বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

horror story

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আমার শৈশবের কাহিনী (guest) (০ পয়েন্ট)

X আমার নাম পবীর বাইরে পরাশুনা করি গল্পটি হচ্ছে আমার শৈশব কালে আমার বয়স এখন 25বছর ঘটনাটি ঘটেছিল আজ থেকে 15বছর আগে আমাদের বড় পরিবার দুই কাকা কাকী দাদা দাদী ভাই বোন বাবা মা এবং আমি আসল কথাই আসি ঘটনাটি ঘটে ছিল আমাদের গাঁযে গরমের ছুটিতে বাবারও কিছু কাজ ছিল তাই সেই ফাঁকে সহ পরিবারের গাঁয়ে দাদা দাদী কাছে চলে এলামা (একটা কথা বলা হয়নি আমার দাদা দাদী গাঁয়ে থাকত)মাঠে চাষিরা ধান কাটতিছে পুকুরে ছেলেরা লাফা লাফি করে স্নান করতিছে আমি একা কদিন ঘুরতে লাগলাম তারপর বেস কদিন ঘুরতে ঘুরতে দুই তিনজন বন্ধু হয়েগেল তাদের নাম রাম রাজু বরুন সুজয় এবং করিম করিম ছিল মুসলিম তবুও ওকে আমার ভাল লগত ওর বাবা কবিরাজ ভুত ছারাই আমি শহরে থাকতাম ভুত মানিনা আামার ঘটনাটা ঘটে আমার দাদীর সাথে সেদিন ছিল সনিবার জেমন রোজ হয আমি খাওয়ার পরে রেডিও গান শুনতিছি হঠাৎ কী জেন বাইরে থেকে আওজ এল আমি কিছু না শোনার ভাম করে এক মনে গান শুনতিছি এবার জেন আওজ টা কমাগত জরে হল আমি ঘরের জানালাটা হলকা খোলা ছিল আমি জানালার দিকে তাকালাম হঠাৎ জেন জোরে একটা হাওয়াই জানালাটি খুলেগেল এবং আমার চোখ বাইরের দিকে চলেগেল আমি জা দেখলাম আমার সরাতে পারলামনা দেখলাম কে জেন বাইরে আমার দিকে চেয়ে আছে লাল লাল দুটি চোখ সাদা কাপর পরা একটি মহিলা তারপর জেন হঠাৎ একটা হওযায় সব মলিয়েগেল কিছুখন এভাবে আমি দারেযে রইলাম আমি নিজেকে বিসবাস করতে পারছিনা একটা জোরে চিমটি কাটলাম গালে লাগল তাহলে সত্য না চোখের ভুল কিছুখন পরে দাদী এসে বলল কীরে বীর (আমাকে সবাই ভলবেসে বীর বলে ডাকত) কী হয়েছে ঘুমাবিনা আমি আর কিছু না বলে চলে গেলাম সেদিন আর আমার সারা রাত ঘুম আসেনি সুধু সেই লাল লাল চোখ আর সাদা কাপর চোখে ভাসছে কোনরকমে রাত কাটল (ও হে আমি আমার দাদীর কাছে ঘুমাতাম) পরের দিন সকালে আমি ঘুম থেকে উঠে দেখি কেজেন বইরে আওজ করছে বাইরে বরিয়ে দেখি আমার পিসি এবং ভাই বোন এসেছে তাদের নিযে হইচই করে বেস কদিন কেটে গেল বুজতে পরলামনা আগের সব কখা ভুলেই গিয়েছি এই রকম কাটতে কাটতে তারপর এল সেই কাল রাত সারাদিন মেঘলা হালকা বৃষ্টি হচ্ছে রাতে খাওর পর দাদীর কাছে ঘুমাতে গেলাম মাঝার রাতে আমাকে পায়খানা পেয়েছে দাদীকে ডাকলাম দাদী বোলল কী হয়েছে বললাম বাইরে জাব আগে ঘরের সাথে বাথরুম থাকতনা তাইএকটি হারিকেন জ্বেলে আমাকে ঘরের বাইরে নিয়ে গেল আমাদর ঘর দিযে কীছুটা দূরে বাথরুম ছিল আমি বাথরুমের ভিতরে ঢুকলাম বাএরে দাদী হারিকেন জ্বেলে দারিয়ে আছে কিছুখন পরে একটা মরাস করে আওজ আসে আমি ভাবলাম লাঠি ভাঙার আওজ তাই কিছু না বলে বসে রইলাম তারপর হঠাৎ আলো টা নিভে জাযা আনি দাদী দাদী বলে দুবার ডাকলাম কোনো আওজ নেই হঠাৎ জোরে দাদী ভযাবহ চিৎকার করে উঠল আমি বইরে বেরিয়ে কী ভয়ানক কাহীনি সেই মহিলা সেই লাল লাল চোখ সাদা কাপর আর দাদী হওতে ভাসছে হঠাৎ কী জেন আমার গাযে পরল আমি দেখলাম রক্ত কীসের দেখি উপর থেকে দদীর গা বেযে পরতিছে দেখি সেই মহিলার গোটা মুখে রক্তে ভক্তি মহিলা আমার দিকে ধীর ধীরে এগিয়ে আসছে আমি কী করব ভেবে উঠতে পরছিনা আমি তার ভয়াবহ চোখ ও চেহারা দেখে আমার মাথা ঘরে জাই আর আমি ওই খানে শুয়ে পরি তারপর কী হযেছে ঠিকমত মলে নেই আবার সেই চোখ ভেসে উঠতিছে আমি হঠাৎ ধীর বীর করে চিৎকার করি বাঁচাও বাঁচাও বলে তারপর দেখি আমি বিছানাই আমার চারপাশে লোকে তারপর আবার শুয়ে পরি কিছুদিন পর আমরা শহরে চলে আসি এইবার দাদা দাদী সাথে করে মার মুখে সেদিনের কথা আমি শুনতে চাইলাম নাকি সেইদিন দাদীর চিৎকারের আওজ শুনে করিমের বাবা ওখানে আমাকে ও আমার দাদী কে দেখতে পাই আর সাথে সাথে আমার বাবা মা এবং কাকা কাকী দাদা সবাই আসে কবিরাজ কিছু ফুঁক দিয়ে দাদীকে নিচে নামাই এবং দুইজনকে ঘরে নিয়েজাই দাদীকে হসপিটাল লোকেরা নিয়ে জাই কবরাজও সাথে জাই সেদিন নাকি দাদীকে আরও দুই বার মারার চেষ্টা করেছিল তারপর কবিরাজ কিছু ফুঁক দিযে তাবিজ বেঁধে দেই দাদীকে মার মুখে সুনেছি কবরাজ বলেছিল ওটা মহিলা জিন ছিল বহুকাল ধরে আছে ওখানে জে সামনে তাকে মরতে হয আমাদের হয়ত ভাগ্য ভাল ছিল তাই বেঁচেগেলাম বন্ধুরা story জদি ভাল লাগে please comment and like


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now