বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হিমুর সাথে প্রথম সাক্ষাৎ-(অন্তিম)

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X ১. আমি মাথা নিচু করে হাটছি।কারণ ও আছে অবশ্যই।আমি ভেবেছিলাম পাগলা গোছর কেউ হবে,কিন্তু এ দেখি পুরাই হিরো! আমি ত ভেবাচ্যাকা খেয়ে গেলাম যাই হোক আমি তার পিছুপিছু হাটছি।সে বিজয়ীর ভঙ্গিতে গটগট করে ঢাবির দিকে যাচ্ছে।একটু হাটতেই বলে উঠলো- - চলো রিকশা নেই! - রিকশা? এই ত সামনে ঢাবি। - কেন,রিকশায় কোন সমস্যা আছে? - না নেই। - তাহলে এত গাইগুই কেন? যা রোদ,গরমে শেষ হচ্ছি,হাটা পসিবল না। বলেই সে রিকশা ঠিক করতে লেগে গেলো।একজন বুড়ো গোছর রিকশাওয়াল রাজি হলো।আমি খুবই সংকুচিত হয়ে বসলাম রিকশায়। - হা হা হা। - হাসেন কেন? - তোমার বসা দেখে,পড়লে বলে!হা হা হা। - পড়বো না বেশ - না পড়লেই ভালো।বসা দেখে মনে হচ্ছে,একটু ঝাকিতেই ধরনীতল তার বলাও সারা আর তখনই এলো বিশাল এক ঝাকুনি।আমি নিজেকে সামলাতেই দেখি উনি আমার বাম হাত শক্ত করে চেপে ধরেছেন।চোখের সানগ্লাস এখনো আছে,তাই তার চোখে রাগ কতটুকু দেখতে পেলাম না আমি। - এই মেয়ে,কত্তবার বললাম সামলে,কি হলো? এক্ষুনি ত যেতে - আমি...আমি...সরি - সরি বললেই সব সমাধান হয় বুঝি? - - মন খারাপ করলা কেন? আশ্চর্য ত।ওকে ওকে। - আসলে বুঝনি। - সমস্যা নেই।বলতে গেলো তোমার মুখে সরি শুনতে কেন জানি কুব ভালোই লাগে। - কেন? উত্তর পাওয়ার আগেই রিকশাওয়ালা দাদু বলে- - চলে আসছেন। রিকশার ভাড়া মিটিয়ে হিমু বললেন, - এসো,ঘুরিয়ে দেখাই আমার ক্যাম্পাস! ২. আমি আর সে হাটছি।দুপাশে ঘাস,গাছপালা।ভালো লাগছে।সবুজ আমার বেশ প্রিয়।কথা হচ্ছে না তেমন আমাদের।হিমুর চোখ থেকে এখন সানগ্লাস সরেনি।তার চোখ দুটো দেখার জন্য আমার মন আকুপাকু করছে।কিন্তু বলি কি করে? কোথাও যেন পরেছিলাম, যার চোখ সুন্দর তার সব কিছুই সুন্দর।তার চোখ দুটা এখনও দেখা হলো না।হবে কি না কে জানে?যে মানুষ! একটা বড়সড় গাছ দেখে আমরা বসলাম।বেদী দেওয়া গাছ।পাখি ডাকছে।সুন্দর পরিবেশ।আকাশে সাদা মেঘ।রোদ ও কমে গেছে বেশ।ভালো লাগছে।খুব বেশি ভালে লাগছে সব কিছু। -এই,তোমার ত ফুচকা পছন্দ।খাবে? - খেতে পারি,তবে বিল পে করবো আমি,রাজি? - হুমমমমম,ওকে! আমরা ফুচকা খাচ্ছি।উনি টক নেয়নি।আমি প্রচুর টক নিয়ে ফুচকা খাচ্ছি।ফুচকার মজা যে টকে,উনি জানেনই না।বললে বলে- - টক খায় মেেয়রা।বিশেষ করে পোয়াতী নারী।খ্যক খ্যক খ্যক - প্লিজ,এই ট্রেডমার্ক হাসি দিবেন না।ভালো লাগে না শুনতে - তাই বুঝি?খ্যক খ্যক খ্যক - প্লিজ।ফুচকাটা খেতে দেন। - খাও খাও।টকটা বেশি নাও - - ৩. আমার মধুর ক্যন্টিনের সামনে দাড়িয়ে আছি।হাতে চায়ের কাপ।একটু আগে একটা দূর্ঘটনা ঘটে গেছে।আমাকে কেউ একজন পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে।আমি চায়ের কাপ সহ সুবিধাবাদী হিমুর ওপরে পরে গেছি।চা পড়ে তার নীলরংগা টিশার্ট শেষ।সরি বলেও আর লাভ হবে না আমার।আমি করুন চোখে তাকিয়ে ছিলাম।তখন তার চোখ দেখলাম।হুমম।চোখদুটো বড় বেশি সুন্দর।যে কেউ হারাবে।কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে চোখের দিকে তাকানোর সময় আমার নেই।আমি আমার ব্যাগ থেকে রুমাল বের করে শার্ট এ পরে যাওয়া চা পরিস্কার করতে শুরু করেছি। - আরে আরে করো কি? - না আসলে... আপনার শার্ট এ চা ফেলে দিলাম।সরি সরি। - ওকে... ওকে...।থামো প্লিজ।বহু লোক এখানে। আমি বাস্তবে আসলাম।কি করছিলাম আমি? পাগলী হয়ে গেলাম না কি? ধুর।লজ্জা পেলাম খুব।উনি তার চায়ের কাপ আমাকে দিয়ে বলল- - চা টা খেতে থাকো।আমি আমার জন্য আনছি। ৪. অনেকটা সময় কাটানো হয়েছে।আমি এখন বাসে।বাসায় যাবো।রাস্তার ওপারে হিমু দাড়িেয় আছে।বাস থেকে তাকে দেখা যাচ্ছে,কারণ আমি জানালার ধারে বসে আছি।বাস চলতে শুরু করলো। উনি হাত নেড়ে বাই বাই বললেন।আমিও বললাম।জানি না আর দেখা হবে কি না।তবে তার সাথে প্রথম সাক্ষাত ভালই ছিলো


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now