক কথা, ভাগ্যিস ইশকুলের নামটা দেখেছিলাম! তা না হলে হয়তো আর দেখাই হতো না। - দেখা হওয়াটা কি খুব জরুরী কিছু ছিলো? আমি ক’বে তোমার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলাম! পল্লবীর স্বরে একটা অদ্ভুত বিষাদ মিশ্রিত ব্যঙ্গ। যাঈদ আহত হয়ে গেলেও পাল্টা আঘাত হানে। - গুরুত্বের কথা উঠছে? সে কথা কেউ কি কখনো বুঝেছে, না বুঝতে চেয়েছে? সে যাক, অস্বীকার করবো না – সে দিন ট্রেনে আমাদের দেখা হওয়ার পর আমার কোথায় যেন কী একটা ঠিক নেই! কাউকেই তো কোনোদিন বোঝাতে পারলাম না – বুকের এই, এই এখানটাতে কী যে কষ্ট! এতদিন ঘুমিয়ে ছিলো – বেশ ছিলো। কেন আবার হঠাত করে এসে সব ওলট-পালট হয়ে গেলো? অপ্রস্তুত হয়ে যায় পল্লবী, ‘সে আমি কী করে বলি?’ - হ্যাঁ, তা হয়তো ঠিক। তবে, নিশ্চয়ই বলতে পারবে কেন রিয়াজের সাথে তোমার আর গাঁটছড়া বাঁধা হলো না? আমরা হয়তোবা এখনো বন্ধু আছি, কী, আছি না? বন্ধু ভেবে বলতে কি পারো না - কেন সব ভণ্ডুল হয়ে গেলো? আমি যে তোমার সুখের কথা ভেবেই সব মেনে নিয়েছিলাম! কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকে পল্লবী – কিছু বলে না। তারপর সন্তুর্পনে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে, সত্যিই জানতে চাও? কী লাভ? - লাভ-ক্ষতি তো জানি না। শুধু একটা বিশ্রী কৌতুহল বলতে পারো। থাক, অসুবিধে থাকলে বলতে হবে না। - তুমি কি কোনোকালেই সামান্য একটু জোর খাটানোও শিখবে না! ধনুকের মত ভ্রুযুগল ঈষৎ কুঞ্চিত হয়ে বহুদিনের জমানো অভিযোগের একখানা মোক্ষম তীর ছুঁড়ে দেয়। তীরটা মরমে লেগে গেলেও যাঈদ ক্ষতটা দেখায় না।তারপর একটু ভেবে পল্লবী মনে করতে থাকে... অবশেষে ওদের দেখা হলো প্রায় চার বছর পর। চার বছর সময়টা কিন্তু কম নয়! এতদিন বাদে একটা যুগলের মধ্যে মুখোমুখি দেখা হওয়ায় যে উচ্ছ্বাস থাকার কথা, আশ্চর্য, তার কিছুই অনুভব করল না পল্লবী! আশ্চর্যই বটে! কেন কিছু অনুভব করল না, সেটাও এক রহস্য! রিয়াজের মধ্যেও যেন সেটা নেই! একধরণের জড়তা দু’টো চেনা মানুষকে যেন হঠাতই খুব অপরিচিতের মত করে তুলেছে! রিয়াজ একটা কিছু বলার জন্য উশখুশ করছিলো, কিন্তু কোনো কারণে বলতে পারছে না। ইতস্ততঃ করছে। পল্লবীর বুকটা কী একটা আশংকায় কেঁপে উঠলো। সে যে তার সর্বস্ব ত্যাগ করে এসেছে! কিন্তু তাতে অমোঘ নিয়তির কোনো সহানুভুতি আছে বলে মনে হলো না। রিয়াজের থেমে থেমে বলা কিছু কথায় বেড়িয়ে এলো নিদারুণ কিছু সত্য – সম্পর্কের আগাগোড়ায় এক ভীষণ একপাক্ষিকত্ব, যাতে পল্লবীর অবদানই বেশি। পল্লবী নাকি কোনোদিনই বুঝতে চায় নি রিয়াজের চাওয়া-পাওয়া! সময় আর দূরত্বের ব্যবধান রিয়াজকে নাকি