বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যাহ!!! এই পাথরটাও মিস করলাম!! .. চেয়েছিলাম পানির উপরে ভেসে ভেসে স্লিপ করে পাথর টা অনেক দূর যাবে কিন্তু হোল না.. আসলেই এটাই হয় আমার সাথে যখন আমার শনি লাগে তখন সব কিছুই আন ফেভার করে.. সে যাই হোক ঘন্টা খানিক ধরে নদীর পাড়ে বসে আছি.. ও বলা হয়নি একটা কথা আমি সাদ..সাদ আহমেদ...দুনিয়ার সব থেকে অলস এবং বাজে একটা ছেলে.. মুড অফ তাই নদীর পারে এসে বসে আছি.. ভাল্লাগছে না কিছু... আজ নদীর পানিটা অনেক সুন্দর.. কুলকুল করে বয়ে যাচ্ছে স্রোতস্বতী.. নদীর দক্ষিন দিক দিয়ে কিছুখন পরপরই ঝাকে ঝাকে বিভিন্ন পাখি চলে যাচ্ছে.. কিছু বক এতটাই নিচ দিয়ে যাচ্ছে মনে হচ্ছে দি একটা পাথর মেরে.. এইগুলো খুব ইঞ্জয় করি কিন্তু আজ ভাল লাগছে না মুড অফ থাকলে আমার এমন টাই হয়..
কয়েকটা লাইন মনে পরে গেল হঠ্যাত..
জীবনটা এক অচিনপাখীইই...
দেয়না ধরা, বন্দি থাকে সোনার খাচায়
যেন সবি অপচয়
তবু কত আসায় বিভোর মানুস
কেনই বা রঙ বদলায়
মনেরই পিঞ্জরে পরান কাদে
জীবনের মানে আজো খুজে বেরাই
দেখনা চেয়ে অই খোলা আসমানে
পাবে এসো খুজে...
বেসুরো গলা হা হা হা...
খুব কাছেই এক জেলে মাছ ধরছে.. আমি খুবই আগ্রহী মাছ ধরার ব্যাপারে.. অন্য সময় হলে নিশ্চিত দেখতাম কটা মাছ ধরেছে কিন্তু আজ আর কিছু বললাম না.. ধুরর.. তবে আজ নদীর পানি নিটোল নিলচে রঙের.. ওয়াওঅঅ.. আজ আকাশটাও কত রঙিন!! নিলের মাঝে ছোপ ছোপ সাদা মেঘ.. অনেকটা পেজা তুলোর মত ভেসে বেড়াচ্ছে.. নীলমেঘ বলে মনে হচ্ছে... সুর্য কাকা ডুবি ডুবি ভাব.. সাদা মেঘের মাঝে লুকিয়ে পড়েছে.. অল্প কিছু রোস্নী উকি দিচ্ছে.. অসসাধারন লাগছে. একেই মনে হয় বলে স্পলাস সানসাইন.. অনিচ্ছাকৃত ভাবে হলেও একটা ছবি তুলে রাখলাম.. আমার খুব প্রিয় সখ হল এই সব ছবি তোলা.. কত সুন্দর আকাশ!! একাকি খোলা মাঠে ঘাসের উপর শুয়ে আকাসের দিকে তাকিয়ে থেকে যে মজা পেয়েছি অন্য কোন কিছুতে অতটা মজা পাইনি.. মুড অফকে গুড বাই. টা টা. মন ভালো হতে বাদ্ধ্য... আকাশের দিকে তাকিয়েও যে গেম খেলা যায় সেটা আমি অনেক আগেই শিখেছি.. একটা সময় এটা অনেক বেশিই করতাম.. ছাদে শুয়ে.. গেম খেলতাম মজার গেম.. অইযে একটা মেঘ আসছে মেঘটা দেখতে অনেকটা পাখির মত!!! তার পরেই আরেকটা মেঘ সেটা দেখতে ভয়ংকর কোন দৈত্যর মত.. মেঘ আবার দৈত্য হয় নাকি?? পাখি হয় নাকি?? হয় আকাশের দিকে তাকিয়ে ড্রাইং কর তোমার ক্যানভাসে দেখবা আর কত কিছু আছে.. ধ্যান ভাঙল লঞ্চের হর্নে.. ঘাটে লঞ্চ এসেছে.. কত মানুষ নামছে.. এটা আবার আমার আরেকটা শখ ঘাটে লঞ্চ আসলে এবং তখন আমি উপস্থিত থাকলে মানুষ দেখি.. কত রঙ কত বর্ণের কত রহস্যের মানুস.. এক একজন মানুসের ব্যাপারে কল্পনা করার চেস্টা করি.. এই লোকটা কেমন.. কি আছে লোকটার ভিতরে.. কেমন এই জীবন!!! কিছুখন আগেই কোন লোক ছিলনা এখন কত লোক আবার কিছুখন পর আর কেউ হয়ত থাকবে না.. এই একই অনুভুতি আসে যখন আমাদের চার রাস্তার মোড়ে যাই.. সারাদিন ক্লান্তিহীন মানুসের আনাগোনা কিন্তু রাত বারার সাথে সাথে নিস্তব্ধ.. আবার বাস্তবে আসলাম মসজিদের আজানের ধ্বনি তে... মাগরিবের আগে আজান দিবে দিবে অবস্থায় এমন একটা মুহুর্ত মাঝে এমন আসে যেটার পুলক অনুভুতি অকল্পনীয় সুন্দর শীহরন বয়ে যায়.. আমি এই মুহুর্তটার নাম দিয়েছি সোনালী সময়.. এমন সোনালী সময় আরোও একটা আমি অনুভব করেছি কোন একটা রোজার সময়ে সেহরি খাওয়ার পর আজানের কিছু আগে.. খুব অল্প কিছু বার আমি অনুভব করেছি সেই সোনালি সময় যার অনুভুতি বর্ণনাতীত অকল্পনীয়!!
না আর থাকা যাবে না.. আর ইক্টু থাকলে মাগরিবের নামাজই মিস করব এবার উঠতেই হচ্ছে...
কাল আবার আসব...গুড বাই স্রোতস্বিনী...
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now