বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সোহান আর মেহেদি সেই ছোট থেকে বন্ধু। স্কুল এর গন্ডি পার দিয়ে ওরা দুজনেই এখন একি কলেজ এ পরে। বরাবরের মতই ওরা মারামারি ঝগড়া আর খুনসুটির মধ্যেই সময় কাটাতো। তো একদিনের কথা ঝড়ের তান্ডব লিলায় গ্রামের প্রায় সব ঘর ভেঙ্গে-চুরে গেছ তাদের মধ্যে সোহানদের ঘরও ছিল। মেহেদি তার পাশে এসে দাড়ায়, সান্তনা দেয়। সোহান তখন কেঁদে বলে, দোস্ত আমাদের তো আর কোন ঘর নে থাকব কোথায়? মেহেদি তখন ওকে নিজের বাড়ী নিয়ে যায়। পরের দিন সকালে মেহেদি গ্রামের আরও কিছু ছোলেদের ডেকে সোহানদের বাড়িতে গিয়ে ঘর মেরামতের কাজ শুরু করে। ওর দেখাদেখি আরও ছেলেরা এসে কাজ করে ওদের সাথে। দেখতে দেখতে ওরা সোহানদের ঘর ঠিক করে ফেলে। গ্রামের রও কিছু ঘরও ওরা মেরামত করে। সোহান ওর ঘরের দিকে তাকিয়ে বন্ধুর প্রতি গভীর ভালোবাসা অনুভব করে। ফোন করে মেহেদি এর কাছে, "দোস্ত তোকে ধন্যবাদ দিব না বল কি খাবি"। মেহেদি বলে "সেটা পরে দেখা যাবে আগে তুই আম বাগানে আয়"। সোহান দেরি না করে তারাতারি চলে আসে আম বাগানে। সোহান বলে "দোস্ত বল কি খাবি"? মেহেদি বলে খাওয়াতে যখন চাইছিস তো দুটো চকলেট কিনে নিয়ে আয়, একটা তোর একটা আমার, পারলে দুটোই দিস। সোহান ওর কথা শুনে তো পুরা থ হয়ে গেছে। সোহান বরং ভাবছিল হয়তো মেহেদি বাগান বাড়ীর 500 টাকা কেজি মিষ্টি খেতে চাইবে। তাই বার বার পকেটে হাত দিচ্ছিল। কিন্তু তার উল্টো। সোহান তার মনের কোনে বন্ধুর প্রতি গভির ভালোবাসা অনুভব করে। মনের অজান্তে জরিয়ে ধরে মেহেদি কে। আর কাদো কাদো অশ্রু ভেজা চোখে ভাবতে থাকে সত্যকারের বন্ধুর কোন চাওয়া পাওয়া থাকে না,থাকে না কোন স্বার্থ। থাকে শুধু খুনসুটি আর চকোলেট কেরে খাওয়া। বিকলের সোনালি আলোতে পাখির কিচিরমিচির ডাকে মাঝে মিলিয়ে থাকে দুটি দেহের গভীর বন্ধুত্ব।
নোট: বন্ধু ছাড়া জীবন অচল।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now