বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

এক অভিশপ্ত মমি

"সত্য ঘটনা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md Tuhin (গ্যাংস্টার) (০ পয়েন্ট)

X আমাদের আজকের কাহিনীর মূল নায়ক একজন অক্সফোর্ড গ্র্যাজুয়েট, যিনি শখের বশে প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে ঘাটাঘাটি করতেন। এছাড়া লেখালেখি করাও ছিলো তার পছন্দনীয় বিষয়। ১৮৬৬ সাল থেকে মাঝে মাঝেই মিশর ভ্রমণে যান তিনি। ওহ, নায়কের নামই তো বলতে ভুলে গিয়েছিলাম। তার নাম থমাস ডগলাস মারে। ১৮৯০ সালের কথা। দুজন সহকর্মীকে নিয়ে মিশরে গিয়েছিলেন মারে। সেইবার স্থানীয় এক লোকের সাথে দেখা হয় তাদের। লোকটি তাদেরকে চমৎকার নকশা করা একটি মমির বাক্সের সন্ধান দেয় (মমি না কিন্তু)। বলা হয় যে, বাক্সটি ১৮৮০ সালের কাছাকাছি কোনো এক সময়ে মাটির তলা থেকে খুঁড়ে পাওয়া গেছে। বাক্সটির গায়ে খোঁদাই করা হায়ারোগ্লিফ থেকে জানা যায় যে, এর ভেতরে থাকা নারী এককালে মিশরীয় দেবতা আমুন-রা’র মন্দিরের উচ্চ পর্যায়ের যাজিকা ছিলেন। তিনজনই বাক্সটি পছন্দ করেছিলো, কিন্তু কিনতে পারবে কেবলমাত্র একজন। এজন্য ঠিক হলো লটারি করা হবে। যে জিতবে, সে-ই কিনতে পারবে চমৎকার নকশা করা সেই মমির বাক্সটি। লটারিতে ভাগ্য মারের প্রতিই সুপ্রসন্ন হলো। এরপর আর দেরি না করে সেদিন সন্ধ্যায়ই বাক্সটি প্যাকেট করে লন্ডনের উদ্দেশ্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলো। হায়, মারে যদি জানতেন এই সুপ্রসন্ন ভাগ্য আসলে তার জন্য মারাত্মক দুর্ভাগ্য বয়ে আনতে যাচ্ছে, তাহলেও কি তিনি বাক্সটি কিনতেন? কয়েকদিন পরের কথা। বাক্সটি পাঠিয়ে দিলেও মারে তখনও রয়ে গিয়েছিলেন মিশরেই। নীল নদের তীরে নিজের শটগান দিয়ে হাঁস শিকার করছিলেন তিনি। কিন্তু দুর্ঘটনাবশত তার হাতেই শটগানটিতে বিষ্ফোরণ ঘটে যায়! খারাপ আবহাওয়ার জন্য থেবস থেকে কায়রোতে ফিরে আসতে তার লেগে যায় দশ দিন সময়। ততদিনে তার ক্ষতস্থানটিতে গ্যাংগ্রিন হয়ে যাওয়ায় সেই হাতটি কেটে ফেলতে হয়। কিছুদিন পরই কায়রো থেকে লন্ডনের পথে রওয়ানা দেন মারে এবং তার সহকর্মীরা। দুঃখজনকভাবে পথিমধ্যে মারা যান একজন সহকর্মী। ওদিকে মমির বাক্সটি পাঠানোর দায়িত্বে নিয়োজিত দুজন শ্রমিক এক বছরের মাঝে মারা গিয়েছিলো। কথিত আছে, তারা নাকি বাক্সটিকে যথাযথ সম্মানের সাথে আনা-নেয়া করে নি! আবার আরেক শ্রমিক বাক্সটি নিয়ে মজা করে কিছু কথা বলেছিলো। মৃত্যুর কালো থাবা নেমে এসেছিলো তার উপরেও। কিছুদিন পর ৩৪ পোর্টল্যান্ড প্লেসে নিজের বাড়িতে ফিরে এলেন মারে। দেখতে পেলেন মমির বাক্সটি খোলা। সেদিন বাক্সটি দেখে খুব আশ্চর্য হয়েছিলেন তিনি। কেনার সময় উপরের নারীর প্রতিকৃতি যতটা সুন্দর লাগছিলো, সেদিন যেন ততটা লাগছিলো না। বরং এর মাঝে সেদিন অমঙ্গলের অশুভ ছায়াই যেন খুঁজে পাচ্ছিলেন তিনি। বেশ কিছুদিন পরের কথা। এক সাংবাদিক দেখা করতে এলেন মারের সাথে। মমির বাক্সটি দেখে ভালো লেগে যায় তার। তাই মারের কাছে তিনি অনুমতি চান সেটি কিছুদিন নিজের বাসায় নিয়ে রাখার জন্য। মারে সানন্দে রাজি হয়ে যান। মমির বাক্সটি বাসা থেকে যাওয়ায় তিনিও যেন হাঁপ ছেড়ে বাঁচলেন। কিন্তু এরপরই সেই সাংবাদিকের জীবনে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটতে শুরু করলো। তার মা সিঁড়ি থেকে পড়ে মারা যান, যে লোকটির সাথে তার বিয়ে ঠিক হয়েছিলো তিনি তা ভেঙে দেন, তার পোষা কুকুরটি পাগল হয়ে যায় এবং তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি সন্দেহ করতে শুরু করলেন যে, মমির বাক্সটিই হয়তো তার এত দুর্ভাগ্যের জন্য দায়ী


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এক অভিশপ্ত মমির ইতিকথা
→ অভিশপ্ত মমির ভয়ানক কাহিনী !

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now