বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ব্রেকাপ লাভ

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X রিতুর সাথে ৫০ তম ব্রেকাপ হচ্ছে আমার। ডায়েরীতে হিসেব করে তা বের করলাম। এবারের ব্রেকাপের কারন টা অনেকটা গুরুতর।আর ফিরে আসবে না। সম্পর্কে ঝামেলা বেড়েই যাচ্ছিল। তাই প্রতিনিয়তই দুজনের মাঝে সাময়িক ব্রেকাপ হতো। ` প্রতিবারই ব্রেকাপ হেরেছে,এবার জিতে যাবে।এবার হেরে যাবে আমাদের ভালবাসা। রিতুর সাথে শেষ দেখা করার জন্য তৈরী হলাম। দুজনই ঠিক সময়ে উপস্থিত হলাম এক জায়গায়। এর আগে অবশ্য ঠিক সময়ে পৌছানোর রেকর্ড কারোই ছিলনা। যা ঝগড়ার অন্যতম কারন ছিল। ` রিতু আমার পছন্দের রং এর কাপড়টাই পড়ে এসেছে। সব সময় যা করে। শুভ্র কাপড়ের সাথে শুভ্র হাসিটা ছাড়া বাকি সব ঠিক ছিল। যদিও আমি ওর পছন্দের কিছু পড়ে আসিনি। ` দুজন চুপচাপ দাড়িয়ে আছি। ও কথা বলছেনা, তাই প্রথম আমি বলে উঠলাম- কেমন আছো? প্রশ্নটা করার সাথে সাথেই এমনভাবে উত্তরটা দিল যেন ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি হঠাৎ জেগে উঠল। -- ভালো আছি, খুব আনন্দে আছি, নেচে নেচে আসছি এখন। আমি ভাল বর পাব, আমাকে সুখে রাখবে আমার বর, আরো ফোনে কি যেনো বলেছিলে নির্লজ্জ্বের মত, ও হ্যা আমার বাচ্চারা তোকে মামা ডাকবে!!! ` আমাকে তেমন কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই কতগুলি বকা দিয়ে যাবার সময় বলে গেল কোথাকার কোন ছেলে তাকে আংটি পড়াতে আসবে কয়েকদিনের মাঝে। সে চোখ বন্ধ করে বিয়ে করবে ঐ ছেলেকে।আমি যেন দ্রুত তাকে ভুলে যাই। ` বাসায় যাবার পর রিতু হয়তো খুব কান্নাকাটি করছে। আমার ফোনের হয়তো অপেক্ষা করছে।কিন্তু আমি ফোন মেসেজ দিইনি। এদিকে আমার ফ্রেন্ডরা ব্রেকাপ পার্টির আয়োজন করতে ব্যস্ত। আমিও খুব খুশি ছিলাম। আমি চাইছিলাম না রিলেশনটা আর এগিয়ে যাক। ` রিতুকে সত্যি সত্যি আংটি পড়াতে ছেলে পক্ষ এসেছে।ভাবছিলাম রিতু রাগ করে হয়তো বলেছে। এরকম অনেকবার ই আামাকে বলেছিল অভিমান করে। যত বার ব্রেকাপ হয়েছে তত বারই এককথা বলেছে। ` রিতু বিষন্ন মনে সবার সামনে আসলো। পরিচিতি পর্ব শেষে রিতু হবু বরের দিকে তাকাল। হবু বরকে দেখে রিতু যেনো আকাশ থেকে পড়ল। এমন শকড রিতু এর পূর্বে একবার ই খেয়েছিল, যখন গনিতে এ+ পাওয়ার কথা সেখানে ফেইল মেরেছিল, যদিও সেটাকে আমি চাপা বলে পচাইছি। ` রিতু রীতিমত ঘামছে। হবু বরের সাথে একটু আলাদা কথা বলতে চায় রিতু।পরিবারের সম্মতিতে দুজন একটি আলাদা কক্ষে গেল। রিতু রুমে প্রবেশ করেই হবু বরের বুকে কয়েকটি কিল ঘুষি এছাড়া বিভিন্ন ভাবে আক্রমন করা শুরু করল। রিতুর এই হঠাৎ অদ্ভুত আচরনে মেয়ে দেখতে আসা যেকোন ছেলেই অবাক হবে। কিন্তু সেই ছেলেটা হয়নি অবাক। কারন সেই অধিকার দেয়া ছেলেটা যে আমিই ছিলাম ` আমার শরীরের উপর সব রাগ অভিমান মিটিয়ে, রিতু আমাকে শক্ত করে ঝাপটে ধরে কান্না শুরু করল। সুখের কান্না যে কতটা মধুর তা সেদিন রিতুকে বুকে রেখে অনুভব করেছিলাম। বেচে থাকুক আমার রিতুর ভালবাসা এমনি করে সারাটিজীবন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now