বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ভালোবাসি তোমাকে ভালোবাসি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MD EMRAN HOSSAIN (০ পয়েন্ট)

X ইমরান ঢাকা ভার্সিটির মাইক্রোবায়োলজি ডিপারটমেন্টের ছাত্র। খুব দুষ্ট প্রকৃতির হলেও ক্লাসের সময় খুব মনযোগী থাকে। ক্লাসের সবাই ওকে ভালো করেই চিনে। ওর একটা ভালো গুন আছে ও সবাইকে অনেক হাসাতে পারে যেটা সবাই পারে না। মাত্র একমাস হল ওদের ক্লাস শুরু হয়েছে। সবাই ইমরানকে ভালোভাবে চিনলেও ও সবাইকে এখনও ভালোভাবে চিনে না ইমরান। টি এস সি তে আড্ডার পর সন্ধ্যায় বাড়ী ফিরছিল অনিক। বাহিরে অনেক বৃষ্টি। বাসে বসে আছে অনিক। কিছুদুর যেতে না যেতেই অনিক খেয়াল করল ওর পাশে একটি মেয়ে বসে আছে। বৃষ্টিতে প্রায় ভিজে গেছে মেয়েটা। মেয়েটার দিকে তাকাতেই অনিক দেখলো মেয়েটি ওর ক্লাসমেট। ওর নাম সীমা। বাসের ভিতর এক লোক রুমাল বিক্রি করছিল। অনিক একটা রুমাল কিনে সীমাকে দিয়ে বলে ভালোভাবে মাথাটা মুছে নিতে। সীমা অবাক হয়ে ওর দিকে তাকায়। রুমালটা নিয়ে ইমরানকে ধন্যবাদ জানায় সীমা। ইমরান মেয়েদের সাথে তেমন একটা কথা বলতো না। সীমাকে চিনলেও ক্লাসে ওর সাথে কথা বলা হয়নি ইমরানের। বাসেও তেমন কথা হয়নি ওদের। কিছুক্ষণ পর বাস থামতেই অনিককে বিদায় দিয়ে বাস থেকে নেমে যায় সীমা। পরদিন সকালে ক্লাসের ফাকে ইমরানের পাশে এসে বসে সীমা। ওদের মধ্যে অনেক কথা হয়। রাতের ঘটনারর জন্য আবার ইমরানকে ধন্যবাদ দেয় সীমা। তারপর ইমরানের ফেসবুক আইডি নেয় সীমা। এভাবেই শুরু হয় ওদের বন্ধুত্ব। তারপর থেকে সীমার বেশিরভাগ সময় কাটতো ইমরানের সাথে চ্যাট করে। সারা রাত দুজনের চ্যাট হতো। ক্লাসেও ওরা একসাথে বসতো। ইমরানের ছোট খাটো দুষ্টুমি, সবাইকে হাসানো, এগুলো ওর খুব ভালো লাগতো। ক্লাসের পর ওরা একসাথে ঘুরতে যেত। কখনাও টি এস সি,কখনো কার্জন হল,কখনও বা শহিদ মিনারে। এভাবেই কেটে যায় কয়েক মাস,শুরু হয় পরীক্ষা। দুজন ভালোভাবে পড়াশুনা করে। এক মাসের মধ্যে রেজাল্ট দেয়। ইমরান ১ম হয়। সীমা ও ভালো করে। এরপর থেকে কোন টপিক না বুঝলে ইমরানকে ফোন দিতো সীমা। এভাবেই শুরু হল ওদের ফোন আলাপ। যখন সীমার মন খারাপ থাকতো ইমরান ফোন করে ওকে হাসাতো। ধিরে ধিরে ওদের দুজনের প্রতি দুজনের ভালো লাগা সৃষ্টি হয়। কিন্তু কেউ কাউকে কিছুই বলে না। সীমার সাথে যখনই ইমরানের দেখা হত তখনই ইমরান ওকে চকলেট দিত। কারণ সীমা একদিন অনিককে বলছিল চকলেট ওর অনেক প্রিয়। তাই ইমরান প্রতিবার চকলেট দিত এভাবে অনেকদিন চলার পর অনিক ভাবে এবার সীমাকে ওর ভালোবাসার কথা বলবে। তাই সে সীমাকে ফোন দেয়। কিন্তু ফোন বন্ধ পায় অনিক। তারপর আরও কয়েকবার ফোন করে ইমরান কিন্তু প্রতিবারই ফোন বন্ধ পায় ইমরান। ইমরান ভাবে পরদিন ক্লাসে সব বলবে অনিক কিন্তু পরদিনও ক্লাসে আসে না সীমা। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ক্লাসে আসে না সীমা। ফোন ও যথারীতি বন্ধ। এদিকে ইমরানের মন ছটফট করতে থাকে। সীমার বন্ধুদের কাছ থেকে ওর ঠিকানা নিয়ে সীমার বাসায় যায় ইমরান। ওদের বাসায় কাজের মেয়ে ছাড়া আর কেউ ছিল না। সীমার কথা জিজ্ঞাসা করতেই সে বললো ও এক সপ্তাহ ধরে হসপিটালে ভরতি। একটা মারাত্মক বাস দুর্ঘটনায় ওর এক পা পজ্ঞু হয়ে গেছে। মুখে প্রচন্ড আঘাত পাওয়ায় চেহারা নস্ট হয়ে গেছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ইমরান হসপিটালে যায় এবং দেখে বেডে শুয়ে আছে সীমা। ঘুমিয়ে আছে সে। সীমাকে এই অবস্থায় দেখে মনের অজান্তেই চোখ দিয়ে পানি পরে ইমরানের। সীমার পাশেই অনেকক্ষণ বসে ছিল। সীমার চোখ খুলে দেখে ইমরান ওর পাশে বসে আছে। কিছু যেন বলতে চায় ওর নি:স্পাপ চোখ দুটো। দুজনের চোখেই পানি কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারছে না। হুট করে সীমাকে প্রপোজ করে বসে ইমরান। সীমা অবাক হয় এবং বলে দেখ আমি এখন পজ্ঞু। আমি তোমার জীবনে বোঝা ছাড়া আর কিছুই হতে পারবো না আমাকে ভুলে যাও। ইমরান রেগে যায় এবং বলে আমি তোমার শরীরকে না তোমাকে ভালোবাসি। তুমি যেমনই হও আমি তোমার সাথে বাকি জীবন পার করতে চাই এই কথা বলে সীমার হাত আকড়ে ধরে ইমরান। সীমা কথাটা শুনে কেঁদে ফেলে এবং ভালোবাসি তোমাকে এই বলে শক্ত করে ধরে থাকে মিম..........


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভালোবাসি তোমাকে
→ " আমি তোমাকে ভালোবাসি"
→ সত্যি বলছি তোমাকে আর ভালোবাসি না! (চিরকুট)
→ তোমাকে খুব ভালোবাসি
→ ভালোবাসি তোমাকে তোমাকে আর তোমাকে
→ প্রিয় স্নেহা, কাল তোমার জন্মদিন। তোমাকে কতটা ভালোবাসি তা ইনিয়ে বিনিয়ে লিখা আমার দ্বারা সম্ভব না।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now