বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
:
রুমে বসে মোবাইল টিপছিল রিফাত হঠাৎ ফাহিমের ফোন রিসিভ করতেই
ফাহিম:কোথায় রে তুই।
রিফাত:এইতো রুমে।
ফাহিম:নিতুদের বাসায় আয়।
রিফাত: কেন।
ফাহিম:এখানে আমরা সবাই নাচের প্রাকটিস করছি তুই ও আয়।
রিফাত: আসতেই হবে,না আসলে হয়না?
ফাহিম: এত কথা বলিস কেন আসতে বলছি আয়।
রিফাত:আচ্ছা ঠিক আছে আসছি।
রিফার এতক্ষন যার সাথে কথা বলল সে তার চাচাতো ভাই ফাহিম।আর ফাহিমের বড় ভাইয়ের বিয়ে হবে সেই সুবাদেই তারা সব ভাই বোনরা নাচের প্রাকটিস করবে। যাতে অনুষ্ঠানে সবাই ভাল করে নাচতে পারে।আর এখন রিফাত নিতুদের বাসায় যাচ্ছে সেও রিফাতের চাচাতো বোন তারা সবাই একই বাড়িতে থাকে তবে আলাদা আলাদা।রিফাত এবার অনার্স ২য় বর্ষে পড়ে।পাশাপাশি বাড়ি হওয়াতে খুব তারাতারি নিতুদের বাসায় চলে আসল। যেয়ে দেখে রুমের দরজা বন্ধ করে জোরে গান ছেড়ে দিয়ে সব ভাই বোনরা নাচের প্রাকটিস করছে।তো রিফাত রুমে ঢুকে সোজা যেয়ে বিছানায় বসে পড়ল।তাদের নাচ দেখে রিফাতের খুব হাসি পাচ্ছিল তাদের কে উদ্দেশ্যে করে এটা সেটা বলছিল।তখন ওরা নাচ বন্ধ করে দিয়ে একসাথে সবাই মিলে হাসা শুরু করে দিল এভাবে বেশ কিছুক্ষন চলল তারপর ফাহিম রাগ করে বলল
ফাহিম:রিফাত তুই এখানে নাচ করতে আসছিস না ফাজলামু করতে।
রিফাত:আমিতো নাচ করতে আসছিলাম কিন্তু তোদের নাচ দেখে হাসি লাগছে তো আমি কি করব।
ফাহিম:নাচার ইচ্ছে হলে নাচ নাহলে চুপচাপ বসে থাক।
রিফাত দেখল ফাহিম সিরিয়াস মুডে আছে তাই চুপ থাকার কথা ভাবল।
রিফাত:আচ্ছা আমি আর হাসবনা তোরা নাচ।
তো তারা আবার নাচ শুরু করল রিফাত হাত দিয়ে মুখ চেপে হাসছিল আর ওদের নাচ দেখছিল।কিছুক্ষন যাওয়ার পর হঠাৎ অপরিচিত কন্ঠে কেউ একজন বলল
: সবাই তো নাচল।রিফাত ভাইয়া আপনি একটু নেচে দেখান তো।(অপরিচিত মেয়ে)
এই কথা শোনার পরে রিফাত একটু অবাক হয়ে যায়।এই অপরিচিত কন্ঠটা আবার কার।খুজতে যেয়ে অপরিচিত একটা মেয়ে চোখে পড়ল যাকে রিফাত আগে কখনো দেখেনি।তো রিফাত একটু থেমে বলল
রিফাত: আমি নাচতে পারিনা।
: যতটুকু পারেন ঐ টুকুই নাচেন।(অপরিচিত মেয়ে)
রিফাত এখন কি বলবে ভাবছে একটু ভাবার পড় বলল
রিফাত: পড়ে নেচে দেখাব।
তারপর আরও কিছুক্ষন ওখানে থেকে রিফাত আর ফাহিম চলে আসল।আসার সময় রিফাত ফাহিম কে বলল
রিফাত:আচ্ছা ফাহিম ঐ মেয়েটা কেরে।
ফাহিম:ওর নাম সেতু নিতুদের বাসায় থাকে।নিতুর আব্বু আর ওর আব্বু একই অফিসে চাকরি করে।আর ওদের বাসা গ্রামে তাই এখানে নিতুদের বাসায় থেকে পড়ালেখা করছে।
রিফাত:কোথায় পড়ে।
