বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ড্রাকুলার অতিথি ০৪

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X শেষকালে সে মরিয়া হয়ে চিৎকার করে উঠল “Walpurgis nacht!” বলেই আমাকে গাড়িতে ওঠার জন্য অঙ্গুলিনির্দেশ করল। এতে আমার ইংরেজ-রক্ত উঠল টগবগিয়ে ফুটে। পিছিয়ে এলুম। বললুম, “তুমি ভয় পাচ্ছ, জোহান–আচ্ছা, তাহলে বাড়ি ফিরে যাও। আমি একাই ফিরব। একটু হাঁটাহাঁটি করা আমার পক্ষে ভালই।” গাড়ির দরজা খোলা ছিল। আমার ওক কাঠের লাঠিটা সিট থেকে বের করে নিলুম–ছুটিছাঁটায় হাঁটতে বেরোলে এই লাঠিটা সঙ্গে নিয়ে বের হই–তারপর দরজা বন্ধ করে দিয়ে মিউনিখের দিকে নির্দেশ করে বললুম, “বাড়ি যাও, জোহান–ইংরেজ ওয়ালপারজিস রাতকে ডরায় না।” ঘোড়াগুলি ততক্ষণে ভীষণই অশান্ত হয়ে উঠেছে। তাদের ধরে রাখার চেষ্টা করতে করতেই জোহান আমাকে মিনতি করে বলতে লাগল, বোকার মতো কাজ না করতে। বেচারিকে দেখে দয়া হচ্ছিল–কুসংস্কার মাথাটি খেয়ে বসেছিল তার; আবার না হেসে ও পারছিলাম না। উত্তেজনার বশে সে ভুলেই গিয়েছিল যে, তার ভাষা আমি বুঝি না; সে ইংরেজি ছেড়ে কথ্য জার্মানেই বকরবকর করে যেতে লাগল। শেষটায় যখন আর সহ্য হল না তখন রাস্তার দিকে দেখিয়ে বললাম, “বাড়ি!” বলেই পিছন ফিরে চৌমাথায় নেমে উপত্যকার দিকে এগিয়ে চললাম। সে হতাশ হয়ে শেষে ঘোড়া ঘোরালো মিউনিখের দিকে। আমি লাঠিতে ভর দিয়ে একবার পিছন ফিরে দেখলাম। প্রথমটা সে রাস্তা ধরে আস্তে আস্তে চলেছিল। তারপরই পাহাড়ের মাথায় একটা লম্বা রোগা লোকের আবির্ভাব ঘটল। দূর থেকে এটুকুই দেখতে পেলাম–লোকটা ঘোড়ার দিকে এগোতেই, ঘোড়াগুলো লাফিয়ে উঠে পা ছুঁড়তে ছুঁড়তে ভয়ে চিৎকার করতে লাগল। জোহান আর তাদের ধরে রাখতে পারল না। তারা তীরবেগে ছুট দিল পথ ধরে। দেখলাম, তারা দৃষ্টির আড়ালে হারিয়ে গেল। আগন্তুকের দিকে চোখ ফিরিয়ে দেখলাম, সেও ততক্ষণে চলে গিয়েছে। জোহান যে নিচু উপত্যকায় যেতে আপত্তি করছিল, পথ ধরে তার দিকেই চললুম নিশ্চিন্ত মনে। জোহানের আপত্তির কোনো কারণই খুঁজে পেলুম না। কয়েকঘণ্টা ঘোরাঘুরি করলুম। কত সময় বয়ে গেল, কত দূর এলুম–এসবের খেয়াল রইল না। তবে বাড়ি বা লোকজন কিছু চোখে পড়ল না। কেমন নির্জন পরিত্যক্ত গোছের জায়গা। এই ব্যাপারটা আগে খেয়াল হয়নি। রাস্তার বাঁকে এসে কয়েকটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাঠের বাড়ির ধ্বংসস্তুপ দেখে বুঝলাম যে আমাকে যা মুগ্ধ করছিল, তা এই জায়গাটার পরিত্যক্ত রূপটি ছাড়া আর কিছুই না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ড্রাকুলার অতিথি
→ ড্রাকুলার অতিথি শেষ পর্ব
→ ড্রাকুলার অতিথি ১১
→ ড্রাকুলার অতিথি ১০
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৯
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৮
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৭
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৬
→ ড্রাকুলার অতিথি ০১
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৫
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৩
→ ড্রাকুলার অতিথি ০২
→ ড্রাকুলার অতিথি ০১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now