নতুন আলোয় দেখতে দিয়েছে এই সম্পর্ককে – সাহস যুগিয়েছে মোহের উর্ধ্বে নিজেকে মেলে ধরবার। রিয়াজের আয়নায় পল্লবী ধীরে ধীরে মুছে গিয়েছে। সেখানে আর একটা নতুন প্রতিবিম্ব জায়গার দাবীতে সোচ্চার! পাথর মুখে কথাগুলো শুনে যায় পল্লবী। একটা ক্ষীণ জলের ধারা গড়িয়ে পড়ে। তিলেতিলে গড়া স্বপ্নের পৃথিবী আচমকা প্রবল কম্পনে দুলে ওঠে। রিয়াজের নিষ্ঠুর কিছু অভিযোগ পল্লবীকে বাস্তবতার রুঢ় ভূমিতে নামিয়ে আনে। বিহ্বল পল্লবী রিয়াজের চোখে চোখ রেখে শেষবারের মত একটা ঠাঁই খুঁজে। কিন্তু সেখানে হয়তো একটা বিষম সহানুভুতি থাকে, তবে আর যাই হোক, প্রতিশ্রুত ভালোবাসার লেশমাত্রও থাকে না। ধীরে ধীরে পল্লবী সব বুঝতে শুরু করে। চরম নির্বুদ্ধিতায় কী করে মোহকে প্রেম বলে ভেবে আসছিলো! লজ্জায়, ক্ষোভে, নারীত্বের সূক্ষ্ম অপমানে জ্বলতে থাকে...চোখের জল শুকিয়ে যায়! তারপর একটা অদ্ভুত ভাবলেশহীনতা সব মিটমাট করে ফেলে। ব্যর্থ সম্পর্কের ইতি ওখানেই হয়তো নীরবে ঘটে যায়। পল্লবীর আর কিছু বলা হয় না; রিয়াজ –এরও কিছু জানা হয়ে ওঠে না। চোখ মুছে পল্লবী উঠে পড়ে। একটা অনুযোগও করে না! সেটা যে পল্লবীর চরিত্রেই নেই। সময়টা এমনই অস্বস্ত থাকে যে রিয়াজ বলতে পারে না – সে যে পল্লবীকে ঘর না ভাঙ্গার কথা বলতেই অতদূর পথ পাড়ি দিয়ে এসেছিলো। শুধু পেছন থেকে বলে ওঠে, - পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো। আমি হয়তো তোমার যোগ্যই ছিলাম না কোনোদিন... রিয়াজের কেমন একটা মমতা হতে থাকে মেয়েটির জন্য। এই অসাধারণ মেয়েটিকে কেন যে সে ঠিক আপন করে নিতে পারলো না, সেটা অব্যখ্যেয়ই রয়ে গেলো! এটুকু বলে পল্লবী একটু জিরোয়। তারপর চট করে উঠ দাঁড়িয়ে, - আমি চলি, কেমন? রাত ভারী হচ্ছে। কাহিনী শুনতে শুনতে যাঈদ একটা ঘোরের মধ্যে চলে গিয়েছিলো। স্বপ্নেও ভাবে নি পল্লবীর জীবনে এমন ঝঞ্ঝা আসবে। ভাবতে কষ্ট হচ্ছে এমন একটা সম্পর্কের জন্য কত বড় ত্যাগ করে ফেলেছে মেয়েটা! সম্বিৎ ফিরে পেয়ে, - দাঁড়াও, তোমাকে একটু এগিয়ে দেই। প্লীজ না করবে না! যাঈদের মনে যে আরো কতগুলি জবাব না-মেলা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিল মিটিয়ে দিয়ে ওরা দু’জন এখন পাশাপাশি হাঁটছে। পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ে যায় যাঈদের যখন এমনি করেই পল্লবী ওর পাশে থাকতো। ক্ষণজন্মা সেসব সময় তবু কত গভীরে বাজছে তার দ্যোতনা! মৃদু বইতে থাকা হাওয়াটাও বুঝি হঠাত ‘প্লে-ফুল’ হয়ে যায় – পল্লবীর দীর্ঘ চুল নাড়িয়ে মাড়িয়ে ছুঁয়ে যায় যাঈদের মুখ। অল্প সময়ের জন্য তবু নাক টেনে দীর্ঘ একটা শ্বাসে যেন কোমল গন্ধী পল্লবীকেই