ফাহিম:মহিলা কলেজ ইন্টার 1st ইয়ার।
রিফাত:ও আচ্ছা।
এই বলে রিফাত আর ফাহিম চলে আসল।পরদিন রিফাতের চাচাতো ভাইয়ের গায়ে হলুদ ছিল তাই রিফাত আর তার সব ভায়েরা মিলে শপিংয়ে গেল পাঞ্জাবি নিবে বলে।সন্ধার কিছুক্ষন আগে শপিং থেকে কেনাকাটা শেষ করে সকলে বাসায় চলে আসল।রিফাতরা সবাই হলুদ পাঞ্জাবি নিয়েছে কিছুক্ষন পড়্রে রিফাতের চাচি এসে বলল গায়ে হলুদের জন্য কনের বাসায় যেতে হবে তারাতারি সবাই কে রেডি হতে ।রেডি হওয়ার জন্য যে যার বাসায় চলে গেল।কিছুসময় পর রিফাত রেডি হয়ে নিতুদের বাসাই গেল।তখন দেখল সব বোনরা সাজুগুজু করছে।তাই রিফাত ভাবল ওরা যখন সাজছে তখন একটু মোবাইল টিপি যেই মোবাইল টিপা শুরু করল হঠাৎ পিছন থেকে সেতু বলল
সেতু:ভাইয়া আপনাকে হলুদ পাঞ্জাবীতে অনেক সুন্দর লাগছে।
পিছনে তাকিয়ে দেখে সেতু দাড়িয়ে আছে।তার দিকে তাকিয়ে রিফাত অবাক হয়ে গেল সেতুও হলুদ শাড়ী পরেছে তাকে হলুদ শাড়ীতে দারুন মানিয়েছে তাই রিফাত বলল
রিফাত:ধন্যবাদ।তোমাকেও কিন্তু হলুদ শাড়ীতে দারুন মানিয়েছে।
সেতু:ধন্যবাদ ভাইয়া।
রিফাত:তুমিকি আমাদের সাথে যাচ্ছ?
সেতু:জি ভাইয়া আমিও যাচ্ছি।
রিফাত আরও কিছু বলতে যাবে তখন সবাই চলে আসল।মোটামুটি সবাই রেডি হয়ে গেছে এরি মধ্যে রিফাতের চাচি
এসে বলল কিরে কখন যাবি তোরা। তোদের জন্য ওরা অপেক্ষা করে আছে তারাতারি যা বাইরে গাড়ি দারিয়ে আছে।এরপর রিফাত আর তার ভাই বোনরা বাসা থেকে বের হয়ে গেল কনের বাড়ির উদ্দেশ্যে। তবে রিফাত একটা জিনিস খেয়াল করে দেখল সেতু কেমন করে জেন তার দিকে তাকিয়ে থাকে।সে তাকালেই চোখ নামিয়ে নেয় আর সবসময় তার আশেপাশে ঘুর ঘুর করে।এইসব চিন্তা বাদ দিয়ে গাড়িতে উঠে কনের বাসায় চলে আসল সবাই।রিফাতদের কে তারা খুব সুন্দর করে আপ্যায়ন করল।রিফাত আর তার ভাই বোনরা নতুন ভাবির সাথে অনেক মজা করল তারপর বাসায় চলে আসল।এসে দেখে নাচের উনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে।রিফাত একটা চেয়ার টেনে বসে থেকে নাচ দেখছে কিছুক্ষন পর মনে হল তার পাশে কে যেন বসল।তাকিয়ে দেখে সেতু বসে আছে তার দিকে তাকাতেই সেতু মিষ্টি একটা হাসি দিল।তার হাসি দেখে রিফাতের মনটা ভরে গেল।এরপর এক এক করে রিফাতের সব ভাই বোনরা নাচল। এবার সবাই একসাথে নাচছিল তাই বাধ্য হয়ে রিফাত আর সেতুকে তাদের সাথে নাচতে হল।নাচা শেষে আবার তারা পাশাপাশি বসল।সেতু রিফাতকে বলল
সেতু:ভাইয়া আপনি তো অনেক সুন্দর নাচ
পারেন।
রিফাত:তাই।তুমিও কিন্তু অনেক সুন্দর নাচো।
সেতু:তবে আপনার মত না।আচ্ছা ভাইয়া একটা কথা বলি?
