বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ঐন্দ্রিলা

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X ঐন্দ্রিলা নন্দিতা পাল নিতু এই মুহূর্তে যে মেয়েটার সামনে আমি বসে আছি, সে মেয়েটার নামটা তার বড় পরিচয় না। এই মেয়েটার হাত ধরে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকিনি ঠিকই, কিন্তু এই মেয়েটা ঘন্টার পর ঘন্টা আমার পাশে থেকেছে। এই মেয়েটার ঠোঁটে আমি জীবনে প্রথমবার চুমু খেয়েছি। তবু কি তাকে আমি আমার প্রেমিকা বলে পরিচয় দিতে পারি?? বোধহয় না। তা তো দিইনি কখনো। আসলে ঐন্দ্রিলা আর আমার সম্পর্কটা কি ছিলো, তা কোনদিন কোন মাপকাঠিতে ফেলা হয়নি। শুধু মনে হতো, ওকে ছাড়া বাঁচাটা বোধহয় অসম্ভব। কিন্তু ও চলে যাবার পর ঠিকই কষ্টেসৃষ্টে আমি বাঁচতে শিখে গেলাম। নিজেকেই অবাক করে দিয়ে আমার জীবনে তমা, মৈত্রী, অবন্তী কতজনের আগমন প্রস্থান ঘটে গেল। অথচ আমি ভাবতাম, কেউই ঐন্দ্রিলার জায়গায় আসবে না। তবু এলো ঠিকই। কিন্তু সবার প্রস্থানের পর অবাক হয়ে আবিষ্কার করলাম, কি নিদারুণ শূণ্যতা এখনো ঐন্দ্রিলার জায়গাটায়! মধ্যদুপুরের কাঠফাটা রোদের হাহাকারে মেতে আছে জায়গাটা। একবছর পেরিয়ে গেছে ঐন্দ্রিলা মজুমদার থেকে ঐন্দ্রিলা চৌধুরী হয়ে গেছে। যাবার আগে অবশ্য টলমলে চোখে আমায় বলেছিলো, "চলে যাচ্ছি"... কেন যেন তখন সেই জল আমায় স্পর্শ করেনি। কে যেন বলেছিল, "কোন জিনিসের মূল্য বোঝা যায় পাবার আগে, আর মানুষের মূল্য হারাবার পরে"?? কথাটা বোধহয় মিথ্যে নয়। ঐন্দ্রিলার কপালে সিঁদুর পরাবার মুহূর্তটায় কি যেন হয়েছিল আমার। বিয়ের আসর থেকে বেরিয়ে সারারাত হেঁটেছিলাম আর কাকে যেন দুষেছিলাম। বোধহয় নিজের ভাগ্যকে।এরপর কাউকে আর পাবার চেষ্টা করিনি। বোধহয় বুঝে গিয়েছিলাম, ঐন্দ্রিলা মজুমদার আমার ভেতরের সবটুকু নিয়ে ঐন্দ্রিলা চৌধুরি হয়ে চলে গেছে। সেই ঐন্দ্রিলা। একবছর বাদে আজ আমার সামনে শুয়ে আছে হসপিটালের বেডে। এটেম্পট টু সুইসাইড। ৬২ টা ঘুমের ওষুধ। স্বামীর মুখে প্রাক্তনের সাথে জড়িয়ে নিজের বদনাম আর মেনে নিতে পারেনি। সমাধান খুঁজে নিতে চেয়েছিলো স্লিপিং পিলের মাঝে। বাচ্চাকাচ্চা খুব ভালোবাসতো ঐন্দ্রিলা। নিজের বাচ্চাটার মুখটা দেখতে ক'টা দিন অপেক্ষা করলেই পারতো। আচ্ছা, ঐন্দ্রিলার মেয়েটা দেখতে কার মতো হতো?? ঐন্দ্রিলা??? নাকি...??? হঠাৎ কেন যেন আমার মনে হলো, ঐন্দ্রিলা হাসছে। ব্যঙ্গের হাসি……… ✔ ভাল লাগলে ১ হলেও রেটিং দিন এতে করে অন্যরাও গল্পটা পরতে উৎসাহীত হবে ✔


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ঐন্দ্রিলা
→ খোলা চিঠি :- ঐন্দ্রিলা দাস
→ ঐন্দ্রিলা (পর্ব ১-৪)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now