বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান অনভুতিহীন লেখক (০ পয়েন্ট)

X ???? -তুই এমন কেন??? -কেমন। -এই যে এমন। -আরে কেমন তা তো বলবি। -তুই বুঝিস না। -কি বুঝবো। -থাক তোর বোঝা লাগবে না। -ঠিক আছে। -থাক তুই আমি গেলাম। -আরে কৈ যাস। -জাহাননাম এ।কেন তুই যাবি। -তুই বললে তো আমি সব যায়গায় যেতে পারি। -তাই।আমি কে যে আমি বললে তুই সব যায়গায় যাবি। -তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। -আর কিছু না। -আর কি হবে। -না কিছু না।থাক আমি গেলাম। -আচ্ছা যা। আমি নিরব আর যার সাথে কথা বলছিলাম ও হল আলিসা।আমার বেস্ট ফ্রেন্ড বা ফ্রেন্ডের থেকে অনেক বেশি। ওর সাথে আমার পরিচয়টা বেশি দিনের নয়। এই ছয় মাস মত। আমার এক ফ্রেন্ডের বিয়েতে ওর সাথে পরিচয় হয়। আর সেই থেকে আমরা এক সাথে আছি। আমি জানি ও আমাকে ভালোবাসে।আমিও ওকে খুব ভালোবাসি।কিন্তু বলি না। আর এই কথাটা আমার কাছথেকে একটিবার শোনার জন্য ও সব সময় এমন করে। কিন্তু আমি বলিনা। কারন ওকে রাগায়তে আমার খুব ভালোলাগে। ওর রেগে লাল হয়ে যাওয়া মুখটা দখলে আমি বার বার ওকে আরো বেশি ভালোবেসে ফেলি। এখন ও মনে আছে ওকে প্রথম দেখা। বিয়ে বাড়িতে আমার এক বান্ধোবিকে আমি জ্বালাছি মানে যার বিয়ে তাকে। এখন হঠাৎ করে ও আমাকে মারতে গেছে আর আমি দৌড় মারতে যেয়ে ধাক্কা খেলাম ওর সাথে। ওর হাতে একটা গ্লাস ছিল হয়তো কিছু খাচ্ছিলো আর আমি যেয়ে ধাক্কা দেওয়াতে গ্লাসে যাছিল সব যেয়ে পড়লো ওর মুখে আর জামায়। এটা দেখে খুব হাসি পাচ্ছিলো। কিন্তু তার মুখটা দেখে খুব কষ্টে হাসি টা চেপে রাখলাম। -এই এটা কি করলেন আপনি। -সরি।আমি আসলে খেয়াল করিনি। -বিয়াদোপ ছেলে। কথাটা শুনেয় মাথা গরম হয়ে গেল। -এই মেয়ে নিজেরে কি মনে করো। বিয়াদোপ মানে। বিয়াদোপ তো আপনি। -কি বললেন। -ক্যান কানে কম শোনেন। -আপনি কিন্তু.. -আমি কি হুম। এর মধ্যে আমার বান্ধবি চোলে আসলে। কি হয়ছে নিরব।তোরা ঝগড়া করছিস ক্যান। -আরে এই মেয়েটা ঝগড়া করছে আমি কিছু করি নি। -আলিসা কি হয়ছে তোমার এ অবস্থা কেন -আপু এই যে তোমার এই বন্ধু করেছে। -আমি ইচ্ছা করে করিনি। -আচ্ছা বাদদে।আলিসা তুমি যাও। -এই এটা কে রে। -আমার বোন। -তোর আবার বোন আসলো কোথা থেকে। -আরে আমার ফুফাতো বোন। -ও। রাত নয়টায় বিয়ে শুরু হলো। আমি যেয়ে আলিসার পাসে বসলাম। -এই আপনি আমার পাশে বসছেন কেন। -কেন বসা যাবে না। -না। -কেন। ও উঠে চলে যেতে চাইলো।আমি পিছন থেকে ওর হাতটা ধরে বললাম তুমি বসো। -এই হাত ছাড়েন। আমি ওর হাতটা ছেড়ে দিলাম। -আচ্ছা সরি। -কিসের জন্য। -সেটা একটু পরেয় বুঝতে পারবেন। কথাটা বলেই আমি কেঁটে পড়লাম। ও দেখি রাগে ফুসতে ফুসতে চেয়ারে বসে পড়লো। বসে পড়ার পর বুঝতে পেরেছে আমি কি জন্য ওকে সরি বলেছিলাম। ওর চেয়ারে একটা টমেটো রেখে এসেছিলাম। এখন বেচারি মেয়েটা না পারছে উঠতে না পারছে কাউকে কিছু বলতে। টমেটোর মত লাল হয়ে যাওয়া মুখটা দেখে ওর প্রমে পড়ে গিয়েছিলাম। বুঝতে পারলাম ও আমাকে খুজছে। আর সেই থেকে ওরে সুযোগ পেলেয় রাগায়। আর সেই থেকেই এখন ও চলছে।কবে যে আপনি থেকে তুই তে চলে এসেছে বুঝতে পারি নি। এখন ও যেমন রাগায় দিলাম। আর মনে মনে বলতে লাগলাম পাগলি তুই যদি বুঝতিস তোর।।।।। কথাটা ভাবতে ভাবতে পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে কেবল ধরায়ছি। সামনের দিকে তাকায় দেখি ও আমার সামনে... ধোয়াটা বাইরে দেব কি ভিতরে রাখবো ভাবতে ভাবতে ধোয়াটা ভিতরে চলে গেল। -তুই এটা কি করছিস। বলে সিগারেটটা নিয়ে ছুড়ে ফেললো। -তোকে না আমি বলেছি তুই এসব খাবি না। - হুম তো। - তাহলে খাচ্ছিস কেন। -তুই কে আমার যে তোর সব কথা আমার শুনতে হবে। -কি আমি তোর কেউ না। -না। -তাহলে ঠিক আছে যা করবি কর। বলে আমার পাশে বসে পড়লো। আমি ও ওকে রাগানোর জন্য পকেট থেকে আর একটা সিগারেট বের করে ধরালাম। ও আমার কাজবাজ দেখছে। আর রাগে লুচির মত ফুলছে। -তুই এমন কেন। -আবার কি করলাম আমি। -তুই বুঝিস না। -কি বুঝবো আমি। -আমি তোকে ভালোবাসি। কথাটা বলেই ও কান্না করে দিল। এবার আমি কি করি।বুঝে উঠতে পারছি না। সিগারেটটা ফেলেয় দিয়ে ওর মুখটা উচু করে ধরলাম। -এই তাকা আমার দিকে। -না -তোকে তাকাতে বলছি না তাকা। -ও আমার দিকে তাকালো। আমি ওর চোখের পানি টা মুছে দিলাম। -এই পাগলি আমি ও তো তোকে খুব ভালোবাসি। -তাহলে আমাকে এত কষ্ট দিস কেন। -কৈই কষ্ট দিয়। -এই যে সব সময় আমাকে রাগাস। -সেটা তুই বুঝবিনা। ওকে কাছে টেনেনিয়ে জোড়িয়ে ধরলাম। আপনারা তো বুঝেছেন কেন আমি ওকে রাগায়।।।।। Stephen Sagor


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প
→ একটি রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now