বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ড্রাকুলার অতিথি ০৩

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান S M Fahim Ahmed (আম্মুর রাজপুত্র) (০ পয়েন্ট)

X “নেই?” আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “কিন্তু অনেক কাল আগে তো নেকড়েরা শহরের কাছেই থাকত, তাই না?” সে জবাব দিল, “অনেক অনেক আগে। তাও বসন্তে আর গ্রীষ্মে। কিন্তু বরফের মরসুমে নয়।” ঘোড়াগুলির গায়ে হাত বোলাতে বোলাতে সে তাদের শান্ত করতে লাগল। আকাশে একটা কালো মেঘ দ্রুত এগিয়ে এল। রোদ পড়ল ঢাকা। একটুখানি ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লাগল। একটুখানিই। বোধহয় সতর্ক করে গেল। কারণ খানিক বাদেই আবার সূর্য মুখ দেখালেন। জোহান দিগন্তের দিকে আঙুল তুলে বলল, “বরফের ঝড়। অনেক দিন আগে এসেছিল।” তারপর আর একবার ঘড়ি দেখল। লাগামটা শক্ত করে ধরে রইল। কারণ ঘোড়াগুলো মাটিতে খুরের আঘাত করতে করতে অস্থির হয়ে মাথা ঝাঁকাচ্ছিল। এবার সে বক্সে উঠে গেল। বলতে চাইল, যাওয়ার সময় হয়েছে। আমার ব্যাপারটা কেমন অদ্ভুত লাগল। তখনই গাড়িতে চড়লুম না। আমি রাস্তাটার দিকে আঙুল দেখিয়ে বললাম, “ওই রাস্তাটা কোথায় গেছে?” সে আর একবার বুকে ক্রুস এঁকে খানিকটা বিড়বিড় করে প্রার্থনা করে বলল, “ওটা অপবিত্র।” আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “কি অপবিত্র?” “গ্রামটা।” “ও! ওখানে গ্রাম আছে?” “না না। ওখানে কয়েকশো বছর কেউ থাকে না।” আমার কৌতুহল বেড়ে গেল, “তবে যে বললে ওখানে গ্রাম আছে।” “ছিল।” “এখন কোথায় গ্রামটা?” জার্মান-ইংরেজি মিশিয়ে সে আমাকে একটা লম্বা গল্প শোনাল। তার সবটা যদিও বোধগম্য হল না–কিন্তু এটুকু বুঝলুম, অনেকদিন আগে, মানে বেশ কয়েকশো বছর আগে, এখানে কিছু লোক মারা যায় এবং তাদের কবর দেওয়া হয়। কিন্তু মাটির তলা থেকে আশ্চর্য শব্দ শুনে লোকেরা কবর খুঁড়ে দেখে, সেখানে শায়িত নরনারীর দেহে হৃদয়ের স্পন্দন আর মুখে লাল রক্ত লেগে। তখন তারা ভয় পেয়ে যায়। নিজেদের প্রাণ বাঁচানোর জন্য (এবং অবশ্যই নিজেদের আত্মাকেও বাঁচানোর জন্য! একথা বলে জোহান আর একবার বুকে ক্রুস আঁকল।) তারা সবাই সেই জায়গা ছেড়ে পালিয়ে এমন জায়গায় চলে যায় যেখানে জীবিতরা জীবিত আর মড়ারা মড়াই–অন্য কিছু না। শেষ কথাটা সে বেশ ভয়ে ভয়ে বললে। গল্পটা বলতে বলতে সে ভারি উত্তেজিত হয়ে পড়ল। মনে হল যেন, কল্পনাই ভর করেছে থাকে। শেষকালটায় দেখি ভয়ে তার মুখখানা সাদা হয়ে গেছে; ঘামতে ঘামতে আর কাঁপতে কাঁপতে চারপাশে এমন করে তাকাচ্ছে যেন এই প্রকাশ্য দিবালোকেই কোনো অশরীরী আতঙ্ক তার চারপাশে সে ঘুরতে দেখছে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ড্রাকুলার অতিথি
→ ড্রাকুলার অতিথি শেষ পর্ব
→ ড্রাকুলার অতিথি ১১
→ ড্রাকুলার অতিথি ১০
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৯
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৮
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৭
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৬
→ ড্রাকুলার অতিথি ০১
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৫
→ ড্রাকুলার অতিথি ০৪
→ ড্রাকুলার অতিথি ০২
→ ড্রাকুলার অতিথি ০১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now