টেনে ফেলে নিজের কাছে! হঠাত বিহ্বল হয়ে যায় যাঈদ। একটা প্রবল কামনা যেন ভেতরের তিল তিল জমা অনুপলব্ধ তৃষ্ণার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তাড়াতাড়ি সামলে নেয় পল্লবী – দ্রুত হাতে একটা হাত-খোঁপা করতে করতে আড়াআড়ি দেখতে গিয়ে যাঈদের চোখে চোখ রেখে ফেলে। আশ্চর্য মুখর একজোড়া মরীয়া চোখ – যুগপৎ নির্লজ্জ এবং অপাপবিদ্ধ! হঠাত কোত্থেকে যেন একরাশ লজ্জা এসে ভেড়ে পল্লবীর চোখের পাতায়। অবাক হয়ে যায় – অতি পরিচিত এই মানুষটাকে আচমকা লজ্জা পাবার কী ঘটলো? দু’জনই অস্বস্তিতে কেমন বোকা বোকা হাসতে থাকে। হাসিটাকে এইক্ষণে উভয়ের কাছে ঈশ্বরের এক অনন্য আশীর্বাদ বলে মনে হয়। - একটাও ট্যাক্সি দেখা যাচ্ছে না... পল্লবী কিছুটা উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। - কেন হাঁটতে খারাপ লাগছে? - না, সেটা তো বলিনি। এতক্ষণ হয়ে গেলো একটাও দেখেছো? - হু কেয়ারস? ( মিটিমিটি হাসি মুখে) আচ্ছা, একটা কাজ করলে হয় না? চলো, হাঁটতে হাঁটতে তোমাকে হস্টেলে পৌঁছে দিয়ে আসি? - তুমি তো দেখছি এখনো পাগলই আছো? - হ্যাঁ, ইয়ে...তা যা বলেছো! হা হা হা। সে যাক – পল্লবী, একটা ব্যাপার কিন্তু আমার মাথায় ঢুকছে না। রিয়াজের সাথে সব চুকেবুকে গেলে কেন ফিরে এলে না? উপরন্তু ডিভোর্সেও সম্মতি জানিয়েছিলে। আমি কি এতটাই মূল্যহীণ তোমার কাছে? আপন ভেবে কেন সব জানালে না? স্তম্ভিত হয়ে যায় পল্লবী। কী জবাব দেবে এর? কীভাবে বলে - কোন মুখে সে ফিরে যেতে পারতো? যেখানে নিজেই নিজের যাওয়ার সব পথ রুদ্ধ করে দিয়ে এসেছিলো। কষ্ট দিয়ে শতগুণ কষ্টে আকণ্ঠ ডুবে গেছিলো। আত্মাভিমানী কোনো মেয়েই তো নিজের নির্বুদ্ধিতার প্রচার করতে পারবে না। সেও পারে নি। কিন্তু এগুলোর কোনটাই কথায় বলা হয়ে ওঠে না। কেবল ছলছল চোখে গভীর দৃষ্টিতে নিষ্পলক তাকিয়ে থাকে! ঠিক তখনই একটা ট্যাক্সি দেখা দেয়। থামিয়ে ভাড়া ঠিক করে ফেলে। তারপর যাঈদের দিকে তাকিয়ে, - কিছু কথা নাইবা জানলে? থাক না কিছু ব্যাপার অন্তরালে? প্লীজ, মনে কিছু করো না! - আচ্ছা, ঠিক আছে। মনে কিছু করবো না একটা শর্তে... - কী শর্ত? উৎসুক মুখ পল্লবীর। - জুলাই ২৯। সামনের শুক্রবার। আসবে আমাদের আই মীন...আমার বাসায়? ভুলে তো নিশ্চয়ই যাও নি ঠিকানাটা? - না, না সে তো হবার নয়। সে হয় না! ঝটপট চেপে বসে ট্যাক্সি তে। - আমি কিন্তু অপেক্ষা করবো তোমার জন্য। - সে তোমার ইচ্ছে! - আমি প্রতীক্ষায় থাকবো পল্লবী। তোমাকে যে ফিরতে হবেই...... শেষের কথাগুলো স্রেফ বিদ্ধ করে পল্লবীকে। বুকে ঝড়ের নিদারুণ পূর্বাভাস!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now