বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তারপর চেঁচিয়ে উঠে বললেন, “সব ঠিক আছে, বন্ধুরা! উনি বেঁচে আছেন!”
আমার গলায় খানিকটা ব্র্যান্ডি ঢেলে দেওয়া হল। তাতে খানিকটা বল পেলুম। এবার চোখ খুলে তাকালুম। চারদিকটা দেখলুম। গাছের আড়ালে আলোছায়া খেলা করছিল। শুনলাম, সবাইকে ডাক দেওয়া হল। সব তাড়াতাড়ি কবরখানা থেকে বেরিয়ে এল। সকলের চোখেমুখে আতঙ্ক। যে লোকগুলো আমার কাছে বসেছিল, তারা জিজ্ঞাসা করল, “তাকে পেলে?”
জবাবে সবাই একবাক্যে বলে উঠল, “না! না! এখুনি চলে আসুন, শিগগির-শিগগির! এখানে থাকা নিরাপদ নয়, আর আজকের রাত্তিরটাও ভাল না!”
তারপর সবাই নানা ভাবে যে প্রশ্নটা করল, সেটা হল, “ওটা কী?” উত্তরটাও এল নানা ভাবে। মনে হল, সবাই একটা কিছু দেখে ভয় পেয়েছে–সেই ভয়ের দ্বারা তাড়িত হয়েই কথা বলছে।
“ওটা–ওটা–অবশ্যই!” একজন বিড়বিড় করে কী বলতে গেল, কিন্তু কোনো কথা খুঁজে পেল না।
“নেকড়ে–আবার নেকড়ে নয়!” আর একজন ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে বলল।
তৃতীয়জন সাদামাটাভাবে বলল, “পবিত্র বুলেট ছাড়া তাকে মারার চেষ্টা করা বৃথা।”
চতুর্থ জন বললে, “আজকেড় রাতে যেটুকু করতে পেরেছি তাই অনেক–লাখ টাকার কাজ করেছি!”
আর একজন বললে, “ভাঙা শ্বেতপাথরে রক্ত দেখলুম। নিশ্চয়ই বাজ পড়ে ওখানে রক্ত আসেনি। আর উনি–উনি কী নিরাপদ? ওঁর গলাটা দেখুন! বন্ধুরা দেখো, নেকড়েটা ওঁর বুকের উপর বসে ওঁর রক্তকে গরম রেখেছিল।”
অফিসার আমার গলা পরীক্ষা করে উত্তর দিলেন, “উনি ঠিক আছেন, চামড়ায় ফুটো নেই। কিন্তু এর মানে কী? ওই নেকড়েটা চিৎকার না করলে আমরা ওঁকে খুঁজেও পেতাম না।”
“ওটার কী হল?” যে লোকটি আমার মাথা ধরেছিলেন, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন। এঁকে ততটা ভীত মনে হল না–তাঁর হাত শক্ত ছিল, কাঁপুনির কোনো লক্ষণ দেখা দেয়নি। তার স্লিভে দেখলাম জুনিয়র অফিসারের শেভরন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now