বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

একটি অল্প বয়স্ক বালকের আল্লাহ ভীতির ঘটনা

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X হযরত আব্দুল্লাহ বিন দাসান (রাহমাতুল্লাহি আলায়হি) বর্ণনা করেন, বসরার বাজারে একটি ছেলে কাঁদছিল। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম- . - "বেটা, কাঁদছ কেন?" - সে বললোঃ "দোযখের আগুনের ভয়ে কাঁদছি।" - আমি বললামঃ "তুমি তো অল্প বয়স্ক ছেলে, তোমার দোযখের আগুনের ভয় কিসের?" . সে বললোঃ "আমি আমার আম্মুকে দেখেছি যে, তিনি চুলায় আগুন জ্বালানোর সময় বড় বড় লাকড়ি জ্বালানোর জন্য সেগুলোর নিচে ছোট ছোট লাকড়িও দিয়ে থাকেন। আমি ভয় করছি যে, আল্লাহ তা'আলা বড় বড় নাফরমানদের কে জ্বালানোর জন্য আমার মত ছোটদেরকেও যদি আগুনে নিক্ষেপ করেন, তাহলে আমার কি অবস্থা হবে!" . আমি ছোট ছেলেটির এ কথা শুনে খুবই প্রভাবান্বিত হলাম এবং তাঁকে বললাম - . - "বেটা, তুমি আমার কাছে থাকবে?" - সে বললোঃ "হ্যাঁ, থাকবো। তবে কয়েকটি শর্তে।" - আমি বললামঃ "বলো, তোমার শর্তগুলো কি?" সে বললো - . (১) আমার ক্ষুধা লাগলে খাবার খাওয়াতে হবে। (২) আমার তৃষ্ণা লাগলে পানি পান করাতে হবে। (৩) আমার কোন ভূল ত্রুটি হয়ে হেলে মাফ করতে হবে। (৪) আমি মারা গেলে জীবিত করতে হবে। . - আমি বললামঃ "বেটা, ঐসব বিষয়গুলো উপর তো আমার কোন ক্ষমতা নেই।" - তখন সে বললোঃ "তাহলে আপনার কাজে আপনি যান। আমি যে মওলার দরবারের চাকর, সে এই সব বিষয়ে ক্ষমতাবান।" [রাউজুর রিয়াহীন, ৯৪ পৃষ্ঠা] শিক্ষাঃ আল্লাহর আযাবকে ভয় করা উচিত। আগের যুগে ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের মনেও আল্লাহর আযাবের ভয় ছিল। কিন্তু এ যুগে বড়দের মনেও ভয় ভীতি বলতে কিছু নেই। আল্লাহ্ সবাইকে বুঝ দান করুন। আমিন।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৫৩০ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now