বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই আনন্দ একে অপরের প্রাপ্তির সাথে অন্যজনকে বোকা বানানোর ও । আনন্দের ছলাৎ ছলাৎ ঊর্মিমালা আছড়ে পড়ছে তাদের হৃদয় তটিনীর তীরে । তাইতো আহ্লাদে আটখানা হয়ে ছোঁয়া বললো
- বোকা চড়ুই, তুই সত্যিই সারাজীবন বোকাই থেকে গেলি । আজও যে তোকে বোকা বানিয়ে তোর গলায় মালা হয়ে ঝুলে পড়েছি তা তুই বুঝতে পারলি না ।
শিশির এক চিমটে হাসির রেখা এঁকে জানতে চাইলো
- তাই বুঝি! বোকাতো তুমি নিজেই হয়েছো পাগলী ।
তা টুনি আমাকে কেমন করে বোকা বানালো তা যদি একটু বলতে...
.
- তার আগে বল আমি কেমন করে তোর মতো গাধার কাছে বোকা হয়ে গেলাম?
- না, আগে তুই বল ।
- বলেছি না বলতে? আগে বল... (রাগী মুডে)
- না, লেডিস ফাস্ট। তুই আগে বল.. ছোঁয়া একটু থেমে সময় নিয়ে বললো
- আমি সেই ছোট্ট বেলাই তোকে ছেড়ে অনেক দূরে চলেগেছিলাম কিন্তু বিশ্বাস কর আজ এত বছরে ও হৃদয়ের কুঁঠিরে আমার চড়ুইপাখিটাকে ছাড়া অন্যকাউকে বসাতে পারিনি । তারপর যখন এখানে এসেছিলাম তখন তোর আপু সব শুনে বললো যে আমার ভাইটিকে তোমার সাথে একসুতায় বেঁধে দিতে পারি কিন্তু শর্ত আছে । ও আজে বাজে নেশা করে । আর তুমি যদি ওকে সে পথ থেকে ওকে ফিরিয়ে আনতে পার তবেই তা সম্ভব । তাই আমি তোকে ইমপ্রেস করতেই তোর কলেজে যেতাম । আর তুই পড়েগেলি আমার ফাঁদে হাহাহা...
এবার তুই বল আমি কেমন করে বোকা হলাম?
শিশির, ছোঁয়ার কথা শুনে টাস্কি খেয়ে গেলো । তাই বেশ অবাক হয়েই বলল
- তাই? কিন্তু... তুমি এ বাড়িতে আসলে তোমাকে জীবন সাথী হিসেবে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথা আমি আপুকে প্রথমে বলি । তখন আপু তো আমাকে বললো যে ঠিক আছে কিন্তু শর্ত আছে, যে ভাবেই হোক মেয়েটাকে নতুন করে তোর প্রেমে ফেলতেই হবে । যদি পারিস তো বুঝব যে শিশির আসলেই কিছু করতে পারে এবং তখন তার সাথে তোর বিয়ে দিয়ে দিয়ে দেবার দায়িত্ব আমার । আর বলেছিল যে তোমার মাথাতে নাকি সামান্য প্রব আছে কখন কি বলে বসো তা জানো না । তাই উল্টো পাল্টা কিছু বললে যেন কিছু মনে না করি । তাই তুমি নেশাকরার কথা বলাতেও আমি কিছু বলিনি । আমি জীবনে কখনও নেশার দ্রব্য স্পর্শ ও করিনি...
.
দুজন দুজনার কথা শুনে যারপরনাই অবাক হলো । তখন ছোঁয়া বললো তাইত বলি যে শুনেছিলাম চড়ুইটা কখনও কোন মেয়েদের পাত্তা দেইনা কিন্তু সেই উনিই কিনা আমার পিছু ছুটলো? আমি যেখানে চিন্তিত ছিলাম যে মেয়ে হয়ে তোমাকে কিভাবে প্রস্তাব দিব!
কিন্তু আপু এমনটা কেন করলেন?
'জানিনা,তবে হয়ত ছোট বেলাই চুরি করে তোকে ওর পায়েলটা দিয়ে দিয়েছিলাম তার প্রতিশোধ নিছে' শিশির বললো । এই বলে ওরা দুজনেই হাসতে লাগলো ।
শিশির বললো
বাদ দে ওসব যা হবার ভালোই হয়েছে । আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ রাত । এসব কথায় তা নষ্ট করবোনা ।
- তো কি করবি?
- জানিস না বুঝি?
- না
- বল না
- অনেক কিছু
- যেমন?
- তোর মাথা
- আজ থেকে তুই বলবি না । তুমি বলবি, ঠিক আছে?
- পারবনা
- কেন?
- লজ্জা লাগে
- আরে আমার লজ্জাশীল গো । চড়ুইপাখি আসো তোমার লজ্জা ভাঙ্গিয়ে দিই ।
- খবরদার আমাকে ছুঁবিনা টুনি । এই বলে শিশির বেড থেকে নেমে যাচ্ছিলো তখন ছোঁয়া ওকে টানদিয়ে বুকে নিয়ে নিলো আর রচনা করতে চললো এক অন্যরকম ইতিহাস...।
.
.
লেখক: Dh Shishir (মুকুট বিহীন রাজকুমারজকুমার)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now