বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
--এই ৫ টা বেজে গেছে,তাড়াতাড়ি ঘুম
থেকে উঠে ফজর নামাজ পড়ো। (মিমি)
--আরেকটু ঘুমাই না প্লিজজজ (নিখিল)
--তুমি উঠবে, নাকি পানি ঢেলে দেবো? (রাগান্বিত
ভাবে)
মেয়েটার আবার পানি ঢেলে দেওয়ার অভ্যাস আছে।
অনেকবার পানি ঢেলে
ঘুম ভাঙ্গিয়েছে নিখিলের।
--অকে বাবা, উঠছি উঠছি। কি
ড্যান্জারেস মেয়েরে বাবা।
--হিহিহি। তাড়াতাড়ি ওঠো।
নিখিল উঠে অযু করে নামাজ পড়তে যায়।
.
নিখিল ও মিমির বিয়ে হয়েছে ৬ মাস হয়েছে। যদিও
ওরা প্রেম করে বিয়ে করেনি,তবুও খুব ভালোবাসে একে
অপরকে। বিয়ের পর একদিনও ফজর নামাজ পরা মিস
হয়নি নিখিলের। মিস হবেই বা কেনো? নিখিলের যে
একটা
মিষ্টি পাগলী আছে ।
.
ফজর নামাজ পরে নাস্তা খেতে বসে দুজন। নাস্তা শেষ
করে অফিসের জন্য রেডি হচ্ছে নিখিল। আর মিমি
রান্না
ঘরে।
--এই আমার ঘড়িটা কোথায়? (নিখিল)
--ড্রয়েরে দেখো। (উচ্চস্বরে বলল
মিমি)
--আমার রোমাল কোথায়?
--খাটের স্টেন্ডে দেখো,,,,
--আমার শার্ট কোথায়?
--আলমারীতে দেখো,,,,,
--আমার টাইটা কোথা??
--শার্টের পকেটে দেখো,,,,,
.
রান্না ঘর থেকেই উচ্চস্বরে সবকিছু বলছে মিমি।
নিখিল ওর শার্ট,টাই,ঘড়ি নিয়ে রান্না ঘরে গেলো।
--এই নাও,সব পরিয়ে দাও আমায়। (নিখিল)
--উফ,,তুমিকি এখনো ছোটো আছো? (মিমি)
--হুম আমি তোমার ছোট্ট বাবু।
--থাক আর ঢং করতে হবেনা। এগুলো দাও।
.
মিমি শার্ট, টাই এবং ঘড়িটা নিখিলকে পরিয়ে দিতে
দিতে বললো,
--আচ্ছা,আমি যখন থাকবো না তখন কি করবে হুমম?
তখনতো নিজে নিজেই পরতে হবে
সবকিছু। নাকি আরেকজনকে জীবন সঙ্গীনি করবে হুম?
(মিমি)
নিখিল কোনো কথা বলছে না।মিমি নিখিলের দিকে
তাকিয়ে দেখে নিখিলের দু
চোখ পানিতে টলমল করছে। একদম অসহায় লাগছে
নিখিলকে,,
--এই পাগল,তুমি কাঁদছো কেনো?
আরে আমিতো মজা করছিলাম। (মিমি)
--তুমি জানোনা, তোমাকে ছাড়া আমি এক মুহূর্ত চলতে
পারবোনা। (নিখিল কান্নাজরিত সুরে)
--হুম জানিতো।
--তাহলে চলে যাওয়ার কথা বলো
কেনো?
তুমি চলে গেলে আমি কি পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে
পারবো?
--এতো ভালোবাসো কেনো আমায়? আমি কে?
--তুমি জানোনা তুমি কে?
--নাতো,কোনো দিনতো বলোনি জানবো কিভাবে হুম?
(কোমরে হাত দিয়ে)
--তুমি আমার মিষ্টি পাগলী।
--না,আমি তোমার পাগলী না। (মুখ ভেঙ্গিয়ে)
--তাহলে কার পাগলী তুমি?
--আমার পিচ্চি পাগলের পাগলী।
হিহিহি।
.
অতঃপর মিমির মাথা নিখিলের বুকে।
ভালোবাসার স্পর্শের সুখের অক্সিজেন গ্রহন করছে
দুজন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now