বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

খানিকটা তামার তার ১ম পর্ব

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এচ জাহেদ হাসান (০ পয়েন্ট)

X মানিক চেঁচিয়ে পড়ছিল খবরের কাগজ শ্রোতা হচ্ছে জয়ন্ত। সে চোখ বুজে ইজিচেয়ারে শুয়ে আছে। তার মুখে বিরক্তির লক্ষণ । কোন খবরে নূতনত্ব নেই। খুনীরা খুন করছে সেই পুরাতন উপায়ে। চোররাও চুরি করবার নূতন পথ আবিষ্কার করতে পারছে না। সাধু এবং অসাধু সব মানুষই হচ্ছে একই বাঁধা পথের পথিক। মানিক একটা নূতন খবর পড়ছে : ‘ অদ্ভূত দৈব দুর্ঘটনা! ‘ গত সপ্তাহে শালিখার একটা বাড়িতে অজিতকুমার বসু নামক জনৈক যুবক বজ্রাঘাতে মারা পড়িয়াছিল, এই সংবাদ আমরা যথাসময়ে পত্রস্থ করিয়াছি । গত পরশ্য রাতে আবার সেই বাড়িতেই অজিতকুমারের দ্বিতীয় ভ্রাতা অসীমকুমারের মৃত্যু হইয়াছে ঐ বজ্রাঘাতের ফলেই। ইংরেজী প্রবাদে বলে, দুর্ভাগ্য কখনো একা আসে না। কিন্তু উপর-উপরি দুইবারই একই পরিবারে একই দুর্ভাগ্যের এমন আশ্চর্য আবির্ভাবের কাহিনী আমরা আর কখনই শ্রবণ করি নাই।’ জয়ন্ত চোখ মেলে সোজা হয়ে উঠে বসে বললে, ‘ থামো মানিক। আপাতত আর কোনও খবর পড়ে শোনাতে হবে না।’ মানিক হেসে বললে, ‘ বুঝেছি।’ ‘ কি বুঝেছ ?’ ‘ এই খবরটার ভিতরে তুমি চিন্তার খোরাক পেয়েছ।’ ‘ তা পেয়েছি বৈকি। আমার পাপী মন একরকম অসম্ভব দৈব দুর্ঘটনাকে সহজে স্বীকার করতে রাজী নয়। ভগবানের হাতের আড়ালে আমি দেখছি মানুষের হাত।’ মানিক জবাব না দিয়ে কাগজখানা সামনের টেবিলের উপর রেখে দিলে। জয়ন্ত খানিকক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে রইল। তারপর বললে, ‘ টেলিফোনের রিসিভারটা এগিয়ে দাও তো ।’ ‘ কাকে ফোন করবে?’ ‘ আমাদের বন্ধু গিরীন্দ্র চৌধুরীকে।’ ‘ ইন্সপেকটর গিরীন্দ্র চৌধুরী?’ ‘ হ্যাঁ। তার কার্যক্ষেত্র তো ঐ অঞ্চলেই ; হয়ত সে আমাদের অন্ধকার মনকে কিঞ্চিত্ আলোকিত করতে পারবে।’ যথাসময়ে ফোনের মধ্যে জাগ্রত হল গিরীন্দ্র চৌধুরীর কণ্ঠস্বর । ‘ গিরীন্দ্র, আমি জয়ন্ত।’ ‘ একই বাড়ীতে বজ্রাঘাতে দুই ব্যক্তির মৃত্যু। ঘটনা কি তোমারই এলাকায় ঘটেছে ?’ ‘ ও হো হো, বুঝেছি। মনসা পেয়েছে ধুনোর গন্ধ! তা, ঠিক আন্দাজ করেছ ভাই ? ঘটনাস্থলে আমাকেও হাজির হতে হয়েছে বটে, কিন্তু ঐ পর্যন্ত ।’ ‘ মানে ?’ ‘ মনের কোণে উঁকিঝুঁকি মারছে সন্দেহ! কিন্তু সে সন্দেহ প্রকাশ বা পোষণ করবার উপায় নেই।’ ‘ কেন?’ ‘ লোক-দুটো সত্য-সত্যই বজ্র বা বিদ্যুতের আক্রমণে মারা পড়েছে ।’ ‘ তবে আবার সন্দেহ কিসের ?’ ‘ না, ঠিক সন্দেহও নয় । তবে মাঝে মাঝে পাচ্ছি যেন বিপরীত ইঙ্গিত । একবার বেড়াতে বেড়াতে আমার এখানে আসবে নাকি?’ ‘ নারাজ নই।’ জয়ন্ত ও মানিককে দেখে গিরীন্দ্র বললে, ‘ প্রথমেই তোমরা কি এক-এক পেয়ালা কফি পান করতে চাও । জান তো, আমি চায়ের ভক্ত নই।’ জয়ন্ত বললো ‘ কফি বা চা কিছুই চাই না। আমরা আজ গল্প শুনতে এসেছি ।’ ..... চলবে....


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ খানিকটা তামার তার -২
→ খানিকটা তামার তার-১
→ খানিকটা তামার তার -৩
→ খানিকটা তামার তার
→ খানিকটা তামার তার ২য় পর্ব
→ খানিকটা তামার তার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-
☆ ☆ ☆ ☆ ☆

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now