রিফাত:হুম বল।
সেতু:আপনার কথা আমি অনেক শুনেছি নিতু আপুর কাছে।কিন্তু আপনাকে কখনো দেখিনি এখন দেখার পরে মনে হচ্ছে নিতু আপু যা বলেছে সেগুলো ঠিকি বলেছে।
রিফাত:নিশ্চয় বলেছে আমি অনেক খারাপ তাইনা।
সেতু:না না ভাইয়া সে কথা বলেনি।বলেছে আপনি অনেক ভাল।
রিফাত:আমি ভালনা অনেক খারাপ হয়ত সে তোমাকে বাড়িয়ে একটু বেশি বলে ফেলেছে।
সেতু:না ভাইয়া আপনি অনেক ভাল আর আপু ঠিকি বলেছে।
রিফাত:তাই।
সেতু:হুম।
সেই রাতে রিফাত আর তার সব ভাই বোনরা অনেক মজা করল সাথে সেতু ও।রিফাতের ভিতরে অজানা এক ভাললাগা কাজ করতে শুরু করেছে সে সেতুকে যত দেখছে ততবেশি মুগ্ধ হচ্ছে তার প্রতি।পরদিন রিফাতের চাচাতো ভায়ের বিয়ে হয়ে গেল তারপর আবার যে যার মত ব্যস্ত হয়ে গেল।এখন আর সেতুর সাথে আগের মত রিফাতের দেখা বা কথা কিছুই হয়না।তবে মাঝে মাঝে দেখা হলে সেতু নিজ থেকে এসে রিফাতের সাথে কথা বলে।যখন রিফাত রুম থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য বের হয় তখন দেখে সেতু জানালার কাছে দাড়িয়ে তার দিকে তাকিয়ে থাকে রিফাত তাকালে বিনিময়ে সেতু মিষ্টি একটা হাসি দেয়।এখন রুম থেকে বের হলেই রিফাতের সাথে সেতুর দেখা হয় রিফাত বুঝতে পারেনা সে যখনি রুম থেকে বের হয় তখনি দেখে সেতু জানালার গ্রীল ধরে দারিয়ে থাকে সে কি করে বুঝতে পারে আমি কখন রুম থেকে বের হই সে কি আমাকে ফলো করে।কিন্তু সে আমাকে ফলো করবে কেন রিফাত কিছুতেই বুঝতে পারেনা আবার ভাবে হয়ত এটা আমার ভুল ধারনা।এভাবে বেশ কিছুদিন কেটে গেল এখন রিফাতের সাথে সেতুর খুব সুন্দর একটা সম্পর্ক হয়ে গেছে আর সেতুও রিফাতকে এখন তুমি করে বলে।তবে রিফাতের কাছে সম্পর্কটা একটু বেশি গভীরে চলে গেছে সে জানেনা সেতু কি মনে করে সেও কি আমারমার মতই ভাবে না অন্যকিছু রিফাতের সেটা অজানা। এখন রিফাত উঠতে বসতে সেতুর কথা ভাবে তার চিন্তা ভাবনায় এখন সেতু সবসময় বিরাজমান থাকে।রিফাতের মনে সেতুর জন্য আলাদা একটা অনুভূতি তৈরি হয়েছে জানেনা অনুভূতিটা কিসের তবে মনে হয় রিফাত সেতুকে আসতে আসতে ভালবেসে ফেলেছে।তো একদিন সেতুর আব্বু এসে তাকে বাসায় নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় সেতু রিফাতের দিকে কেমন করে যেন তাকিয়ে ছিল ঐ সময় রিফাতের খুব খারাপ লাগছিল কিন্তু সেটা সেতুকে বুঝতে দেয়নি হাসি মুখে তাকে বিদায় দিয়েছিল।বাসায় আসার পর থেকে সেতু রিফাতকে খুব মিস করতে লাগল।