বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ড্রাকুলার অতিথি ১১

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X একটা লোক তার ফ্যাকাসে মুখ নিয়ে ভয়ে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে চারদিকটা একবার দেখে নিয়ে বলল, “ওটা ঘরে ফিরে গেছে। এখানে ওর শোয়ার জন্য অনেক কবর রয়েছে। চলে এসো, বন্ধুরা–শিগগির! এই জায়গাটা অভিশপ্ত!” অফিসারটি আমাকে বসালেন। তারপর তাঁর আদেশে কয়েকজন এসে আমাকে ধরে ধরে একটা ঘোড়ার উপর বসালো। তিনি আমার পিছনে বসে আমাকে ধরে রইলেন। এগোনোর নির্দেশ দিলেন। সাইপ্রাস বন ছাড়িয়ে আমরা সামরিক ছন্দে এগোতে শুরু করলুম। কথা বলতে পারছিলুম না বলে চুপ করে রইলুম। বোধহয় ঘুমিয়ে পড়েছিলুম। যখন ঘুম ভাঙল, দেখি আমি দুপাশে দুজন জওয়ানের কাঁধে ভর করে দাঁড়িয়ে আছি। দিনের আলো ফুটে উঠেছে। বরফের অবশেষের উপর উত্তরের পথে রোদের আলো পড়ে পথটাকে রক্ত-রাঙা মনে হচ্ছে। অফিসারটি লোকেদের বলছেন, যা দেখেছো, সে সম্পর্কে কাউকে কিছু বলতে হবে না, শুধু বলবে একজন আগন্তুক ইংরেজকে খুঁজে পেয়েছো, একটা কুকুর তাকে পাহারা দিচ্ছিল। ভয়-পাওয়ার দলের একজন বলে উঠল, “কুকুর! ওটা কুকুর নাকি? আমি জানি, নেকড়ে চিনি নে!” তরুণ অফিসার শান্তভাবে বললেন, “আমি বলছি, ওটা কুকুর।” দিনের আলো দেখে লোকটির হারানো সাহস ফিরে আসছিল, সে ব্যঙ্গভরে বলল, “কুকুর! দেখুন ওঁর গলাটা, ওটা কি কুকুরের কাজ, কর্তা?” কথাটা শুনে গলায় হাত দিলুম, ছুঁতেই ব্যথায় চিৎকার করে উঠলুম। সবাই পিছন ফিরে তাকাল। কেউ কেউ ঘোড়া থেকে নেমে এল। তরুণ অফিসারটি আবার শান্ত গলায় বললেন, “আমি বলছি, কুকুর। অন্য কিছু বললে, লোকে আমাদের কথা শুনে হাসবে।” তারপর এক জওয়ানের পিছনে ঘোড়ায় উঠে পড়লুম। এগিয়ে চললুম মিউনিখের শহরতলির পথ ধরে। এখানে একটা ঘোড়ার গাড়ি পাওয়া গেল। তাতে উঠে আমার হোটেলের উদ্দেশ্যে রওনা হলুম। তরুণ অফিসারটি আমার সঙ্গে চললেন। একজন জওয়ান ঘোড়ায় চড়ে আমাদের অনুসরণ করল। অন্যেরা ব্যারাকে ফিরে গেল। আমরা ফিরতেই হের ডেলব্রুক ছুটে এলেন আমার সঙ্গে দেখা করতে। মনে হল, উনি আমাদের পথ চেয়েই ছিলেন। আমার দুই হাত ধরে তিনি আমাকে এগিয়ে নিয়ে চললেন। অফিসারটি আমাকে স্যালুট ঠুকে বিদায় নিতে চাইলেন। ব্যাপার বুঝে তাঁকে আমার কামরায় আমন্ত্রণ জানালুম। এক গ্লাস পানীয় দিয়ে তাঁকে ও তাঁর সঙ্গীদের আমার প্রাণ বাঁচানোর জন্য কৃতজ্ঞতা জানালুম। তিনি শুধু বললেন, হের ডেলব্রুক প্রথমেই খোঁজ-পার্টি নিয়োগ করে বুদ্ধিমানের কাজ করেছেন। হোটেল-মালিক এই কথায় একটু হাসলেন মাত্র। তারপর অফিসারটি ডিউটির কথা জানিয়ে বিদায় নিলেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ড্রাকুলার অতিথি
→ ড্রাকুলার অতিথি শেষ পর্ব
→ ড্রাকুলার অতিথি ১০
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৯
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৮
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৭
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৬
→ ড্রাকুলার অতিথি ০১
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৫
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৪
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৩
→ ড্রাকুলার অতিথি ০২
→ ড্রাকুলার অতিথি ০১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now