বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এভাবেই প্রথমদিন পরিচয় হয় রিমির সাথে। আস্তে আস্তে ভালো বন্ধুত্ব গড়ে উঠে আমাদের মধ্যে।
প্রায় প্রতিদিনই বিকালে ছাদে দেখা হতো আমাদের। একসময় এই দেখা আর ছাদেই সীমাবদ্ব রইল না, আমরা মাঝে মধ্যেই লুকিয়ে লুকিয়ে
বিভিন্ন পার্ক, সিনেমা হল, লং ড্রাইভে যেতাম সবার অজান্তেই। ফোনে ঘন্টার পর ঘন্টা রিমির সাথে কথা বলতাম, এছাড়াও ফেসবুকিং তো ছিলই।
রিমিকে আমি যেখানেই যাওয়ার অনুরোধ করতাম সেখানেই রিমি যাওয়ার জন্য হ্যা করে দিতো,
কখনই না করতো না। এতোটাই বিশ্বাস করতে ও আমাকে। যাইহোক এক সময়, ওর প্রতি আমার একটা অন্যরকম মায়া কাজ করতো,
যা আগে কখনই কোনো মেয়ের প্রতি জন্মায়নি। যাইহোক, এই বিষয়টাকে এতো গুরুত্ব দেইনি আমি।
কিন্তু এই ভালো লাগা ও মায়ার তাৎপর্যতা তখনি বুজলাম যখন ও কলেজ ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে গেল কয়েকদিনের জন্য।
তখনি আমি ওর একাকীত্বতা বুজতে পারলাম, যখন আমি ওকে ফোনে পাচ্ছিলাম না, না পাচ্ছিলাম ফেসবুকে। পুরো পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম।
কিছুতেই সময় কাটছিল না। কোন কিছুই ভালো লাগছিল না, মন চাইছিল ওর কাছে ছুটে যাই, এবং ওর কাছে সব কিছু যে আমি ওকে কতটা মিস করি।
প্রায় ১২ থেকে ১৩ পর, রিমি গ্রাম থেকে ফিরেছে। ওর প্রতি খুব রাগ হচ্ছিল, কিন্তু মনে মনে অনেক আনন্দ লাগছিল এই ভেবে যে, ও আবার ফিরে এসেছে।
প্রতিদিনের মত আজও ছাদে বসে আছি, একটু পরে লক্ষ করলাম যে রিমি আমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে। অকে দেখেই আমি এমন ভাব নিলাম যে আমি খুব রেগে আছি। অভিনয়ে কাজ হয়েছিল বটে, কিন্তু বেশিক্ষন
ঠিকতে পারিনি। ওর মায়াবী মুখের চাহনি দেখে আমি রাগী মুখটা আর ধরে রাখতে পারিনি। ওকে দেখামাত্রই মুখে এক অচিন হাসির উদয় হলো। যে হাসির অর্থ আমারও ঠিক জানা ছিল না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now