বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

পারাপার

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X রনির সম্পূর্ণ মনোযোগ তার মোবাইলের স্কিনে। ফুটপাত দিয়ে হাটতে হাটতে চৌরাস্তার দিকে যাচ্ছে ও। উদ্দেশ্য মোড়ের মেইন রোডে গিয়ে বাস ধরা।মধ্যবিত্তদের এই এক সমস্যা, না পারে রিক্সা নিতে না পারে ক্যাব বা সিএনজি নিতে।তাই ভরসা সেই বাস। ফুটপাতে না দেখে হাটার বিপদ গুলি তুচ্ছ করে অলস পদক্ষেপে হেঁটে যাচ্ছে ও। অখণ্ড মন তার স্কিনের দিকে। বাংলা পিডিএফ গ্রুপে ফুয়াদ ভাই এর করা পোষ্ট দেখছে। সামনে আপকামিং নতুন কি পিডিএফ বই আসছে তা খুঁটিয়ে পড়ে নিচ্ছে। ফুটপাত শেষ, সামনে মোড়। এবার রাস্তা পার হয়ে ওপারের ফুটপাতে যেতে হবে। পলকে সামনে একবার দেখে নেয় রনি --সামনে ফাঁকা দেখে পা বাড়িয়ে অটো চোখ স্কিনের দিকে নিবন্ধ হয়ে যায় ওর। ফেসবুকে হোম পেজে আসা নোটিফেকশনে এক বন্ধুর চুটকি পড়ে ফিক করে হাসি ফুটে উঠে ওর ঠোঁটে, সেই একই সময়ের ভগ্নাংশে হর্নের শব্দে চমকে উঠে তাকিয়ে দেখে একটুর জন্য বেঁচে গেছে এক বাইকের সংঘর্ষ হতে। চালকের সঙ্গে চোখাচোখি হতেই, তারুণ্যের উচ্ছলতাই চোখে রাগের একটা ভাব ফুটে উঠে—(ভাব খানা এমন দোষ যেন চালকের—কপালে চোখ নাই তার, দেখে চালাতে পারেননা মিয়া)কিছুই হয়নি ভেবে আবার চোখ ফিরিয়ে যেই না কয়েক পা এগিয়ে গেছে অমনি পিছন হতে এক জোরসে বিরাশী ছিক্কির থ্যাবড়া। হাতে থাকা মোবাইল ছিটকে পড়ে সামনে পড়ে-- আর নিজে পড়তে পড়তে কোনরকমে সামলে নেয় রনি। পিছনে ফিরে দেখে সেই বাইক চালক, চোখে আগুন নিয়ে তাকিয়ে। ওও সমান তেজে ফিরে তাকিয়ে শুধু মুখ খুলেছে—কি বেপা---- শেষ হয়না শব্দ, --শালা মোবাইল না—আরেক থাবড়া পড়ে রনির গালে। ও কিছু বলবে কি ? হতবিহব্বল হয়ে প্রতিবাদ করতে চায় কিছু বলতে চায়। কিন্তু মোড়ের একজন বলে উঠে—দিন আরেকটা লাগিয়ে। রাস্তায়ও মোবাইল টেপা। এই ছেলেপুলেরা যে কি! কথাটা যে ওকে উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছে না তা বেশ বুঝছে রনি।তাই আর উচ্চবাচ্য না করে মাথা নিচু করে সামনে রাস্তায় পড়ে থাকা মোবাইলটা কুড়িয়ে কেটে পড়ার মতলব করে ও। এখানে আর এক সেকেন্ড থাকলে আর দু একটা থ্যাবড়া খেতে হতে পারে। আর ওরই দোষ মনে হয়। কিছু করারও নেই। ------------------------------------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পারাপার পর্ব ১১ সমাপ্ত
→ পারাপার পর্ব ১০
→ পারাপার পর্ব ৯
→ পারাপার পর্ব ৮
→ পারাপার পর্ব ৭
→ পারাপার পর্ব ৬
→ পারাপার পর্ব ৫
→ পারাপার
→ পারাপার পর্ব ৩
→ পারাপার পর্ব ২
→ পারাপার পর্ব ১
→ পারাপার --হিমু সিরিজের ৪নং উপন্যাস (চ্যাপ্টার ৩) শেষ পর্ব
→ পারাপার --হিমু সিরিজের ৪নং উপন্যাস (চ্যাপ্টার ২)
→ পারাপার --হিমু সিরিজের ৪নং উপন্যাস (চ্যাপ্টার ১)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now