তার কোন কিছুতেই মন বসছিলনা কারন সেতু রিফাতকে আগে থেকেই ভালবাসে কিন্তু সেটা বলা হয়নি আবার না বলেও এখন থাকতে পারছেনা। রিফাতকে সেতু কতটা ভালবাসে সেটা দুরে এসে বুঝতে পারছে তাই সেতু ভাবল রিফাতকে তার মনের কথা জানাবে।আর এই দিকে সেতু চলে যাওয়ার পরে রিফাতের আর কিছুই ভাল লাগছেনা সবসময় তার কথা মনে পড়ছে।এখন রিফাত সারাদিন রুমে বসে থেকে সেতুর সাথে কাটানো মুহূত্ব গুলো ভাবে আর ফোনটা হাতে নিয়ে মনে মনে বলে ইস যদি সেতুর সাথে একটু কথা বলতে পারতাম তাহলে অনেক ভাল লাগত কিন্তু সেতুর নাম্বার রিফাতের কাছে না থাকায় তার সাথে কথা বলতে পারেনা। রিফাতের নিজের প্রতি খুব রাগ হচ্ছে কেন সেতুর নাম্বারটা নিল না তাহলে এত কষ্ট পেতে হতনা।রিফাত ভাবছে তার সেতুর জন্য যে কষ্টটা হচ্ছে সেতুরও কি আমার জন্য একই কষ্ট হচ্ছে।এভাবে কিছুদিন চলে গেল হঠাৎ একদিন সকালে আননোন নাম্বার থেকে রিফাতের ফোনে কল আসল। রিফাত রিসিভ করল কিন্তু অপর প্রান্ত থেকে কোন কথা বলছেনা দেখে রিফাত ফোন কেটে দিল।সন্ধার সময় সেই নাম্বার থেকে আবার কল আসল কিন্তু এবারো আগের মত কোন কথা বলছেনা তাই আবার রিফাত ফোন কেটে দিল। রিফাত বুঝতে পারছেনা কে ফোন দিচ্ছে আর ফোন দিয়ে কথা বলছেনা কেন। পরদিন সকালে সেই নাম্বার থেকে আবার কল আসল রিফাত ফোন ধরে হ্যালো বলল কিন্তু সেই আগের মতই কোন কথা বলছেনা।এবার রিফাতের রাগ উঠে গেল তাই সে বলল কি ব্যাপার ফোন দিয়ে কথা বলেন না কেন এখন যদি কথা না বলেন তাহলে ফোন কেটে দিব পরে আর ফোন দিলেও রিসিভ করবনা। তখন পরিচিত কন্ঠে অপর প্রান্ত থেকে কেউ বলল এই না না ফোন কেটো না আমি সেতু।রিফাত একটু অবাক হয়ে গেল তারপর বলল
রিফাত:তুমি আমার নাম্বার কোথায় পেলে?
সেতু:নিতু আপুর ফোন থেকে নিয়েছি।
রিফাত:ফোন দিয়ে কথা বলছিলেনা কেন।
সেতু:এমনি ভয় লাগছিল।
আমি:কিসের ভয়।
সেতু:জানিনা।
রিফাত:জান তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে কিছুই ভাল লাগছেনা।
সেতু:আমারো না কিছু ভাল লাগছেনা। সবসময় তোমাকে মিস করছি মনে হচ্ছে কি জানি ফেলে এসেছি।জান তোমাকে না অনেক দিন থেকে একটা কথা বলতে চেয়েছিলাম ভয়ে বলতে পারিনি কিন্তু এখন না বলে আর থাকতে পারছিনা।
রিফাত:তুমি কবে আসবে বলতো।তারাতারি চলে এসো তোমাকে ছাড়া ভাল লাগছেনা।
সেতু:হুম তারাতারি চলে আসব।
রিফাত:ও কি কথা যেন বলতে চেয়েছিলে।
সেতু:সত্যি বলব।(একটু ভীতু কন্ঠে)
রিফাত:হুম বল।
সেতু:কিছু মনে করবেনা তো?(নরম সুরে)
রিফাত:আরে কিছু মনে করবনা তুমি বল।
সেতু:না মানে আমি তো তো তোমাকে....
