বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কনের ভূত

"ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এচ জাহেদ হাসান (০ পয়েন্ট)

X এখন বর্ষা কাল।চারদিক পানি আর পানি।হঠাৎ করেই মূষল ধারে বৃষ্টি পরছে।আকাশ ঢাকা থেকে গ্রামে আসছে তার বোনের বিবাহ দেওয়ার জন্য। গ্রামে এসেই আকাশ পুরাই অবাক চারদিক পানি থৈ থৈ করছে।গ্রামের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা সেই পানিতে মাছ ধরছে। . . ___আকাশ কোনো রকম কলার বেলা দিয়ে বাড়িতে পৌচায়। বাড়িতে গিয়ে দেখে বাকি সব ভাই চলে আসছে।আকাশেরা পাচ ভাই এক বোন।তাই বিয়েটা হবে ও সেইভাবে।তো কয়েকদিন পর বিয়ের সব আয়োজন সম্পর্ণ হলো।বিয়েরদিন সকালে সবাই অনেক খুসি,,একদিকে গরু,,খাসি জবাই করে রান্না করা হচ্ছে মেহমানদের জন্য।আর বাড়ির মহিলারা কেউ মসলা কেউ সাজগোছ নিয়ে ব্যস্ত।কনের কথা কারো মনেই নাই। . . ___ও কনের নামটাই বলা হলো না।কনের নাম হচ্ছে নুপুর।সবাই নুপুর কে খোঁজতেছে,, তাই নুপুরের মা গিয়ে নুপুর কে ডাকদিলো।কিন্তু নুপুর কোনো শব্দই করছে না।কিছুক্ষন পর নুপুরের ঘর থেকে চিৎকারের আওয়াজ আসলো।সবাই নুপুরের ঘরে যায়।গিয়ে দেখে হাতের মেহেদি নিয়ে নুপুর চিরদিনের জন্য ঘুমিয়ে আছে।মেয়েটার হাতের মেহেদি ও পর্যন্ত শুকায় নি। . . ___বাড়িতে মৃতের জন্য সৌখ বয়ে গেলো।কিন্তু নুপুর কিভাবে মারা গেলো কেউ বুঝতে পারছে না।কেন এমন হলো,,,কিভাবে হলো কেউ কিছু বুঝতেই পারছে না।পাঁচ ভাইয়ের একটা মাত্রবোন। নুপুরের মা সেই সকালে সেন্সলেস হয়েছে এখনো ঠিক হয় নি। .. .. .. . ___তো সন্ধাবেলা আত্নিয় স্বজন ও তার বাপ ভাইরা মিলে কথা বলছিলো।কেন মারা গেলো নুপুর। কেমনে মারা গেলো।কেউ কিছু বুঝে উঠতে পারছিলো না।তো একটু পর নুপুরের বাবা টয়লেটে যাবে ঠিক সেই সময় টিউবওয়েলের পাসে তিনি দেখলেন নুপুর সাদা একটা শাড়ি পরে একদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে আছে।তিনি বিষয়টাকে বুঝতে পারছে না।তাই তিনি আকাশকে ডাক দিলেন।আকাশ ও গিয়ে দেখলেন নুপুর সাদা একটি শাড়ি পরে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। .. .. .. ___ তো বাড়ির সবাইকে ডাকা হয়।সবাই একিদৃস্য দেখলো।কিন্তু এটা কি করে সম্ভব।গভির রাতে আকাশ যখন টয়লেটে যাবে ঠিক তখন আকাশ দেখলো বাড়ির সামনের পেয়ারা গাছের নিছে নুপুর দাড়িয়ে আছে।আকাশ যখন নুপুরের সামনে গেলো ঠিক তখন তাকে আর দেখা গেলো না। এদিকে আকাশের বাকি ভাইরা ও তা দেখলো। .. .. .. পরেরদিন সকালে সবাই মিলে গ্রামের ইমাম কে খবর দিলেন।ইমাম সাহেব সব শুনে বল্লো লাশ কে কবর থেকে আবার উঠানোর জন্য।এবং বল্লো লাশের শরীরে কোথাও নাপক আছে কিনা ভালো করে দেখতে।কেউ কিছু পেলো না।হঠাৎ একজন মহিলা বল্লো হুজুর মেয়ের হাতে ও পায়ে নিল পালিশ আছে।তখন হুজুর বল্লো নিল পালিশগুলো ব্লেড দিয়ে তুলে আবার লাশটা কে গোসল করিয়ে দিন। .. .. .. ___ সব কাজ সম্পর্ন করে মেয়েটিকে পুনঃরায় দাপন করা হলো।এর পর আর কোনো সমস্যা হয় নি।মেয়েটিকে বাড়ির আশে পাশে আর দেখা গেলো না। .. .. মোরাল অফ স্টোরি.... সম্মানিত বোনেরা,,মনে রাখবেন নিলপালিশ দিয়ে ওজু করলে ওজু হবে না। গোসল করলে গোসল হবে না।এমনকি জানাজা ও হবে না।ফলে মৃত লাশের আত্না অনেক কষ্ট পায়। মানুষের জীবনের কোনো নিশ্চয়তা নেই। আপনি যে এত রং ঢং করে সাজতেছেন,,আপনি যদি আজ মারা যান কি হবে বলুন তো .............সমাপ্ত...............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২২ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now