বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
ভালোবাসার জন্য দিবসের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন শুধু একটা সুন্দর মন ও পরিচ্ছন্ন হৃদয়ের
X
স্ত্রী- ওই ওঠো,নামাজ পড়তে যাবানা.....???
স্বামী- হুম,আরেকটু ঘুমাই না.....প্লিজ
স্ত্রী- না,আর একটুও না,ওঠ বলছি, তা নাহলে পানি ঢেলে দিবো উপর.......
স্বামী- কি আর করার বেচারার, যার কারনে বাধ্য হয়ে উঠতে হলো.....
ফ্রেস হয়ে স্ত্রীকে ডাকছে,কই গো একটু এদিকে আসো......
স্ত্রী- আবার কি হলো......?(রান্না ঘর থেকে)
স্বামী- একটু আসো না বউ,এরকম করো কেন........(নরম স্বরে)
স্ত্রী- (কিছুটা বিরক্ত হয়ে)কি হেয়েছে কি বলো,তোমাকে নিয়ে আর পারলাম না.......
স্বামী- আরে আসোই না.......
স্ত্রী- হুম আসলাম,কি হয়েছে মহারাজের....!!শোনি তো......!!
স্বামী- স্ত্রীকে বাম হাত দিয়ে বুকের সাথে ঝরিয়ে ধরলো......
স্ত্রী- আরে,আরে, কি করছো......?
ছাড়ো বলছি কেউ দেখে ফেলবে.....
''স্বামী স্ত্রীরির এমন ছটফট দেখে মুচকি মুচকি হাসছে।এবার ডান হাত দিয়ে স্ত্রীর মুখখানা উপরে তুলে কপালে একটি ছোট ভালবাসার চুম্বন একে দিলে.....
স্ত্রী স্বামীর এই ভালোবাসার ছোয়া পেয়ে,চোখ নিম্নগামী করে লাজুক লতা হয়ে রইলো.......
মুচকি হাসির রেখা ফুটলে তার গালে.......
এবার স্বামী স্ত্রীরির চাঁদমুখটা উপরে উঠিয়ে চোখে চোখ রেখে বললো,জান পাখি!রাসূল (সঃ) কখনো কখনো নামজে যাওয়ার আগে আম্মাজান আয়শা (রাযিঃ) কে চুম্বন করে যেতেন।তাই আমিও তোমাকে চুম্বন করে রাসূলের পবিএ সুন্নতের মধ্যে একটি আদায় করলাম।এবার যাও আমার জানপাখি, রান্না করো গা......
স্বামী নামাজে চলে গেলো, স্ত্রীর মনে তখন এক ভালবাসার জন্ম নিলো যার কোন তুলনা হয় না.....
মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলো, এই ভালোবাসার মানুষটিকে সে কখনো কষ্ট দিবে না। অন্ততকাল তার কল্যাণ কামনায় নিয়োজিত থাকবে। চিরকাল কৃতজ্ঞ ও অনুগত হয়ে থাকবে স্বামীর। তার প্রতিটি ভালো লাগা ও পছন্দের প্রতি নজর রাখবে সে।
,
,
রাসূল সা: স্বীয় স্ত্রীদেরকে কিভাবে ভালোবাসতেন, সেসব জেনে আমল করার দ্বারা একদিকে যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার মহব্বত বৃদ্ধি পাবে, অপরদিকে একটি সুন্নতের উপরও আমল হবে। ভালোবাসার জন্য দিবসের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন শুধু একটা সুন্দর মন ও পরিচ্ছন্ন হৃদয়ের। তবেই প্রতিনিয়ত ভালোবাসা প্রকাশ পেতে থাকবে। ভ্যালেন্টাইন,টা
ইটানিক আর ফরহাদ, মজনুকে নয়। ভালোবাসার প্রতীক বানাও রাসূলকে সা:। সর্বক্ষেত্রেই তাঁর আদর্শে রয়েছে শান্তি ও সুখের বার্তা। যা অনাবিল শান্তির পথ উন্মুক্ত করবে।!!!!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now