আমি:হুম তুমি আমাকে।
সেতু:আমি তোমাকেকেকেকে....
আমি:হ্যা তুমি আমাকে তারপর বল।
সেতু:আমার যে অনেক ভয় লাগছে বলতে।
রিফাত:আরে বাবা এত ভনিতা না করে প্লিজ বল।
সেতু:রিফাত আমি তোমাকে ভালবাসি।(তারাতারি করে)
এই কথা শোনার পরে রিফাত স্তব্ধ হয়ে গেল সে ভাবতেই পারেনি সেতু তাকে এই কথা বলবে খুশিতে তার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছেনা তবে রিফাত ভাবল সেতুর সাথে একটু দুষ্টুমি করা যাক তখন সে বলল
রিফাত:কিন্তু আমিও তো একটা মেয়েকে ভালবাসি। (মজা করে)
সেতু:কি???(মন খারাপ করে)
রিফাত:হুম। (মুচকি হেসে)
সেতু:কে সেই মেয়ে।(কাদো কাদো হয়ে)
রিফাত:আছে একজন।
সেতু:বল আমাকে কে সেই মেয়ে।(এবার কেদে দিয়ে)
রিফাত:আরে পাগলি সে আর কেউনা তুমি। আমিও তোমাকে ভালবাসি।(হেসে দিয়ে)
সেতু:আমাকে কষ্ট দিতে তোমার খুব ভাল লাগে তাইনা।(কেদেই চলেছে)
রিফাত:আরে পাগলি কষ্টের পড়েই তো সুখ আসে তুমি যাননা।
সেতু:তাই বলে এভাবে কষ্ট দিবা।(এখনো কেদেই যাচ্ছে)
রিফাত:আচ্ছা বাবা সরি আর কষ্ট দিবনা।
সেতু :মনে থাকবে তো।(কান্না এখনো থামেনি)
রিফাত:হুম থাকবে। এবার প্লিজ কান্না বন্ধ করে একটু হাসো।
সেতু:না আমি হাসবনা আমি কাদব।(অভিমান করে)
রিফাত:প্লিজ বাবু একটু হাসো।(আদুরে কন্ঠে)
সেতু:পাগল একটা (হেসে দিয়ে)
রিফাত:হুম তোমার পাগল।
সেতু:আর আমি তোমার পাগলি।(হি হি হি)
হয়ত এখন থেকে তাদের ফোনে কথা বলার কারনে কিছুটা কষ্ট কমবে।কিন্তু যখন তাদের দূরুত্বটা ঘনিয়ে এসে তারা একে অপরেন সম্মূক্ষীন হবে প্রথমে হয়ত লজ্জার কারনে তারা একে অপরের চোখের দিকে তাকাতে পারবেনা।তবে লজ্জার মাত্রা যখন কমে আসবে তখন তারা পরস্পরের সাথে ভালবাসায় আলিজ্ঞন হয়ে যাবে। সেই মূহুত্বটা বিনা ক্যামেরায় একটা রোমান্টিক সিন হয়ে যাবে যা দেখার জন্য অনুভব করার জন্য কোন ছবির এলবাম প্রয়োজন পড়বেনা।মনের ক্যানভাসে ভালবাসার রং দিয়ে আকাঁ সেই মূহুত্বের অনুভূতিটাই যথেষ্ট।সেই সময়টার জন্য তারা দুইজন মনে মনে অপেক্ষা করে থাকবে ততদিন পর্যন্ত দূরুত্বের মাঝেই তারা ভালবাসা ভাগাভাগি করে নিবে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now