বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ছোট্ট একটা ভালবাসার গল্প

"স্মৃতির পাতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাকিল আহমাদ(guest) (০ পয়েন্ট)

X তখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি।স্কুলে যেয়ে বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা আর আড্ডা দিতেই আমি বেশি সাচ্ছন্দবোধ করতাম।খুব একটা ভাল ছাত্র আমি ছিলাম না।তবে সবাই বলতো,আমি নাকি চেস্টা করলে ক্লাসের সেরা ছাত্র হতাম।যাই হোক.....এর মাঝেই এক টা ছেলে আমাদের ক্লাসে ভরতি হয়।ওর নাম নিলয়।প্রথম তো ওর সাথে কথাই বলতাম না কিন্তু কিছুদিন যাওয়ার প রই ওর সাথে আমার বন্ধুত্ব হয়ে যায়।আর এখন আমাদের বন্ধুত্ব এমনই যে ক্লাসে সব সময় আমরা এক সাথে থাকি,এক সাথে খেলাধুলা করি,ঘুরে বেড়াই ইত্যাদি।আর ও এখন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। ক্লাস সেভেন থেকে আম রা এখন এইটে নতুন।কিছুদিন ক্লাস করার পর.....আজ নিলয় আমায় নাকি একটা কথা বলবে..যেটা ও আমায় ওনেক আগেই জানাতে চাইলেও লজ্জায় বলে নাই।যাই হোক ও নাকি আমাদের ক্লাসের একটা মেয়েকে ভালবাসে।নাম নিলা।কিন্তু ও নিলাকে একথা বলতে খুব লজ্জা পাচ্ছিলো।এইটে থাকতে নিলয় প্রপোজ না করলেও ব্যাটা নাইনে গিয়ে ঠিকই প্রপোজ করল।চিঠিতে.....!আর মাধ্যম ছিলাম আমি।নিলা..চিঠি পাওয়ার অনেক দিন পর আমায় একটা চিঠি দিলো...যেখানে লেখা ছিল আমিও তোমাকে ভালবাসি।মানে প্রেমটা হয়ে গেল।এখন ওরা প্রতিদিন চিঠিতে কথা বলে আর ওটা পাঠানোর দায়িত্ব আমার। এভাবে ওদের প্রেমালাপ চলতেই থাকলো। আর আমরাও স্কুল জিবন শেস করে কলেজ জিবনে পা দিলাম।কিন্তু কিছুদিন পর নিলা খবর দিল,বাড়ি থেকে ওর বিয়ে দেয়ার কথাবার্তা চলছে।এদিকে সামনেই আমাদের ইন্টার পরিক্ষা।আর পরিক্ষার পরই নিলার বিয়ে।নিলয়ের তো এখন সে যোগ্যতা নেই যে নিলার বাবাকে যেয়ে তাদের ভালবাসার কথা বলবে।আবার বাড়ি থেকেও এটা মেনে নেবে না।তাই উপায় না পেয়ে ওরা শে'স পরিক্ষার দিন পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।আর এখানেও আমারই ওদের সাহায্য করতে হয়েছে।নিলয় আর নিলার ভালবাসার খবরটা নিলয়ের মামা জানত।মামা নিলয়কে খুব ভালবাসত,তাই ওরা ওখানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।কারণ নিলয় জানত মামা তাকে কখনোই ফিরিয়ে দিবে না। আজ আমাদের শে'স পরিক্ষা,পরিক্ষাটা দিয়েই আমরা এক সাথে হই।আমি আগে থেকেই সব ঠিকঠাক করে রেখেছিলাম।এখন শুধু ওদের বিদায় দেয়ার পালা।আমি ওদের বিদায় দিয়েই বাড়ি চলে আসি। ওদের বাড়ির লোকেরা অনেক খোজার পর জানতে পারে ওরা নিলয়ের মামার কাছে।পরে নিলয়ের মামা দুই পরিবারকে বুঝিয়ে ওদের বিয়ে পাকাপাকি করে দেয়। কিন্তু কেনো আজ আমার এমন মনে হয়?আমি আমার জিবন থেকে কিছু একটা হারিয়ে ফেলেছি।যা আর কখনই ফিরে পাব না।হাজার চেস্টা করলেও আর তা আমি ফিরে পাব না.... হ য়তো মনের অজান্তেই আমি নিলাকে ভালবেসেফেলেছিলাম..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now