বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১টি ছেলে বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতে গেল।মেয়েটা তার ভাল লাগলো। তারপর সবাই সবার সবকিছু খোজ খবর নিলো।
১৫ দিন পর ছেলেটার পক্ষ থেকে মানুষ জন গিয়ে মেয়েটার হাতে আংটি পড়িয়ে দেয় আর বিয়ের কথা পাকা করে আসে।তারপরে তাদের মাঝে ফোনালাপ চলতে থাকে।
.
৩ দিন পর ফোনের আলাপ আলোচনা-
ছেলে-- আচ্ছা তুমি কি আরও পড়তে চাও ???
মেয়ে-- হ্যা... কারণ আমার আশা ছিল ডাক্তার হবো।
ছেলে-- ডাক্তার হলে তুমি খুশি হবে ???
মেয়ে-- হ্যা...এটাই আমার সবচেয়ে বড়
চাওয়া খোদার কাছে। আর চাইলে কি সব
পারবো !!!
ছেলে-- কেনো ???
মেয়ে-- কারণ... আমার বিয়ে ঠিক হয়ে
গেছে আর আমার বাবার এত টাকা নাই।
ছেলে-- আমার তো আছে। তোমাকে আর কিছু দিতে পারি আর না পারি।তবে তোমার আশাটা আমি পুরন করব !!! তুমি কি
পড়তে রাজি ???
মেয়ে-- হ্যা... কিন্তু বিয়ের আর মাএ ৯ দিন
বাকী...সেটার কি হবে ???
ছেলে-- এটা আমার উপর ছেড়ে দাও !!!
মেয়ে :- OK!
.
ছেলে তার ফেমিলির সবাইকে বুঝিয়ে বলে, আর সবাই রাজি হল।এরপর মেয়ের লেখা পড়ার জন্য সব খরচ ছেলেটা দিচ্ছিল এবং
দেখা শুনা ঠিকমত ছিল কিন্তু কিছু দিন পর-
মেয়ে-- আমার ১টা কথা রাখবে ???
ছেলে-- হ্যা...বল আমি কি করতে পারি ???
মেয়ে-- কিছু মনে করনা। আমার সাথে আর দেখা করিওনা !!!
ছেলে-- কিন্তু কেনো ???
মেয়ে-- তোমাকে দেখলে নিজেকে ধরে রাখতে পারিনা। ওদিকে আমার পরীক্ষার ২ বছর বাকী। যদি ফেল করি সমাজে মুখ দেখাতে পারবো না। আর তোমার টাকা ও কষ্ট বৃথা যাবে।
ছেলে-- OK! কিন্তু ফোনে কথা বলবা না???
মেয়ে-- না।
ছেলে:- ok!
.
২ বছর পর মেয়েটা পরীক্ষা দিল এবং পাশ
করল।সেই খুশিতে মেয়ের বাড়ীতে মেহমান ভরপুর।কিন্তু ছেলেটাকে বলল না।
তার ১৫ দিন পর মেয়েটা একটি চেম্বার নিয়ে বসে।সেটা জানতে পেরে ছেলেটা তাকে ফোন করে।মেয়েটা ফোন কেটে দেয় এমনকি
বন্ধ করে দেয়।
ছেলেটা তার বাড়ীতে যায় ।তখন মেয়েটা তাকে বলল-
---আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং মনে কষ্ট নিওনা।আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবো না !!!
--- কেন???
--- কারণ তুমি আমার যোগ্য না আর লেখা পড়াও জানো না।
--- আমাদের ফেমিলি থেকে যে সব ঠিক করা ???
--- ওটা আগে ছিল! আমি এখন তা মানতে পারবোনা।
দু'চোখ ভরা কান্না নিয়ে ছেলেটি বলল-
--- OK! আমি তোমার জন্য দোয়া করি ভাল থেকো..............!!!
এটা বলেই চলে আসলো।
.
কিছু দিন পরে ছেলেটা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়ে ।আর ঐ দিকে মেয়েটা এক হাসপাতালের বড় ডাক্তার হয়ে যায়।ছেলেটার অবস্থা খারাপ দেখে ঐ হাসপাতালেই নিয়ে যাওয়া হয়।
ঐখানে এক ডাক্তার তাকে দেখে চিনে ফেলে।আর ওর ফেমিলির সবাইকে বকাঝকা করল। কারণ অনেক লেট করে ফেলেছে তারা।
.
ব্যাপারটা মেয়েটার কাছে বেশ খটকা লাগল।তখন মেয়েটা ঐ ডাক্তারকে বলল:- আপনি ওদের বকছেন কেন???
তখন সেই ডাক্তার বলল:- এই মানুষটা আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ওর বউয়ের
ডাক্তারী পড়তে টাকা লাগবে বলে ১টি
কিডনী বিক্রি করে। আমি নিষেধ করলে সে বলল-আমার বউ ডাক্তার হলে আমাকে সে ভালো করে দিবে।কিন্তু হায়, এখন দেখছি ছেলেটা মৃত্যু পথযাত্রী।
.
কথাগুলো শুনেই আকাশ থেকে পড়ল মেয়েটা।এ সে কি শুনছে!!! মাথাটা ঘুরে উঠল তার।জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল সে করে ফেলেছে।
মেয়েটার চোখ থেকে সহসা জলের বন্যা নেমে এল।কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
.
এর তিন ঘন্টা পরেই ঐ ছেলেটি মারা যায়................!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now