বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রথম কথাটা শুরু হলো পিঠুনী দিবো শব্দটা দিয়ে ! অবাক হয়ে গেলাম, মার খাব কেনো? তাই রুপন্তীকে প্রশ্ন করলাম, মারবা কেন? উত্তর আসলো গতকাল আমার চুল কেঁটে দিবে বললে কেনো পঁচা ছেলে। দাড়ান আমার পরিচয়টা নিয়ে নেন, নয়তো আমাকে চিনবেন কিভাবে? আমি সোহান। অনার্স ১ম বর্ষে পড়ি। আর এতোক্ষণ যার কথা বলছিলাম উনি হলেন রুপন্তী। গল্প পড়তে ভিষন ভালোবাসেন, সাথে ঝগড়াটাও কিন্তু ভালো পারেন। তো আজকে রুপন্তীর সাথে whatsapp এ চ্যাট হইছিলো তা নিয়েই লিখতে বসলাম।
আজকে রপন্তী কথাটা শুরু করছিলো অনেক কষ্ট নিয়ে, কারণ হলো আজ রুপন্তীকে আন্টি মনি বৃষ্টিতে ভিজতে দেন নি। পাগলিটার অনেক পছন্দ বৃষ্টিতে ভিজে কল্পনায় ছবি আকাঁ, প্রকৃতিকে উপভোগ করা। তাতো আর হলো না, তাই রুপন্তী আমার কাছে এর শোক প্রকাশ করলেন,
রুপন্তী: জানো আজ বৃষ্টিতে ভিজতে পারি নি, আফসোস!
আমি : ভালো হইছে, নয়তো জ্বর হতে পারে।
রুপন্তী : ধুর! কিছুই হয় না ।
আমি : আচ্ছা ঠিক আছে, আর শোন প্রোফাইলের ফটোটা কি তোমার ? ( এখনও রুপন্তী পিক দেখিনি, তাই বললাম)
রুপন্তী : না ওটা আমার pic না ।
আমি : মিথ্যে বলতেছো ওটা তোমার pic!
রুপন্তী রেগে গিয়ে বললো) খুন করবো তোমাকে, বেশি চিনো আমাকে!
আমি : তাহলে একটা পিক দাও।
রুপন্তী :আগে তুমি দাও তারপর ;
আমি : শুধুমাত্র তোমার চোখ গুলোর পিক দাও, আর কিছু লাগবে না।
রুপন্তী তখন whatsapp থেকে একটি চোখের ইমোজ দিলো ,আমি বললাম " এটা না তোমার দুটি চোখের পিক দাও"
কিন্তু কাকে কি বলছি, দিতেই চাচ্ছে না। রুপন্তী বললো, " আমি দেখতে তেমন ভালো না " মেজাজটা এতোটাই খারাপ হলো, আমি কাজী নজরুলের ভক্ত ' মানুষের মনকেই সর্বদা বিচার করি, এখানে চেহারার কথা আসলো কোথা থেকে?
আমি : তোমাকে কাছে পেলে......
রুপন্তী : কি করতে?
আমি : থাপ্পর মারতাম, যদি আবার বলো তাহলে খবর আছে।
রুপন্তী : কি করবা ?
আমি : সেটা বলা যাবে না।
রুপন্তী : ওহহহহ, আমিও তোমাকে দেখবো ( আমার ছবি একবার দেখেছিল কিন্তু এখন আবার বাহানা করছে দেখার জন্য। কিন্তু আমি ছবি তুলি না, কারণ আমার ছবি তোলা মোটেও পছন্দ না।)
আমি : আচ্ছা, কলেজে যাব ১০ তারিখ তারপর ছবি তোলে দিব।
রুপন্তী : ঠিক আছে, এখন কি আমাকে দেখবা ?
আমি : ( অনেক খুশি হয়ে) প্লিজ দাও।
রুপন্তী : প্রোফাইলে দেই ;
আমি : ঠিক আছে, দাও তবে এখানে দিলে ভালো হয়।
রুপন্তী : এখানে সম্ভব না, প্রোফাইলে দিচ্ছি।
তারপর একটা প্রোফাইল পিক দেখতে পেলাম। সাথে সাথে ডাউনলোড করে নিলাম, কারণ আমি জানি রুপন্তী একটু পর পিকটি সরিয়ে নিবে।
পিকটি গ্যালারী থেকে ওপেন করলাম। তারপর আমি প্রায় অজ্ঞান হওয়ার মত অবস্থা। এতো সুন্দর কোনো মানুষ হয়! রুপন্তী ছবিটি তুলছিল গোসলের পর তাই চুলগুলো ভিজে মুখের মধ্যে এসে পড়ছিল। আহারে কি সুন্দর মায়াবী চেহারা, গোলাপকেও হার মানাবে এতো সুন্দর দুটি ঠোঁট, কালো হরিণের চোখ, লম্বা চুল, মৃদু হাসি, কিরকম করে চেয়ে আছে। পৃথিবীর মধ্যে এমন কোনো ছেলে আছে বলে মনে হয় না, যে রুপন্তীর প্রেমে না পড়ে থাকতে পারবে। আস্তো একটা কিউটের ডিব্বা। একে নিয়ে যদি গল্প না লিখি তাহলে আমার গল্প লেখা বৃথা যাবে তাই গল্প লেখা শুরু করে দিলাম। গল্প লেখা কথা রুপন্তীকে বলার পর সে আমাকে পাগল বলে ! তবে হ্যা রুপন্তী আমার গল্পের দারুন ভক্ত, এরকম ফ্যান পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার
অবশ্যই ছবিটি দেখার পর প্রায় আধো পাগলই হয়েছিলাম। সারারাত ছবিটির দিকে চেয়ে কল্পনা করেছি, কেনো মোনালিসার ছবিটি সেরা বলা হয়? রুপন্তীকে কি কারও চোখে পড়ে না। এখনও আছি সেই কল্পনার ঘোরে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now