বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সময় টা ছিলো গরম কাল সারা দিনে প্রুচর গরম পড়তো জেলার নাম কুমিল্লা আমি এবং আমার মামা থাকতাম কুমিল্লা। মামা ছিলেন সাহসি একজন মানুষ ওনি বিভিন্ন কাটা ছিড়া লাশ যেমনঃ রেল লাইনের নিচে পড়া মৃত্যু সড়ক দূর্ঘটনা ফাসি ইত্যাদি লাসের প্রোস্টমেডাম করতেন।
.
আমি বিপ্লব আর আমার মামার নাম শুভ একদিন একটা রেললাইনের নিচে পড়া একটি লাশ বেনগাড়িতে করে গাড়ির চালক আমার মামা যে জায়গায় লাশ কাটে ওই জায়গায় নিয়ে আসে তখন মামার সাথে আমি ছিলাম আমি দেখলাম লাশটা পলিথিনের ভিতর তবে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে লাশটা থেকে টুপ টুপ করে রক্ত বের হচ্ছে তখন ভয়ে আমার কপাল ভিজে গেল গামে..মামা বললো এখন এখানে লাশটা রেখে যাও আমি রাতে কাজ করে দিবো। অতঃপর বেনচালক লাশটাকে লাশকাটা রুমের মধ্যে রেখে চলে গেলো।তখন মামা বললো...
->কিরে বিপ্লব ভয় পাইলি নাকি
->না মামা....আচ্চা এটাকে তুমি কাটবে যে ভয় পাবে না কাটতে(বিপ্লব)
->নাহ এগুলো করার সময় আমি আগে মদ জাতীয় খাবার খাই যার ফলে নেশা সৃষ্টি হয় এতে আর কিছু হয় না.
->মামা আমি তোমার সাথে লাশ কাটা দেখবো.... (দেখলাম মামা অবাক চোখে তাকিয়ে আছে)
->তুই ভয় পাইবি
->না পাবো না (জিদ করলাম)
->আচ্ছা দেখিস
রাত দশটা সবাই আলো নিবিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে আমি আর মামা লাশের ঘরের সামনে দাড়িয়ে...
->মামা তুমি না কি খাবে(বিপ্লব)
->নাহ আজকে কিছু খাবো না আজকে তো তুই আচোত(চোখ বড় করে)
->ও আচ্ছা (তখন ও বুঝলাম না কি হতে চলছে আমার সাথে)
হুম আয়....
অতঃপর ভিতরে গেলাম দেখলাম লাশটা একটা ছোট স্টিলের কেবিনের উপর রাখা আছে...আর উপরে একটি লাইট জলছে তখন রুমে ছিলাম আমি আর আমার মামা আমি ঠিক মামার পাশে ছিলাম....মামা বললো ওই দেখ একটা বক্স ওইটা দে আমি দিলাম বক্সের মধ্যে ছিলো নানা রকমের ছুরি ও সুতা মামা প্রথমে লাশের বুকের কাছ থেকে কাপর সড়ালো তখন আমি বললাম..
->মামা মাথার কাপড় সরান(বিপ্লব)
->না তুই ভয় পাবি (তখন মামার চোখ রক্তের মতো লালা আর বাহিরে কুকুরের আওয়াজ হইতাছে)
-ও
এরপরে বুকের বাম পাশ দিয়ে ছুরি ডুকালেন এবং একটা জোরে টান মারলেন অতঃপর বুকটা পুরু ছিড়ে গেছে এবং ভিতরের কলিজা ফুসফুসে দেখা যাচ্ছে আমি তো ভয়ে আমার পুরু শরীল কাপছে মাথা অবদি পা পুরু ভিজে গেছে গামে তখন মামা হাত দিয়ে মৃত লোকটির কলিজা টেনে বাহির করলো আমি চিংকার করে বললাম মামা ভয় লাগছে জবাবে ওনি বললেন
->এই ছেরা চুপ কর কাজের সময় এতো কথা বলে না(মামা)
আমি তো থ হয়ে গেলাম মামা কি আমার সাথে এভাবে কথা বলে নাকি
তাই চুপ করে রইলাম কিন্তু শরীল কাপা বন্দ হচ্চে না এরপর মামা কলিজাটা হাতে নিয়ে কাচা কলিজা ওনার মুখে দিলেন আর বললেন আহহহ অনেক দিন পরে খেলাম তখন আমার কথা বলার ভাষা নাই মুখ বন্ধ হয়ে গেলো এরপরে ওনি বললেন অনেক দিন চোখ খাই নি তাই চোখ গুলো খাবো এ বলে লাশের মাথার উপর থেকে কাপর সরালেন এরপরে আমি যা দেখলাম তা দেখার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না যে বৃক্ত্যির লাশ মামা খাচ্ছেন ওই বৃক্তি আর কেউ নয় ওই বৃক্তিই আমার মামা শুভ অতঃপর আমি চিংকার করলাম ইয়া আল্লহহহহহহহহহহহহ রক্ষা করুন
আমার চিংকার শুনে লাশটি ও উঠে গেলো তখন দেখলাম লাশের গা থেকে বুক থেকে চোখ নেই চোখের গর্ত থেকে রক্ত পড়তেছে আমার সামনে দু জন এগিয়ে এলো আমি আর কিছু করতে পারলাম না সাথে সাথে জ্ঞান হারালাম....
সকালে উঠে দেখি আমি ওই জায়গায় শুয়ে আছি কিন্তু কোনো লাশ নাই আমি তারাতারি বাসায় আসি এবং শুনি গত কাল মামা ট্রেনের নিচে পড়ে আত্যহত্যা করেন আমাকে জিজ্ঞাস করা হলো রাতে কই ছিলাম আমি মিথ্যা বললাম আমি বলেছি আমার এক বন্ধুর বাড়িতে ছিলাম...তখন আম্মু বললো তোর মামার প্রোষ্টমেডাম হয়ে গেছে এখন লাশ বাড়িতে আনবে তুই আয় মাটি দিবি আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম না আম্মু আমার ভয় লাগে.... এর পর আম্মু আব্বু চলে গেল আমি চিন্তা করলাম রাতে তাহলে আমার সাথে কে ছিলো সে কী চায় হঠাৎ চোখের সামনে দেখি আবারো মামার সেই ছিড়া লাশ আমার সামনে পড়ে রইলো কিছু বুঝে উঠার আগে আমার একটি হাত ধরে ফেললো........বাকিটা ইতিহাস
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now